Blog

  • জলকেলিতে শেষ হল পাহাড়ে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব।

    জলকেলিতে শেষ হল পাহাড়ে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব।

    মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ)
    রাঙ্গামাটিতে বর্ষবরণের  মারমাদের সাংগ্রাই উৎসবের সমাপ্তি ঘটল জল উৎসব বা জলকেলি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ।
    মারমা তরুন-তরুনি নিজেদের  ঐতিজ্যবাহী আর্কষীন পোশাকে সাজস্জ্জায় সজ্জিত হয়ে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে  এসে জড়ো হয় রাঙ্গামাটি শহরের চিং হ্লা মারি স্টেডিয়ামে।  এ অনুষ্টানটি মারমা সম্প্রদায়ের হলেও  এউৎসবে রাঙ্গামাটির বসবাসরত সকল জাতিগোষ্টির মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করার মত ছিল। এ এক বাধঁভাঙ্গা নতুন প্রাণের উচ্ছাস। মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) এর আয়োজনে
    মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) এর সভাপতি ও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চোধুরীর সভাপতিত্বে শহরের চিং হ্লা মারি স্টডিয়ামে এ জল উৎসবের উদ্ভোধন করেন জনাব দীপংকর তালুকদার এমপি,মাননীয় সভাপতি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি
    মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গেষ্ট অব অনার ছিলেন ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি। সদস্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটি অর্থ মন্ত্রণালয়।
    জনাব জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা
    মাননীয় সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা আসন।
    জনাব সুপ্রদীপ চাকমা
    মাননীয় চেয়ারম্যান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি কমান্ডার, ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন।
    কর্নেল মোঃ আনোয়ার লতিফ খান।
    বিপিএম (বার) পিএসসি
    জনাব মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জেলা প্রশাসক,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
    মারমারা পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সাংগ্রাই-এর এই জল উৎসব করে থাকে। মারমা তরুণ-তরুণীরা এই জলকেলি উৎসবের মাধ্যমে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে পুরাতন বছরের গ্লানি, দুঃখ, অপশক্তিকে দূর করে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। #

  • রাঙামাটিতে উপজেলা নির্বাচনে  ৪   উপজেলায় ৩৭জন মনোনয়নপত্র জমা

    রাঙামাটিতে উপজেলা নির্বাচনে  ৪   উপজেলায় ৩৭জন মনোনয়নপত্র জমা

    ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটে তিনটি পদে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সদর উপজেলাসহ মোট চার উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে সর্বমোট ৩৭ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানাগেছে, এবার কেবল অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। এতে রাঙামাটি জেলার
    সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন,

    জুড়াছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান-৩ ভাইস চেয়ারম্যান-২, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-২,
    কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান-২, ভাইস চেয়ারম্যান-৪, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-৩
    বরকল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে-২ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। পরদিন প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে।

    প্রথম ধাপের রাঙামাটির চার উপজেলাসহ সর্বমোট ১৫০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে চলতি বছরের আগামী ৮ মে।

    এ ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন জেলা প্রশাসক। #


  • রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা

    রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা

    মোকাদ্দেম সাঈফ
    পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি সার্বজনীন লোক-উৎসব। আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে রাঙামাটি রিজিয়ন ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ সকল ইউনিটের অংশগ্রহণে ১১ ইস্ট বেঙ্গলের প্রশিক্ষণ মাঠে দুই দিনব্যাপী “বৈশাখী মেলা-১৪৩১” অয়োজন করা হয়েছে।
    রোববার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে, বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
    এসময় সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যসহ তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
    রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে মেলাটি সকল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় পহেলা বৈশাখের বাহারী খাবার, পান্তা/ইলিশ, বিভিন্ন প্রকারের পিঠা, বানর খেলা, সাপ খেলা সহ বিভিন্ন খেলা, পুতুল নাঁচ, বায়োস্কোপ, হস্ত শিল্পের প্রদর্শনী ও নাগর দোলার স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
    এছাড়াও নির্বাচিত শিল্পী এবং লেকার্স পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাহাড়ি ও বাঙালিদের মাঝে সু-সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে এ ধরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে রিজিয়ন কর্তৃপক্ষ।
    পাহাড় জুড়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর উৎসব থাকাতে এ বৈশাখী মেলা হয়েছে মনোমুগ্ধকর সম্প্রীতির মিলন মেলায় #

  • বান্দরবানে কেএনএফ-এর সদস্যসহ ৪৯ জন গ্রেফতার

    বান্দরবানে কেএনএফ-এর সদস্যসহ ৪৯ জন গ্রেফতার

    বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি ও গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠন কেএনএফ এর সদস্যসহ ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র, গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি।

    রুমা ও থানচিসহ পাহাড়ি অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের ধরে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে অভিযান চলছে। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বান্দরবান পরিবেশ। পাহাড়ের সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট- কেএনএফ এর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    সোমবার (০৮ই এপ্রিল) সকালে রুমায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় আরও দুই কেএনএফ সদস্যকে। বিকেলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয় আরও তিনজন। তাদের থেকে উদ্ধার হয় ৭টি দেশীয় অস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়িসহ নানা সরঞ্জাম। আটক ৭ জনের মধ্যে ৬জনই কেএনএফ সদস্য।

    এর আগে, সকালে থানচিতে একটি জিপগাড়িসহ কেএনএফের ৩ সদস্যকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন- ভানুনুন নুয়ান বম (২৫), জেমিনিউ বম (২৪), আমে লনচেও বম (২৫)। এসময় গাড়িটির চালক মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন সরকারকেও (২৮) আটক করা হয়।

    এদের মধ্যে ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা গাড়ির চালক কফিল উদ্দিনকে ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

    বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। নামানো হয়েছে চারটি সাঁজোয়া যান। নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আতঙ্ক অনেকটাই কমেছে। খুলেছে দোকানপাট, কাজে বেরিয়েছে মানুষ।

    এর আগে, গত রোববার (৭ এপ্রিল) ভোর ৫টায় বান্দরবানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কেএনএফের স্থানীয় প্রধান সমন্বয়ক চেওসিম বমকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, রুমা-থানচিতে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফের তাণ্ডবের ঘটনায় রুমা-থানচিতে ৮টি মামলা হয়েছে। জড়িতদের ধরতে সেনাবাহিনী-র‌্যাব-পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান চলছে রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও আলীকদম উপজেলায়।

    এদিকে কেএনএফ তাণ্ডবের ঘটনায় বান্দরবান জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের সাজোয়াযানসহ বিভিন্ন ধরনের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

  • ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত কেএনএফের সদস্যসহ আটক ৪

    ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত কেএনএফের সদস্যসহ আটক ৪

    বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে কেএনএফ-এর তিন সদস্যসহ চার জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক জন ব্যাংক ডাকাতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো। এসময় ব্যাংক ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়। আটক করা হয় গাড়িটির ড্রাইভারকে।

    বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, গতকাল রোববার গভীর রাতে রুমা ও থানচিতে যৌথবাহিনী অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন বলেন, ব্যাংক ডাকাতির সময় ব্যবহৃত একটি জীপগাড়ি, গাড়ির ড্রাইভার ও ৩ জন কেএনএফ এর সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    পুলিশ সুপার আরো জানান, বান্দরবানের অশান্ত উপজেলাগুলোর সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে চারটি সাঁজোয়া যান (আর্মার্ড পার্সোনাল কেরিয়ার – এপিসি) এসেছে বান্দরবানে। এই সাঁজোয়া যানগুলো বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় ব্যবহার করা হবে।

    এপিসি হলো যুদ্ধে ব্যবহৃত একপ্রকার অস্ত্র সজ্জিত বাহন, যা পদাতিক বাহিনীকে যুদ্ধের ময়দানে বহনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

    এর আগে, রোববার ভোরে কুকি–চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কেএনএফ’র অন্যতম ওই নেতার নাম চেওসিম বম (৫৫)।

    গ্রেপ্তার চেওসিম বম ‘কেএনএফ’ এর আদি সংগঠন ‘কুকিচিন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিও)’ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘কেএনএফ’ প্রধান নাথান বমের ঘনিষ্ঠজন বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

  • রাঙ্গামাটিতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    রাঙ্গামাটিতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ)

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪ তম  জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে  বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার উদ্যোগে রাঙ্গামাটিতে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রবিবার বিকেল ৩টায় আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা রাঙ্গামাটি সভাপতি মনসুর আহম্মেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক মো: শাহ এমরান রোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বন ,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে  দীপংকর তালুকদার এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো মহান মানবের জন্ম না হলে আজ আমরা স্বাধীন এই বাংলাদেশ পেতাম না।
    জাতির পিতা শিশু কিশোরদের খুবই ভালো বাসতেন। তিনি জীবিত অবস্থায় যেখানেই যেতেন শিশুদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করতেন। তাই ১৯৯৮ সালে তার জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করেন তারই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত সারাদেশের ন্যায় রাঙ্গামাটিতেও এই দিনটি উৎযাপন করা হচ্ছে।
    দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করতে পারলে একটি শিশু তার আগামী দিনের পথকে আরো সন্দুর করতে পারবে।
    এ সময়  উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য জ্বরতি তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি বৃষ কেতু চাকমা, সাধারন সম্পাদক হাজী মো: মুছা মাতব্বর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাওয়াল উদ্দিন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ঝিনুক ত্রিপুরা, জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, প্রেস ক্লাব সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মো: সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, সদস্য আশীশ কুমার চাকমা নব, মো: আবু তৈয়ব, জেলা কৃষকলীগ সাধারন সম্পাদক উদয় শংকর চাকমা, জেলা শ্রমিকলীগ সাধারন সম্পাদক মো; শামসুল আলম, জেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক নুর মোহাম্মদ কাজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারন সম্পাদক মো: শাহজাহান, জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক প্রকাশ চাকমা, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার যুগ্ম সম্পাদক  ম্যারিলিন মারমা এ্যানি প্রমুখ।

    আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শতাধিক শিশু কিশোরদের মাঝে পুরস্কার  এবং জেলার গুণী ৭ জন সংগীত শিক্ষক ও নৃত্য প্রশিক্ষকদের মাঝে সম্মননা স্মারক প্রদান করা হয়।
    সভার আগে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। #

  • বাহারছড়ার ঐহিত্যবাহী একতা ক্রীড়া চক্রের  সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বাহারছড়ার ঐহিত্যবাহী একতা ক্রীড়া চক্রের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বাহারছড়ার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া ও সামাজিক সংগঠন একতা ক্রীড়া চক্রের গতকাল ৯ মার্চ রোজ-শনিবার কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার কনফারেন্স হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। একতা ক্রীড়া চক্রের সভাপতি সাহেদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক নৌশাদ ইফতেখারের সঞ্চালনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিগত জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে ক্লাবের উপদেষ্টা জাহিদ ইফতেকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ২ জন সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাদেরকে ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং আগামী ২৩ মার্চ ক্লাবের ইফতার পার্টির আয়োজন করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। সভায় অত্র ক্লাবের উন্নয়ন ও অন্যান্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন-সহ-সভাপতি সিফাত ইমতিয়াজ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট উজ্জ্বল দাশ, দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, অর্থ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সিনিয়র সদস্য যথাক্রমে-আলী রেজা তসলিম, আবছার কামাল, সোয়েবুল ইসলাম, দিদার, এডভাকেট শওকত, এডাভোকেট আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আল-আমিন, কাজল শীল তাহমিদুল মুনতাসির প্রমুখ। সভা শেষে উক্ত ক্লাবের সকল সদস্যদেরকে ক্লাবের উন্নয়ন ও সার্বিক সমস্যা ও ক্রীড়ার ক্ষেত্রে ক্লাবকে আরো গতিশীল করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন নবনির্বাচিত জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অত্র ক্লাবের উপদেষ্টা জাহিদ ইফতেকার

  • উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্নের তাগিদ  পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

    উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্নের তাগিদ পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি পার্বত্য চট্টগ্রামে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প কাজ ও স্কিমসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের জোর তাগিদ দেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তুলনা দিয়ে বলেন, সচিব এর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলো অত্যন্ত সূচারুরূপে পদ্ধতিগতভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। তিন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র উন্নয়ন সভায় উপস্থিত থাকলেই চলবে না, মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে যখন তখন মন্ত্রণালয়ে আসতে হবে। সকল কাজের তদারকি, পরামর্শ গ্রহণ ও দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার কৌশলগুলো জানতে হবে।

    আজ রাজধানীর বেইলী রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও এর অন্তর্ভুক্ত দপ্তরসমূহের উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করলে এলাকার মানুষের জন্য সুফল বয়ে আসবে। তিনি বলেন, আমাদের চিন্তা, চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে, কিন্তু দেশ আমাদের- দেশের মানুষ আমাদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরির্বতন করে যাচ্ছেন। দেশের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। আমাদের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়নের যে ধারা,  সে ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সকলকে অধিকতর দায়িত্বশীল থেকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সচল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন।

    সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহরে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্প ও স্কিমসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বরাদ্দ এবং অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নতুন স্কিম গ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট এন্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প, কফি ও কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে দারিদ্র্যহ্রাসকরণ প্রকল্প, সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্প, পার্বত্য অঞ্চলে পল্লী সড়ক নির্মাণ প্রকল্প, জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য মাস্টার ড্রেইন নির্মাণ ইত্যাদি প্রকল্পসমূহের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশীদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপুসহ পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • তদবীরহীন যোগ্যতা ও মেধায় পুলিশের চাকুরি পেলো রাঙামাটির ১৫ তরুন-তরুনী

    তদবীরহীন যোগ্যতা ও মেধায় পুলিশের চাকুরি পেলো রাঙামাটির ১৫ তরুন-তরুনী

    বিশেষ প্রতিনিধি
    কোনো প্রকার অনৈতিক সুবিধা ছাড়াই শুধুমাত্র মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে সকল প্রকার পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে ১৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী প্রার্থীকে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করেছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে রাঙামাটির নিউ পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, বিপিএম (বার) টিআরসি পদে উত্তীর্ণদের নাম ঘোষণা করেন।

    এসময় প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অভিনন্দন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মীর আবু তৌহিদ, বিপিএম (বার)। এসময় কঠিন প্রতিযোগিতামূলক, তদবির বিহীন, প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির জন্য মনোনীত হওয়ায় মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরিক্ষায় উত্তীর্ণরা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

    নির্বাচিতরা তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশে জানায়, আজ আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা, মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরিতে নির্বাচিত হয়ে খুবই আনন্দিত। আইজিপি মহোদয় এবং রঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত সৎ, নিষ্ঠাবান এবং ভালো মনের মানুষ হওয়ায় মেধা ও যোগ্যতার মূলায়নের ভিত্তিতে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। তাই আমরা সকলকে আমাদের অন্তরের অন্ত:স্থল থেকে বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই।

    পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ সুপার বলেন, যাদের চাকরি হয়েছে তারা সবাই নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। এখানে অন্যকিছু ভাবার কোনো অবকাশ নেই। আপনারা সততা বজায় রেখে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। আপনারা মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন তাই আপনারা দেশ সেবায় চুড়ান্ত ভাবে সততা দেশপ্রেম এবং কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন।

    এসময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্যগণসহ রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি জয়নাল আবেদিন, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবলী লোমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাঙামাটি সদর সার্কেল জাহিদুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

     

     

     

  • রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

    রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

    এম.নাজিম উদ্দিন,রাঙামাটি।
    পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক চর্চায় আমাদের সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা পার্বত্য পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী। তিনি বলেন,পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদেরকে এই কাজ করতে হবে। তার জন্য রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলোকে কাজে লাগিয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
    মঙ্গলবার ১২ মার্চ রাঙামাটি জেলা পরিষদ মিনি হল রুমে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুদানের চেক বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
    এ সময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম,রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া,রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা,জেলা পরিষদ সদস্য নিউচিং মারমা,পরিষদ সদস্য দীপ্তিময় তালুকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাঙামাটি জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়টি সংগঠনের ১৩ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরণ করা হয়.