Blog

  • সাম্প্রতিক সময়ে ২৮,৩০,২৮,৮১৯ টাকার চোরাই মালামাল সহ  ২৯ জনকে আটক করেছে ৪১বিজিবি কাপ্তাই।

    সাম্প্রতিক সময়ে ২৮,৩০,২৮,৮১৯ টাকার চোরাই মালামাল সহ ২৯ জনকে আটক করেছে ৪১বিজিবি কাপ্তাই।

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ( বিজিবি) দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম এর সদর দপ্তরের  দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে বিজিবি’র কার্যক্রম নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। 

    রবিবার (২৮ ডিসেম্বর)  সকাল ১০ টায় রাঙামাটির  কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর ওয়াগ্গাছড়া ব্যাটালিয়ন এর সদর দপ্তরের বিনোদন   রুমে এই প্রেস ব্রিফিং করেন কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন( ৪১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে: কর্নেল কাওসার মেহেদী সিগন্যালস।
    এসময় তিনি বলেন, “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচার রোধ, আন্তঃ সীমান্ত অপরাধ দমন, অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সততা, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলার সাথে অর্পিত দায়িত্ব নিরলসভাবে পালন করে যাচ্ছে। এসব কার্যক্রম মিডিয়ার মাধ্যমে দেশের জনসাধারণকে অবহিত করার নিমিত্তে মাঠ পর্যায়ে দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম এর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরোও বলেন,  বাংলাদেশের মোট ৪,৪২৭ কিঃ মিঃ (ভারতের সাথে ৪,১৫৬ ও মায়ানমারের সাথে ২৭১ কিঃ মিঃ) সীমান্তের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা ৫৪০ কিঃ মিঃ নিয়ে বেষ্টিত। যা  চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলার অন্তর্গত আমতলী হতে রাঙামাটি  জেলার জুরাছড়ি উপজেলার কচুতলী পর্যন্ত বিস্তৃত। বিজিবি দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়নের আওতাধীন সর্বমোট ১৩টি ব্যাটালিয়ন সীমান্তের সুরক্ষা প্রদান করছে। একই সাথে দূর্গম সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসরত সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে বিজিবি সবসময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হয়েও বিজিবি দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের যে কোনো দূর্যোগ মোকাবেলায় সব সময়ই অসহায় ও বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছে। সম্মানিত মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর মূলনীতি “বিজিবি সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” বাস্তবায়নে প্রতিটি বিজিবি সদস্য বদ্ধপরিকর। একটি প্রশিক্ষিত ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিজিবি সর্বসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
    প্রেস ব্রিফিং এ বিজিবি অধিনায়ক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,   দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম এর অধীনস্থ ইউনিট সমূহ আভিযানিক কার্যক্রম পরিচালনা করে চলতি বছরে ২৯ জন আসামীসহ ৫৮,৭৯,১৩৫/-টাকার মাদক এবং ২৭,৭১,৪৯,৬৮৪/- টাকার অন্যান্য মালামালসহ সর্বমোট ২৮,৩০,২৮,৮১৯/- (আটাশ কোটি ত্রিশ লক্ষ আটাশ হাজার আটশত উনিশ) টাকার অধিক মূল্যের বিভিন্ন প্রকার চোরাচালানী মালামাল আটক করতে সক্ষম হয়েছে।  এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ন সীমান্ত এলাকায় টহল তৎপরতা জোরদারসহ গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের ভয়াল থাবা হতে যুব সমাজ তথা রাষ্ট্রকে সুরক্ষা নিমিত্তে বিজিবি কর্তৃক এনফোর্সমেন্ট সৃষ্টি ও সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে প্রতিনিয়ত মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক সভা ও সেমিনার পরিচালনা করা হচ্ছে। এ বছরে দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম এর অধীনস্থ ইউনিট সমূহ ৮১৫ বোতল বিদেশী মদ ও ৪০৮ লিটার দেশীয় মদ, ৩৭৩ বোতল ফেন্সিডিল, ৬২ বোতল বিয়ার, ৫২০টি মদ তৈরীর ট্যাবলেট, ৪৪৪.৫১৩ কেজি গাঁজা এবং ১২১৩ টি ইয়াবা ট্যাবলেট আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া  চলতি বছরে দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়নের অধীনস্থ ব্যাটালিয়ন সমূহ ৬৬৭টি গরু, ১৭টি মহিষ এবং ৩৭টি ছাগল আটক করতে সক্ষম হয়েছে।
    সাংবাদিকদের আর একটি প্রশ্নের জবাবে বিজিবি অধিনায়ক বলেন, চোরাকালীন সময়ে বিভিন্ন সময় বিজিবি কর্তৃক বিভিন্ন প্রকার কাঠ, বাঁশ, ভারতীয় থ্রী পিস, বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী, বিভিন্ন প্রকার সাবান, বিভিন্ন প্রকার কীটনাশক, শুটকি, বিদেশী সিগারেট, নাপ্পি, বাংলাদেশী সালসা, রসুন, চিনি, জিরা, চা পাতা, স্যান্ডেল, গরমতি আম, বিভিন্ন প্রকার কম্বল, নৌকার ইঞ্জিন, ডিঙ্গী নৌকা এবং চোরাচালানী পণ্য বহনকারী বিভিন্ন যানবাহন আটক করা হয়েছে।  এছাড়া  অস্ত্র চোরাচালান বিরোধী অভিযানে  দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম এর অধীনস্থ ইউনিট সমূহ সর্বদা তৎপর থেকে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অস্ত্র চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সাফল্য অর্জন করে আসছে। এরই আলোকে দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়ন, চট্টগ্রাম এর আওতাধীন ইউনিট সমূহ বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ০২টি দেশীয় রাইফেল, ০২ টি ১২ বোর পিস্তল, ০১টি ১২ বোর শর্ট গান, ০১টি ৯ এম এম পিস্তল (যুক্তরাষ্ট্র), ০১টি ৮ এম এম পিস্তল (ভারতীয়), ৫০০ গ্রাম গান পাউডার, ০১ টি ১ নলা দেশীয় বন্দুক, ০১ টি এসএমজি (এম-৪, এ-১), ০২টি ম্যাগাজিন এবং দেশীয় অস্ত্র ৫০০টি (হাসুয়া ও দা)। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যে কোন অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ চোরাচালান বন্ধে প্রত্যেক বিজিবি সদস্য বদ্ধপরিকর। এছাড়াও, সাধারণ জনগণ যাতে অবৈধ অস্ত্র এবং সন্দেহজনক লোকজনের গতিবিধি সংক্রান্ত তথ্য বিজিবি’কে প্রদান করে সে ব্যাপারে সীমান্ত এলাকায় প্রতিনিয়ত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও জনসাধারণের উপস্থিতিতে জনসচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবি। #

  • দক্ষতা ও যোগ্যতাই কর্মসংস্থানের চাবিকাঠি: পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    দক্ষতা ও যোগ্যতাই কর্মসংস্থানের চাবিকাঠি: পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, বাংলাদেশের যুব সমাজই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। দক্ষতা ও যোগ্যতাই কর্মসংস্থানের মূল চাবিকাঠি। তিনি বলেন, দেশের ৪ কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
    আজ শনিবার গাজীপুরের সালনায় ইউসেপ বাংলাদেশ গাজীপুর রিজিয়ন আয়োজিত ‘জব ফেয়ার-২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবসময়ই যুবকদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। আমাদের ১৮ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৪ কোটি যুবককে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন সম্ভব। উপদেষ্টা চাকমা আরও বলেন, ইউসেপ বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বেকার যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলছে, যা প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এসব দক্ষ যুবকদের বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
    রাষ্ট্রদূত সুপ্রদীপ চাকমা বাংলাদেশের কর্মমুখী শিক্ষা প্রসঙ্গে বলেন, কর্মমুখী শিক্ষা মানুষকে দক্ষ করার পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলছে। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে দক্ষ মানুষের বিপুল চাহিদা রয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন ব্যবসায় যুক্ত হয়ে এবং দলবদ্ধভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে মেয়েরাও এখন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেশের উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা রাখবে বলে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন।
    অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সালনায় পৌঁছালে তাকে ফুলেল সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পরে তিনি মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং চাকরিপ্রার্থীদের সাথে কথা বলেন।
    ইউসেপ বাংলাদেশ-এর নির্বাহী পরিচালক জনাব মো. আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (নর্থ, ক্রাইম) মো. রবিউল ইসলাম এবং গুডউইভ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহিনুর রহমানসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।#

  • নানান আয়োজনে রাঙামাটিতে বৈশাখী টিভি’র ২১বছর পর্দাপনের বর্ষপূতি উদযাপন।

    নানান আয়োজনে রাঙামাটিতে বৈশাখী টিভি’র ২১বছর পর্দাপনের বর্ষপূতি উদযাপন।

    রাঙামাটিতে দেশের জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন বৈশাখী টিভির ২১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
    আজ ২৭ডিসেম্বর রোজ-শনিবার সকাল ৯টায় শহীদ মিনারে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে-মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পমালায় শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর মধ্যদিয়ে জননন্দিত বৈশাখী টিভির ২১ বছরের পর্দাপনে বর্ষপূতির উদযাপনের দিনের কর্মসূচি সূচনা করা হয়। শহীদ মিনার চত্বর খেকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। পবিত্র কুরআন তেলোআত দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় অনুষ্টিত হয়। বৈশাখী টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক,উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সহ সকল সহকর্মী,বিজ্ঞাপন দাতা,শিল্পী-কলাকুশলী,কেবল অপারেটর এবং সারাদেশের প্রিয় দর্শক ও দেশবাসীর জন্য বিশেষ দোয়ার মোনজাত করা হয়।

    অনুষ্টানে বৈশাখী টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন,রাঙামাটি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার মোঃ জসিম উদ্দিন,বিশেষ অথিতিরা হলেন, হাবীব আজম সদস্য রাঙামাটি জেলা পরিষদ, এডভোকেট লৎফুর নেছা সদস্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ,মোঃ ইলিয়াস সাধারণ সম্পাদক রাঙামাটি প্রেস ক্লাব,সোহাগ আরেফিন সভাপতি,চট্টগ্রাম রিপোর্টাস এসোসিয়েশন, দৈনিক জনকন্ঠ রাঙামাটি প্রতিনিধি হাজী মোহাম্মদ আলী সাবেক সম্পাদক রাঙামাটি প্রেস ক্লাব।
    অনুষ্টানে বিশেষ মেহমান হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আহসান উল্ল্যাহ, দৈনিক ইত্তেফাক রাঙামাটি প্রতিনিধি মোঃ জসিম উদ্দিন,মাওলানা জমির উদ্দিন,সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব অরুপ মুৎসদ্দী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক-সাংস্কৃতিক গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,২১ বছরের পথচলায় বৈশাখী টেলিভিশন শুধু একটি টেলিভিশন চ্যানেল নয় এটি কোটি দর্শকের ভালোবাসার নাম, এটি দেশীয় সংস্কৃতি, গান, কথা ও মানুষের গল্প তুলে ধরার এক নিরবচ্ছিন্ন প্রয়াসি দর্শক নন্দিত স্যাটেলাইট টেলিভিশন। আগামী দিনগুলো বৈশাখী টিভি আরও উজ্জ্বল, আরও দায়িত্বশীল এবং দর্শকের ভালোবাসায় আরও সমৃদ্ধ হয়ে আগামীর পথচলায় শুভ কামনা করেন।#

  • সভাপতি নন্দিতা দাশ ও সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন ধর

    সভাপতি নন্দিতা দাশ ও সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন ধর

    রাঙ্গামাটির ভেদভেদীস্থ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম মন্দিরের বিশেষ ভক্ত সম্মেলন সভা অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাঙ্গামাটির সকল সনাতনীদের সর্বসম্মতি ক্রমে বিগত স্থগিতকৃত কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
    সভায় শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার সকল ভক্তবৃন্দের সম্মতিক্রমে আগামী ৩ বছরের জন্য নন্দিতা দাশকে সভাপতি, অঞ্জন ধরকে সাধারণ সম্পাদক, রনজিত ধরকে অর্থ সম্পাদক ও সুমন দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে নতুন কমিটির শুভ সূচনা করা হয়। এই কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে গঠনতন্ত্র মোতাবেক একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
    শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের আহবায়ক আশীষ কুমার দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভক্ত সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ রাঙ্গামাটির সাধারণ সম্পাদক ও বাংরাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাঙ্গামাটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি স্বপন কান্তি মজাহন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট রাঙ্গামাটির আহবায়ক নন্দিতা দাশ, রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক, পুরোহিত কল্যাণ সমিতির সভাপতি নির্মল চক্রবর্তী, সিনিয়র সনাতনী ও সাবেক প্রধান শিক্ষক সত্য নন্দী, লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দিরের অডিট কমিটির আহবায়ক দীপক গুপ্ত, সদস্য বিষ্ণুপদ দত্ত, ভেদভেদী সমাজ কমিটির সভাপতি মোঃ আলাউদ্দিন জয়, আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব নিখিল কান্তি দে, সদস্য সুব্রত দে, সদস্য নন্দন দেবনাথ, সদস্য সান্টু চৌধুরী, সদস্য অজিত শীল, সদস্য পুলক চক্রবর্তী।
    উপস্থিত ভক্ত সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন , সাবেক কমিটির সভাপতি কুশল চৌধুরী, শ্রী শ্রী গীতাশ্রম মন্দিরের সহ-সভাপতি রাজু প্রসাদ দে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য রূপন শীল, সনাতন যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাজু শীল, কালিন্দীপুর নিবাসী উত্তম দেবনাথ সহ রাঙ্গামাটির লোকনাথ বাবার ভক্তরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। সভায় রাঙ্গামাটি জেলার বিভিন্ন মঠ মন্দির, বিভিন্ন এলাকার সনাতনী ও লোকনাথ বাবার প্রায় ২ শতাধিক ভক্ত উপস্থিত ছিলেন।
    সভায় অভ্যন্তরীণ বিষয়াদি, চলমান সমস্যা নিরসন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের এবং শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের আহবায়ক কমিটির বিগত ০৪ মাসের আয়-ব্যায়ের হিসাব উপস্থাপন, শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের সংকট নিরসনে স্থগিত কৃত কমিটির অডিট রিপোর্ট পেশ ও বিবিধ বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা হয়। আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ রাঙ্গামাটি জেলার লোকনাথ মন্দির নিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সভায় অবহিত করেন এবং লোকনাথ সেবক সংঘের সাথে আলোচনার বিষয়টিও সভায় উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া আহবায়ক কমিটি আগামী দিনে মন্দির পরিচালনার জন্য ৭ টি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
    সভায় উপস্থিত সনাতনী নেতৃবৃন্দ লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত ও ০৪ মাসের জন্য গঠিত আহবায়ক কমিটি বিলপ্ত করে আলোচনার প্রেক্ষিতে আবার (০৩) বছরের জন্য নতুন আহবায়ক কমিটি দেওয়া হয়। এই নতুন কমিটির মধ্যে ০৪ জনের পদ-পদবী ঘোষণা করা হয়। এই ৪ সদস্যের কমিটি সর্বসম্মতি ক্রমে গঠনতন্ত্র মোতাবেক সদস্য পদ বাড়িয়ে পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে। #

  • রাঙামাটি জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কীট প্যারেড অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটি জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কীট প্যারেড অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ লাইন্স মাঠে রবিবার ২১ ডিসেম্বর
    পুলিশ সদস্যদের মাস্টার প্যারেড ও কীট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত প্যারেডে উপস্থিত থেকে অভিবাদন গ্রহণ করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব,পিপিএম। এসময় পুলিশ সুপার প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং মাস্টার প্যারেডে অংশগ্রহণকারী অফিসার ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস ও টার্ন আউটের উপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। মাস্টার প্যারেডে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন,” মাস্টার প্যারেড হচ্ছে জেলা পুলিশ সদস্যদের প্রদর্শনী। একটা বাহিনী কতটা সু-শৃঙ্খল এবং চৌকস তা এই প্যারেডের মাধ্যমে ফুটে উঠে। এজন্য সকলের শারীরিক ফিটনেস এবং মানসিক বিকাশের জন্য নিয়মিত প্যারেড অনুশীলনের বিকল্প নেই।”তিনি আরো বলেন,”মানুষকে সর্বোচ্চ সেবার মাধ্যমে নিজেকে গর্বিত পুলিশ সদস্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যেকোন সংকট মোকাবেলায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে সু-শৃঙ্খল ভাবে কাজ করতে হবে।”এসময় পুলিশ সুপার,জনসাধারণের সাথে উত্তম ব্যবহার,ড্রেসরুলস মেনে পোষাক পরিধান করা,স্বাস্থ্য সচেতনতা,পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা,নিজেদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করাসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্যারেড কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,সদর সার্কেল মোঃ তারেক সেকান্দারের নেতৃত্বে রাঙামাটি জেলা পুলিশ সদস্যদের ৭টি কন্টিনজেন্ট পুলিশ সুপারকে অভিবাদন জানানোর মাধ্যমে প্যারেড মাঠ ত্যাগ করে। মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার রাঙামাটি জেলা পুলিশের পুলিশ সদস্যদের কীট প্যারেড পরিদর্শন করেন। পরে পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের অস্ত্রাগার,ডি-স্টোর,রেশন স্টোর,যানবাহন শাখা,সি-স্টোর,ফোর্সের মেস ও ব্যারাক পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ ইকবাল হোছাইন,পিপিএম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী,পিপিএম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,বরকল সার্কেল আসিফ ইমাম,সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) মোজাম্মেল হকসহ রাঙামাটি জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। #

  • রাঙামাটিতে ফায়ার সার্ভিসের নবাগত সহকারি পরিচালের যোগদান ও দায়িত্বভার গ্রহণ

    রাঙামাটিতে ফায়ার সার্ভিসের নবাগত সহকারি পরিচালের যোগদান ও দায়িত্বভার গ্রহণ

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নবাগত সহকারি পরিচালক নিউটন দাস জেলায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সোমবার ২২ ডিসেম্বর রাঙামাটি পৌঁছালে তাঁকে রাঙামাটি জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ হতে অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় রাঙামাটি ফায়ার স্টেশনের একটি চৌকস ফায়ার ফাইটার দল ওয়‍্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মুর্শিদুল ইসলামের নেতৃত্বে নবাগত সহকারি পরিচালককে গার্ড অব অনার প্রদান করে। নবাগত সহকারি পরিচালক রাঙামাটি ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ ও লিডার,ড্রাইভার,ফায়ার ফাইটার,ডুবুরীদের সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি প‍্যারেড পরিদর্শন শেষে জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সার্বিক কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। এর পূর্বে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় উপ-সহকারি পরিচালক হিসেবে সুনামের সাথে কর্মরত ছিলেন। #

  • রাঙামাটিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার, প্রাকৃতিক বনভুমি ও পাড়া বন সংরক্ষণ বিষয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সমন্বিত জীব বৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সামাজিক স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইআরআর ডি সিএইচটি ও ইউএনডিপির উদ্যোগে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও পাড়া পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির লক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতেই এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য নাইউপ্রু মারমার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ দেওয়ান। অবহিত করণ সভায় প্রকল্পের বিভিন্ন বিষয় সাংবাদিক অবহিত করেন জেলা পরিষদেও কনসাল্ট্যান্ট (গর্ভন্যান্স) অরুনেন্দু ত্রিপুরা ও প্রকল্পটির জেলা কর্মকর্তা কামনাশীষ খীসা।
    সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ দেওয়ান বলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় প্রাকৃতিক বনভুমি ও সামাজিক বন দিন দিন ধ্বংস হচ্ছে। এই বন ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে না পারলে আমাদের প্রাণী বৈচিত্র্য বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এখনই যদি আমরা এ বিষয়ে এগিয়ে না এলে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসবে।
    সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রকল্পে মূল লক্ষ্য হলো জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি কমানোর মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার পাশাপাশি পাড়া পর্যায়ে নারীদের সক্ষমতা বাড়ানো। অবহিতকরণ সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন।
    ছবির ক্যাপসন- রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ে অবহিতকরণ সভায় কর্মকতর্কারা। #

  • গভীর রাতে রাঙামাটিতে  আগুনে পুড়লো বসতঘর সহ ৪ দোকান,৩ বাস।

    গভীর রাতে রাঙামাটিতে আগুনে পুড়লো বসতঘর সহ ৪ দোকান,৩ বাস।

    রাঙামাটি শহরের পুরাতন বাসস্টেশনে আগুনে পার্কিং করা ৩টি বাস, ৪ দোকান ও একটি বসত ঘর সম্পূর্ন পুড়ে গেছে।
    রোববার রাত সাড়ে তিনটার সময় এই আগুনের সূত্রপাত হয়।  এতে করে অন্তত অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট্যরা জানিয়েছেন। 
    প্রত্যক্ষদর্শির ব্যবসায়ি সেলিম জানিয়েছেন, রাত সাড়ে তিনটার সময় হঠাৎ করেই পুরাতন বাস স্টেশন এলাকার ফার্নিচারের দোকান ও বেতের দোকান দুইটিতে আগুন ধরে যায়।

    বিষয়টি দেখতে পেয়ে সাথে সাথেই ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ অফিসের জরুরী নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও তারা ফোন রিসিভ করেনি। 

    পরবর্তীতের কোতয়ালী থানা পুলিশের কিলো ডিউটিতে থাকা গাড়ি থামিয়ে কর্তব্যরত এসআইকে জানালে তারা গাড়ি নিয়ে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে নিয়ে আসে। 

    এরমধ্যে প্রায় আধাঘন্টা সময়ে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে তিনটি বাস, চারটি দোকান ও একটি বসতঘর সম্পূর্ন পুড়ে যায়। 

    ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি আগুনে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। সময়মতো ফায়ার সার্ভিস আসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো কম হতো বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। 
    এদিকে ফায়ার সার্ভিস অফিস সূত্র জানায়, রাত ৩টা ৫৪ মিনিটে মুঠোফোনে ঘটনাস্থল থেকে কেউ একজন তাদের জানালে, তাদের জরুরী রেসপন্স টিম ৩টা ৫৫ মিনিটে মুভ করে ঘটনাস্থলের উদ্যেশে স্টেশন ছেড়ে যায়। ঘটনাস্থলে পৌছে,আধ ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে ৩টি বাস,৪টি দোকানঘর পুড়েঁ যায়। প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে ফার্নিচার দোকানের কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ণয় করা যাবে। #

    মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন
    ০১৫৫০৬০৯৩৪৩

     

  • হাদীর মৃত্যুতে  উত্তাল  বান্দরবান : বীর বাহাদুরের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

    হাদীর মৃত্যুতে উত্তাল বান্দরবান : বীর বাহাদুরের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র বিপ্লবী ওসমান হাদীর মৃত্যুতে বান্দরবানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা বান্দরবান জেলা শহরের সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এর বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় বীর বাহাদুরের পাঁচ তলা বিশিষ্ট ভবনের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায় এবং বাসার নিচে পার্কিং এ রাখা ২টি প্রাইভেট কার, একটি মোটর সাইকেল পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস এর সদস্যরা এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    এদিকে এ ঘটনার পর থেকে জেলা শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় রাজার মাঠ এলাকাসহ জেলা শহরে জুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমান হাদীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই উত্তেজিত ছাত্র জনতা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রীর বাসার সামনে জড়ো হয়ে ভাঙচুর চালায় এবং বাসার একটি অংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ও সেনা টহলের মাধ্যমে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাধারণ মানুষের মাঝে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    এ বিষয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (ভার:) ফারুক আহমেদ বলেন, সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের বাসায় অগ্নি সংযোগের ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এ ঘটনায় ২ প্রাইভেট গাড়ী, ১টি মোটর সাইকেলসহ ভবনের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

    বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে, পুলিশ প্রশাসনের পাশে সেনাবাহিনীন সদস্যরা মাঠে কাজ করছে। #

  • হারানো ৫০টি মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দিল মালিকের কাছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ।

    হারানো ৫০টি মোবাইল ফোন ফিরিয়ে দিল মালিকের কাছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ।

    রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সফল প্রচেষ্টায় ৫০ টি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর করেছেন।
    ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি: রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারপূর্বক প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব।

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ৫০ টি মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল কর্তৃক উদ্ধার করা হয়।
    সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেল সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, ক্লুলেস মামলা ডিটেকশনের পাশাপাশি অদ্যবধি ৫৫৫ টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা।

    মোবাইল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং পুলিশ সুপার ও রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    এ সময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ ) জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম মহোদয়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস্ ) জনাব মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী সহ সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#