Blog

  • সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ শান্তি চায় বলেই তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে শান্তি, সাম্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন।

    আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী। আমাদের সরকার সবাইকে নিয়ে শান্তি ও সাম্যের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে চায়। পার্বত্য অঞ্চলের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

    এ সময় নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • অপহৃত ৭০ বাংলাদেশী জেলেকে ফেরত দিলো  আরাকান আর্মি

    অপহৃত ৭০ বাংলাদেশী জেলেকে ফেরত দিলো আরাকান আর্মি

    কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে ধরে নিয়ে যাওয়া অন্তত ৭০ জন বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)।

    এসব জেলেকে ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) একটি প্রতিনিধিদল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টেকনাফের জালিয়াপাড়া ঘাট থেকে নাফ নদীর শূন্যরেখার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

    বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিভিন্ন সময়ে ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেদের মধ্যে অন্তত ৭০ জনকে ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে আরাকান আর্মি। নাফ নদীর শূন্যরেখায় তাদের হস্তান্তর করা হবে। দেশে ফেরত আনার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

    নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় মাছ ধরার সময় বিভিন্ন অভিযানে ট্রলারসহ ধরে নিয়ে যাওয়া অন্তত ২০০ জন জেলে এখনো আরাকান আর্মির হেফাজতে রয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে কিছু রোহিঙ্গা থাকলেও অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক।

  • ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ১২ই ফেব্রুয়ারি ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্যদিয়ে নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
    শনিবার বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়ার ইলিশিয়ায় জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
    বক্তব্যে আরো বলেন,১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মাধ্যমে দেশের বাঁক বদলে যাবে। দেশ নিয়ে বিএনপির যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে তা বাস্তবায়ন করা হবে। জানান,দেশের আঠারো কোটি মানুষের ছত্রিশ কোটি হাতকে কর্মের হাতে পরিণত করতে চায় বিএনপি। যার ফলে দেশে কোন বেকার থাকবে না। নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের কৃষি কার্ড,চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে হেলথ কার্ড দেয়ার কথা জানিয়ে ক্ষমতায় গেলে মাতামুহুরি উপজেলা বাস্তবায়ন,লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করাসহ নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন বিএনপি এই জ্যেষ্ঠ নেতা। ধানের শীষকে মানুষের, গণতন্ত্রের মার্কা উল্লেখ করে তার আশাবাদ দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির স্বার্থে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ ধানের শীষে ভোট দিবেন। #

  • বাঘাইছড়ির দুর্গম ৬ ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে পৌঁছাবে ভোটের সরঞ্জাম: জেলার হেলিসটি ভোট কেন্দ্র ২০টি।

    বাঘাইছড়ির দুর্গম ৬ ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে পৌঁছাবে ভোটের সরঞ্জাম: জেলার হেলিসটি ভোট কেন্দ্র ২০টি।

    আসন্ন ১২ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৯৯ রাঙামাটি আসনের বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ৬টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভোটের সরঞ্জাম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পৌঁছে দেওয়া হবে।
    কেন্দ্রগুলো হলো—দোসর, নিউলংকর, ভাইবোনছড়া, শিয়ালদাহ, তুইছুই ও বেটলিং।
    ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.জাহিদুল ইসলাম জাহিদ(পিএসসি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    এ সময় মারিশ্যা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শাহীনুর রহমান এবং মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন অমিত কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।
    জোন কমান্ডার জানান,২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের হেলিপ্যাড ব্যবহার করে বিজিবির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মারিশ্যা জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ২টি কেন্দ্র এবং সাজেক এলাকার ৪টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারযোগে ভোটের সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের পৌঁছে দেওয়া হবে।
    তিনি আরও বলেন,বাঘাইছড়িতে সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পাহাড়ি এলাকায় ভোটারদের জানমালের নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন,উন্নত যোগাযোগ সরঞ্জাম ও নাইট ভিশন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
    ইতোমধ্যে ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন এলাকায় ৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।#

    জেলার তথ্য
    জেলার নাম : রাঙ্গামাটি
    মোট সংসদীয় আসন সংখ্যা : ১
    পৌরসভা -২ টি
    উপজেলা -১০ টি
    মোট কেন্দ্র সংখ্যা : ২১৩
    মোট হেলিসটি কেন্দ্র : ২০ টি
    মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৯৯৮
    জেলায় মোট পুরুষ ভোটার: ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪১০ জন
    জেলায় মোট মহিলা ভোটার : ২ লাখ৪৫ হাজার ৮৫৫ জন
    জেলায় মোট হিজরা ভোটার : ২ জন
    জেলায় মোট নতুন ভোটার : ২৭ হাজার ৫শত ৯৮জন
    জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা : ৫ লাখ ৯হাজার ২৬৭ জন। ##

  • দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মগনামা–কুতুবদিয়া রুটে সি-ট্রাক চালু

    দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মগনামা–কুতুবদিয়া রুটে সি-ট্রাক চালু

    কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত হলো নতুন মাত্রা। পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া নৌ রুটে আধুনিক ও নিরাপদ সি-ট্রাক চালুর মাধ্যমে দ্বীপটিতে নৌ যোগাযোগের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এতে যাত্রী চলাচলের পাশাপাশি পর্যটন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে মগনামা–কুতুবদিয়া নৌ রুটে সি-ট্রাক চলাচলের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দ্বীপবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।

    বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা কুতুবদিয়া উপজেলার আয়তন প্রায় ২১৬ বর্গকিলোমিটার। প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস এই দ্বীপে। দীর্ঘদিন ধরে কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল কাঠের নৌকা, ট্রলার, ড্যানিশ বোট ও স্পিডবোট।

    পেকুয়ার মগনামা ঘাটই বড়ঘোপ ও দরবার ঘাটসহ কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের প্রধান যোগাযোগ কেন্দ্র। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তাল কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপের বাসিন্দাদের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পর্যটকরা যাতায়াত করেন। তবে সাগর উত্তাল থাকলে, বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে, এই নৌপথ হয়ে উঠত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়তেন যাত্রীরা।

    এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরে মগনামা- কুতুবদিয়া রুটে নিরাপদ ও আধুনিক নৌযান চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন দ্বীপবাসী। সি-ট্রাক চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, এতে সময় ও ঝুঁকি দুটোই কমবে। পাশাপাশি তারা এই রুটে ফেরি চালুর দাবিও জানান।

    উদ্বোধন শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সি-ট্রাকে করে মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়ায় যান। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, খুব শিগগির মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়ায় ফেরি চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
    এ ছাড়া ঘাটকেন্দ্রিক কোনো ধরনের রাজনীতি না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি সতর্কবার্তাও দেন তিনি।

    দুই শত যাত্রী ধারণক্ষমতার এই সি-ট্রাকটি প্রতিদিন পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে সকাল ৯টা, দুপুর ২টা ও সন্ধ্যা ৭টায় কুতুবদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। অপরদিকে কুতুবদিয়া থেকে মগনামা ঘাটের উদ্দেশে সি-ট্রাক ছাড়বে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা, দুপুর ১২টা ও বিকেল ৫টায়। যাত্রীপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা।

    সি-ট্রাক চালুর মাধ্যমে কুতুবদিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টরা।

  • রাজস্থলীতে হাতপাখার প্রার্থী জসিম উদ্দীনের ব্যাপক গণসংযোগ

    রাজস্থলীতে হাতপাখার প্রার্থী জসিম উদ্দীনের ব্যাপক গণসংযোগ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্রবাচন-২০২৬ এ পাহাড়ী জেলা রাঙামাটিতে জিমিয়ে থাকা নির্বাচনী হাওয়ায় উত্তাপ ছড়াচ্ছে ২৯৯ সংসদীয় আসনে হাতপাখা প্রতীকে জসিম উদ্দিন।
    আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারী’২৬) ২৯৯ রাঙ্গামাটি আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর পীর সাহেব চরমোনাই মনোনিত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব জসিম উদ্দীন এর সমর্থনে রাজস্থলী উপজেলা বাজার, শফিপুর, ইসলামপুর, বাঙালহালিয়া বাজার এলাকাজুড়ে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা করা হয়েছে।

    এসময় আলহাজ্ব মুহাম্মাদ জসিম উদ্দীন বলেন
    রাঙ্গামাটিবাসীর জন্য আমাদের অঙ্গীকার শিক্ষায় সমান সুযোগ,স্বাস্থ্যে নিশ্চিত চিকিৎসা,
    কর্মসংস্থানে পাহাড়ি তরুণদের ভবিষ্যৎ,
    আর উন্নয়নে দুর্নীতিমুক্ত ব্যবস্থা।

    এসময় ইসলামী আন্দোলন রাঙ্গামাটি জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক মৃধা, সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুক, উপজেলা সভাপতি মাওলানা ফয়জুল করীম সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

  • রাঙামাটির শিমুলতলীতে সিএনজির উপর মালবাহী ট্রাক চাপায নিহত ১,আহত ১।

    রাঙামাটির শিমুলতলীতে সিএনজির উপর মালবাহী ট্রাক চাপায নিহত ১,আহত ১।

    আজ সকাল ৯টার সময় শহরের শিমুলতলীস্হ চট্টগ্রাম রাঙামাটি মহাসড়কে সরকারী চাউল বোঝাই ট্রাক খাড়া রাস্তার বামে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিছনে থাকা সিএনজি অটো রিক্সার উপর আছঁড়ে পড়ে। এতে সিএনজি ট্রাকের ছাপায় একেবারে লেপ্টে যায়। সিএনজি থাকা অন্য যাত্রীরা বের হতে পারলেও বৃদ্ধা আমেনা নামের এক বেদে নারীর ঘটনাস্থলে মৃত্যু ঘটে এবং একজন আহত হয়।
    এ দূর্ঘটনায় পড়া প্রাণে বেচে যাওয়া এক যাত্রীর বর্ণনায় জানা যায়, তারা দূর্ঘটনায় কবলিত সিএনজিতে করে মানিকছড়ি এলাকায় থেকে রাঙামাটির উদ্যেশ্য আসছিলেন,পথিমধ্যে টিভি সেন্টার এলাকায় আসলে আমাদের সামনে চলা ১টি ট্রাক হঠাৎ করে পিছনের দিকে আসতে থাকে,এসময় আমরা ট্রাকটির পিছনে পিছনে আসতেছিলাম,তখন আমরা ভয়ে আমি ও অন্য যাত্রীরা চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তার পাশে লাফিয়ে পড়ি,পরক্ষণে ট্রাকটি সজোরে আচড়ে পড়ে সিএনিজর উপর। এতে ট্রাকের চাপায় সিএনজিটি একেবারে রাস্তার সাথে লেপ্টে যায় কিন্ত আমরা সকলে বের হতে পারলেও সিএনজিতে আমার পাশে বসা বৃদ্ধ মহিলাটি আর বের হতে পারেননি,উনি ট্রাকের চাপায় পড়ে ঘটনাস্থলে প্রান হারান।
    ঘটনার খবর পেয়ে দূর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস,পুলিশ,সেনাবাহিনীর টহলদল উপস্থিত হয়ে দূর্ঘটনাকবলিত ট্রাক রাস্তা থেকে অপসারণ করে নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করেন। এসময় ঘটবাস্থলে ট্রাক ও সিএনজি চালক হেলারদের কাউকে খুজেঁ পাওয়া যায়নি। দূর্ঘটনার পরপরই তারা পালিয়ে যায় বলে জানান উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা। #

  • ধর্মঘট প্রত্যাহার : মানুষকে জিম্মি করে কোন দাবী মেনে নেওয়া হবে না : নিশাত শারমিন

    ধর্মঘট প্রত্যাহার : মানুষকে জিম্মি করে কোন দাবী মেনে নেওয়া হবে না : নিশাত শারমিন

    রাঙ্গামাটির আইন শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী যেই হোক না কেন সে নির্বাচনের প্রাক্কালে আইন অমান্যকারী হিসেবে গন্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট নিশাত শারমিন। রাঙ্গামাটির মানুষকে জিম্মি করে কোন দাবী আদায় মেনে নেয়া হবে না। তিনি বলেন,সৌদিয়া গাড়ী চলাচল নিয়ে রাঙ্গামাটিতে পাহাড়িকা পরিবনহ বন্ধ করে দেওয়া বড় অন্যায়। এই অন্যায় কোন ভাবে মেনে নেয়া হবে না। আগামী দিনে যেই এই রকম কর্মকান্ডে জড়িত থাকবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    ২২ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটিতে সৌদিয়া পরিবহন বন্ধ রাখার দাবী করে পাহাড়িকা বাস সার্ভিস সহ সকল যাত্রী পরিবহণ বন্ধ করে রাঙামাটি বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন কর্তৃক হঠাৎ ধর্মঘট আহ্বান করার বিষয়ে জরুরী সভায় রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এ কথা বলেন।

    বিশেষ এ জরুরী সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জি টু আই মেজর আশফিক,অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন,রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জসিম উদ্দিন, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল, চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মো: আবু সৈয়দ, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর জ্জামান সোহেল,রাঙামাটি বাস শ্রমিক ইউনিয়ণ সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম,রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: ইলিয়াস, দৈনিক গিরিদর্পন সম্পাদক নন্দন দেবনাথ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    সভায় জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট রাঙ্গামাটি বাস মালিক পক্ষের বিভিন্ন কথা শুনে। এ সময় সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকরা রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম শহরে যানবাহন চলাচলে জিম্মির কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, জন্ম থেকে রাঙ্গামাটির মানুষ জিম্মি হয়ে আছে এই রাউজানের মালিকদের হাতে। এ জিম্মি দশা থেকে কবে মুক্তি পাবে রাঙ্গামাটির মানুষ সেই প্রশ্ন ছুড়ে দেন পরিবহণ নিয়ে আয়োজিত জরুরী সভায়।
    বক্তারা আরো বলেন, দেশের অন্যান পরিবহণের পরিত্যক্ত,লক্কর-জক্কর বাস কম দামে এনে ৩৬ সীটের গাড়িতে ৪০-৪২ সীটে রুপান্তর করে পাহাড়িকা সুপার সার্ভিসের নামে চালানো হচ্ছে রাঙামাটি- চট্টগ্রাম সড়কে। যা অন্য জেলার যাত্রী ও মালিকরা ব্যবহার করছে না, তা আমাদের রাঙামাটিতে চালানো হচ্ছে পরিবহণ সেক্টরের কিছু অসাধু দূর্বৃত্ত নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের চত্রছায়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে,দীর্ঘকাল থেকে জিম্মি করে রেখেছে রাঙামাটি জেলাবাসীকে।
    সভা শেষে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি বাস মালিক সমিতির সভাপতি মো: আবু সৈয়দ রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম,রাঙ্গামাটি-ঢাকা রুটে পরিবহন ধর্মঘট তুলে নেন বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান।

     

  • হঠাৎ ধর্মঘট : বিপাকে-বিড়ম্বনায় মানুষ,পরিবহণ দূর্বৃত্তদের কাছে জিম্মি রাঙামাটিবাসী

    হঠাৎ ধর্মঘট : বিপাকে-বিড়ম্বনায় মানুষ,পরিবহণ দূর্বৃত্তদের কাছে জিম্মি রাঙামাটিবাসী

    গত বুধবার সৌদিয়া পরিবহনের সাথে দ্বন্দের জেরে পর্যটন নগরী রাঙামাটিতে পূর্ব ঘোষনা ছাড়া হঠাৎ করে যাত্রী পরিবহন ধর্মঘট চলছে। চরম ভাোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। নিজ গন্তব্যে যাওয়ার উদ্যেশে ঘর থেকে বের হয়ে বাস স্টেশনে এসে চরম বিপাকে বিড়ম্বনায় পড়েছে যাত্রী সাধারণ। লংগদু উপজেলা থেকে সকালে লঞ্চে শহরে বাস কাউন্টারে আসা অতিশয় বৃদ্ধা ও ক”জন যাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়,সকালে লঞ্চে শহরে আসেন তারা, তাদের সাথে কথা বলতে তারা জানান,বাসের জন্য টিকিট কাউন্টারে এসে দেখি টিকিট কাউন্টার বন্ধ ও জানতে পারি বাস ধর্মঘট চলছে,আমরা এখন পড়েছি মহা বিপাকে,শহরে আমাদের নেই কোন আত্বীয়-পরিচিত স্বজন,নেই কোন থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা,মহা সংকটে আমরা,এখন কোথায় যাব কি করবো বুঝতে পারছিনা।
    দূর্গম উপজেলা বরকল থেকে আসা সোলাইমান জানান,অসুস্থ ভাইকে নিয়ে ঢাকায় চিকিৎসা করাতে রাঙামাটি শহরে এসে জানতে পারি যাত্রী পরিবহণ ধর্মটক চলছে,চরম দূর্ভোগ বিড়ম্বনায় পড়লাম,আগামীকাল ঢাকায় ভাইয়ের চিকিৎসার নিদির্ষ্ট ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টম্যান্ট, যথাসময়ের মধ্য যেতে না পারলে চিকিৎসা করাতে পারবো না। কি করবো এখন ভেবে পাচ্ছিনা,চরম দূ’চিন্তায় আছি। আগে থেকে এ ধর্মঘটের কথা জানতাম না আমরা।
    আজ ২২জানুয়ারী-২৬ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাঙামাটি থেকে দূর- পাল্লার যাত্রীপরিবহন কোন গাড়ী রাঙামাটি ঢাকা,রাজশাহী,চট্টগ্রাম-বান্দরবন-খাগড়াছড়ি উদ্দ্যেশে ছেড়ে যায়নি। এ নিয়ে চরম দূর্ভোগ ও বিড়ম্বনায় পড়েছে রাঙামাটি থেকে অন্য জেলায় গমনা গমনে ঘর থেকে বাহির হওয়া সাধারণ মানুষ। এছাড়া পরিবহণ সংকটের কারণে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান সহ অফিস আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যহত হয়েছে। সারাদেশ ও চট্টগ্রাম সহ দেশের অন্যান জেলায় সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে রয়েছে অনির্দিষ্ট কালের জন্য। রাঙামাটি জেলার দূর্গম উপজেলা থেকে আগত সাধারণ মানুষ ও জেলা আগত পর্যটকগন রাঙামাটি ছেড়ে যেতে পারছেনা যার যার গন্তব্যে,ফলে দূর্ভোগ-দূর্দশা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে তারা।
    তাছাড়া সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়,ধর্মঘটের কারণে মোটর শ্রমিক কর্ম হারিয়ে বেকার অলস সময় পার করছে নিজেদের মধ্য পিকনিকের আয়োজন করে।
    ধর্মঘটের কারণ জানতে চাইলে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল সাহেব ও শ্রমিক ইউনিয়ণ সম্পাদক খোরশেদ আলম জানান,রাঙামাটি থেকে ঢাকা সহ রাজশাহী চাপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ সুনামগঞ্জ এ বেশ কিছু পরিবহন রাঙামাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির সাথে সমন্বয় করে সকল পরিবহণ মালিকদের সাথে আলোচনা করে কিছু নিয়ম-শৃঙখলা নির্ধারণ পূর্বক সাংগঠনিক নিয়ম মেনে নিজেদের গাড়ি নিয়মিত শান্তিপূর্ণ ভাবে যাত্রীসেবা দিয়ে পরিচালনা করে আসছি আমরা দীর্ঘ দিন ধরে।
    হঠাৎ করে সৌদিয়া পরিবহন,অন্যান পরিবহন মালিক ও রাঙামাটি -চট্টগ্রাম বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক সংগঠনে সাথে সমন্বয় না করে একতরফা ভাবে জোর করে নিজেদের ইচ্ছে মত তাদের গাড়িগুলো পরিচালনা করছে,ফলে আজকের সংকটের সৃষ্টি। এ ব্যাপারে আমরা তাদের একাধিকবার আহ্বান করেছি আমাদের সাথে আলোচনা পূর্বক সমন্বয় করে তাদের গাড়িগুলো চালানোর জন্য। কিন্তু এ বিষয়ে তারা কেন কর্ণপাত করছে না। এ বিষয়ে আমরা রাঙামাটি জেলা প্রশাসন সহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পরও কোন সূরহা হচ্ছে না সৌদিয়া পরিবহনের দ্বারা সৃষ্ঠ সমস্যার। তাই আমরা উয়ান্তুর না পেয়ে আজকের পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করেছি।
    এবিষয়ে নাগরিক সমাজ প্রতিনিধি ও রাঙামাটি যাত্রী কল্যাণ সমিতির আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মুন্না বলেন,সৌদিয়া পরিবহনের সাথে সমস্যা,সৌদিয়া পরিবহন বন্ধ রাখতে পারে,কিন্তু সব পরিবহন বন্ধ করে দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে,মানুষের জীবন যাত্রা বন্ধ করে দেওয়া কোন যুক্তি হতে পারে না,এটা সম্পূর্ন্ন নৈরাজ্য। রাঙামাটি পরিবহন সেক্টরে এ নৈরাজ্য দীর্ঘদিনের। আসলে কিছু পরিবহন দূর্বত্তদের কাছে আজীবন জিম্মি হয়ে আছে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম-ঢাকার যাত্রী সাধারণ সহ জেলাবাসী। এর থেকে পরিত্রাণ চাই রাঙামাটিবাসী। প্রশাসন সহ সংলিষ্ট বিভাগের প্রতি জোর দাবী পরিবহন সেক্টরে এ নৈরাজ্য ও যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি এবং রাঙামাটি জেলাবাসী পরিবহণ দূর্বৃত্তদের হাতে জিম্মিদশা থেকে মুক্তির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করুন এবং রাঙামাটিতে চলমান অযৌক্তিক কান্ডজ্ঞানহীন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে জনভোগান্তি দূর করে রাঙামাটি পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য বন্ধ করার জন্য প্রশাসন সহ পরিবহণ কর্মকর্তাদের প্রতি রাঙামাটি বাসী জোরালো দাবী জানাচ্ছি। #

  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে :  উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে : উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    রাঙামাটিতে গণভোট ২০২৬ সফল করতে এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অবসর) সুপ্রদীপ চাকমা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, দেশের চাবি এখন জনগণের হাতে। একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক দেশ গঠন এবং সংবিধানকে স্থায়ী রূপ দিতে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন, এই গণভোট সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের একটি বড় ধাপ।
    তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গণভোটের প্রশ্নগুলো কিছুটা জটিল হলেও ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বার্থে সাধারণ মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের গুরুত্ব বোঝাতে হবে।রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন: ​পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম। ​রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার। ​জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব তৌফিক ইমাম।​রাঙামাটি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব। ​সিভিল সার্জন ডা. নুয়েন খীসা। ​রাঙামাটি প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ার আল হক। ​এছাড়াও শিক্ষক প্রতিনিধিদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকেও বক্তব্য প্রদান করা হয়।সভা শেষে জেলা প্রশাসন প্রাঙ্গণে গণভোট ২০২৬, সংসদ নির্বাচন, দেশের চাবি আপনার হাতে এই স্লোগানকে সামনে রেখে একটি ‘ভোটের গাড়ি’ বা ক্যারাভানের শুভ উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। এই ক্যারাভানটি রাঙামাটির বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় গিয়ে সাধারণ ভোটারদের গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে সচেতন করবে।
    ​উক্ত সভায় বক্তারা দুর্গম পাহাড়ী অঞ্চলে ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা কামনা করেন। #