Blog

  • ৯০ টন চাল বরাদ্ধ পেল রাঙ্গামাটি -খাগড়াছড়ি-বান্দরবন প্রেসক্লাব

    ৯০ টন চাল বরাদ্ধ পেল রাঙ্গামাটি -খাগড়াছড়ি-বান্দরবন প্রেসক্লাব

    বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির’ আওতায় তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি- বান্দরবান  প্রেসক্লাবকে ৩০ মেট্রিক টন করে মোট ৯০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য (চাল) বরাদ্দ দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

    তিন জেলার তিনটি প্রেসক্লাবকেই তিনটি করে প্রকল্পের বিপরীতে ১০ মেট্রিক টন করে ৩০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    গত ২৪ মার্চ সোমবার  পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের  উপসচিব মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম সই করা  সমন্বয়-১ শাখার   এক বরাদ্দপত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    বরাদ্দপত্রে জানানো হয়েছে, ‘বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির’ আওতায় খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের অনুকূলে ৯০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ প্রদানের নিমিত্তে বরাদ্দ বিতরণের সরকারি মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হলো।
    এতে আরও জানানো হয়, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের জন্য আসবাবপত্র ও তৈজসপত্র ক্রয় প্রকল্প; খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের ভবন সংস্কার ও মেরামত এবং সিসিটিভি স্থাপন ও সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন প্রকল্পের জন্য ৩০ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেয়া হয়।
    একইভাবে রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ক্রয় প্রকল্প; রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের জন্য কম্পিউটার/ল্যাপটপ ক্রয় ও পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য সেফটি ট্যাংক নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ৩০ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেয়া হয়।
    আবার বান্দরবান প্রেসক্লাবের অফিস ভবন মেরামত ও সংস্কার এবং বৃষ্টির পানি নামার সুবিধার্তে পাকা চ্যানেল তৈরি; প্রেসক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের অফিস কক্ষ সংস্কার; প্রেসক্লাবের নিয়নবাতি সাইনবোর্ড স্থাপনসহ প্রেসক্লাবের সার্বিক উন্নয়নে ৩০ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেয়া হয়।#

  • রমজান ও ঈদুল ফিতরে তিন পার্বত্য জেলায় নগদ অর্থ ও চাল অনুদান বরাদ্দ দিলেন পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    রমজান ও ঈদুল ফিতরে তিন পার্বত্য জেলায় নগদ অর্থ ও চাল অনুদান বরাদ্দ দিলেন পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং মাহে রমজান উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত খাত থেকে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, ও বান্দরবান জেলা প্রশাসক বরাবর  ১২ লক্ষ টাকা এবং পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের অনুকূলে ৪৫০ মেট্রিক টন চাল অনুদান মঞ্জুরী প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য, ২৫  মার্চ ২০২৫ তারিখে জারিকৃত মঞ্জুরীপত্রে তিন পার্বত্য জেলার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের “ঈদ-উল-ফিতর এবং মাহে রমজান রোজা উপলক্ষে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে ১২ লক্ষ টাকা এবং গত ১৭ মার্চ জারিকৃত মঞ্জুরী আদেশে বিভিন্ন মসজিদে অনুদান হিসেবে বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচির আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে খাদ্যশস্য হিসাবে ৪৫০ মেট্রিক টন চাল উপ বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম তিন জেলায় পবিত্র ঈদ-উল- ফিতর এবং মাহে রমজান উপলক্ষে নগদ অর্থ ও চাল অনুদান বরাদ্দ দিলেন পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।  #
  • অভিনব কৌশলে প্রতারণার ফাঁদ ; ‘ম্যাগনেটিক কয়েন’ প্রতারক চক্রের ৪জন গ্রেফতার করেছে আদাবর থানা পুলিশ।

    অভিনব কৌশলে প্রতারণার ফাঁদ ; ‘ম্যাগনেটিক কয়েন’ প্রতারক চক্রের ৪জন গ্রেফতার করেছে আদাবর থানা পুলিশ।

    বিপুল পরিমান অর্থ উদ্ধারসহ অভিনব কৌশলে প্রতারণাকারী ‘ম্যাগনেটিক কয়েন’ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির আদাবর থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। ইফতেখার আহম্মেদ (৪৪), ২। আবু নাঈম মো. ফাইজানুল হক ওরফে ডক্টর নাঈম (৪৮), ৩। মোঃ আব্দুল হালিম তালুকদার কুরাইশি (৪২) ও ৪। আবুল কালাম আজাদ (৪৬) ।

    শুক্রবার (২১ মার্চ ২০২৫ খ্রি.) রাত ১২:১০ ঘটিকা থেকে সকাল ০৭:০০ ঘটিকা পর্যন্ত আদাবর থানা এলাকার প্রিন্স বাজার, শেখেরটেক, সূচনা কমিউনিটি সেন্টার ও কৃষি মার্কেট সহ অন্যান্য এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত হতে চারটি  ‘এন্টিক মেটাল কয়েন” (ধাতব মুদ্রা), একটি ৫০ লক্ষ টাকার ব্যাংক চেক, নগদ ১৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং আসামিদের প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

    আদাবর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আট মাস পূর্বে জনৈক মিজানুর রহমানের ভাড়াটিয়ার মেয়ে মিজানুর রহমানের বনানীস্থ অফিসে আসামি ইফতেখার আহম্মেদের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দেন। সেখানে ইফতেখার মিজানুর রহমানকে “এন্টিক মেটাল কয়েন” (ধাতব মুদ্রা) নামক ব্যবসা সম্পর্ক বিস্তারিত বর্ণনা করে প্রলোভন দেখিয়ে কয়েন ক্রয় করতে বলেন। ইফতেখার আহম্মেদ তাকে বলে এই ব্যবসা সম্পর্কে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। সে আরো বলে, জাপান এবং ইউএসএ এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এই কয়েনের প্রচুর চাহিদা আছে।  তারা অতি উচ্চ মূল্যে কয়েনগুলো উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহে বিক্রয় করে দিতে পারবে বলে জানায়। এ সকল প্রলোভন দেখিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. তারিখে গুলশানের একটি হোটেলে  ইফতেখার আহম্মেদ এবং বিদেশি কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে আবু নাঈম মো. ফাইজানুল হক ওরফে ডক্টর নাঈম এবং মো. আব্দুল হালিম তালুকদার কুরাইশি মিজানুর রহমানকে ডেকে নেয়। তারা ধাতব কয়েনগুলোর প্রতিটির বাজার মূল্য আনুমানিক ২০ বিলিয়ন ইউএস ডলার হবে বলে তাকে ধারণা দেয়। তারা তাদের নিজস্ব ভুয়া কেমিস্ট মো. আব্দুল হালিম তালুকদার কুরাইশি এর মাধ্যমে “এন্টিক মেটাল কয়েন” গুলোর সঠিকতা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বাদীকে একটি রিপোর্ট প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. তারিখে আদাবর থানাধীন জাপান গার্ডেন সিটির নিকটস্থ একটি ভবনে মিজানুর রহমান তাদের নিকট  “এন্টিক মেটাল কয়েন” ক্রয়ের জন্য অগ্রিম ৪৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সময়ে উক্ত এন্টিক মেটাল কয়েন ক্রয়ের জন্য তাদের চাহিদা মোতাবেক আরো ৭৫ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৫০ লক্ষ টাকার ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ এর একটি চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি যাচাই বাছাই করে জানতে পারেন যে, উক্ত ধাতব মুদ্রা ভুয়া এবং তিনি অভিনব প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ডিএমপির আদাবর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। 

    থানা সূত্রে আরো জানা যায়, মামলার প্রেক্ষিতে আদাবর থানার একটি অভিযানিক দল আদাবর থানার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহার নামীয় আসামিদের গ্রেফতার করে এবং উক্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম ও নগদ অর্থ  উদ্ধার করে। 

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা ম্যাগনেটিক কয়েন প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ম্যাগনেটিক কয়েনের প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এভাবে প্রতারণা করে আসছে। তারা তাদের এ অভিনব প্রতারণার ফাঁদে ফেলার জন্য আরো কয়েকজনকে টার্গেট করেছিলো মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। গ্রেফতারকৃতদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও এই চক্রের অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। #

  • রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন পুলিশ সুপার।

    রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন পুলিশ সুপার।

    আজ ২৩ মার্চ ২০২৫ খ্রিঃ রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে জেলা পুলিশ কর্তৃক রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সদস্য এবং নন-পুলিশ (সিভিল স্টাফ) সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ-২০২৫ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুলিশ সদস্য ও নন-পুলিশ (সিভিল স্টাফ) সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।

    এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মারুফ আহমেদ (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব নাদিরা নূর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) জনাব অনির্বান চৌধুরী, বিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রসিকিউশন) জনাব আজহারুল ইসলাম মুকুল, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল জনাব মোঃ মাহমুদ খান, পিপিএম সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে যৌথ উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

    রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে যৌথ উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

    রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে সুবিধাবঞ্চিত ২০০ শতাধিক  মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।  রাঙ্গামাটি সদর জোন ও মরহুম রফিক উদ্দিন-মোনায়ারা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আজ বুধবার, মানিকছড়ি ঈদগাহ মাঠে এই আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোন কমান্ডার  কর্নেল মোহাম্মদ জুনাঈদ উদ্দিন শাহ্ চৌধুরী, এসইউপি,পিএসসি।

    এতে বিশেষ অতিথি  ছিলেন মেজর আকতার  বিন মুকতাদিরুল গানিউর রহমান এবং মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান বিন রফিক উদ্দিন।

    অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক  মাওলানা মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক।

    এ সময় ২ শতাধিক অসহায় গরিব দুঃস্থ মানুষের মাঝে এই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। 

    আয়োজকরা জানান, সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা ও অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই আয়োজনকে স্বাগত জানান। আয়োজক কমিটি ভবিষ্যতেও এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    পরে মানিকছড়িস্হ জামিয়া আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) মহিলা মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ৩য় তলার কাজ পরিদর্শন করেন অতিথিরা।#

  • আসছে ঈদের ছুটি হতে পারে  ৯ দিন

    আসছে ঈদের ছুটি হতে পারে ৯ দিন

      টানা ৯ দিন ছুটি হতে পারে এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরের। সরকার আগে ভাগে  সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য  ঈদ উপলক্ষে পাঁচ দিন টানা ছুটি ঘোষণা করেছে। তবে ঈদের আগে ও পরের যে কোনো এক দিন ছুটি দিলে টানা ছুটি মিলতে পারে আট অথবা নয় দিন।

    এজন্য আগামী ৩ এপ্রিলও নির্বাহী আদেশে আরও এক দিন ছুটি ঘোষণা করার প্রস্তাব আগামীকাল বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উঠতে পারে। এই প্রস্তাব যদি অনুমোদন হয়, তাহলে এবার ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিনের ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করা শর্তে সমকালকে বলেন, ৩ এপ্রিলও নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উঠতে পারে। কারণ, নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হলে উপদেষ্টা পরিষদে সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করতে হয়। বৈঠকে নিয়মিত ছুটির বাইরে বাড়তি ছুটি অনুমোদন হলে প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৩১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এই হিসাবে কাগজপত্রে ২৯ মার্চ শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের ছুটি। কিন্তু নির্ধারিত ছুটি শুরুর আগের দিন ২৮ মার্চ সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার। একইসঙ্গে একই দিন পবিত্র শবে কদরের ছুটিও। ফলে বাস্তবে ছুটি শুরু হচ্ছে ২৮ মার্চ থেকে।

    পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ছুটি শেষে অফিস খোলার কথা ছিল ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার। এর পরের দুই দিন আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। এখন ৩ এপ্রিলও নির্বাহী আদেশে ছুটি হলে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন ছুটি ভোগ করতে পারবেন সরকারি কর্মকরর্তা–কর্মচারীরা। অবশ্য এই ছুটি শুরুর দুই দিন আগে আছে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি। পরদিন বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ এক দিন অফিস খোলা থাকবে। ফলে ছুটির সুযোগ আরও বেশি আছে। যারা ব্যক্তিগতভাবে ২৭ মার্চের ছুটি ম্যানেজ করতে পারবেন তাদের টানা ছুটি হবে ১১ দিনের।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলছে, যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইনকানুন দিয়ে চলে (যেমন বাংলাদেশ ব্যাংক) অথবা যেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের (জরুরি সেবাসংক্রান্ত) চাকরি সরকার অত্যাবশ্যক হিসেবে ঘোষণা করেছে, সেগুলো নিজস্ব আইনকানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এই ছুটি ঘোষণা করবে। সুযোগ থাকলে ঈদের দু-তিন দিন আগে শ্রমিকদের ছুটি দিতে কারখানার মালিকদের অনুরোধ করেছে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
    “সংগৃহিত- সমকাল

  • পার্বত্য উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবো- অঙ্গিকার  বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার

    পার্বত্য উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবো- অঙ্গিকার বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপদ্রীপ চাকমা’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে পার্বত্য চট্টগ্রামে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট,  পার্বত্য অঞ্চলের পানি সংকট নিরসন, পরিবেশ সুরক্ষা, টপ সয়েল সেভ, ইকোট্যুরিজম, রিনিউবল এনার্জি খাতে  ইইউ’র বিশেষ সহযোগিতামূলক বিনিয়োগের বিষয়ে আশ্বাস ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ’র রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

     মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা’র সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়।

    বাংলাদেশের উন্নয়নে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অংশগ্রহণের প্রশংসা করে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোয়ালিটি এডুকেশন, দুর্গম এলাকার পানির সমস্যা নিরসন, লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট, পরিবেশ সহায়ক ইট তৈরি এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ বজায় রেখে সোলার এনার্জি সংশ্লিষ্ট খাতে সহযোগিতার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ইইউ রাষ্ট্রদূত সোলার এনার্জি ও রিনিউয়েবল এনার্জি খাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইইউ প্রতিনিধি পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি ফলমূল এবং সবজির অধিকতর মার্কেটিং ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের এরূপ ইচ্ছার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, ডেলিগেশন অব দি ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন টু বাংলাদেশ এর ফার্স্ট কাউন্সিলর, টিম লিডার-গ্রীন ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট মি. এডউইন কুক্ কুক্, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও উপদেষ্টার একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। #

  • রাঙ্গামাটিতে ২০০ পাহাড়বাসীর মাঝে সেনাবাহিনীর ইফতার ও ঈদ শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ

    রাঙ্গামাটিতে ২০০ পাহাড়বাসীর মাঝে সেনাবাহিনীর ইফতার ও ঈদ শুভেচ্ছা সামগ্রী বিতরণ

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রীতির নিদর্শন স্বরূপ’ ২০০ দুস্থ ও অসচ্ছল পাহাড়ি বাঙালিদের পরিবারসহ স্থানীয় পাহাড়ি দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে রাঙ্গামাটি রিজিয়ন ৬০ ইষ্ট বেঙ্গল সদর জোন।

    গতকাল মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকালে সদর জোনের মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ইফতার সামগ্রী উপহার হিসেবে বিতরণ করেন ৬০ ইষ্ট বেঙ্গল এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মুহাম্মদ জুনাঈদ উদ্দীন শাহ চৌধুরী (এসইউপি,পিএসসি)। উক্ত অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি সদর জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর আক্তার বিন মুক্তাদিরুল গানিউর রহমান সহ অন্যান্য অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন।

    ইফতার সামগ্রীর প্রতি প্যাকেটে ছিল- ছোলা ১কেজি, বারমিচলি সেমাই ১কেজি, লাচ্ছা সেমাই  ১কেজি, খেজুর ৫০০ গ্রাম, স্টিক নুডলস ১প্যাকেট, মুড়ি ৫০০গ্রাম, চিনি ১কেজি।

    বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুরে সদর জোন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাঙ্গামাটি জোন দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ছাড়াও নানাবিধ জন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আমরা একসঙ্গে থাকবো এবং একে অপরকে সহায়তা করবো। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটি সদর জোন এলাকার দুইশতাধিক পাহাড়ি বাঙালিদের দুস্থ ও অসচ্ছল পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    সেনাবাহিনীর কাছ থেকে ইফতার সামগ্রী পেয়ে স্থানীয়  পাহাড়ি বাঙালিদের সাধারণ মানুষেরা আনন্দ প্রকাশ করেন।

     

  • দলবাজ সাংবাদিক যখন  পল্টিবাজির ওস্তাদ !

    দলবাজ সাংবাদিক যখন পল্টিবাজির ওস্তাদ !

    সাঈদুর রহমান রিমন, প্রধান উপদেষ্টা,দৈনিক গিরি সংবাদ ঃ-

    খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগের কোল ছেড়ে ভোল পাল্টে রাতারাতি বিএনপি’র অগ্রসৈনিক হয়ে ওঠেছেন দলবাজ সাংবাদিক এইচ এম প্রফুল্ল। কিন্তু বহুরুপী এক প্রফুল্লর অপকর্মেই যে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি ডুবতে বসেছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন ত্যাগী নেতা কর্মীরা। বিশেষ করে ওয়াদুদ ভুঁইয়ার মতো ত্যাগী, বর্ষীয়ান নেতার নাম অহরহ বেচাকেনা করে তাকেও তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছেন।

    নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রফুল্ল-আলমগীরের ইটভাটা গ্রুপ সাত জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে যে বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন- এর দায়ও চাপানো হয়েছে ওয়াদুদ ভুঁইয়ার ওপর। ফলে জেলা থেকে রাজধানী সর্বত্রই সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের কাছে ওয়াদুদ ভূইয়া এখন সাংবাদিক বিদ্বেষী নেতা হিসেবেই পরিচিতি পাচ্ছে।অতি সম্প্রতি আওয়ামী দোসর আখ্যা দিয়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ ও জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরার কাছ থেকেমোটা অংকের সুবিধা হাতিয়ে নিতেও ওয়াদুদ ভুঁইয়ার নাম ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে জেলার শীর্ষ ঠিকাদার ও ইটভাটা মালিক সমিতির বহুল আলোচিত নেতা সেলিম থেকে বিশেষ স্বার্থ হাসিলের। প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকদের মাথা গুনে গুনে বেচাকেনার অভিনব বাণিজ্য ফেঁদে বসেছেন তিনি।

    বাংলাভিশনের খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি হলেও স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এইচ এম প্রফুল্লর পরিচিতি অন্যরকম। তাদের ভাষায়, বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ থেকে ঠিকাদার, ঠিকাদার থেকে আবারও বিএনপির মালা গলায় তুলেছেন প্রফুল্ল। সর্বশেষ তিনি ওয়াদুদ ভুঁইয়ার নাম ও প্রভাব খাটিয়ে খাগড়াছড়ির সাংবাদিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। দলীয় তৎপরতা কাম সাংবাদিকতায় বেজায় ছোটাছুটি চলে তার। দলবাজ সাংবাদিক আর পল্টিবাজির ওস্তাদ হিসেবেই সমধিক পরিচিত প্রফুল্ল।  #

    ‎-

  • বাফুফে, বিসিবি সদস্যদের নিয়ে বরিশাল স্পোর্টিং ক্লাবের ইফতার দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত।

    বাফুফে, বিসিবি সদস্যদের নিয়ে বরিশাল স্পোর্টিং ক্লাবের ইফতার দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত।

    গতকাল বাফুফে, বিসিবি সদস্যদের নিয়ে বরিশাল স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে নগরীর ওমি রেসিডেন্সে ইফতার দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠানে অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান হাইকমিশন এর কালচারাল সেক্রেটারি (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) এস এম বিল্লাল, সি আই ডি হেডকোয়ার্টারের উপ পুলিশ কমিশনার নজরুল,জাতীয় পাটির উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য ,যুবদল সেন্ট্রাল কমিটির সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক , বরিশাল স্পটিং ক্লাবের প্রেসিডেন্ট রিয়াজুল করিম, সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস,নিটোল নিলয় গ্রুপের বি এম এ রফিক,বাবুফের সদস্য, বিসিবির সদস্যগন সহ অনুষ্ঠানে  আরো উপস্থিত ছিলেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান এবং বরিশাল স্পোটিং ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাসুম বিল্লাল ফারদিন।

    মাসুম বিল্লাল ফারদিন বলেন, আমি সম্প্রতি ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, আজকের এই অনুষ্ঠান এর মধ্য দিয়ে বাফুফে, বিসিবি সদস্যদের সৌহার্দ্যপূর্ণ বন্ধনে আবদ্ধ হলাম।   পাকিস্তান হাইকমিশন এর কালচারাল সেক্রেটারি (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) এস এম বিল্লাল বলেন, আমি আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এবং মাসুম বিল্লাহ ফারদিন কে আমরা পাকিস্তান সরকারের পরিবারের সদস্য হিসাবে পরিচয় দেন, পাকিস্তান হাইকমিশনের কালচারাল সেক্রেটারি এস এম বিল্লাল। #