রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(রাবিপ্রবি) ডিবেটিং সোসাইটির ১ম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সিএসই বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ আয়নুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন একই বিভাগের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মোঃ মাহবুব উল্যাহ লিমন।
আগামী একবছরের জন্য সংগঠনটির ১ম কার্যনির্বাহী পরিষদ ১১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে।
সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন রাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আতিয়ার রহমান । মডারেটরের দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী অধ্যাপক মোঃ মাঈনুদ্দিন।
রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির নতুন কার্যনির্বাহী সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলেন, আমি নতুন কার্যনির্বাহী সদস্যদের নিয়ে আশাবাদী। নিশ্চয়ই তারা নতুন নতুন কার্য পরিকল্পনার মাধ্যমে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে ও রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
কমিটির সভাপতি মোঃ আয়নুল ইসলাম বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসে একটি ডিবেটিং ক্লাব প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চেষ্টা করে আসছি। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর আহবায়ক কমিটি থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করতে পারায় আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তবুদ্ধি চর্চা ও বিতর্ক চর্চাকে ত্বরান্বিত করা এবং রাবিপ্রবির বিতর্ক চর্চাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমরা সর্বদা বদ্ধ পরিকর।”
কার্যনির্বাহী পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ হলেন, সহসভাপতি (প্রশাসন) পদে সঞ্চিতা চক্রবর্তী, সহসভাপতি (বিতর্ক) পদে মায়মূনা মুসাররাত তাসফিয়া, বিতর্ক সমন্বয়ক(বাংলা বিতর্ক) পদে সাহেদুল মারুফ, বিতর্ক সমন্বয়ক(ইংরেজি বিতর্ক) পদে নকিবুল আবছার শাওন, কোষাধ্যক্ষ পদে ফাইরুজ মেহেদী দীপান্বীতা, সাংগঠনিক ও দপ্তর সম্পাদক পদে ইফতেখার নাহিদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য পদে চন্দ্রিমা চান্দ্রেয়ী ও আমাতুল্লাহ ফারাবী ঈশা।
উল্লেখ্য,রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ও একমাত্র বিতর্ক সংগঠন রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি রাবিপ্রবিতে বিতর্ক চর্চা করার জন্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক চর্চাকে আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে ২৮ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে গঠন করা হয়। এরপর, সংগঠনের মৌলিক ভিত্তি তৈরি করার লক্ষ্যে গত ১৩ মার্চ ২০২৪ তারিখে ১ম আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও যৌক্তিক মানুষ তৈরির শক্তিশালী প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির লালন, ধারণ, অগাধ শ্রদ্ধা ও অসীম দেশপ্রেম সংগঠনের সঞ্জীবনী শক্তি। এই সব প্রত্যয় ও প্রচেষ্টাকে আরও বিশদভাবে ও নিপুনভাবে রাবিপুরি তথা পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবে রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটি। #
Blog

রাবিপ্রবি ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে আয়নুল-লিমন

চারিদিকে ক্ষোভ,প্রতিবাদ,নিন্দা : চট্টগ্রাম প্রতিদিন অফিসে সংঘবদ্ধ হামলা চেষ্টার।
চট্টগ্রাম নগরর চেরাগী পাহাড় এলাকায় অবস্থিত দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন অফিসে সংঘবদ্ধ হামলা চেষ্টার ঘটনায় বাদ প্রতিবাদ নিন্দার ঝড় বইছে।
চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে দেশের সাংবাদিক সংগঠনগুলো এহেন ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করছে।
গত মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন কার্যালয়ের সামনে অন্তত চারটি বাসে করে এসে কয়েক দল যুবক বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে। একপর্যায়ে তারা অফিসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করে। এ ঘটনায় জামালখান এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে আশেপাশের অনেক দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।
এভাবে পরিকল্পিত ‘মব’ তৈরির মাধ্যমে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ চট্টগ্রাম প্রতিদিন কর্তৃপক্ষের।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি বিএসসি’র কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিএসসির কেন্দ্রিয় আহবায়ক এম রায়হান ও সদস্য সচিব আলপনা বেগম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমে ভয়-ভীতির পরিবেশ সৃষ্টির করে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বিপন্নতার মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এখন নির্দলীয় নিরপেক্ষ অন্তবর্তীকালীন সরকারের শাসন ব্যবস্থার মধ্যেও কিভাবে একটি গোষ্ঠী নিজেদের হাতে আইন তুলে নেওয়ার পায়তারা চালায়, সংবাদপত্রকে হামলার টার্গেটে পরিণত করে- তা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।এদিকে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ।
হামলা চেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক। বিবৃতিতে তারা বলেন, পত্রিকা অফিস ঘেরাও, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও হামলার চেষ্টা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এসবের মাধ্যমে যে ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতার জন্য চরম হুমকি।
চট্টগ্রাম প্রতিদিন অফিসের সামনে গণজমায়েত করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের শনাক্ত করে অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। #
পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠী যেন রাবিপ্রবি’র শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়–ইউজিসি চেয়ারম্যান
অত্র পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠী যেন এই রাবিপ্রবি’র শিক্ষা থেকে যেন বঞ্চিত না হয় সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে দৃষ্টি দিতে হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন রাবিপ্রবিতে ইউজিসি চেয়ারম্যানের সাথে মতবিনিময় সভায়।
আজ শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০:০০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ রাবিপ্রবি’র সকল ডিন, চেয়ারম্যান, প্রক্টর, প্রভোস্ট ও অফিস প্রধানদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান । চেয়ারম্যান মহোদয়ের সফরসঙ্গী ছিলেন সহধর্মিনী ড. বাবুনা ফায়েজ এবং একান্ত সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
সভার শুরুতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ মহোদয়কে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান । এছাড়া রাবিপ্রবি’র অফিসার এসোসিয়েশন এর সভাপতি ও সহকারী রেজিস্ট্রার (এস্টেট) জনাব সেতু চাকমার নেতৃত্বে এসোসিয়েশনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দও তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান, সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজের বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরেন এবং সকল সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করা এবং স্থানীয় সম্পদের বিকাশ কল্পে প্রকল্প গ্রহণ করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করার অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, অত্র অঞ্চলের মানব সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার কর্মসূচী গ্রহণের উপর গুরুত্ব দেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ সভায় উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং রাবিপ্রবির প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বলে ব্যক্ত করেন। তিনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স প্ল্যান অনুযায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্ব দেন। সেই সাথে নির্মাণ কাজ যেন টেকসই হয় সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখার জন্য পরামর্শ দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ক্যাম্পাস ও উন্নয়নমূলক চলমান কাজগুলো পরিদর্শন করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর পাঠদানে সিরিয়াস হওয়ার জন্য শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তিনি আরও বলেন, অত্র পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠী যেন এই রাবিপ্রবি’র শিক্ষা থেকে যেন বঞ্চিত না হয় সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে দৃষ্টি দিতে হবে। এ অঞ্চলের নারীরা জাতীয় ফুটবল টিমে অনেক অবদান রাখছে। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার ক্ষেত্রে সুযোগ দিলে তারা আরো ভালো করবে। এ অঞ্চলের সম্পদ ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য জাতীয় পর্যায়ে আরো বেশি করে তুলে ধরার জন্য উদ্যোগ গ্রহণের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এবং অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হলে তিনি পুনরায় পরিদর্শনে আশার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডীন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব সূচনা আখতার, সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডীন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব ধীমান শর্মা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন, বিভিন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং রাবিপ্রবি স্থাপন প্রকল্প (২য় সংশোধিত) এর প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আবদুল গফুরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। #
যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার কারাগারে
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার আদালত প্রাঙ্গণে বলেছেন,‘কী বলব,কথা বলার কি সুযোগ আছে,মঙ্গলবার ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় দীপঙ্কর তালুকদারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। মামলার সূত্রে জানা গেছে,২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকে। মহাসমাবেশকে পণ্ড করার জন্য একই দিনে আওয়ামী লীগ পাল্টা সমাবেশ ডাকে।
বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা ও গুম করার উদ্দেশ্যে পুলিশের সহায়তায় মহাসমাবেশে হামলা চালানো হয়। হামলায় যুবদল নেতা শামীম নিহত হন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় একটি মামলা করা হয়। এ মামলার ৬৪১ নং এজাহারনামীয় আসামি দীপঙ্কর।
রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদার গ্রেফতার
পার্বত্য রাঙামাটির ২৯৯নং আসনে ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক সংসদ সদস্য ও রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
ঢাকার সোবহানবাগের বাসা থেকে সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংস ২৯৯ আসন রাঙামাটি থেকে পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য,রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর সোবহানবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের একটি দল।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার সোবহানবাগ এলাকা থেকে দীপংকর তালুকদারকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান।
তিনি বলেন, একাধিক মামলার আসামি সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার। রাজধানীর সোবহানবাগে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
জানাগেছে,৷ তাঁর বিরুদ্ধে রাঙামাটিতে কোনো মামলা না হলেও, দূদকে তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। এছাড়াও চট্টগ্রামসহ রাঙ্গুনিয়ায় অন্তত তিনটি মামলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির নামে অশান্তি চুক্তি চাই না
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির নামে অশান্তি চুক্তি চাই না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)। অদ্য ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, সোমবার, রাঙ্গামাটি পৌরসভা ময়দানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে “গণ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন আমরা পাহাড়ে শান্তি চায়, স্বাধীনতা চায়, বৈষম্য মুক্ত দেশ চায়, কোন বিবাদ চাইনা, আমরা পাহাড়ী বাঙালী সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে বাচতে চাই, পার্বত্য অঞ্চলের সবাই বাইরে জায়গা ক্রয় করতে পারবে, বাইরের মানুষ এখানে জায়গা ক্রয় করতে পারবে, একই দেশে দুই নীতি চাইনা, এখানে যে আইন চলবে সারা দেশে সেই আইন চলবে, এই অঞ্চল বা দেশের জমি যদি কেউ দখল করতে চায় আমরা রুখে দিব, সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিব, সীমান্ত সড়ক দ্রুত বাস্তবায়ন চাই,সীমান্ত নিরাপত্তা চাই, শান্তি চুক্তির নামে অশান্তি চাই না, ভিন্ন কোন আইন পার্বত্য অঞ্চলে চাই না।
জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারী মাওলানা নূর হোসেন এর সঞ্চালনায় ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে সংগঠিত গণহত্যার বিচার, দূর্নীতিবাজদের গ্রেফতার, অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও নির্বাচনের অযোগ্য ঘোষণা করা,সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে গণ সমাবেশে
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম,কেন্দীয় সদস্য আলহাজ্ব আল মুহাম্মাদ ইকবাল, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ঢাকা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফ বিন মেহের উদ্দীন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দীয় চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব শরিফুল আলম, ইসলামী আইনজীবী পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এড.পারভেজ তালুকদার
প্রমুখসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলার সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলন শেষে প্রধান অতিথি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা ২০২৫-২০২৬ সেশনের সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মাদ জসিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি এডভোকেট পারভেজ তালুকদার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। #
রাঙ্গামাটিতে অপারেশন ডেভিল হান্টে আটক ৮জনের জামিন না মন্জুর : কারাগারে প্রেরণ।
অপারেশন ডেভিল হান্টে রবিবার ও সোমবার পর্যন্ত রাঙ্গামাটি জেলাতে আওয়ামীলীগ,ছাত্রলীগ,শ্রমিকলীগের মোট ৮জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার বিকেল ৩টায় রাঙামাটি শহরে ৩জন এবং কাউখালী উপজেলা থেকে ৫জন সহ মোট ৮জনকে আটক করে পুলিশ রাঙ্গামাটি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্যট আদালতলে হাজির করেন ।
রাঙ্গামাটি কাউখালী উপজেলা থেকে আটকজনরা হলেন।
জাফর আহমেদ(৩৫)ঘাগড়া ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাবেক সভাপতি।
বিকাশ কান্তি দাশ( ২৮)কাউখালী উপজেলা সেচ্ছা সেবকলীগ সহ-সভাপতি। ইরফান আলী(১৮) সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ঘাগড়া ওয়ার্ড ছাত্রলীগ,শাওন হাওলাদার(২১) সহ-সভাপতি ঘাগড়া কলেজ ছাত্রলীগ,জাকির হোসেন,কাউখালী উপজেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। গত ২৪ ঘন্টায় তাদের কাউখালী উপজেলায় আটক করা হয়।
এছাড়া গতকাল রবিবার বিকালে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামীলীগ ও শ্রমিকলীগের আটককৃত নেতারা হলেন,রাঙামাটি পৌর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী মনসুর আলী, ৯নং ওয়ার্ড শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক মাওলা মিয়া এবং সদর উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতিন শাহজালাল মাঝি।
তাদেরও আদালতে আনা হলে জেল হাজতে প্রেরনে নির্দেশ দেয়া হয়। বুধবার শুনানির দিন ধার্য্য করা হয়।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সোহাগ জানান, নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এই অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
আটককৃতদের আজ বিকেল ৩টায় রাঙ্গামাটি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্যট আদালতলে হাজির করা হলে,আদালত সকলের জামিন না মন্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন। আগামী বুধবার পরবর্তী শুনানীী দিন ধার্য্য করা হয়। #
রাঙ্গামাটিতে দিনব্যাপী তথ্য মেলা ও হাফ ম্যারাথন অনুষ্ঠিত।
তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে আইনভূক্ত সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন বৃদ্ধির লক্ষে রাঙ্গামাটিতে দিনব্যাপী তথ্য মেলার উদ্বোধন হয়েছে।
সকালে রাঙ্গামাটির কুমার সুমিত রায় জিমনেশিয়াম প্রঙ্গণে জেলা প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), রাঙ্গামাটি- এর যৌথ আয়োজনে এবং টিআইবি’র সহযোগিতায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে দিন ব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো: হাবিব উল্লাহ।
সনাকের সভাপতি বাঞ্চিতা চাকমার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ, জেলা শিক্ষা অফিসার মৃদুল কান্তি তালুকদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হৃষিকেশ শীল, সহ টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অতিথিরা মেলা বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। মেলায় বিভিন্ন সরকারি -বেসরকারী ৩৬ টি স্টল রয়েছে।
মেলা উপলক্ষে জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণ থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বযসী ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। #

রাবিপ্রবিতে শেষ হলো দুইদিন ব্যাপী এগ্রি ট্যুরিজম বিষয়ক প্রোগ্রাম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এর “প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ট্রন্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টিপ্রিনিউরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ” (পার্টনার) এর আওতায় এবং ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য দুইদিন ব্যাপী (৯-১০ ফেব্রুয়ারি) এগ্রি ট্যুরিজম প্রোগ্রাম আজ শেষ দিনে পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ক আঞ্চলিক বিপনণ কর্মশালা আজ ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ সোমবার তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগ এর উপ-পরিচালক জনাব মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন হোসেন, (উপ-সচিব), ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক জনাব মোসা: হাবিবা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ঢাকা এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব মো: মাসুদ করিম। এছাড়া রাবিপ্রবি’র বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গতকাল রবিবার ৯ ফেব্রুয়ারি এগ্রো ট্যুরিজম প্রোগ্রামের আইডিয়া কন্টেস্ট , বিজনেজ আইডিয়া কন্টেস্ট, প্রজেক্ট শো-কেসিং এবং গেমিং কন্টেস্ট নিয়ে নানা উদ্ভাবনী আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মো: সেলিম, সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি বিপণন কর্মকর্তা জনাব মাসুদ রানা। এছাড়া এগ্রো ট্যুরিজম নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাবিপ্রবি’র ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব খোকনেশ্বর ত্রিপুরা।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশে কৃষি উৎপাদন এবং এর বিপণনে তরুণদের নানা উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। মার্কেটিং এর সঠিক জ্ঞান না থাকায় অনেক কৃষক কৃষি কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। পাহাড়ে অনেক আম, আনারস, কাঠাল, লিচু নায্য মূল্য না পেয়ে পঁচে যায়। কিন্তু এগুলো প্রসেসিং করে বিক্রির জন্য তেমন উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেই। সেজন্য কৃষকরা এর নায্য মূল্য পাইনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পচনশীল কাঁচা ফলমূল যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য এর নানা প্রসেসিং এর মাধ্যমে সেগুলো পুনরায় বাজারজাত করা হয়। তাই দেশেও এরকম নানা উদ্ভাবনী কাজ শুরু করা যেতে পারে। সেজন্য তরুণ উদ্যোক্তাদের কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে পাহাড়ের কৃষি পণ্য নিয়ে কাজ করার জন্য কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নানা ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তারা বলেন, উদ্যোক্তাদের কৃষি ব্যবসায়ে উৎসাহিত করতে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর থেকে নানা যন্ত্রপাতি ও প্রকল্প অনুদান প্রদান কররা হয়ে থাকে, যেখানে ৭০% প্রকল্প থেকে এবং ৩০% উদ্যক্তা নিজ অর্থায়ন করা হয় বলে জানান।
এরপর এগ্রি ট্যুরিজম এবং কৃষির বাজারের সম্ভাব্যতা ও এর ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়। উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তাদের এগ্রো ট্যুরিজম নিয়ে উপস্থিত অতিথিবৃন্দদের মাঝে নানা প্রশ্ন করেন এবং অতিথিবৃন্দ সেগুলোর উত্তর দেন।
অনুষ্ঠান শেষে কনটেস্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাবিপ্রবির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ঋষিতা চাকমা।
অনুষ্ঠানসূচী অনুযায়ী সন্ধ্যায় বাইরে থেকে সাংস্কৃতিক দল, রাবিপ্রবির ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগ এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।#
লংগদুতে জেলা প্রশাসকের গণঅভ্যুত্থানে আহতদের আর্থিক অনুদান প্রদান
আজ ০৮ফেব্রুয়ারী-২০২৫ রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সফর করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ)। সফরের অংশ হিসেবে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সভায় স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রম, প্রশাসনিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় তিনি জনগণের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব শোনেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।
এছাড়া সাম্প্রতিক ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আহত চারজনকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসক জানান।
সফরের অংশ হিসেবে তিনি লংগদু থানা পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি, উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
জেলা প্রশাসকের এ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়। উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে লংগদুর সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করে জেলা প্রশাসন।#