রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান আজ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটির স্থানীয় প্রশাসনের অফিস প্রধান ও তাঁদের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।
উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান। সভার শুরুতে তিনি সকলকে বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চ মাত্রায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কৌশলগত কর্মপন্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। আগামী বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও ছাত্র-ছাত্রী হল নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমির জটিলতা নিরসনে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আরও বলেন, রাঙ্গামাটি শহরে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যাতায়াতের বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহন চলাচলের অসুবিধা সমূহ চিহ্নিত করে তা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টজন ও অফিসের সহায়তা প্রত্যাশা করেন এবং শহরের প্রয়োজনীয় রাস্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানের দিক নির্দেশক সাইনবোর্ড স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা আশা করেন। উপস্থিত অফিস প্রধান এবং প্রতিনিধিবৃন্দ উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন ও ইতিবাচক মতামত ব্যক্ত করেন।
সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জনাব নাসরীন সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব মাহমুদ খান, এনএসআই এর উপ-পরিচালক মোঃ আনিসুর রহমান, এনএসআই এর যুগ্ম-পরিচালক জনাব মাহমুদ হোসেন, রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ সাহেদ উদ্দিন, ৪১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এর মেডিকেল অফিসার মেজর আশিকুর জামান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাঙ্গামাটি এর নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব বিজক চাকমা, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ, সহকারী প্রকৌশলী জনাব আলো জ্যোতি চাকমা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের গবেষণা কর্মকর্তা জনাব কাইংওয়াই ম্রো উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডীন ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব ধীমান শর্মা, ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডীন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব সূচনা আখতার, প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক জনাব আহমেদ ইমতিয়াজ, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব মোহনা বিশ্বাস, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক জনাব ড. নিখিল চাকমা, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আবদুল গফুর, সংস্থাপন-১ শাখার উপ-রেজিস্ট্রার জনাব অনিল জীবন চাকমা, জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের প্রশাসন শাখার উপ-রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষ আলোচনায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি ও দেশে বিদেশে এর সুনাম ছড়িয়ে দেয়ার অভিপ্রায়ে সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
Blog

রাবিপ্রবি’তে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নালিতাবাড়ীতে সংবাদ সম্মেলনে ০২০ এর বিরুদ্ধে পরিবহন সেক্টরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ
শেরপুর জেলা পণ্য পরিবহন সেক্টরে রেজি: নং ময়মন-০২০ কর্তৃক কিছু লোক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পায়তারা করছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন জেলা ট্রাক, মিনিট্রাক, ড্রামট্রাক, ট্যাংকলড়ি ও কভারভ্যান চালক শ্রমিক ইউনিয়ন।
অভিযোগে বলা হয়, শেরপুর জেলা ট্রাক মিনিট্রাক ড্রামট্রাক ট্যাংকলড়ি ও কভারভ্যান চালক শ্রমিক ইউনিয়ন ৩২৭৭ এর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ভূয়া তথ্য দিয়ে রেজি: নং ০২০ এর কিছু লোক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ৩২৭৭ এর শ্রমিকদের নানা হুমকি দিচ্ছেন। যা নালিতাবাড়ির শ্রমিকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। ইতিমধ্যে ময়মন-০২০ কিছু শ্রমিক ও দলীয় কিছু লোক সংগঠনের ভিতরে ঢুকে নালিতাবাড়ীকে অশান্ত করার পায়তারা করছেন। ইতিমধ্যে ৩২৭৭ এর একাধিক শ্রমিকদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করেছেন। তারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আরো অভিযোগ, ময়মন-০২০ কর্তৃক ৩২৭৭ এর কোন শ্রমিক হামলার স্বীকার হন এর দায়ভার তাদেরকেই নিতে হবে। নালিতাবাড়ীতে ৩২৭৭ এর কোন শ্রমিকের গাড়ি আটকানো হলে নকলা, শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও শেরপুর শহরে -০২০ কোন শ্রমিক ও তাদের গাড়ি ঢুকতে দেয়া হবেনা। ৩২৭৭ শ্রমিকরা এখনও ভদ্রতার পরিচয় দিচ্ছেন কোন ধরনের সংঘাতে লিপ্ত হচ্ছেন না তারপরও যদি -০২০ শ্রমিকরা আবারও হামলা, মামলা ও হুমকি দেন তাহলে ৩২৭৭ শ্রমিক নেতারা তা ছাড় দেবেনা। প্রয়োজনে পরিবহন সেক্টরে কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলনে ঘোষনা করা হবে।
উল্লেখ্য- গত ১৬ জানুয়ারি রেজি: নং ময়মন -০২০ কর্তৃক ৩২৭৭ শ্রমিক সংগঠনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন। এরই প্রতিবাদে ১৭ জানুয়ারি রাতে প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ীর কনফারেন্স হলে আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করেন ৩২৭৭ এর জেলা নেতৃবৃন্দরা। সম্প্রতি দু’পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আহত হয়েছে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৪ জন। বর্তমানে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে রাবিপ্রবি’র শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে এক মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। ১৬ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন নবনিযুক্ত শেরপুরে বিজিবির অভিযানে সোয়া ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ
ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মো.আতিয়ার রহমান। সভায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়া সভায় তিনি সকলকে ট্রান্সফরমেশনাল ম্যানেজমেন্টের ধারনা দেন এবং নীতি-নৈতিকতা বিধি-বিধান মেনে কাজ সম্পাদনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন বিশ্ববিদ্যালয়কে সকলের প্রচেষ্ঠায় বিশ্বমানে উন্নীত করার লক্ষ্যে একাডেমিক এক্সিলেন্সের উপর বিশেষ জোর দেন #
শেরপুরে বিজিবির অভিযানে সোয়া ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ
শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ভারত সীমান্তঘেঁষা পাহাড়ি গ্রাম পানিহাতা তালতলা মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল তালতলা মাঠ এলাকায় অভিযান চালায়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল রেখে পালিয়ে যায়।
অভিযানে জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ২০,৮৪৪টি ভারতীয় সানগ্লাস, ৪১টি শাড়ি, ১০টি বড় লেহেঙ্গা, ৪টি ছোট লেহেঙ্গা, ১টি ফেন্সি গাউন এবং ১টি ফেন্সি লেহেঙ্গা। এসব পণ্যের বাজার মূল্য আনুমানিক ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এব্যাপারে বিজিবি ময়মনসিংহ সেক্টরের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ সানবির হাসান মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, চোরাচালান বন্ধে বিজিবির অভিযান চলমান থাকবে। সীমান্তে সব ধরনের অপরাধ দমনে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে।#
বিএনপি নেতা মজিবর চৌধুরী মওলানা ভাসানী লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ১নং পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. মজিবর রহমান চৌধুরী মওলানা ভাসানী লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ পেলেন। বাংলাদেশ ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন নামে একটি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তাকে ওই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন।
বিএনপি নেতা মজিবর রহমান চৌধুরীকে শনিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকাস্থ পুরানা পল্টন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে আয়োজিত ‘মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে ওই লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা শেখ মো. আমির হামজা।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র সংষ্কার কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকন উদ-দৌলা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন।
সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন নামে একটি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতি বছর সাংগঠনিক কাজে দক্ষতা ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সংগঠনের কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা মন্ডলী মওলানা ভাসানী লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকেন।
এ ধারাবাহিকতায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ১নং পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান চৌধুরীকে ওই মওলানা ভাসানী লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ প্রদান করা হলো।
বিএনপি নেতা মজিবর রহমান চৌধুরী বলেন, অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার পর আমার দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। আমি সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। যাতে আরো বেশি করে সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করতে পারি।#
খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় নালিতাবাড়ীতে শ্রমিকনেতার দোয়া মাহফিল
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় শ্রমিকনেতার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার যোগানিয়া ইউনিয়নের গড়াকুড়া মসজিদ বাজারে উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কারা নির্যাতিত নেতা আমিরুল ইসলামের আয়োজনে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র দির্ঘায়ু ও আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া-মাহফিল অনূষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, যোগানিয়া ইউনিয়নের কৃতিসন্তান, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সম্পাদক ও সমাজসেবক আমিরুল ইসলাম।
এসময় ইউপি মেম্বার জমশেদ আলী, সাবেক মেম্বার আমজাদ আলী, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মানিক মিয়া, উপজেলা শ্রমিকদলের সদস্য ফারুক মিয়া, যোগানিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মুক্তব আলী, সিনিয়র সহ সভাপতি মজিবর রহমান, উপজেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা, ভ্যান-অটো চালক দলের
আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হারুন মেম্বার, যুগ্ম আহবায়ক জুলহাস সরকার, মুকুল মিয়া, সোহেল মিয়া, অটো চালকদলের যোগানিয়া ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক আলম মিয়া, ফিরুজ মিয়া,
যোগানিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা লাল মিয়া, বাদশা মিয়া, আজগর আলী, ইসমাইল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, শাহজাহানসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন।
শ্রমিক নেতা আমিরুল ইসলাম বলেন- আওয়ামী ষড়যন্ত্রের শিকার আমাদের বিএনপির আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার দির্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করেছি। আল্লাহ্ যেন প্রিয় নেত্রীকে দ্রুত পুর্নসুস্থতা দান করেন। তিনি যেন ফিরে এসে দেশ ও জনগণের সেবা করতে পারেন সবার কাছে এই দোয়া চাই।
পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাঁশ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান-উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপদ্রীপ চাকমা বলেছেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পানি শূন্যতা হ্রাস ও এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ গড়ে তুলতে আমরা বাঁশ এর ফলন ও এর ব্যবহার বাড়াতে চাই। পরিবেশ রক্ষায় বাঁশ খুবই কার্যকরী ও গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা সেগুন, মেহগনি আকাশি গাছ লাগাতে আর উৎসাহিত করছি না। পার্বত্য চট্টগ্রামের পানি শূন্যতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাঁশ হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গতকাল বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে FAO-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ জিয়াওকুন শী (Jiaoqun Shi) ও তার প্রতিনিধি দলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপদ্রীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সকলের উপযোগী প্রকল্প গ্রহণের জন্য FAO প্রতিনিধি দলের প্রতি আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, ন্যাচারাল রিজার্ভ ফরেস্ট এখানে শতাব্দিকাল যাবৎ একইভাবে রয়েছে। আমরা চাই, পার্বত্য চট্টগ্রামে FAO গৃহীত প্রকল্পগুলোর স্থায়িত্ব টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তা ও জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে টেকসই জীবিকার সংস্থান করতে FAO এর গৃহীতব্য প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা ইকোসিস্টেমে পরিবেশবান্ধব বাঁশ চাষকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরেন। উপদেষ্টা বলেন, পাহাড় টিকিয়ে রাখতে হলে বন-জঙ্গল, ঝিরি, ঝরণা, বাঁশ ঝাড়ের চাষ বাড়াতে হবে। কাপ্তাই লেক এর পানি সংরক্ষণ ও এর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজ, ফলজ, বনজ সম্পদ গড়ে তোলাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট বাস্তবায়নে ২৬টি উপজেলায় কাজু বাদাম, কফি চাষ, ইক্ষু চাষের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি এসকল অর্থকরী আবাদে নতুন করে প্রকল্প গ্রহণের জন্য FAO প্রতিনিধি দলের প্রতি আহ্বান জানানপার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) শুভাশিষ চাকমা, FAO এর বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ জিয়াওকুন শী (Jiaoqun Shi), সহকারী কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ ইমানুন নবী খান, ন্যাশনাল প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন অফিসার এমদাদুল হক চৌধুরী এবং ইউএনডিপি’র কর্মকর্তা এ এ মং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।#
রাঙামাটিতে শুরু হল ১০দিনব্যাপী লোক ও কারুশিল্প মেলা
এসো দেশ বদলাই,পৃথিবী বদলাই ‘ স্লোগানকে সামনে রেখে তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উপলক্ষ্যে রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে*লোক ও কারুশিল্প মেলা* ।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টায় রাঙামাটির বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুস শুক্কুর স্টেডিযামে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ১০ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিব উল্লাহ।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনালের মোঃ এরশাদ হোসেন চৌধুরীর, পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাসব্যাপী তারুণ্যের উৎসবে এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মসূচী। মেলার মাধ্যমে স্থানীয় লোক সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। আগামীতে এ দেশ গঠনে তরুনদের অনন্য ভূমিকা রয়েছে, দেশ বদলাতে তরুনদের এগিয়ে আসার আহাবানও জানানো হয়।
আজ থেকে শুরু হওয়া মেলা চলবে ২৫ জানুয়ারী পর্যন্ত। চালু থাকবে সকাল ৯ টা থেকে রাদ ৯ টা পর্যন্ত। মেলায় বিভিন্ন রকমারী পণ্যের ১ শ ২০ টি স্টল রয়েছে। জুলাই বিপ্লবের চিত্র প্রদর্শনীও স্টলও রাখা হয়েছে। তাছাড়া রয়েছে প্রতি সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টান।
ঢাকায় পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ঃ রাঙ্গামাটিতে প্রতিবাদ
নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘আদিবাসী’ শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতি বাতিলের প্রতিবাদে ঢাকায় কর্মসূচীতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে যথাযথ বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে রাঙামাটিতে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে জিমনেসিয়াম থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে একই স্থানে রাঙামাটি চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ থাকে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমিত্র চাকমা, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুমেন চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি শান্তি দেবী তঞ্চঙ্গ্যা, তঞ্চঙ্গ্যা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ফোরাম সদস্য সবুজ তঞ্চঙ্গ্যা, রাঙামাটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী উজাই মারমা। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বিএমএসসি কেন্দ্রীয় কমিটি সদস্য ক্যাসিংনু মারমা।
এসময় বক্তারা বলেন, নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘আদিবাসী’ শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতি বাদ দেয়ার প্রতিবাদে এনসিটিবি ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে যাওয়ার সময় ‘স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি’ নামের একটি সংগঠন ক্রিকেট স্ট্যাম্প, চাপাতি ও লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে হামলায় ১৭ জন বেশি শিক্ষার্থী আহত হন। এর দায় অন্তবর্তীকালীন সরকার কোনভাবে এড়াতে পারে না।
বক্তারা আরো বলেন, বিগত সরকারের সময়ের মতো এই সরকার পাহাড়ের মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে যথাযথ বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এসময় জড়িতদের বিচার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
একইসাথে অবিলম্বে নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘আদিবাসী’ শব্দ সম্বলিত গ্রাফিতি পুনর্বহাল, পাঠ্যপুস্তকে আদিবাসীদের সঠিক ইতিহাস ও পরিচিতি তুলে ধরাসহ সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতির দাবিও জানান তারা।
কলকাতা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সিআরএ সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বন্দর নগরীতে পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (সিআরএ) এর সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খোকন কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর ও সাধারণ সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এতে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন-সিআরএ”র সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খোকনের কলকাতা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দর সাথে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এতে চট্টগ্রাম ও কলকাতার মধ্যকার সাংবাদিকদের সুসম্পর্কের বজায় রাখার কথা জানান কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সাংবাদিকদের সবসময় সুসম্পর্ক রয়েছে। আজকের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে আগামীতে চট্টগ্রাম ও কলকাতার মধ্যকার সাংবাদিকদের সুসম্পর্ক আরো বেড়ে গেল। এসময় কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি অন্যদের সাথে নিয়ে চট্টগ্রাম সফরের কথাও জানান সিআরএ সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খোকন’কে।
এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি কলকাতা সফরে যান সিআরএ সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খোকন। এতে বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ আবদুল কাদের রাজু। কলকাতার সফরে কলকাতা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দর সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন – সিআরএ এর সভাপতি আরেফিন সোহাগ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল কাদের রাজু সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।