Blog

  • চট্টগ্রাম বিভাগীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে প্রস্তুতিমূলক সভা

    চট্টগ্রাম বিভাগীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে প্রস্তুতিমূলক সভা

    আগামী ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ আয়োজন উপলক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো : রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌরসভা প্রশাসক মো: মোবারক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) নাদিরা নূর, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এ্যাড.মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো: আবু সাদাৎ মোহাম্মদ সায়েম, জেলা প্রতিবন্ধী স্কুলের সাধারন সম্পাদক মো: নুরুল আবছার প্রমুখ।

    সভায় আগামী ২৩ এপ্রিল বিকেলে রাঙ্গামাটি চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

    এছাড়া সভায় জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ  বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। #

  • সরকার সকল ধর্মের মানুষের সংস্কৃতি ও স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ – ধর্ম উপদেষ্টা

    সরকার সকল ধর্মের মানুষের সংস্কৃতি ও স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ – ধর্ম উপদেষ্টা

    বাংলাদেশ ধর্মী সম্প্রীতির দেশ। শতাব্দীর পর শতাব্দী এ দেশে নানা ধর্মের মানুষ পারস্পরিক সহমর্মিতার সাথে বসবাস করে আসছে। এদেশের ধর্মীয় সম্প্রতি এখন বিশ্বে অনেক দেশের কাছে মডেল। সরকার সকল ধর্মের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে জন্যই অন্তবর্তীকালীন সরকার সকল মানুষের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে বৈষম্যহীনভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে।

    আজ রাঙামাটিতে কওমী ওলামা পরিষদ আয়োজিত সিরাত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এসব কথা বলেন।

    আলেম ওলামাদের উদ্দেশ্যে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, এ দেশের সামাজিক বিকাশে আলেম ওলামাদের সমীহীন অবদান রয়েছে। আলেম ওলামাদের নসিহতের কারণে অনেক অফিসার অনেক সাধারণ মানুষ নীতি নৈতিকতা এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলছে। কিন্তু আলেমদের একটি ছোট অংশ সাধারণ কিছু বিষয় নিয়ে মতদ্বৈতা করে ঐক্য বিনষ্ট করছে। অথচ এখন আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময়, আলেমরা ঐক্যবদ্ধ হলে আমাদের সমাজ আরো পরিশীলিত এবং বিশুদ্ধ হবে।

    ধর্ম উপদেষ্টা আরো বলেন, আমরা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিনদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রহণ করেছি। এর মধ্যে গুরুতর অসুস্থদের চিকিৎসা সহায়তা এবং আত্মকর্মসংস্থানের জন্য, ছাগল পালন বা ক্ষুদ্র কৃষিঋণ প্রদান করছি। এই ঋণ গ্রহণের জন্য তাদের কোনো জামানত বা সুদ প্রদান করতে হচ্ছে না। ইতোমধ্যে অনেক ইমাম মোয়াজ্জিনকে এই ঋণ প্রদান করা হয়েছে এবং জুন পর্যন্ত আরো অনেককে তা প্রদান করা হবে।

    বক্তব্য শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যে ভাবে ঘোষণা দিয়েছে সে অনুযায়ীই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা গণতান্ত্রিক সংষ্কৃতিতে বিশ্বাসী, এখানে সবাই নিজেদের মতামত ব্যক্ত করার অধিকার রাখেন, তবে আমরা জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়কে প্রাধন্য দিতে চাই, জনগণ যেভাবে চাইবে এবং যে দাবি জোরালো হবে, সরকার সেভাবেই কাজ করবে। মনে রাখতে হবে প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যেই একটি রোড ম্যাপ দিয়েছেন আমরা সেই ম্যাপ ধরেই এগিয়ে যাচ্ছি বলে যোগ করেন তিনি।   

    বাংলাদেশ কওমী ওলামা পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সিরাত মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। কওমী ওলামা পরিষদের সভাপতি মাও: শরীয়ত উল্লাহর সভাপতিত্বে মাহফিলে রাঙামাটির জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ হাবীব উল্লাহ, পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেন, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলীম, আলহাজ্ব এডভোকেট মোখতার আহাম্মেদ সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের আলেম ওলামারা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। #

                                                     

  • বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেনের অভাবে এক শিশু মৃত্যু

    বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেনের অভাবে এক শিশু মৃত্যু

    দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেনের অভাবে রিমলি চাকমা নামে এক মাসের শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    আজ ১৮ এপ্রিল  শুক্রবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির বাবা রিটন চাকমা ও স্বজনের অভিযোগ হাসপাতালে কোন অক্সিজেন সিলিন্ডার না থাকায় যথাসময়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি পরে বিকল্প উপায় সিপিআর দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করেও বাঁচানো যায় নি। কর্তব্যরত চিকিৎসক দেবাশীষ এবিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।  বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরিন আক্তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি বলেন হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার এর পাশাপাশি ডাক্তারের সংকট রয়েছে, একটি মাত্র এম্বুলেন্স সেটিও নষ্ট, ১৬ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও আছেন ৪ জন এরাও ঠিক মত উপস্থিত থাকেনা। উর্ধতন কর্মকর্তাকে বার বার জানিয়েও কোন প্রতিকার মিলছে না। এবিষয়ে রাঙ্গামাটির সিভিল সার্জন ডাঃ নূয়েন খিসার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বাঘাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন মেডিকেল অফিসার পদায়ন করা হয়েছে তিনি এখনো যোগদান করেননি। হাসপাতালে একজন কর্মকর্তা দরকার সেটি নেই, বার বার বলার পরও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইওএইচএফপিও) যোগদান করেননি। দীর্ঘদিন চাকরির সুবাদে ওনাদের পেছনে হয়তো কোন লোক আছে, তাদের টাকা পয়সার অভাব নেই তাই তাদের চাকরির প্রতি মায়া নেই। তারা জানে ৩-৪ বছর পরে হলেও চাকরি যাবে না তাই হয়তো এমনটি করেন।

    এদিকে বিশুদ্ধ খাবার পানির অভাব ও হাসপাতালের অবকাঠামোর অবস্থাও নড়বড়ে বার বার মেরামত করেও অবস্থার কোন উন্নতি করা যাচ্ছে না। অধিক পুরাতন হওয়ায় ঝুঁকি নিয়েই চলে চিকিৎসা কার্যক্রম তাই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবী, দ্রুত  নতুন হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করে চিকিৎসা সেবার মান উন্নতকরনে ব্যবস্থা গ্রহনে জোরদার করেন। #

     

  • শিক্ষা উপবৃত্তি রেজিস্ট্রেশন সময় বাড়াল রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ

    শিক্ষা উপবৃত্তি রেজিস্ট্রেশন সময় বাড়াল রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ

    ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তিপ্রার্থী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন কার্যক্রম ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের আবারও নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

    বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে গণমাধ্যমে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের আবারও নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। বৃত্তিপ্রার্থী শিক্ষার্থীরা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের ‘শিক্ষা উপবৃত্তি-২০২৫ প্রদানের লক্ষ্যে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ওয়েবসাইট www.rhdc.gov.bd অথবা https://www.scholarship.rhdcbd.org -তে সময়সীমা নির্ধারিত ছিল ১৭/০৪/২০২৫ রাত ১২.০০টা পর্যন্ত।
    যে সকল শিক্ষার্থীরা এখনও আবেদন করেন নাই তা পুনরায় বিবেচনা করে আগামী ৩০/০৪/২০২৫খ্রি. রাত ১২.০০টা পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধি করা হলো।
    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ইতোপূর্বে স্মারক নং-নং-২৯.৩৪.৮৪০০.২০৭.৩৩.০০২.২৫-৭২৫ তারিখ:০৯/০৩/২০২৫ মূলে জারীকৃত বিজ্ঞপ্তি অনলাইনে আবেদনে সকল শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিতকরণের জন্য রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে। #

  • জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ পেলেন মুহাম্মদ আবু আবিদ

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ পেলেন মুহাম্মদ আবু আবিদ

    সাংবাদিকবিশিষ্ট সমাজকর্মী  মুহাম্মদ আবু আবিদ ‘কে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র (গনমাধ্যম ও সোশাল মিডিয়া) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন অন্তর্বতীকালীন সরকার।

    গত ১৫ ই এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর প্রশাসন-১ শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ সাইফ উদ্দিন গিয়াস স্বাক্ষরিত এ নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মুহাম্মদ আবু আবিদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সরকারের কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরা এবং অস্তিত্বহীন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে অপ-প্রচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা/উদ্যোগ গ্রহন করবেন। এই নিয়োগের শর্তসমূহ উক্ত নিয়োগপত্র দ্বারা নির্ধারিত বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
    মুহাম্মদ আবু আবিদ বর্তমানে একজন জনপ্রিয় সমাজকর্মী, তরুণ সাংবাদিক এবং তারুণ্যের অনুপ্রেরণা।
    সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে মুহাম্মদ আবু আবিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন সামাজিক সংগঠন “দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন”।
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অল্প সময়েই তিনি তার সামাজিক কাজগুলো জনপ্রিয় করে তুলেছেন। এছাড়াও সমাজেরঅনিয়ম-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে সাংবাদিকতাকে হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেন মুহাম্মদ আবু আবিদ। দীর্ঘ ৮ বছর সাংবাদিকতার জীবনে জাতীয় ও আঞ্চলিক বহু গণমাধ্যমে তিনি কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা থেকে প্রকাশিত মিডিয়াভুক্ত একটি পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও অনলাইন চীফ, টেলিভিশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ট্র্যাব)-এর মুখপাত্র ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটির মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। মুহাম্মদ আবু আবিদ এর জন্ম চট্টগ্রাম হলেও তার পৈত্রিক নিবাস পটুয়াখালীতে। ইতিমধ্যেই তার সামাজিক কাজ অনলাইন জগৎ এ ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। এছাড়াও সামাজিক কাজে ইউনিক আইডিয়া গ্রহন ও বাস্তবায়নের জন্য  আন্তর্জাতিক ও জাতীয় নানা সম্মাননায় তিনি ভূষিত হয়েছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নিয়োগে তার এই সংগ্রামী ও মানবিক পথচলা এবং তারুণ্যে উদ্দীপ্ত অনলাইন সম্পর্কিত জ্ঞান ও গণমাধ্যম সমন্বয়ের গুন, সব মিলিয়ে যুগান্তকারী এক পরিবর্তন আনবে, এটাই সবার প্রত্যাশা। #

  • রাঙামাটিতে পিসিসিপি’র বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে পিসিসিপি’র বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

    বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা শাখার উদ্যােগে বৈশাখী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শোভাযাত্রাটি (১৪ এপ্রিল) সোমবার বিকেলে পিসিসিপি’র জেলা কার্যালয় কাঠালতলী এলাকা হতে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

    শোভাযাত্রার পরে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো: আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে  নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি গিয়াস উদ্দিন রানা, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, যুগ্ন সম্পাদক মহিবুল্লাহ্ নুহাশ, প্রচার সম্পাদক ইসমাঈল গাজী, অর্থ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা সাজেদা বেগম, সহ ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, মোহনা আক্তার, পিসিসিপি রাঙামাটি পৌর শাখার সভাপতি পারভেজ মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

    নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে পিসিসিপি’র বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। তবে এ উৎসব ঘিরে যাতে কোনো সাংস্কৃতিক বিকৃতি না ঘটে, সেদিকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আজকের বৈশাখের দিনে আমাদের উজ্জীবিত হতে হবে নিজস্ব সংস্কৃতির উন্নয়নে। দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আমাদের সংস্কৃতিবানদের কাছে এমনটা দেখতে পাচ্ছি না। 

    বক্তারা আরো বলেন, “নিজস্ব সংস্কৃতির চেতনায় যদি আমরা উদ্বুদ্ধ হতে চাই, নিজস্ব শেকড়ের গান রচনা করতে হবে। বৈশাখের চেতনা হচ্ছে- অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, সুস্থতার লালন করা।”

    পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। এ দিন বাঙালি জাতিসত্তার মানুষ অতীত ভুলে নতুনের আবাহনে মেতে ওঠে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পালনের মধ্য দিয়ে বরণ করে নেয় নতুন বছর। ফলে দেশব্যাপী সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।#

     

  • পহেলা বৈশাখে রাঙামাটিতে বর্ণিল আয়োজন জেলা প্রশাসনের।

    পহেলা বৈশাখে রাঙামাটিতে বর্ণিল আয়োজন জেলা প্রশাসনের।

    বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে নানা বর্ণিল ও মনোজ্ঞ কর্মসূচি। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে পুরো শহরজুড়ে।

    পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রতীক। এই দিনে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বর্ষবরণ শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ঐতিহ্যবাহী লোকজ মেলা।

    পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে আনন্দ শোভাযাত্রা  লোকজ মেলা ও বিহারে বিহারে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

    সকালে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পৌরসভা প্রাঙ্গন থেকে আনন্দ  শোভাযাত্রা শুরু হয়। বাঙ্গালী নারী পুরুষ সহ পাহাড়ের বিভিন্ন  ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠির মানুষ  এ বর্ষবরণ উৎসবে অংশ নেয়।​

    শোভাযাত্রাটি প্রধান সড়ক হয়ে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে শেষ হয় । পরে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গনে দিনব্যাপী লোকজ মেলার উদ্বোধন করা হয়। সমাজ ক মন্ত্রনালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মেলার উদ্বোধন করেন। এসময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ  হাবিব উল্লাহ মারুফ,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার  সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্থাণীয় শিল্পীদের অংশ গ্রহণে বর্ষ বরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    এদিকে বৈসাবি উৎসবের তৃতীয় দিনে আজ রাঙ্গামাটির প্রতিটি বিহারে পাহাড়ি জনগোষ্ঠি নববর্ষের বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন।#

  • শ্রীশ্রী দুর্গা মাতৃমন্দিরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জেলা পরিষদের সদস্য হাবীব আজমের

    শ্রীশ্রী দুর্গা মাতৃমন্দিরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জেলা পরিষদের সদস্য হাবীব আজমের

    আজ ১২ এপ্রিল শনিবার  সন্ধ্যায় শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা ও মহোৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে চৈত্র সংক্রান্তি ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ-২০২৫ইং সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মাতৃমন্দিরে  অনুষ্ঠিত হয়। মানবিক সেবার অংশ হিসেবে রাঙামাটি পৌর এলাকার কাঠালতলী ধোপাপাড়া এলাকার গরীব, অস্বচ্ছল ও হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    খাদ্য সামগ্রী বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু শংকর চক্রবর্ত্তী এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো: হাবীব আজম,

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট রাঙমাটি জেলা শাখার সদস্য সচিব বাবু সান্টু চৌধুরী, কাঠালতলী সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মাতৃমন্দিরের সভাপতি বাবু অজিত দাশ,সিনিয়র সহ-সভাপতি, বাবু অশোক কুমার ধর, ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা উজ্বল বিশ্বাস ও ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক বেলাল উদ্দিন।

    অনুষ্টান সঞ্চালনা করেন : শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা মহোৎসব উদযাপন পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক বাবু পুলক শীল।

    এসময়ে অসহায়-দুস্থ এবং সুবিধাবঞ্চিত অর্ধ শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবীব আজম বলেন, আর্তমানবতার সেবায় এই ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

    এছাড়াও সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মাতৃমন্দিরের দ্বিতীয় তলা সম্প্রসারণ করে দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। #

  • কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসিয়ে বৈসাবি’র  উৎসব  শুরু : বৈসাবীর রঙে রঙিন  রাঙ্গামাটি

    কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসিয়ে বৈসাবি’র উৎসব শুরু : বৈসাবীর রঙে রঙিন রাঙ্গামাটি

    নতুন বছরকে বরণ ও পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে রাঙ্গামাটিতে আজ থেকে শুরু হয়েছে পাহাড়িদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি।

    ভোরের আকাশে সুর্য্যের রক্তিম আলো ভেসে উঠতে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে আজ ১২এপ্রিল, শনিবার রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে বৈসাবি’র মূল আয়োজন ফুল বিঝু।

    শহরের রাজবাড়ী ঘাট, গর্জনতলী,কেরানী পাহাড় সহ বিভিন্ন স্পটে কাপ্তাই লেকে তীরে এ ফুল ভাসানোর আয়োজন করা হয়।ভোর থেকে পাহাড়ের বসবাসরত সকল নৃ-গোষ্টি সম্প্রদায়ের  লোকজন স্ব-জাতিয় বৈচিত্রময় রঙিন পোশাকে, বাহারী সাজে সজ্জিত হয়ে নিজ ধর্মীয় গাম্ভীর্য্যে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ফুল ভাসিয়ে গঙ্গাদেবীকে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে পুরনো দিনে সব গ্লানি,বিবেদ, ক্ষোভ বিসর্জন দিয়ে, নতুন বছরের আগামী দিনগুলো সকলের জন্য মঙল বয়ে আনুক, দেশ-জাতির শান্তি – সমৃদ্ধি প্রার্থনা করে ফুল বিঝু দিবসের সূচনা করেন।

    এসব বর্নাঢ্য বর্নিল বৈসাবীর আয়োজনের রঙে রঙিন এখন পর্যটন জেলা রাঙ্গামাটি সহ তিন পার্বত্য জেলা। 

     চাকমারা বিজু, মারমারা সাংগ্রাই, এবং ত্রিপুরার বৈসু নামে এ উৎসব পালন করেন।

    সমতলরে মানুষের কাছে যা বৈসাবি নামে পরিচিত।  বৈসাবির আনন্দে মেতেছে পাহাড়ের মানুষ। 

    উৎসব প্রিয় পাহাড়িরা সারা বছর মেতে থাকেন নানান অনুষ্ঠানে।  তবে তার সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় বর্ষবিদায় ও বরণ উৎসব। জাতি ভেদে এ উৎসব  নানান নামে পালন করলেও  বৈসাবি নামে অধিক পরিচিত সমাদৃত। 

    পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বৃহত্তম এই সামাজিক আয়োজনে ব্যস্ত এখন শহর, নগর আর পাহাড়ি পল্লীগুলো। 

    বাংলা বর্ষ বিদায় ও বরণ উপলক্ষে চাকমারা বিজু, ত্রিপুরা বৈসুক, মারমারা সংগ্রাই, তঞ্চঙ্গ্যারা বিষু ও অহমিয়ারা বিহু, এভাবে তারা ভিন্ন ভিন্ন নামে আলাদাভাবে পালন করে এই উৎসব। 

    উৎসবের প্রথম দিনে পানিতে ফুল ভাসানোর পর বাসায় গিয়ে ফুল আর নিমপাতা দিয়ে ঘর সাজায় তরুণ-তরুণীরা। ছেলেমেয়েরা তাদের বৃদ্ধ ঠাকুরদা-ঠাকুরমা এবং দাদু-দিদাকে স্নান করায় এবং আশীর্বাদ নেয়। চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল পালন করা হয় মূল বিঝু।  এছাড়া এদিন সকালে বুদ্ধমূর্তি স্নান করিয়ে পূজা করা হয়। প্রতিটি জনগোষ্ঠীর অনুষ্ঠানে জড়িত থাকে তাদের নিজেদের প্রথা ও সংস্কার ।

    চৈত্র মাসের শেষ দুটি দিন এবং বৈশাখ মাসের প্রথম দিন এই তিন দিন অনুষ্ঠান পালন করে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মানুষ।  

    বৈসাবি শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়, এটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য , সংস্কৃতি ও মিলন মেলার  প্রতীক।

    আগামী ১৬ এপ্রিল রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মারমা জাতিগোষ্ঠীর সাংগ্রাই জলোৎসব বা জলকেলির মধ্য দিয়ে সাঙ্গ হবে পাহাড়ের বর্ষবিদায় ও বরণের বর্ণাঢ্য আয়োজন। #

  • বিঝু- সাংগ্রাইকে ঘিরে উৎসবে রঙিন হয়ে উঠেছে পাহাড় : রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

    বিঝু- সাংগ্রাইকে ঘিরে উৎসবে রঙিন হয়ে উঠেছে পাহাড় : রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

    পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু, সাংক্রাই, সাংলান, চাংক্রান, পাতা- ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১১টায় রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার।
    পরে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়াসহ পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নৃত্য শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।
    এরপর ‘আদিবাসী জুম্ম জাতির অস্তিত্ব নিশ্চিতকরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনে অধিকতর সামিল হই’ এই শ্লোগানে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম পার্বত্য চট্টগ্রামের সভাপতি ও উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রকৃতি রঞ্জন চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিষ্টার দেবাশীষ রায়।
    এতে আরও বক্তব্য রাখেন- সাবেক সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদারসহ আরও অনেকে।
    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিষু, সাংক্রানসহ পাহাড়ের প্রধান এই সামাজিক উৎসব এলে পাহাড়ে উৎসব ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামে-গ্রামে বিভিন্ন খেলাধুলাসহ থাকে নানান আয়োজন। বিঝু আসলে উৎসবে রঙিন হয়ে উঠে পাহাড়। এসময় পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।

    আলোচনা সভা শেষে সকাল সাড়ে ১২টার দিকে রাঙামাটি পৌরসভা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু হয়। র‍্যালিটি জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র বনরূপা হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে গিয়ে শেষ হয়।
    র‍্যালিতে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়াসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ-শিশুরা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোষাক পরিধান করে র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

    প্রসঙ্গত, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক অনুষ্ঠান বিঝু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, বিহু, সাংক্রাই, চাংক্রান, পাতা- ২০২৫ উৎসব উদযাপন উপলক্ষে ৯-১২ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে উদযাপন কমিটি। আগামী ১০ এপ্রিল রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে জুম্ম খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হবে, ১১ এপ্রিল মারী স্টেডিয়ামে বলি খেলা, কবিতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে এবং ১২ এপ্রিল জলে ফুল ভাসানো উৎসব।
    এর আগে, গত ৩-৯ এপ্রিল পর্যন্ত রাঙামাটির ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে সপ্তাহব্যাপী মেলার আয়োজন করে রাঙামাটি জেলা পরিষদ। #