সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন (৫৪ বিজিবি) টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করেছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ফলে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও দামের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে বাংলাদেশের তুলনায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে জ্বালানির দাম বেশি হওয়ায় সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল পাচারের সম্ভাবনা বেড়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ থেকে অদ্যাবধি বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন (৫৪ বিজিবি) তাদের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন স্থানে টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী স্থানীয় জনগণকে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
বিজিবি জানায়, জ্বালানি তেল পাচার ঠেকাতে সীমান্তে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, টহল তৎপরতা জোরদার এবং জ্বালানি পরিবহন ও সরবরাহের ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ৫৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন কর্নেল মোঃ মহিউদ্দিন ফারুকী জানান, রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলাধীন দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ থেকে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি অবৈধ সীমান্ত পারাপার, মাদক চোরাচালানসহ আন্তঃসীমান্ত সকল ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সজাগ রয়েছে।#
Blog

রাঙামাটির সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে ৫৪ বিজিবির টহল ও তল্লাশি জোরদার।

অমর একুশে বইমেলায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান: বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন
অমর একুশে বইমেলার আমেজে শামিল হলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান, এমপি। একজন প্রকৃত গ্রন্থানুরাগী হিসেবে আজ শনিবার (০৭ মার্চ) বিকেলে তিনি রাজধানীর বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন।
বিকেল ঠিক চারটায় মন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন। মেলা পরিদর্শনের সময় তিনি বিভিন্ন প্রকাশনীর স্টল ঘুরে দেখেন এবং সৃজনশীল ও গবেষণামূলক বইয়ের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি জিয়া পরিষদ কর্তৃক স্থাপিত কেন্দ্রীয় স্টল পরিদর্শন করেন এবং সেখান থেকে বেশ কিছু গবেষণামূলক বই সংগ্রহ করেন।
ব্যক্তিগতভাবে বই পড়তে ভালোবাসেন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। মেলায় শুধু নিজের জন্যই বই কেনেননি, বরং উপস্থিত অন্যদের মাঝেও বই কিনে উপহার দিয়ে পাঠস্পৃহা জাগিয়ে তোলেন। বই পড়ার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে তাঁর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উপস্থিত দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে।
পরিদর্শনকালে মাননীয় মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিনী মৈত্রী চাকমা, জিয়া পরিষদ সোনালী ব্যাংক কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র চাকমা, রাঙ্গামাটি জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানস মুকুর চাকমা, মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মোঃ আল আমিন এবং মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। #

রাঙামাটিতে সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত
আজ দোয়া আর মিলাদ মাহাফিলের মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে রাঙামাটি সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দীনের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী। সাংবাদিক জামালের পরিবার দু’দিনব্যাপী ধর্মী আচার অনুষ্ঠান পালন করেন। শুক্রবার কবর জিয়ারত ও মসজিদে মিলাদ, দোয়া ও কোরআন খাতমের আয়োজন করেন। শনিবার রাঙামাটি রসুলপুর জামে মসজিদের দোয়া ও আল মোমিন নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বাচ্চাদের খাবার প্রদান করেন। এসময় মোনজাত ও দোয়া করেন রাঙামাটি রসুলপুর জামে মসজিদের ইমাম জহির উদ্দীন।
এসময় সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ছোট বোন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু,স্বামী মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভাই মো.সালাহ উদ্দীন করিম আবু, মো.জালাল উদ্দীন, মো.জাবেদ উদ্দীন ও ভাগীনা মো. মাহাফুজ আলম সবিজ চৌধূরী উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ছোট বোন সাংবাদিক ফাতেমা জান্নাত মুমু বলেন,২০০৭সালে এ দিনে আমার ভাই সাংবাদিক জামাল উদ্দীনকে হত্যা করে পাহাড়ে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। দীর্ঘ ১৯বছরও এ হত্যাকান্ডের বিচার হয়নি। ধরা পরেনি হত্যা কারিরা। তবুও আমি আশাহীন হয়নি। আমি বিশ্বাস করি একদিন এ হত্যাকান্ডের বিচার হবে।
নতুন সরকার কাছে আমার ভাই সাংবাদিক জামাল হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করছি। নিশ্চয় তিনি এ হত্যাকান্ডের সাথে জরিতদের বিচারের আওতায় আনবেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭সালে ৫মার্চ সাংবাদিক জামাল উদ্দীনকে রাঙামাটি প্রেস ক্লাব যাওয়ার পথে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একদিন পর অর্থাৎ ৬মার্চ তার ক্ষত বিক্ষত লাশ পাওয়া যায় রাঙামাটি পর্যটন কেন্দ্রের হ্যাডম্যান পাহাড়ের জঙ্গলে। সাংবাদিক জামাল উদ্দীন তখন বেসরকারি টেলিভিশন এন টিভি, দৈনিক বর্তমান বাংলা ও বার্তা সংস্থা আবাসে কর্মরত ছিলেন। #
রাঙামাটি জার্নালিস্ট নেটওর্য়াকে সম্মেলন। সভাপতি ফাতেমা জান্নাত মুমু ও সাধারণ সম্পাদক বিনয় চাকমা —–
‘সত্যের পক্ষে এক ঝাঁক কলম সৈনিক’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটি জার্নালিস্ট নেটওর্য়াক (আরজেএন) এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সদস্যদের ভোটে সভাপতি পদে নির্বাচত হয়েছেন নিউজ২৪ টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন এর প্রতিনিধি ফাতেমা জান্নাত মুমু ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচীত হয়েছেন দৈনিক আমার বার্তা প্রতিনিধি বিনয় চাকমা। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচীত হয়েছেন দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি মহুয়া জান্নাত মনি।
শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের কাঠালতলী সিনেমা হল এলাকায় আরজেএন-এর অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত সভায়। একই সাথে ওই সংগঠনের ৭ সদস্য কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী দুই বছরের পর্যন্ত কমিটির কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এছাড়া সভায় সংগঠনরে গঠনতন্ত্র গঠন এবং মূল্যায়নসহ সংগঠনকে আরো বেশি গতিশীল ও গনতান্ত্রিক করতে বেশ কিছু গুরুত্বর্পূণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের নব নির্বাচিত সভাপতি ফাতেমা জান্নাত মুমু বলেন, পার্বত্যাঞ্চলে গণমাধ্যম কর্মীদের সঠিক অবস্থান তৈরি করতে প্রথমে ঐক্য জরুরি। তাই পেশাগত উৎকর্ষ সাধণের লক্ষ্যেই এ সংগঠনের পথ চলা। এ পথ চলায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তাই সত্যের পথে যে কোন সমস্যা উত্তরণে ও নিজেদের পেশাগত মানোœয়নে একযোগে কাজ করার উদ্দেশ্যেই আমরা ঐক্যবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পিছিয়ে পড়া সকল জাতিগোষ্ঠীর ধর্ম বর্ণের নির্বিশেষে সাধারণ মানুষদের সুখ, দুঃখ, সমস্যা, সম্ভাবনা ও এলাকার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলাকে সমৃদ্ধশালী হিসেবে গড়ে তুলতে এ কলম সৈনিকরা কাজ করবে।
#
কক্সবাজারে এক মেয়ে পিতৃপরিচয় চাইতে কারাগারে পাঠাল ইউএনও।
কক্সবাজারের পেকুয়া থানার ভেতরে রক্তাক্ত মা ও মেয়ে এক মেয়ে তার পিতৃপরিচয়ের জন্য লড়ছে,কিন্ত বিনিময়ে সাজা দিলো ইউএনও!
জুবাইদা। কক্সবাজারের চকরিয়া সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। সাধারণ এক মেয়ে,যার স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হওয়া। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে বড় সংগ্রাম শুরু হয়েছিল জন্মের পর থেকেই।
জুবাইদার বয়স তখন এক বছরেরও কম। ঠিক সেই সময়ই তার বাবা-মায়ের সংসার ভেঙে যায়। অভিযোগ—যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন। অসহায় মা মেয়েকে কোলে নিয়ে ফিরে আসেন নিজের বাবার বাড়িতে।
অন্যদিকে জুবাইদার বাবা নতুন করে সংসার শুরু করেন দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে।
একদিকে নতুন সংসার,অন্যদিকে সংগ্রামের জীবন। জুবাইদার মা দ্বিতীয়বার সংসারী হলেও মেয়েকে ভুলে যাননি। নিজের কষ্ট,অভাব আর সংগ্রামের ভেতর দিয়েই মেয়েকে বড় করেছেন,পড়ালেখা করিয়েছেন।
২০১৩ সালের ২৩ মে মারা যান জুবাইদার বাবা। আইন অনুযায়ী,সেই মুহূর্ত থেকেই জুবাইদা তার বাবার সম্পত্তির বৈধ উত্তরাধিকারী।
কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। জুবাইদার চাচারা তাকে অস্বীকার করলেন। বললেন—সে নাকি তাদের কেউ না।
নিজের বাবার ঘর,নিজের রক্তের আত্মীয়—সবাই যেন এক মুহূর্তে অপরিচিত হয়ে গেল। ওয়ারিশ সনদ পাওয়ার জন্য জুবাইদা ইউনিয়ন পরিষদের দ্বারস্থ হল। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিল। তবুও ইউনিয়ন পরিষদ তার পিতৃপরিচয় দিতে অস্বীকার করল। এই বাধার পেছনে বড় ভূমিকা রাখেন স্থানীয় মহিলা মেম্বার বিজু—যিনি সম্পর্কে জুবাইদার আপন ফুফু।
নিজের বাবার পরিচয় প্রমাণ করতে গিয়ে নিজেরই আত্মীয়দের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হলো তাকে। হাল ছাড়েনি জুবাইদা। আইনের দ্বারস্থ হয়।
এসিল্যান্ডের মাধ্যমে তদন্তের দায়িত্ব যায় পেকুয়া থানার পুলিশের কাছে। সেখানে শুরু হয় আরেক বাস্তবতা।
পেকুয়া থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা স্পষ্ট জানিয়ে দেন-২০ হাজার টাকা না দিলে তদন্ত প্রতিবেদন ঠিকভাবে দেওয়া হবে না।
জুবাইদার খালা,যিনি তাকে বড় করতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট করেছেন, নিজের সোনার আংটি বন্ধক রেখে সেই টাকা জোগাড় করেন।
২০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও জুবাইদা পায়নি তার বাবার স্বীকৃতি। পুলিশ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও সত্য প্রতিবেদন দেননি।
কারণ একটাই,পিতৃপরিচয় স্বীকার করলে সে হয়ে যাবে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী।
এই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে জুবাইদা তার মাকে নিয়ে যায় থানায়।
প্রশ্ন করতে-কেন তাকে বঞ্চিত করা হলো? আর ফেরত চাইতে-তাদের দেওয়া ঘুষের ২০ হাজার টাকা। কিন্তু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। বরং থানার ভেতরেই পুলিশ চড়াও হলো মা-মেয়ের ওপর। মারধরে তাদের রক্তাক্ত করে দেওয়া হলো।
তারপর রাস্তার ওপার থেকে ডেকে আনা হলো ইউএনওকে।
থানার ভেতরেই বসানো হলো ভ্রাম্যমাণ আদালত। এক মাসের সাজা লিখে মা-মেয়েকে পাঠিয়ে দেওয়া হলো কক্সবাজার জেলা কারাগারে।
রক্তাক্ত অবস্থায়ও তাদের স্বাধীনভাবে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
একজন মেয়ে শুধু তার বাবার পরিচয় চেয়েছিল। তার প্রাপ্য উত্তরাধিকার চেয়েছিল। কিন্তু সেই অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করতে প্রথমে বিক্রি হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ। তারপর বিক্রি হয়েছে পেকুয়া থানা পুলিশ। আর শেষে সেই পুলিশের সম্মান রক্ষায় দাঁড়িয়েছে উপজেলার প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা( ইউএনও)।
এরা সবাই নাকি এলাকার গর্বিত সন্তান।
কেউ চাকরি পেলেই আমরা গর্ব করি। কিন্তু সেই সমাজেই জন্ম নেওয়া জুবাইদা নিজের বাবার পরিচয় চাইতে গিয়ে থানার ভেতর মার খেয়ে, মাকে নিয়ে কারাগারে যেতে বাধ্য হয়। একটা প্রশ্ন থেকে যায়- এই দেশে কি সত্যিই একজন মেয়ের জন্য নিজের বাবার পরিচয় পাওয়াও এত কঠিন?। #বিশেষ দ্রষ্টব্য:
ছবিটি গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজার জেলা কারাগারে তোলা।
ছবিতে রয়েছেন জুবাইদার মা-রেহেনা মোস্তফা রানু।
বাঘাইছড়িতে তেলের তেলেসমাতী শুরু: প্রতি লিটারে দাম বৃদ্ধি ৩টাকা।
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করছে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন জ্বালানি তেলের বাজারে। শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন জ্বালানি তেলের পাম্পে তেল নিতে উপচে পরা ভিড় এবং যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা দিয়েছে। পাম্প মালিকদের দাবী চট্টগ্রামে ডিপু থেকে তারা পর্যপ্ত তেল পাচ্ছে না। চট্টগ্রাম থেকে খালি ড্রাম ফেরত পাঠানো হয়েছে। এদিকে গ্রাহক পর্যায়েও তেল সংগ্রহের তীব্র প্রতিযোগীতা চলছে,চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করতে পাম্প গুলোতে ভিড় করছে। বিভিন্ন পাম্প গুলোতে গিয়ে দেখা যায় বড় বড় কন্টেইনার করে অতিরিক্ত তেল সরিয়ে নিচ্ছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে পাম্প গুলোতে তেল সংকট দেখা দিয়েছে। এদিকে অতিরিক্ত তেলের চাহিদার ফলে কিছু অসাধু পাম্প মালিক প্রতি লিটার তেল ৩ টাকা করে বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে, ডিজেল ১০৭ টাকা ও অকটেন/পেট্রোল ১২৫ টাকা বিক্রি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে যাত্রী ভাড়াও বেড়েছে। সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি আলি আকবর হোসেন,উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন তিনি দাবী করেন এভাবে চলতে থাকলে বাঘাইছড়ির জনজীবনে অস্থিরতা নেমে আসবে।
এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান জানান বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করছেন,পাম্প মালিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।#
শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের অর্থ লোপাটের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দূনীর্তিতে কারো ছাড় নেই।…. পার্বত্যমন্ত্রী
৪মার্চ বুধবার রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের এনেক্স ভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পার্বত্যমন্ত্রী এড.দীপেন দেওয়ান বলেন,শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের অর্থ লোপাটের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে,দূনীর্তিতে কারো ছাড় নেই। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন এবং এবিষয়ে সুনিদির্ষ্ট তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। জিরো টলারেন্স নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলীয় পরিচয় বিবেচনায় নয়, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত যে কেউ কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হবেন।
রাঙ্গামাটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে পার্বত্য মন্ত্রীর মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা দিয়েছেন তিনি । দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত থাকায় সৃষ্ট উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দূর করতে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন।
মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কনকন চাকমা, জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু,সিনিয়র সহ সভাপতি মো: সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সাধারন সম্পাদক মো: মামুনুর রশীদ মামুন,যুগ্ম সম্পাদক মো: সাইফুল ইসলাম পনির,বিএনপি নেতা মানস মুকুর চাকমা,প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক,রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা প্রমুখ।পার্বত্য মন্ত্রী আরো বলেন, পাহাড়ের সাস্প্রদায়িক সম্প্রীতিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্ব বিবেচনা রেখে কাজ করবো। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটির কর্ণফুলী পেপার মিল, ঘাগড়া টেক্সটাইল মিলসহ যেসব প্রতিষ্ঠান অকেজো অবস্থায় রয়েছে সরকারের সাথে আলাপ করে তা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, পর্যটন,অবকাঠামোসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে তিন পার্বত্য জেলায় সুষম বন্টনের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করা হবে।
তিনি আরো বলেন,বিএনপি ক্ষমতায় মানে হল,জনগণ আমাদের সেবক হিসেবে কাজ করার দায়িত্ব দিয়েছে। তাই দেশের কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
যুব সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে বছরব্যাপী ক্রীড়া আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন পার্বত্য মন্ত্রী।
মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন,বিএনপি সরকার জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা হবে। পার্বত্য মন্ত্রী বলেন,পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
মতবিনিময় সভায় জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার প্রায় ৫০/৬০ স্থানীয় সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। #
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ বরদাশত করা হবে না: পার্বত্য মন্ত্রী
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাশত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না; বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতিমধ্যে হয়েছে, তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে। তিনি সকল দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক।
প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।
সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) সিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান, হাবিব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, নাইউপ্রু মারমা, সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা ও দয়াল দাশ প্রমুখ।#

উৎসবের আনন্দ বাড়াতে দরিদ্রদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান–পার্বত্য মন্ত্রীর
পাহাড়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারে, সেজন্য সমাজের বিত্তবানদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
আজ ৩ মার্চ, মঙ্গলবার সকালে রাঙ্গামাটিতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দীপেন দেওয়ান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সকল মানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করেছেন। তাঁর নির্দেশনায় সারাদেশব্যাপী প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দরিদ্র প্রতিটি পরিবার যেন ফ্যামিলি কার্ড পায়, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
পাহাড়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পাহাড়ে বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সাথে বসবাস করছে। এই সম্প্রীতিকে অটুট রেখে আগামীতে সকল সম্প্রদায়ের সামাজিক উৎসবগুলো যেন আরও সার্বজনীনভাবে পালন করা যায়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মানস মুকুল চাকমা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহাব উদ্দিন, মসজিদের ইমাম মাওলানা হারুন, হাফেজ মো. আফসার উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।#

পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনবিধি ১৯০০ বাতিল সহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি
পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল, আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদে নির্বাচন আয়োজনসহ সাত দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
রবিবার দুপুর ১২.০০ টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনের নেতারা। স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব শাব্বির আহম্মেদ, রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, পিসিসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূর হোসেন, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক মনির হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ বাড়ছে। তিনি দাবি করেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি চেয়ারম্যান পদে বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ এবং চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও দেন তারা।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের নেতারা বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র বিভিন্ন গ্রুপের তৎপরতায় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন, দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ১০৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এসব আইন ও চুক্তি বাতিল করে সমতলের জেলার মতো সংবিধানের আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনের দাবি জানায় সংগঠনটি।
এছাড়া ভূমি কমিশন আইন সংশোধন, সকল সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা, বাজারফান্ড এলাকায় হাউজ লোন চালু রাখা এবং শিক্ষা, চাকরি ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবিও স্মারকলিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
জেলা প্রশাসক স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।#