গত ২৯ জানুয়ারী২০২৫ খ্রিঃ বুধবার রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র দুই বছর (২০২৫-২০২৭) মেয়াদের কার্যনির্বাহী কামিটির সভাপতি,সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি পদে জনাব মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে জনাব আলী বাবর ও সহ-সভাপতি পদে জনাব নেছার আহমেদ নির্বাচিত হন এবং পরিচালক পদে কার্যনির্বাহী কমিটির মোট ১৭ (সতের) জন পরিচালক নির্বাচিত হন। সর্বমোট ২০ (বিশ) সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়।
রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি জনাব আবদুল ওয়াদুদ নবনির্বাচিত সভাপতি জনাব মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, নবনির্বাচিত সিঃ সহ-সভাপতি জনাব আলী বাবর ও নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি জনাব নেছার আহমেদ কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, এরপর নবনির্বাচিত সভাপতি,সি:সহসভাপতি ও সহ-সভাপতি বিদায়ী সভাপতি জনাব আবদুল ওয়াদুদ কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। নির্বাচিত পরিচালকরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল উদ্দিন আহমেদ,সহকারি নির্বাচনী কর্মকর্তা মোঃ শামীম জাহাঙ্গীর,সহকারি নির্বাচনী কর্মকর্তা আবু নাছের বিপ্লব এবং নির্বাচন কমিশনের সচিব মু. শাব্বির আহম্মদ।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিদায়ী সভাপতি জনাব আবদুল ওয়াদুদ নবনির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ এর নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র দুই বছর মেয়াদী নব নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির (২০২৫-২০২৭) সভাপতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, সিঃ সহ-সভাপতি জনাব আলী বাবর,সহ-সভাপতি জনাব নেছার আহমেদ,পরিচালক পদে জনাব মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ, জনাব মোঃ কামাল উদ্দিন,জনাব মোঃ নিজাম উদ্দিন,জনাব মোঃ হারুনুর রশিদ মাতব্বর, জনাব মোঃ জহির উদ্দীন চৌধুরী,জনাব মোঃ মনিরুজ্জামান মহসিন রানা,জনাব মেহেদী আল মাহবুব, জনাব আবুল মনসুর ওবায়দুল্লাহ,জনাব মঈন উদ্দিন সেলিম,জনাব সফিকুল ইসলাম চৌধুরী,জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম,জনাব হাজী জহির আহম্মদ, জনাব দেবজ্যোতি চাকমা, জনাব মোঃ আবদুল কুদ্দুছ,জনাব আবদুল মন্নান,জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন,জনাব মোঃ শামীম খাঁন।#
Blog

রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র কার্যনির্বাহী কমিটি(২০২৫-২০২৭) নেতৃত্বে যারা।

নালিতাবাড়ীতে খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া’র সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী তারেক জিয়ার প্রজন্মদল নালিতাবাড়ী উপজেলার ৪নং নয়াবিল ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে হাতিপাগার-জমকান্দা
মোড়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা তারেক জিয়ার প্রজন্ম দলের সহ সভাপতি রিপন দেওয়ানের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুস আলী দেওয়ান, বিশেষ অতিথি হিসেবে শেরপুর জেলা তারেক জিয়ার প্রজন্ম দলের সভাপতি এইচ এম রাকিবুল আলম সৌরভ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান শিমুল, সিনিয়র যুগ্ম সাঃ সম্পাদক জসিম শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ, সহ সভাপতি আনোয়ার মন্ডল, যুগ্ম সাঃ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, সহ সাংগঠনিক আবু সিদ্দিক, ঝিনাইগাতী উপজেলা কমিটির সভাপতি নাজমুল হাসান, নালিতাবাড়ী উপজেলা কমিটির সভাপতি স্বপন সরকার, সাঃ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শাকিব, সিঃ যুগ্ম সাঃ সম্পাদক জসিম আহমেদ ইমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তারেক জিয়ার প্রজন্ম দলের নয়াবিল ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি হারুনুর রশিদের উপস্থাপনায় দোয়া মাহফিলে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
রাবিপ্রবি’তে জনতা ব্যাংক পিএলসির এটিএম বুথ উদ্বোধন
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সকল গ্রাহককে ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে জনতা ব্যাংক পিএলসির এটিএম বুথ আজ সকাল ১১ঃ০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল ফটকে উদ্বোধন করা হয়। রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এটিএম বুথ উদ্বোধন করেন।
এসময় রাবিপ্রবি সায়েন্স এন্ড টেকনোলোজি অনুষদের ডিন জনাব ধীমান শর্মা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন জনাব সূচনা আখতার, জনতা ব্যাংক পিএলসি (চট্টগ্রাম) এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, উপ-মহাব্যবস্থাপক (ইন-চার্জ) শফিউল আলম, বিভাগীয় কার্যালয়ের এসপিও হোসাইন আকতার রাফি, আমির মার্কেট শাখা, চট্টগ্রাম এর ব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ জোবায়ের, জনতা ব্যাংক পিএলসি (রাঙ্গামাটির) এর জনাব অতীশ চাকমা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার সহকারী পরিচালক জনাব রাসকিন চাকমাসহ অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যেন সকল সেবা দ্রুত পেতে পারে সেজন্য আমরা জনতা ব্যাংকের কাছে আস্থা রাখতে চাই। তিনি সেই সাথে এই এলাকার জনসাধারণ যেন এই ব্যাংকের সুযোগ-সুবিধা ও সুফল যেনো গ্রহণ করতে পারে জনতা ব্যাংকের প্রতিনিধিদের কাছে এই আশা ব্যক্ত করেন ।
জেনারেল ম্যানেজার বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত ব্যাংকের শাখা স্থাপন এবং স্টুডেন্টের জন্য ই-ব্যাংকিং সার্ভিস চালু করার জন্য ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়কে আশ্বাস প্রদান করেন । তিনি বলেন, আমরা আমাদের ই-ব্যাংকিং সেবার জন্য ই-ওয়ালেট এপ্স চালু করার কাজ করছি। আমরা আশা করি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা এ সেবার মাধ্যমে ঘরে বসে তাদের যাবতীয় ফিস প্রদান করতে পারবে।
বাজার মনিটরিংয়ে জেলা প্রসাশক ও পুলিশ সুপার।
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখার লক্ষ্যে বাজার মনিটরিং করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয়।
আজ ২৯ জানুয়ারি ২০২৫খ্রিঃ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় রাখার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি সদরস্থ বনরূপা বাজার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মহোদয় ও পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।বাজার মনিটরিংকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয় বিভিন্ন ভোক্তাদের সাথে কথা বলেন এবং দোকান মালিকদের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার জন্য আহ্বান জানান। এছাড়াও ব্যবসায়ীগণ যাতে সরকারী নির্দেশনা মেনে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে থাকে এবং জনগণ যাতে ন্যায্য মূল্যে ভোগ্যপণ্য ক্রয় করতে পারে, সর্বোপরি সাধারণ জনগণের কষ্ট লাঘব হয় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সহ বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#
পরিব্রাজক ও লেখক আবদুর রহিম: জীবন ও কর্ম
চট্টগ্রাম জেলার কাঞ্চনাবাদের কৃতীসন্তান, বিশিষ্ট লেখক, পরিব্রাজক, সুফিবাদী দর্শনের প্রচারক এবং সমাজসেবক আবদুর রহিম একজন প্রগতিশীল চিন্তাবিদ। বর্নাঢ্য এ জীবনে তিনি তাঁর জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন। তিনি আল ইরফান পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং তার লেখালেখির মাধ্যমে সমাজে আলোকিত ভাবনা ও পরিবর্তন আনতে সচেষ্ট। একজন সফল ব্যবসায়ী, দক্ষ ব্যবস্থাপক, এবং প্রতিভাবান লেখক হিসেবে তার যাত্রা দেশের অনেক মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস।
জন্ম ও শৈশব: লেখক আবদুর রহিম ১৯৭২ সালের জুন মাসে চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার উত্তর কাঞ্চননগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ফজল আহমদ এবং মা সোনাজান বিবি। শৈশবে তিনি এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন, কারণ তার পিতাকে শৈশবকালেই হারান। তবে, তার মা ছিলেন অত্যন্ত প্রেরণাদায়ী এবং কঠোর পরিশ্রমী, যার কারণে তিনি ছেলেকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে সক্ষম হন। আবদুর রহিমের মা তাকে শুধুমাত্র শিক্ষা দেননি, বরং সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি সচেতন করেছেন।
শিক্ষা জীবন: শিক্ষাজীবন শুরু হয় উত্তর কাঞ্চননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর, মুজাফফরাবাদ এন. জে উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক পর্যায় শেষ করে, পটিয়া সরকারি কলেজে অধ্যয়ন করেন। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচে বিবিএ (মার্কেটিং) এবং এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়েই তিনি লেখালেখি শুরু করেন এবং তার প্রবন্ধগুলি বিভিন্ন বিষয়কেই অন্তর্ভুক্ত করেছিল, যেমন ব্যবসায় উদ্যোগ, অর্থনীতি, সমকালীন ইস্যু এবং ভ্রমণকাহিনী।
লেখালেখি ও কর্মজীবন: লেখক আবদুর রহিমের লেখালেখির শুরু কলেজ জীবন থেকেই। তিনি ২০০টিরও বেশি প্রবন্ধ লিখেছেন যা বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখার মাধ্যমে তিনি মানুষকে সচেতন যেমন করেছেন, তেমনি শিক্ষিত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং আলোকিত সমাজ গঠনের জন্য নানাবিধ কাজ করে যাচ্ছেন। সামাজিক কাজের পাশাপাশি তিনি ধর্মীয় চেতনা, সুফিবাদী দর্শন এবং মানবতার কল্যাণে প্রভূত অবদান রেখেছেন। তার ভ্রমণ কাহিনী ও ধর্মীয় বিষয়ে লেখালেখিতে উম্মতে মোহাম্মদীর ঈমান আকিদা রক্ষায় সচেনতার দিকনির্দেশনা এক অনন্যতার মাত্রা দেখা যায়। এছাড়াও, তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে কর্মরত ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ডায়মন্ড সিমেন্ট লি.-এর বিক্রয় ও বিপনন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত থাকার সময় দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করেন। তার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা তাকে নানা সংস্কৃতি এবং জীবনধারার সাথে পরিচিত করিয়েছে, যা তার লেখালেখি এবং চিন্তাভাবনায় প্রভাব ফেলেছে। তাঁর অন্যতম প্রকাশিত গ্রন্থ টোকিও হতে ইস্তানবুল – পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা: আব্দুর রহিম একজন পরিব্রাজকও বটে, যিনি সৌদি আরব, চীন, জাপান, মিয়ানমার, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেছেন। এসব দেশের সভা, সেমিনার এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতে সমাজ উন্নয়ন ও মানবাধিকার বিষয়ে নানা গুরুত্বপূর্ণ ধারণা গ্রহণ করেছেন এবং সেই অভিজ্ঞতাকে সমাজে কাজে লাগিয়েছেন। তার বিদেশ সফর এবং আন্তর্জাতিক কর্মশালাগুলির মাধ্যমে তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং চিন্তাধারা আরো প্রসারিত হয়েছে, যা তাকে একজন বিশ্বনাগরিক হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।
সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অবদান: লেখক আবদুর রহিম সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সাথে যুক্ত থেকে সমাজের উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশব্যাপী সুফিবাদী বিশ্বাসের প্রচার করেছেন। তার লেখনির মধ্যে, তিনি একদিকে যেমন সমকালীন সমাজের সমস্যাগুলি তুলে ধরেছেন, তেমনি অন্যদিকে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বার্তা এবং মানবতার প্রতি ভালবাসা প্রচারের চেষ্টা করেছেন।তিনি চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি, পাশাপাশি বাংলাদেশ মুসলমান ইতিহাস সমিতি এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সাথেও যুক্ত রয়েছেন। তার সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ড তাকে সম্মানজনক স্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং তার কাজের মাধ্যমে সমাজে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে।পারিবারিক জীবন: লেখক আবদুর রহিমের সংসার জীবনও সফল। তিনি ইছমত আরা চৌধুরীকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন, যিনি একজন শিক্ষিত ও সমাজ সচেতন মহিলা। তাদের পরিবারে তিন ছেলে—সাদ, জিসান, ও নাবিল। তারা চট্টগ্রাম নগরীতে বসবাস করছেন এবং লেখক তার পরিবারের সদস্যদের সাথে একটি সাদামাটা, কিন্তু সুখী জীবনযাপন করছেন।
লেখক আবদুর রহিম তার জীবনদর্শন, চিন্তাভাবনা এবং কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সচেষ্ট। তিনি শুধু একজন লেখক ও পরিব্রাজকই নন, বরং একজন সমাজসেবক, মানবাধিকার রক্ষাকারী এবং বিশ্বস্ত ভ্রমণকর্মী। তার জীবনযাত্রা এবং কাজের মাধ্যমে তিনি একটি আলোকিত সমাজ গঠনের জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করছেন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
–
লেখক : সোহেল ফখরুদ-দীন, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টার সাথে ঢাকায় নিযুক্ত কোরিয়ান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা’র সাথে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত মি. পার্ক ইয়াং-সিক (Mr. Park Young-sik)।
সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও সম্ভাবনার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলের পানি সমস্যা ও পরিবেশগত অন্যান্য সমস্যাগুলি নিরসনে কোরিয়ান পলিসি অনুসরণ করার কথা জানান উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।
উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকায়ন পদ্ধতি প্রচলন করা হবে। কোয়ালিটি এডুকেশন পার্বত্য অঞ্চলের মানুষকে পৃথিবীর আধুনিক মানুষের সাথে চিন্তা চেতনার সাথে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের প্রকৃতি ও পরিবেশ ‘যেখানে যেমন, সেখানে তেমন’ উপায়ে সাজানো হবে। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় পাহাড়ের পরিবেশকে সুন্দরভাবে কাজে লাগানো হবে। পাহাড়ের বন-জঙ্গল, ঝিরি, ঝরণা, পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। সরকার এখানে পর্যটকদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। প্রাকৃতিক পরিবশকে রক্ষা করতে আমরা বাঁশ ঝাড়ের চাষ বাড়াতে যাচ্ছি। উপদেষ্টা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বাঁশ খুবই কার্যকরী। তিনি বলেন, কাপ্তাই লেক, নদী-নালা-ঝিরির পানি সঠিক পদ্ধতিতে ধরে রেখে পানির সমস্যার সমাধান করতে চাই। পরিবেশ সুরক্ষায় আমোদেরকে খুব বেশি সচেতন হতে হবে।
পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার তুলা চাষ, ইক্ষু চাষ, বাঁশ চাষ, আম, কলা, আনারস চাষ, কফি ও কাজু বাদাম ফলনের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উৎপাদিত কাজু বাদাম ও কফি বাইরে রপ্তানি করার প্রক্রিয়া চলছে।
এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. রাশিদা ফেরদৌস এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব কংকন চাকমা ও উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।#
নালিতাবাড়ীতে শীতার্তদের মাঝে ইয়ুথ পাওয়ার এর কম্বল বিতরণ
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন “ইয়ুথ পাওয়ার”।
সোমবার পৌর শহরের বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ২য়তলায় এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।
ডাঃ আরিফুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা।
“ইয়ুথ পাওয়ার” এর সাধারণ সম্পাদক নাঈম হাসানের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মৌলভী মুহাম্মদ ইউসুফ আলী, ইয়ুথ পাওয়ার এর সভাপতি জাহিদ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইমন, প্রচার সম্পাদক সিদরাতুল নাঈমসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
রাবিপ্রবি’তে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান আজ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা সদরে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
রাবিপ্রবি’র সাথে সাংবাদিকদের সম্পৃক্ত করতে এবং রাবিপ্রবি’র প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জানাতে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর সকলকে রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতে একসাথে রাবিপ্রবি’র কল্যাণে একসাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি সাংবাদিকদের কাছে তাঁর দুটো যোগ্যতা- অনুপ্রাণিত করার প্রবণতা এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা- কথা তুলে ধরেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ বছররের শিক্ষকতা ও গবেষণা করার শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার সবটুকু রাবিপ্রবি’র জন্য কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সামনের দিনে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আমাদের সবার বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে আমরা সারা দেশের মানুষের কাছে শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রীতির বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে তুলে ধরার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
তিনি আরো বলেন, “এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রান্সফরমেশনাল ম্যানেজমেণ্ট ও লিডারশীপ দেখতে চাই, যেখানে আমারা সবাই লিডার। আমরা সবাই একাডেমিক লিডার হতে চাই। এটাই ট্রান্সফরমেশনাল লিডারশীপ- আমরা সবাই টীম মেম্বার। আমরা সবাই সবাইকে যেন একরকম ভাবতে পারি।”
উপস্থিত সাংবাদিকগণ পাহাড় প্রকৃতির সৌন্দর্য বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষক সঙ্কট নিরসন, লোকবল নিয়োগ এবং শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয়দের অগ্রাধিকার, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসমূহে র্যাগিং না-হওয়া প্রভৃতি বিষয়ে প্রস্তাব তুলে ধরেন।
পার্বত্য অঞ্চলের সাংবাদিকতার অগ্রবর্তী সাংবাদিক এ কে এম মকসুদ আহমেদ তাঁর জীবনকথা আবেগময় ভাষায় তুলে ধরেন এবং এ অঞ্চলে সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতার কাটিয়ে কিভাবে সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নেন তার বর্ণনা দেন। তিনি সকল সাংবাদিককে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের সাথে কাজ করার পাশাপাশি পেশাগত আদর্শের সাথে বর্তমান সময়ের চিন্তা-চেতনার প্রতিফলন দেখতে চান। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেন।
রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি জনাব সাখাওয়াত হোসেন রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক জনাব আনোয়ার আল হক সবার পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান এবং তাঁরা এ অঞ্চলের ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবাহমান ঘটনাবলী তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়কে সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
রাঙ্গামাটি রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি জনাব সুশীল প্রসাদ চাকমা, রাঙ্গামাটি সাংবাদিক সমিতি সভাপতি এবং রাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সাংবাদিকসহ প্রায় পঞ্চাশ জনের অধিক রাঙ্গামাটি স্বনামধন্য সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকল সাংবাদিকবৃন্দ তাঁদের মতামত ও প্রস্তাবনা ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের কাছে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। পার্বত্য অঞ্চলে এ বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান ও গবেষণার আলো ছড়িয়ে এ অঞ্চলের সুনাম দেশ- বিদেশে ছড়িয়ে পড়ুক এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডীন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব ধীমান শর্মা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডীন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব সূচনা আখতার, প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোহনা বিশ্বাস, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক ড. নিখিল চাকমা, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক জনাব মোসাঃ হাবিবা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আবদুল গফুর এবং জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক জনাব মোঃ সাইফুল আলমসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অনায়ন্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সুচিন্তিত মতামত প্রদান করার জন্য সাংবাদিকদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।#
রাঙামাটিতে পবিত্র মঙ্গল সূত্র পাঠ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
রাঙামাটিতে মারমা সংস্কৃতি সংস্থার (মাসস)এর উদ্যোগে মঙ্গল সূত্র পাঠ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা ও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি মাসস ভবনের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মারমা সংস্কৃতি সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মংসুই প্রু মারমার সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক গিরিদর্পণ পত্রিকার সম্পাদক প্রবীণ সাংবাদিক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদ।
এসময় মাসাসের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা থুই চা প্রু মারমা,সহ-সভাপতি অংসা খই কার্বারী,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মেচিং মেম্বার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হ্লা প্রু সাইন মারমা,আইন বিষয়ক সম্পাদক হেডম্যান থোয়াই অং মারমা,মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও মাসসের ভুমিদাতা পাই ক্রয় মারমা,মারমা ভাষা বর্ণ ও শব্দমালার লেখক অংছাইনু মারমা,মাসস ভবনের ভুমিদাতার ছেলে সোয়েমং মারমা সুমন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন,মারমা সংস্কৃতি সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মং উচিং মারমা।
আলোচনা সভা শেষে মারমা ভাষা বর্ণ ও শব্দমালা নিয়ে অংছাইনু মারমার লিখিত বই সাংবাদিকদের হাতে উপহার তুলে দেয়া হয়। আলোচনা সভার পূর্বে পূণ্যার্থীদের নিয়ে মঙ্গল সূত্র পাঠ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
নালিতাবাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
শেরপুরের নালিতাবাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো: শাহাব উদ্দিন (৭৬) আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি – রাজিউন)।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫ টার দিকে নালিতাবাড়ী পৌরশহরের চকপাড়া নিজ বাড়িতে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
রবিবার বাদ জোহর হিরন্ময়ী হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ইউএনও ফারজানা আক্তার ববি ও ওসি সোহেল রানা’র উপস্থিতিতে গার্ড অব অনার ও নামাজে জানাজা শেষে পৌরশহরের শাহী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো: শাহাব উদ্দিন অবিভক্ত নালিতাবাড়ী-কাকরকান্দি ইউপি ও পরবর্তীতে নালিতাবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ২বার কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন।
মৃত্যু কালে তিনি ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী, নাতি নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ১ম ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু। ২য় ছেলে ঠিকাদারী ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তৃতীয় ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম বর্তমানে পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া স্বজনদের অনেকে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য স্থানে অধিষ্ঠিত।
মো: শাহাব উদ্দিনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা এই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে শোক এবং সমবেদনা জানিয়েছেন।