Blog

  • রাঙামাটিতে পলিশের ৩দিনব্যাপি নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

    রাঙামাটিতে পলিশের ৩দিনব্যাপি নির্বাচনী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে চতুর্থ পর্যায়ের ২৪-২৫ তম ব্যাচের ০৩ ( তিন ) দিন মেয়াদী নির্বাচনী দায়িত্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন।

    আজ ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ লাইন্সে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে চতুর্থ পর্যায়ের ২৪-২৫ তম ব্যাচের ০৩ ( তিন ) দিন মেয়াদী ” নির্বাচনী দায়িত্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা ” উদ্বোধন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ ) জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম মহোদয়ের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার, জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম মহোদয়।

    সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, “ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখার বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। ”

    শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় আশা ব্যক্ত করেন যে, রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সদস্যরা শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবেন।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালার চতুর্থ পর্যায়ের ২৪-২৫ তম ব্যাচের ০৩ ( তিন ) দিন মেয়াদী এই প্রশিক্ষণে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন ইউনিট থেকে আগত মোট ১০৫ জন পুলিশ সদস্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।

    এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পিসিসিপি রাঙামাটির উদ্যেগে শিক্ষার্থী ও শীতার্তদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ এবং  কম্বল বিতরণ।

    পিসিসিপি রাঙামাটির উদ্যেগে শিক্ষার্থী ও শীতার্তদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ এবং কম্বল বিতরণ।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যােগে নতুন বছর উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
    শনিবার (৩রা জানুয়ারি) জেলা শহরের কাঠালতলী মসজিদের সামনে ৫০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও শতাধিক মানুষের মাঝে এসব শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    এ সময়ে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য ও পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাবীব আজম,পিসিএনপি রাঙামাটি জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির,পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন,যুগ্ম সম্পাদক আরিয়ান রিয়াজ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম রনি, অর্থ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু,পিসিসিপি সদর উপজেলা শাখার সভাপতি হারুন, সাধারণ সম্পাদক রিমন প্রমুখ।
    নেতৃবৃন্দরা বলেন, পাহাড়ে শান্তি,সম্প্রীতি রক্ষায় ও আর্তমানবতার সেবায় পিসিসিপি এমন মহতি কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
    পাহাড়ে সন্ত্রাস,চাঁদাবাজি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পিসিসিপি’র আন্দোলন সংগ্রাম চলমান রাখার পাশাপাশি নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে সব সময় থাকবে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)। #

  • রাঙামাটি সরকারি কলেজ মাঠে ওয়ান ডে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত।

    রাঙামাটি সরকারি কলেজ মাঠে ওয়ান ডে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত।

    রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের নিচের মাঠে রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য হাবিব আজম প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ওয়ান ডে নাইট উন্মুক্ত শর্ট মিনিবার ফুটবল টুর্ণামেন্টের শু ভ উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর শ্রমিকদলের সাবেক সভাপতি ইদ্রিস হাওলাদার, জেলা ছাত্রদল সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সুমন, রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ওমর মোরশেদ, সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম শুভ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আলভি হাসান নাঈম।

    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল ৩ টায় আয়োজিত এই টুর্ণামেন্টে মোট বার টি দল অংশ গ্রহণ করে।
    উদ্বোধনী খেলায় প্রথমেই অংশ গ্রহণ করে কাটাছড়ি পহর ক্লাব ও গিয়াস উদ্দিন স্মৃতি ক্লাব। খেলা শুরুর আগে বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হাবীব আজম বলেন,
    “খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের টুর্ণামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা প্রয়োজন। সুস্থ সমাজ গঠনে ক্রীড়াঙ্গনের বিকল্প নেই।”
    তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
    খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরো টুর্ণামেন্ট জুড়ে দর্শকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
    উল্লেখ্য,টুর্ণামেন্টটির সার্বিক আয়োজন ও পরিচালনায় ছিল টুর্ণামেন্ট পরিচালনা কমিটি।#

  • ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী দ্বারা পর্যটকদের হেনস্থার প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি শহরে পিসিসিপির বিক্ষোভ

    ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী দ্বারা পর্যটকদের হেনস্থার প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি শহরে পিসিসিপির বিক্ষোভ

    রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে আবারও ইউপিডিএফ’র সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্তৃক পর্যটকদের মোবাইল ছিনতাই, হেনস্থা ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখার পক্ষ থেকে (২ জানুয়ারি) রাঙামাটি শহরের কাঠালতলী মসজিদ প্রাঙ্গণ হতে জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বনরূপা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

    বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশ পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়, এতে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য, পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক মো. হাবীব আজম, পিসিএনপি’র রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোলায়মান, সহ-সভাপতি কাজী জালোয়া, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো: নূর হোসেন, রাঙামাটি অটোরিকশা চালক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান বাবু, রাঙামাটি ফার্নিচার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল শুক্কুর, হিল সার্ভিস রাঙামাটি জেলার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাসুদ রানা, এসোসিয়েশন অব হিল ট্যুরিষ্ট গাইড এর রাঙামাটি সভাপতি সোহেল রানা, রাঙামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা রাকিব, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক আরিয়ান রিয়াজ, মো. রনি, পৌর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, ফুরমোন পাহাড়কে ইউপিডিএফ’র সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অবৈধভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে। পাহাড়ে ঘুরতে আসা সাধারণ পর্যটকদের গতিরোধ করে তল্লাশি চালানো, মোবাইল ছিনতাই করা, মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি এবং নারী পর্যটকদের সাথে অশোভন আচরণের মতো ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক। অনেক ক্ষেত্রে পর্যটকরা ভয়ে মুখ না খুললেও ভেতরে ভেতরে ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে।

    ভুক্তভোগী সুমন বক্তব্যে বলেন, ফুরমোন পাহাড় থেকে পুরো রাঙামাটি শহরকে এক পলকে দেখা যায়। এমন একটি অমিত সম্ভাবনাময় জায়গায় দিনের আলোয় অস্ত্রধারীদের অবাধ বিচরণ করে যা নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

    বক্তারা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং উদীয়মান পর্যটন শিল্পকে রক্ষা করতে হলে এখনই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তারা অবিলম্বে রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে সন্ত্রাসমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
    পিসিসিপি’র নেতৃবৃন্দদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি—অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নির্মূলে নিয়মিত ও বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা না হলে অচিরেই এই অঞ্চলের পর্যটন খাত ধসে পড়বে এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

    নেতৃবৃন্দ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে পাহাড়ের অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। #

  • খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর হাতে অবৈধ অস্ত্রসহ আটক-১

    খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর হাতে অবৈধ অস্ত্রসহ আটক-১

    খাগড়াছড়িতে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করার সময় মোঃ আইয়ুব (৪৬) নামে একজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

    আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মোঃ আইয়ুব চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা এলাকার ইছাহক মিয়ার ছেলে।

    বাংলাদেশ সেনাবাহীনির ৩০ বীর জোন সদর জোন সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে রাঙ্গুনিয়া থেকে অবৈধ অস্ত্র ক্রয়ের উদ্দেশ্যে একজন লোক খাগড়াছড়িতে আগমন করেছে। পরে ৩০ বীর খাগড়াছড়ি সদর জোনের সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে টহল দল সদর উপজেলার কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় থেকে অভিযান পরিচালনা করে আইয়ুব আলীকে আটক করে।

    এসময় তার কাছ থেকে ১ টি পিস্তল, ১ টি ম্যাগাজিন, ২ রাউন্ড গুলি, নগদ ৪,০,২০ টাকা, ১টি মোবাইল ফোন এবং ২টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। আটকের পর তাকে ৩০ বীর জোন সদরে নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টা দিকে তাকে খাগড়াছড়ি সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএম আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    উল্লেখ্য, আটককৃত আসামিকে চট্টগ্রাম র‍্যাব ৭-এর অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গত ১৫ সেপ্টেম্বর/২৪ ইং তারিখ আটক করে।#

  • নও মুসলিম ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যা মামলার ২ আসামি গ্রেপ্তার।

    নও মুসলিম ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যা মামলার ২ আসামি গ্রেপ্তার।

    বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় নওমুসলিম মো. ওমর ফারুক ত্রিপুরা হ/ত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) গভীর রাতে রোয়াংছড়ির বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দুর্গম তুলাছড়ি পাড়ার বাসিন্দা দেবেন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে ডানিয়েল ত্রিপুরা (৪০) ও মৃত ত্রিপলা ত্রিপুরার ছেলে জমালা ত্রিপুরা ওরফে জমা ত্রিপুরা (৩৫)।

    রোয়াংছড়ি থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবীরের নির্দেশনায় সিনিয়র এসআই শুভ্র মুকুল চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি টিম রাত আড়াইটার দিকে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় আদালতের ইস্যুকৃত ওয়ারেন্ট অনুযায়ী তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

    উল্লেখ্য, খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণের পর চার বছর আগে নওমুসলিম মো. ওমর ফারুক ত্রিপুরা তুলাছড়ি পাড়ায় ইসলাম ধর্ম প্রচারে নিয়োজিত ছিলেন। ধর্মীয় প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ২০১৮ সালের ১৮ জুন পাহাড়ি এলাকায় তাকে হ/ত্যা করে পাহাড়ি আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জেএসএস। পরে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দায়েরকৃত মামলায় আটক ব্যক্তিরা এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে চিহ্নিত হন।
    গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও রোয়াংছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক শুভ্র মুকুল চৌধুরী জানান, “হত্যা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিকে আটক করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল ১১টার দিকে তাদের বান্দরবান জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।#

  • শান্তি,সম্প্রীতি ও উন্নয়নে বাঘাইহাট জোনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

    শান্তি,সম্প্রীতি ও উন্নয়নে বাঘাইহাট জোনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ

    “শান্তি,সম্প্রীতি ও উন্নয়ন”—এই মূলনীতিকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম ও অনগ্রসর জনপদসমূহে মানবিক সহায়তা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক এলাকার দুর্গম ভূয়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে বিভিন্ন উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

    এই কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ, হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান, নদীর পাড়ে স্থানীয়দের চলাচলের সিঁড়ি নির্মাণ, স্থানীয় জনগণের জন্য একটি ক্লাব নির্মাণ, এক অসহায় পরিবারের বসবাসের জন্য একটি ঘর নির্মাণ এবং এলাকার ধর্মীয় উৎসব পালনের সুবিধার্থে একটি মন্দির পুন:নির্মাণসহ
    বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করা হয়। এসব কার্যক্রম স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    ভূয়াছড়ি, কালুচোরা, ত্রিপুরাপাড়া ও কোজুইতলি পাড়াসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মনিরুল ইসলাম, পিপিএম (বার), পিএসসি-এর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় এই উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। সেনাবাহিনীর এসব উদ্যোগ পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও মানসিক বিকাশে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

    কার্যক্রম চলাকালে জোন কমান্ডার স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন, যা এলাকাবাসীর মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে। স্থানীয়দের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    একজন প্রবীণ পাহাড়ি বাসিন্দা জানান, ভূয়াছড়ি এলাকায় এর আগে এ ধরনের ব্যাপক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তিনি কখনো দেখেননি। তাঁর ভাষায়, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে না, আমাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান ও ধর্মীয় চাহিদার কথাও ভাবছে। এসব কাজ আমাদের মতো প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।”
    বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার বলেন, পাহাড়ি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, তরুণ সমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

    ভূয়াছড়িতে বাস্তবায়িত এই উন্নয়নমূলক কার্যক্রম প্রমাণ করে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী নয়; বরং জনগণের পাশে থেকে সমাজ উন্নয়নের এক নির্ভরযোগ্য অংশীদার। পাহাড়ি জনগণের মাঝে এ উদ্যোগ নতুন আশার সঞ্চার করেছে এবং তাদের উন্নত ভবিষ্যৎ গঠনে রাষ্ট্রের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান

  • *পর্যটন-বান্ধব  পরিচ্ছন্ন রাঙ্গামাটি গড়তে  শহরে ট্যুরিস্ট বাস প্রবেশের ডিজিটাল নিবন্ধন পদ্ধতি চালু*

    *পর্যটন-বান্ধব পরিচ্ছন্ন রাঙ্গামাটি গড়তে শহরে ট্যুরিস্ট বাস প্রবেশের ডিজিটাল নিবন্ধন পদ্ধতি চালু*

    প্রাকৃতিক সৌন্দর্য,পাহাড়-হ্রদ আর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির লীলাভূমি রাঙ্গামাটি। দেশের অন্যতম শীর্ষ পর্যটন জেলা হিসেবে রাঙ্গামাটি প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটককে আকৃষ্ট করে। এই ক্রমবর্ধমান পর্যটন চাপের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি সুশৃঙ্খল, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জেলা পুলিশ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার উদ্যোগে ট্যুরিস্ট বাস শহরে প্রবেশের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধন পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন— যা রাঙ্গামাটির পর্যটনে গুণগত মান একধাপ এগিয়ে নেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উক্ত উদ্যোগের উদ্যোক্তা জনাব মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।

    দীর্ঘদিন ধরে পর্যটন মৌসুমে অপরিকল্পিত ট্যুরিস্ট বাস প্রবেশ, যত্রতত্র পার্কিং ও যানজট শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও পর্যটন পরিবেশে বিরূপ প্রভাব ফেলছিল। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ ও সৌন্দর্যহানির ঝুঁকিও বাড়ছিল। নতুন এই ডিজিটাল উদ্যোগের মাধ্যমে ট্যুরিস্ট বাসসমূহকে অনলাইনে নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি নিয়ন্ত্রিত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনা সম্ভব হবে।

    এখন থেকে ট্যুরিস্ট বাস শহরে প্রবেশের পূর্বেই নির্ধারিত চেকপোস্টে কিংবা যাত্রা শুরুর পরে *www.obtbd.com* এর ওয়েবসাইটে অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করবে। নিবন্ধনকারীর প্রদত্ত মোবাইলে এসএমএস ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুমোদনের তথ্য জানানো হবে এবং নির্ধারিত টার্মিনাল ও পার্কিং ব্যবহারের নির্দেশনা প্রদান করা হবে। এর ফলে শহরের মূল সড়কে অপ্রয়োজনীয় চাপ কমবে, যানজট হ্রাস পাবে এবং পর্যটকরা একটি স্বস্তিদায়ক ও সময়ানুবর্তী ভ্রমণ অভিজ্ঞতা লাভ করবেন।

    এই ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় ট্যুরিস্ট বাস কর্তৃপক্ষকে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, পরিবেশ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় কিছু বাধ্যতামূলক নিয়ম প্রতিপালনের বিষয়ে অবহিত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে-
    ★ চালককে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও পেশাদার হতে হবে।
    ★ যাত্রী নামানোর পর বাস টার্মিনালে বা পার্কিং প্লেসে নিয়ে যেতে হবে।
    ★ যত্রতত্র কিংবা রাস্তায় অবৈধ পার্কিং করা যাবে না।
    ★ সড়কে ময়লা আবর্জনা ফেলা যাবে না।
    ★ পানিতে প্লাস্টিক ফেলা যাবে না।

    ফলে পর্যটন এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

    এই ডিজিটাল উদ্যোগ কেবল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকেই শৃঙ্খলাবদ্ধ করবে না, বরং রাঙ্গামাটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটক-সহায়ক গন্তব্য হিসেবে নতুনভাবে উপস্থাপন করবে। পর্যটকদের কাছে জেলার ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে, সেবার মান বাড়বে এবং টেকসই পর্যটন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    জেলা পুলিশ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা মনে করে, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে “পরিচ্ছন্ন গ্রাম–পরিচ্ছন্ন শহর” কর্মসূচি আরও গতিশীল হবে এবং রাঙ্গামাটির পর্যটনে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও আধুনিকতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।

    এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে পর্যটক, পরিবহন মালিক, চালক, স্থানীয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সহযোগিতার উপর। সকলের অংশগ্রহণে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও পর্যটন-বান্ধব রাঙ্গামাটি গড়ে তোলাই এই ডিজিটাল উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।#

  • চট্টগ্রাম ১৪ আসনে ধানের শীষ পেলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম : চন্দনাইশে ক্ষোভের বিস্ফোরণ

    চট্টগ্রাম ১৪ আসনে ধানের শীষ পেলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম : চন্দনাইশে ক্ষোভের বিস্ফোরণ

    চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আহমেদের মনোনয়ন পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে অস্বস্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মনোনয়নের খবর প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেখানে তার রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।
    জানা গেছে, গত ২১ ডিসেম্বর দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জসিম উদ্দিন আহমেদের পক্ষে তার আইনজীবী রাশেদ হামিদ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সেটি জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
    গত বছরের ৪ ডিসেম্বর জসিম উদ্দিনকে ঢাকার হোটেল লা-মেরিডিয়ানের পাশের রাস্তা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় এজাহারভুক্ত ২১ নম্বর আসামি তিনি। পরে অবশ্য তিনি জামিনে বেরিয়ে বিদেশে চলে যান।
    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যায়, জসিম উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত। এসব ছবি শেয়ার করে অনেক নেতা-কর্মী জানতে চান, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এমন ঘনিষ্ঠতার পরও তিনি কীভাবে বিএনপির প্রার্থী হন।
    যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাঠানো তথ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে জসিম উদ্দিন আহমেদের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।
    স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যমতে, জসিম উদ্দিন আহমেদ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী। তার মালিকানায় কক্সবাজারে ‘রামাদা কক্সবাজার’ ও দুবাইয়ে ‘রামাদা দুবাই’ নামে হোটেল রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি এলাকায় ‘মহল মার্কেট’, খুলশীতে ‘জসিম হিল পার্ক’সহ একাধিক বাণিজ্যিক ও আবাসিক স্থাপনার মালিকানাও তার নামে। এসব সম্পদের উৎস ও স্বল্প সময়ে বড় পরিসরে উত্থান ঘিরে নানা অভিযোগও আলোচিত।
    আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাবেক দুই আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও শহিদুল হকের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এবং আওয়ামী লীগের একাধিক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠতা পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
    স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যিনি সুবিধাভোগী ছিলেন, তার হাতে ধানের শীষ তুলে দেওয়া দলীয়ভাবে বিব্রতকর এবং এতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
    জনশ্রুতি আছে ১০ জুলাই পদ্মা ব্যাংকের ঋণখেলাপির এক মামলায় জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী তানজিনা সুলতানাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত।
    তারও আগে গত ৩০ এপ্রিল ঋণখেলাপির মামলায় জসিম ও তার স্ত্রীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এই আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ আনতে জসিম হাই কোর্টে যান। ঋণের ১৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন জানিয়ে সেখানে তিনি জাল পে-অর্ডারের ফটোকপি দেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জামিন স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর তার জামিন বাতিল করে হাই কোর্ট।
    ওই মামলার অভিযোগে বলা হয়, জেসিকা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার জসিম উদ্দিন ২০১৬ সালে পদ্মা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে ৬০ কোটি টাকা ঋণ নেন। এক বছরের মধ্যে তা পরিশোধ করার চুক্তি থাকলেও আট বছরেও তিনি তা শোধ করেননি।
    ২০২২ সালে সম্পূর্ণ সুদ মওকুফ-সুবিধা নিয়ে তিনি ওই ঋণ পুনঃ তফসিল করেন। কিন্তু তারপরও পরিশোধ না করায় ওই ঋণ সুদাসলে প্রায় ১১৫ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
    ঋণের বিপরীতে চট্টগ্রামের লালদীঘি এলাকার ১৬ দশমিক ৫৯ শতক জমির ওপর নির্মিত সাততলা মহল মার্কেট তিনি ব্যাংকের কাছে জামানত রেখেছেন। ঋণ শোধ না করায় ২০২০ সালের ১৮ জুলাই জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে মামলা করে পদ্মা ব্যাংক। ওই মামলায় ২৯ জানুয়ারি জসিমকে সুদসহ ঋণ পরিশোধের নির্দেশ দেয় আদালত। তারপরও ঋণ শোধ না করায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয় #

  • মহান বিজয় দিবস ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস/২৫ পালন করল ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি,রাঙ্গামাটি।

    মহান বিজয় দিবস ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস/২৫ পালন করল ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি,রাঙ্গামাটি।

    মহান বিজয় দিবস ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস/২৫ উপলক্ষে ২৭ ডিসেম্বর (শনিবার) বেলা ৪ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবে, পার্বত্যাঞ্চল’র শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার উদ্যোগে দুঃস্থ অসহায় ছিন্ন মুল সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র উপহার, গুণীজন/কির্তিমান প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন সম্মাননা এবং মানবাধিকার রক্ষা বিষয়ক “সুধি সভা” অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি কলেজ’র ইংরেজী বিভাগ’র প্রধান সহযোগী অধ্যাপক অনির্বান বড়ুয়া,গেস্ট অব অনার হিসাবে ছিলেন এডিশনাল এসপি (ক্রাইম) মোঃ জসীম উদ্দিন,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে শাহ্ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়’র প্রধান শিক্ষক মোঃ মুজিবুর রহমান,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ’র সদস্য এবং সমাজ সেবক মোঃ হাবীব আজম,রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব’র সিনিয়র সহ সভাপতি শাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান রানা,রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাব’র সাধারন সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস। অত্র সংগঠন’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শিক্ষক অরুপ কুমার মুৎসুদ্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মহতী অনুষ্ঠান সমূহে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্ঠা স্বপন কুমার মল্লিক, এশিয়া ছিন্ন মুল বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলার যুগ্ন সম্পাদক মোঃ মাহাবুদুল হক, পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠন’র সাংস্কৃতিক সম্পাদক অশ্রু মুৎসুদ্দী। অতিবৃন্দ আসন গ্রহন করলে সংগঠন’র পক্ষ থেকে ফুলের তোরা দিয়ে বরণ করা হয়।
    অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ, তারপর দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন,এরপর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদ এবং জুলাই/২৪ আন্দলোন’র শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যের পর সংগঠন’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এবার রাঙ্গামাটির ঐতিহ্যাবাহী ৪ টি কির্তিমান প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনকে “সম্মাননা স্মারক”-২০২৫ উপহার দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠাগুলো হচ্ছে পার্বত্যাঞ্চলের অতি সু প্রাচীন শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠ রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজ,শাহ্ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়, চারুকলা একাডেমী রাঙ্গামাটি, এবং সংগঠন’র মধ্যে সাংস্কৃতিক সংগঠন, টিম “জলসা অঙ্গন” অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতসহ দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন অত্রাঞ্চল’র সুপরিচিত সাংস্কৃতিক সংগঠন টিম “জলসা অঙ্গন”।
    মানবাধিকার রক্ষা শীর্ষক সুধি সভা শেষে অর্ধশতাধিক দুঃস্থ অসহায়দের মাঝে সংগঠন’র পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র উপহার দেয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিসহ সকলেই জলাহারে মিলিত হয়। #