Blog

  • রাঙামাটিতে শিশু  যৌন নীপিড়নকারি লম্পট  সাহাব উদ্দিন গ্রেফতার

    রাঙামাটিতে শিশু যৌন নীপিড়নকারি লম্পট সাহাব উদ্দিন গ্রেফতার

    রাঙামাটি শহরে কন্যা শিশুকে যৌন পীড়নের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার পলাতক আসামীকে সূদুর লক্ষীপুরের রামগতি থেকে গ্রেফতার করেছে রাঙামাটির কোতয়ালী থানা পুলিশ।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারকৃত আসামী সাহাব উদ্দিন(৭০)। তার বাড়ি রাঙামাটি শহরের পুরাতন হাসপাতাল এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম শিশুটি তার পিতা-মাতার সাথে পুরাতন হাসপাতাল এলাকায় স্টাফ কোয়াটারে বসবাস করে। মামলার এজাহারে ভিকটিম তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী কন্যা শিশুটির মা উল্লেখ করেছেন, চলতি বছরের মার্চ মাসের ১৬ তারিখ বিকেল বেলায় স্থানীয় বাসিন্দা সাহাব উদ্দিনের দোকানে শিশুটিকে কিছু সদাই আনতে পাঠায়। এসময় সাহাব উদ্দিন শিশুটির স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়; সেসময় শিশুটি চিৎকার করতে চাইলে শিশুটির মুখ চেপে ধরে তাকে দুটি চকলেট দিয়ে বলে এই ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলবে। পরবর্তীতে শিশুটি বাসায় এসে তার মাকে ঘটনাটি খুলে বলে এবং ভিকটিম শিশুটি ভয়ে কাপতে থাকে।

    এসময় ভিকটিমের মা উক্ত দোকানে গিয়ে সাহাব উদ্দিনের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে সাহাব উদ্দিন ও তার স্ত্রী-সন্তান উক্ত ভিকটিমের মাকে মারধর করে আঘাত করে। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, উক্ত দোকানদার সাহাব উদ্দিন এর আগেও আরো কয়েকবার এলাকার অনেক শিশু ও ১নং বিবাদীর এরুপ বিকৃত যৌন লালসার শিকারে পরিণত হয় এবং অনেককে যৌন হয়রানী করে। এছাড়া, এ লম্পট সাহাব উদ্দিনের বাসার ভাড়াটিয়া রাপ্রবিবি’র এক ছাত্রীর সাথেও  এরুপ অসধাচরণের ঘটনা ঘটিয়েছিল বলেও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়।
    এমন অনেক অবলা গরীব মেয়ের সাথেও শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটায়, যা এলাকার তথা কথিত মুরব্বী ও প্রভাবশালীদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে ও তার পতিপত্তির প্রভাব খাটিয়ে ঘরোয়া মীসাংসার নামে ধামাচাপা দেয়। এমনকি তার চাকুরী জীবনেও তার চারিত্রিক এ লম্পটগিরি ও বিকৃত যৌনচারী লোলুপের শিকার হয়েছে অনেক নারী।

    এই ঘটনায় ভিকটিমের মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানায় গত ১৭/০৩/২০২৫ তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০) এর ১০ তৎসহ ৩২৩/৫০৫ পেনাল কোড এ মামলা দায়ের করা হয়েছে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, আমরা ঘটনার পর থেকেই আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছিলাম।

    কিন্তু আসামী এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ায় কিছুটা দেরি হওয়ার পরেও গোপন সংবাদের মাধ্যমে আসামীর অবস্থান নিশ্চিত হয়ে কোতয়ালী থানার এসআই মহিউদ্দিন আলমগীর ও তার সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে তাকে লক্ষীপুর জেলাধীন রামগতি থেকে আসামী সাহাব উদ্দিনকে গ্রেফতার করে রাঙামাটিতে নিয়ে আসে।

    মঙ্গলবার দুপুরে আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত উক্ত আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এই মামলায় এজাহারনামীয় আরো দুই আসামীদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে বলেও জানিয়েছেন ওসি। #

  • বন্ধ হলো  চন্দ্রঘোনা-রাইখালী নৌ রুটে  ফেরি চলাচল

    বন্ধ হলো চন্দ্রঘোনা-রাইখালী নৌ রুটে ফেরি চলাচল

    নাব্যতা সংকটের ফলে  কর্ণফুলি নদীতে ড্রেজিং কাজের জন্য  আজ মঙ্গলবার  (১৩ মে) ভোর ৬ টা থেকে চন্দ্রঘোনা- রাইখালী নৌ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। আগামী রবিবার  (১৮ মে)  ভোর ৫ টা  পর্যন্ত এই  নৌ রুটে  ফেরি চলাচল  বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন  রাঙামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের( সওজ)   নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা।

    গতকাল সোমবার (১২ মে) রাতে মুঠোফোনে তিনি এই প্রতিবেদককে  আরোও   জানান ,  কর্ণফুলি নদীতে নাব্যতা সংকটের ফলে  ড্রেজিং কাজের জন্য ব্যস্ততম এই নৌ- রুটে মঙ্গলবার  ( ১৩ মে)  ভোর ৬ টা হতে  রবিবার(১৮ মে)   ভোর ৫ টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল  বন্ধ রাখতে হচ্ছে। আমরা সপ্তাহ খানেক আগে বিজ্ঞপ্তি আকারে চালক এবং যাত্রীদেরকে এই বিষয়ে অবহিত করেছিলাম। এসময় তিনি বিকল্প সড়ক হিসেবে চট্টগ্রাম জেলার  রাঙ্গুনিয়া-পদুয়া- সুখবিলাশ  সড়ক (কালিন্দী রাণী সড়ক)  ব্যবহার করতে সকলকে অনুরোধ জানিয়েছেন। 

    এদিকে মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল সাড়ে ৮  টায় চন্দ্রঘোনা ফেরি ঘাটে কথা হয় সওজ রাঙামাটির উপ বিভাগীয়  প্রকৌশলী ( কারখানা বিভাগ) রনেল চাকমা এবং উপ সহকারী প্রকৌশলী  কীর্তি নিশান চাকমার সাথে।  এসময় তাঁরা জানান, শুষ্ক মৌসুমে নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরিতে উঠার পল্টুনের তলাটা চরের উপর আটকে যায়, ফলে যানবাহন পারাপারে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তাই কর্ণফুলী নদীতে ড্রেজিং এর কারনে আজ মঙ্গলবার (১৩ মে) ভোর ৬ টা হতে রবিবার (১৮ মে) ভোর ৫ টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে এরই মধ্যে যদি ড্রেজিং এর কাজ শেষ হয়, তাহলে এর আগে ফেরি চলাচল খুলে দেওয়া হবে। 

    এসময় কথা হয় ফেরির চালক আমিনুল হক  এর সাথে। তিনি বলেন, ড্রেজিং এর কারনে ৫ দিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। 

    প্রসঙ্গত: রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী ইউনিয়নের রাইখালী ফেরিঘাট  এবং চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন এর চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাট এলাকা হয়ে কর্ণফুলী নদী দিয়ে এই নৌ রুটে প্রতিদিন শত শত যাত্রীবাহী এবং পণ্যবাহী  ভারী, হালকা এবং মাঝারি যানবাহন চলাচল করে। #

     

     

     

     

     

  • রাবিপ্রবি’তে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভাল (আইসিবিসি) বিষয়ে মিট দ্যা প্রেস

    রাবিপ্রবি’তে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভাল (আইসিবিসি) বিষয়ে মিট দ্যা প্রেস

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো আগামী ১৬-১৮ মে ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভাল (আইসিবিসি) এর সামগ্রিক বিষয়াদি ও প্রস্তুতি অবহিত করতে আজ ১৩ মে ২০২৫ তারিখে সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় আইসিবিসি মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন উপ-কমিটির উদ্যোগে রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স কক্ষে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

    রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ও আইসিবিসি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান মহোদয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দকে আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ মে ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য তিনদিনব্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভাল এর প্রোগ্রামসূচি ও কনফারেন্সের লক্ষ্যে-উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

    মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় তার এগার বছরের পথচলায় এক ইতিহাস তৈরীর সন্ধিক্ষণে উপনীত। শুধু রাবিপ্রবি নয় বরং গোটা পাহাড়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাঙ্গামাটিতে আয়োজিত হতে যাচ্ছে International Conference and Bioscience Carnival 2025। যার মূল আয়োজনে রাবিপ্রবির সাথে থাকছে Bangladesh Biosafety and Biosecurity Society। আমাদের এ মহৎ প্রয়াস বিষয়ে আপনাদেরকে অবহিতকরণ এবং আপনাদের মাধ্যমে তা সমাজের নানান অংশীজনের সাথে অবহিত করাই আজকের এই মিট দ্যা প্রেসে’র মূল লক্ষ্য।

    তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক কনফারেন্স এন্ড বায়োসায়েন্স কার্নিভালে প্রায় ৩৫০ এর অধিক বিজ্ঞানী এবং গবেষকগণ তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন। তরুণ বিজ্ঞানীরা উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন নতুন নতুন গবেষণা আইডিয়া এবং বাংলাদেশে বিজ্ঞান উন্নতিকল্পে থাকছে বিজ্ঞান বিতর্ক। সম্মেলনের প্রথমদিন ১৬ মে ২০২৫ তারিখ দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সুপ্রদীপ চাকমা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন এবং একই মঞ্চে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সম্মানিত সদস্য, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো ও বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মোঃ সাইদুর রহমান। এছাড়াও তিনদিনব্যাপী সম্মেলনে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ( প্রাক্তন বিএসএমএমইউ) সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. শাহিনুল আলমসহ বাংলাদেশের স্বনামধন্য আরো ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্যগণ উপস্থিত থাকবেন।

    “Innovations and Collaborations in Bioscience, Biosafety and Biosecurity: Quest for a Sustainable Healthcare and Agricultural Perspective” বিষয়ক প্রতিপাদ্যকে ঘিরে আয়োজিত এই কনফারেন্সের প্লেনারী সেশনে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট জীন বিজ্ঞানী ও বহুব্রীহি ধানের আবিষ্কারক ড. আবেদ চৌধুরী, আইসিডিডিআরবি’র বায়োসেফটি প্রধান ড. আসাদুলগণি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক ড. মুনিরা আহসান। উদ্বোধনী দিনে “সাইন্স পলিসি ডায়ালগ” বিষয়ে আরো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেশন অনুষ্ঠিত হবে । যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিজ্ঞান গবেষণায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, দেশের নানামাত্রিক উন্নয়নে ও সমস্যা সমাধানে প্রায়োগিক গবেষণার প্রসার এবং গবেষণায় বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরাসরি সম্পৃক্তকরণ বিষয়ে মতামত গ্রহণ ও সুপারিশ প্রস্তুতকরণ।

    কনফারেন্সের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনে, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে ইনোভেশন বিষয়ে বাংলাদেশে যে গবেষণা হচ্ছে সেগুলোর ফলাফল উপস্থাপন ও তার প্রায়োগিক সম্ভাবনা বিষয়ক গবেষণাসমূহ উপস্থাপন করা হবে। নতুন বিজ্ঞানীদের সম্পৃক্ত করার এ মিশনে ওরাল এবং পোস্টার প্রেজেন্টেশন ছাড়াও নবীন বিজ্ঞানীদের জন্য থাকছে বায়োসায়েন্স কার্নিভাল- যেটিকে রিসার্চ আইডিয়া, ৩ মিনিট প্রেজেন্টেশন, ডিবেট ফর সায়েন্সের মতো অনবদ্য এবং আকর্ষণীয় ইভেন্ট দিয়ে সাজানো হয়েছে। এছাড়াও পাহাড়ে দীর্ঘ বছর ধরে চলা দেশজ চিকিৎসার সাথে যুক্ত ট্রেডিশনাল চিকিৎসকদের গল্পও থাকছে কার্নিভালে। তিনি আরো বলেন, এ কনফারেন্সের মাধ্যমে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন ছাড়াও রাবিপ্রবির সাথে বাংলাদেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি শক্ত কলাবোরেশনও গড়ে উঠবে এবং একই সাথে রাবিপ্রবি পাবে এক নতুন উচ্চতা দেশে ও বিদেশে।

    তিনি মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যেসকল প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ইতিমধ্যে কার্নিভালে যুক্ত থাকার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসকো বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, ইসলামী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, পার্কভিউ হাসপাতালসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে যারা এ আয়োজনের সাথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি সম্পদ ও সম্ভাবনার এই বাংলাদেশ, বিশ্বের দরবারে নতুন আঙ্গিকে মাথা তুলে দাঁড়াবার এই সময়ে সাংবাদিকসহ সকল অংশীজনকে রাবিপ্রবির সাথে একসঙ্গে কাজ করার জন্য আহবান জানান।

    প্রেস কনফারেন্সে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন জনাব সূচনা আখতার, সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন জনাব ধীমান শর্মা, প্রক্টর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক ড. নিখিল চাকমা, ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুপ্রিয় চাকমা এবং রাঙ্গামাটিস্থ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

  • প্রকল্প বন্ধ হলেও কেউ না খেয়ে মারা যাবে না, রিজিকের মালিক মহান আল্লাহ  – এ কে এম মোজাহিদুল ইসলাম

    প্রকল্প বন্ধ হলেও কেউ না খেয়ে মারা যাবে না, রিজিকের মালিক মহান আল্লাহ – এ কে এম মোজাহিদুল ইসলাম

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার উপ-প্রকল্প পরিচালক এ কে এম মোজাহিদুল ইসলাম পার্বত্য রাঙামাটি জেলার আলেম-ওলামাদের সান্তনা দিয়ে বলেন, প্রকল্পটি যদিও বন্ধ হয়ে যায়। কেউ না খেয়ে মারা যাবে না। পকেটে টাকা থাকলেই যে খাবার খেতে পারবেন, তার কোন নিশ্চয়তা নাই। রিজিকের জন্য কোন টেনশন করবেন না। আল্লাহ রিজিক ছাড়া মাখলুকাত সৃষ্টি করেন নাই।
    শনিবার (১০ মে) দুপুরে রাঙ্গামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের মিলনায়তনে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    এ কে এম মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, পাহাড়ের হতাশা দূর করতে হলে পবিত্র জুম্মআর বয়ানে কোরআন ও হাদিসের বিষয়ে তথ্য দিয়ে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরবেন। কিন্তু অন্যান্য ধর্মের উপর আঘাত দিয়ে কিছু বলবেন না। বরং তাদের সাথে সদাচরণ করার বিষয়ে মুসল্লিদের নসিহত করবেন। কারণ তারাও আদম এর সন্তান। আল্লাহর রাসূল মানুষকে ভালবাসতেন। আপনার মাঝেও মানুষকে ভালোবাসার সেই আচরণ নিয়ে আসেন। নিজের আমলের একটু খোঁজ নিবেন। যেমন- আপনার আমলে উদ্বুদ্ধ হয়ে কয়জন মানুষ নামাজি হয়েছে। আপনার আমলের উদ্বুদ্ধ হয়ে কয়জন নারী পর্দায় ঢুকেছে। আপনার আমলের উদ্বুদ্ধ হয়ে আপনার পরিবারের কয়জন ভাল মানুষ হয়েছে। তাহলে দেখবেন আপনার যে, মহল্লা রয়েছে সেটি জান্নাতি মহল্লায় পরিণত হয়ে যাবে। আর সবাই আপনাকে ভালোবাসে। তখন আপনার মিশন সাকসেসফুল।
    তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে আমি যদি আল্লাহওয়ালা হয়ে যাই, রসুল ওয়ালা হয়ে যায়, কুরআন ওয়ালা হয়ে যায়, হাদিস ওয়ালা হয়ে যায়, নামাজি ওয়ালা হয়ে যাই, পর্দা ওয়ালা হয়ে যাই। আমাকে কেউ নিষেধ করেছে? কিন্তু না; আমরা সেটা হতে পারিনি। আলেমরা রসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওয়ারিশ।
    তিনি আরো বলেন, দুর্ভাগ্যের সাথে বলতে হয়, আমি রাজশাহী সহ বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছি। দেখেছি অনেক সহজ কুরআন শিক্ষার শিক্ষক রয়েছেন। যারা ১৭টি মাখরাজ মুখস্থ বলেতে পারেন না। আপনারাও যদি না পারেন, ছাত্ররা বলবে কিভাবে? আপনি যদি একজন ভালো টিচার হন, ছাত্ররা আপনার থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে।  শিক্ষার্থীদের টার্গেট নিয়ে পড়াবেন। যেমন- শুদ্ধ করে কুরআন পড়া শিখানো ও শুদ্ধ করে নামাজ পড়া শিখানো। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাদ্দ-মাখরাজ, ইদগাম-ইখফা, নামাজের ফরয-ওয়াজিবসহ ইত্যাদি মাসলা মাসাই শিখাবেন। কারন আমরা দ্বীন প্রচারের মাধ্যমে সেবা দিতে চাই। পর্দার নসিহত করতে চাই। সর্বোপরি একটি দ্বীনি শিক্ষা পরিবেশ করে দিতে চাই। এই পরিবেশ তৈরি করবেন পাহাড়ি অঞ্চলে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন যে, দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্ব সচেতনতার সাথে পালন করবেন।
    রাঙ্গামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, আমরা জানি, হাওড়া অঞ্চলের আলেম-ওলামাদের জীবন মান উন্নয়নের একটা প্রকল্প রয়েছে। এরকম একটি প্রকল্প পাহাড় অঞ্চলের আলেম-ওলামাদের জন্য যাতে করা হয়। পাহাড় অঞ্চলের আলেমগণ বেতনের দিক দিয়ে, শিক্ষার দিক দিয়ে, সব দিক দিয়ে তারা অনেক পিছিয়ে রয়েছেন। এরকম প্রকল্প নিয়ে যদি আলেম-ওলামাদের  জীবন মান উন্নয়নে কাজ করা যায় তাহলে আমাদের এই আলেমদের একটা পরিবর্তন আসবে। তাই আমি মনে করি হাওড় অঞ্চলের চেয়ে এই পার্বত্য অঞ্চলের আলেমদের জন্য এই প্রকল্পটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে আলোচনা করে আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের সকল  আলেম-ওলামাদের পক্ষে জীবন মান উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য আপনার বিনীত সহযোগিতা কামনা করছি।
    তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আমি জয়েন করেছি চাকরি করা উদ্দেশ্য নয়। আমি আলেম-ওলামাদের সাথে থেকে, আলেম-ওলামাদের থেকে কিছু শিখতে ও আলেম-ওলামাদের সেবা করতে। সেই মন-মানসিকতা নিয়ে শুরু থেকে কাজ করে আসছি। আলহামদুলিল্লাহ! করোনা কালীন সময়েও পার্বত্য অঞ্চলের আলেম-ওলামাগণ যেভাবে সহযোগিতা করেছেন সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। আর এখানকার কেয়ারটেকাগন যে, ভূমিকা রেখেছেন তা ছিল একজন সুপারভাইজারের সমতুল্য সহযোগিতা। বিগত ৫ই আগস্টের পর থেকে আলেম-ওলামাদের অনেক দাবি প্রধান অতিথি মহোদয়ের কাছে তারা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে এই পার্বত্য এলাকায় আপনারা অনেক কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করে আপনাদের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আমি স্যারকে বিনীতভাবে অনুরোধ করবো আমাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা, মডেল কেয়ারটেকার ও কেয়ারটেকারদের জন্য আপনি মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাবেন। যাতে করে আমাদের এই প্রকল্পের স্থায়ী একটা বন্দোবস্ত হয়। আপনি এশে যে, মনোবল দিয়েছেন, আপনাদের এই মনোবল দেখে আমাদের শিক্ষকরা পূর্ণ আস্তা ফিরে পেয়েছেন।
    রাঙ্গামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. পেয়ার আহমদের সঞ্চালনায় বিভিন্ন দাবি-দাওয়া উপস্থাপনা করেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার মো. আলী হাসান ভূঁইয়া সহ সকল উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার, সকল উপজেলা কার্যালয়ের মডেল কেয়ারটেকার ও কেয়ারটেকারবৃন্দ এবং মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষার শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, খতিব ও  উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভা শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন, শান্তিনগর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শফিউল আলম আল কাদেরী।#
  • কাপ্তাই হ্রদ দেশের সম্পদ, এটাকে রক্ষা করতে হবে- উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    কাপ্তাই হ্রদ দেশের সম্পদ, এটাকে রক্ষা করতে হবে- উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, কাপ্তাই হ্রদ দেশের সম্পদ, এই হ্রদকে রক্ষা করতে  হবে। তিনি বলেন, কাপ্তাই হ্রদকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে নতুন ল্যান্ডিং স্পট গড়ে তোলার পাশাপাশি মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা গেলে দেশের আভ্যন্তরিন চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দেশের বাইরেও কাপ্তাই হ্রদের মাছ রপ্তানি করা সম্ভব।

    আজ সোমবার সকালে কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রের আয়োজনে রাঙ্গামাটি বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্তকরন ও মৎস্যজীবীদের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এসব কথা বলেন।

    বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: তোফাজ্জেল হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, জেলা পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

    আলোচনা সভা শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারসহ অতিথিবৃন্দ কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা বন্ধকালীন সময়ে ২৬ হাজার ৬৫১ জন বেকার জেলে পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। #

  • পাহাড়কে বিছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে  ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধের দাবিতে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ

    পাহাড়কে বিছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধের দাবিতে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ

    সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ কর্তৃক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে “তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের প্রস্তাব” দাবির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ও ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধের দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার উদ্যােগে বিক্ষোভ মিছিল ও মহা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রাঙামাটি পৌরসভার সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল (১২ মে) সোমবার সকাল ১১.০০ টায় শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপায় এসে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে মহা-সমাবেশে মিলিত হয়।

    মহাসমাবেশে পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো: আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন এর সঞ্চালনায়  এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র রাঙামাটি সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, প্রচার সম্পাদক ইসমাঈল গাজী,  পিসিসিপি লংগদু উপজেলা শাখার সভাপতি মো: সুমন,

    পিসিসিপি’র মহা-সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে গভীর সংকটের মধ্যে রয়েছে, তা আর কোনও অবস্থাতেই অস্বীকার করা সম্ভব নয়। বিশেষত, আলী রিয়াজের নেতৃত্বে গঠিত ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’-এর সঙ্গে (১০ মে)২৫ ইং শনিবার ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর আলোচনার পর, পুরো পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। কমিশন কি সত্যিই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে, না সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক বৈধতা দিয়ে তাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ করে দেশের নিরাপত্তা ও শান্তির প্রতি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে?

    ইউপিডিএফ, একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামে যার শেকড় রয়েছে অত্যাচার, হত্যাকাণ্ড, অপহরণ এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে, সেই দলটিকে এখন রাজনৈতিক দল হিসেবে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। দলটির অন্যতম নেতা মাইকেল চাকমা, যার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাকাণ্ড, মানুষকে অপহরণ করা, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে, এখন সেই সন্ত্রাসীই গণতান্ত্রিক শাসনের কথা বলছেন। কিন্তু প্রশ্ন আসে, সত্যিই একজন সন্ত্রাসী নেতা কি গণতন্ত্রের প্রচারক হতে পারে? তার অতীত তো একেবারেই ভিন্ন ছবি আঁকছে। মাইকেল চাকমা আত্মগোপনে থাকার পর ৫ আগষ্ট পরবর্তী বিপ্লবী নেতা সাজার চেষ্টা করে অনৈতিক ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে নানা  অন্যায় আবদার করে তা আদায় করার চেষ্টা করছে।

    মহা সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, একত্রীকরণের নাম করে সন্ত্রাসীদের রাজনীতির মঞ্চে আনা, তা কখনোই গণতন্ত্রের পক্ষে উপকারী হবে না। ইউপিডিএফ, মাইকেল চাকমা এবং তাদের মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক বৈধতা প্রদান করা, দেশের জন্য একটি বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে—এটা নিশ্চিত।

    দেশের অখন্ডতা পার্বত্য চট্টগ্রামকে রক্ষায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে, ইউপিডিএফের অবৈধ অস্ত্রধারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফকে নিষিদ্ধ করা না হলে তিন পার্বত্য জেলার শান্তিকামী মানুষকে নিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামকে অচল করে দেওয়া হবে।

    পিসিসিপি’র মহা-সমাবেশ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানান নেতৃবৃন্দরা।

    ১/  ইউপিডিএফ, জেএসএস ও কেএনএফ সহ পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষনা করতে হবে।

    ২/ দেশদ্রোহী মাইকেল চাকমা, সন্ত লারমা, প্রসীত খীসা, প্রকৃত রঞ্জন চাকমা, দেবাশীষ রায়, ইয়েন ইয়েন সহ পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের সকল গডফাদারদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

    ৩/ ঐকমত্য কমিশন থেকে ড. ইফতেখারসহ পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহযোগীদেরকে অপসারণ করতে হবে।

    ৪/ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান বন্ধে নতুন করে বিজিবি’র বিওপি স্থাপন করতে হবে।

    ৫/ পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতি বজায় রাখতে ১৯০০ সালের শাষনবিধি বাতিল করে বৈষম্যহীন পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

  • বর্তমানে খাদ্যে  স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ : উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার,খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রনালয়

    বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ : উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার,খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রনালয়

    খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত   উপদেষ্টা  আলী ইমাম মজুমদার বলেন, অন্তবর্তী কালীন সরকার ক্ষমতায় আসার আগে খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ নিয়ে কিছু সংশয় ছিল। বর্তমানে সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ৩০ লক্ষ টন চালের প্রয়োজন হয়। এখন খাদ্যে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ,দেশে যথেষ্ট খাদ্য মজুদ রয়েছে।  বাংলাদেশের জনগণ সকাল বেলায় ভাতের পরিবর্তে গমের আটার রুটি খাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে মাত্র ১০ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়, আর বাকি ৬০ লক্ষ টন গম বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়।

     ১০ মে( শনিবার) সকাল   সাড়ে ১১টায়  রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের রেস্ট হাউজ বিদ্যুৎ ভবনের  সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন।

    রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ( মারুফ) এর সভাপতিত্বে এসময় কাপ্তাই উপজেলার প্রাক্তন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং   অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব সফি – উল আলম, 

    রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার ড: এস এম ফরহাদ হোসেন,কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো রুহুল আমিন, কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান, রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুগতি চাকমা উপস্থিত ছিলেন। 

    এসময়  রাঙামাটি জেলার ১০ টি উপজেলার উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

    রাঙামাটি জেলার খাদ্য মজুদ ও বিতরণ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় শেষে  গণমাধ্যম কর্মীদের  তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চল সহ রাজশাহী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ চট্টগ্রামের কিছু অংশে ধানের ফসল খুব ভালো হয়েছে। তা থেকে আশা করা হচ্ছে সামনে আমাদের খাদ্যর সমস্যা হবে না। আমাদের অন্তর্বতীকালীন সরকার খাদ্য সংরক্ষণ করার জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    পরে তিনি কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে অবস্থিত কাপ্তাই খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন। #

     

  • চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে আসামিদের হামলার শিকার বাদী ব্যবসায়ী মাহবুব।

    চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে আসামিদের হামলার শিকার বাদী ব্যবসায়ী মাহবুব।

    পতেঙ্গার আলোচিত রফিক হত্যা মামলার  ৬ নং আসামি আলাউদ্দিন  ওরফে গাভী আলাউদ্দিন সহ তার ভাই ভাতিজারা মিলে রফিক হত্যা মামলার রাজসাক্ষী ব্যবসায়ী মাহবুব এর উপর আদালত প্রাঙ্গণে  হামলা চালায়। গত  ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে  পতেঙ্গায় নৃশংস ভাবে হত্যা হয় রফিক নামে এক নিরিহ ব্যাবসায়ী,  মৃত ইলিয়াস ওরফে গাভী ইলিয়াস কে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন মৃত রফিক এর বড় ভাই আব্দুর নুর, মামলার রাজ সাক্ষী মাহবুব হওয়ায় তাকে মামলার সাক্ষী না দেওয়ার জন্য  একের পর এক নৃশংস অত্যাচার আলাউদ্দিন বাহিনী ,

    গত ২৯,০৪,২৫ ইং তারিখে মাহাবুব পরিচালিত ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানে লুটতরাজ করেন আলাউদ্দিন সহ রফিক হত্যা মামলার সাথে জরিত কয়েকজন।    

    এই ঘটনায় গত ০১,০৫,২৫ তারিখের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গাভী আলাউদ্দিন সহ ৫/৭ জনকে আসামি করে পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করে ব্যবসায়ী মাহবুব। 

    ঘটনার বিষয়ে মাহবুব বলেন আদালতে মামলার শুনানি’র জন্য আমি হাজির হই এবং দেখি আসামিরা জামিল লাভ করে, 

    আদালত প্রাঙ্গণে তারা আমাকে দেখে চড়াও হয়,, এবং কেন রফিক হত্যা মামলায় রাজ সাক্ষী এবং কেন আমি তাদের নামে মামলা করেছি এ কারণে গাভি আলাউদ্দিন, নুরুল হুদা,টিশান সহ তার সঙ্গে পাঙ্গরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে চড় থাপ্পড় কিল ঘুসি মারতে থাকে,, এবং তারা বলে মামলা এবং রফিক হত্যার  সাক্ষী থেকে যদি আমি বিরত না থাকি তাহলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে অথবা আমার বাচ্চাকে গুম করে ফেলবে,, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আমার উকিলের পরামর্শ আমি কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি,আমি সত্যিই প্রাণ সংশয়ে রয়েছি বলেও তিনি মন্তব্য করেন, 

    এ ঘটনার বিষয়-আলাউদ্দিনের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান আদালতে গিয়েছি এটা সত্য  কিন্তু এ ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানািনা। 

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এই আলাউদ্দিন মূলত মাদক ব্যাবসায়ী পতেঙ্গার মাদকসম্রাট হিসেবেও অনেকে চিনে তাকে, তার নামে চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মাদক মামলা,চাঁদাবাজি মামলা সহ রয়েছে হত্যা মামলাও। 

    এদিকে কোট প্রাঙ্গনে ব্যবসায়ী মাহবুবের উপর হামলার  লিখিত  অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম তিনি বলেন, তদন্ত করে এ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #

  • বাকলিয়ায় ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক আহত!

    বাকলিয়ায় ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক আহত!

    গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর ক্রমাগত হামলা ও হয়রানির ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে। গত (৩০ এপ্রিল) বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের ১৯ নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট, চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ওসমান এহতেসাম এবং সাংবাদিক মো. জাহাঙ্গীর আলম নির্মমভাবে হামলার শিকার হন।

    ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতি ও অনিয়মের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করার সময় ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডের সচিব সমর কৃষ্ণ দে এবং জন্মনিবন্ধন সহকারী মো. মনসুরুল আলম মানিকের নির্দেশে বাকলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারেক ও তার সহযোগীরা (ফারুক, কবির ও সোহাগ) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাদের ক্যামেরা ও স্ট্যান্ড ভেঙে ফেলে, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে বাকলিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা গেলেও টাকা ও সাংবাদিকতার অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার হয়নি। পরবর্তীতে আহত জাহাঙ্গীর আলম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।  

    জানা যায়, সাংবাদিকরা ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সহকারী মো. মনসুরুল আলম মানিকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য ওয়ার্ড অফিসে যাওয়ার পথে এক ভুক্তভোগী নারীর সাথে দেখা হয় তাদের। ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, তিনি ৭০০ টাকার বিনিময়ে একটি জন্মনিবন্ধন সংশোধন করেছেন। এ কথা শোনার পর সাংবাদিকদের অনুরোধে ওই নারীসহ তারা ওয়ার্ড অফিসে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা দেখতে পান, মানিক দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে অফিসের তালা বন্ধ করে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় মানিককে ৭০০ টাকা নেওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা সচিবের সামনে স্বীকার করেন এবং ওই নারীকে প্রথমে ৫০০ টাকা ও পরে আরও ১০০ টাকা ফেরত দেন। এরপরই মানিক ও ওয়ার্ড সচিব ফোন করে ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে এসে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। সাংবাদিকদের কাছে যারা দুর্নীতির অভিযোগ দিয়েছেন, তারা সবাই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।  

    এ ঘটনায় চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থাসহ চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলা গণতন্ত্র ও তথ্যের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। আমরা দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি করছি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর পদক্ষেপ চাই। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বাকলিয়ার তিন ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছেন, তারা রাজনীতিবিদ নন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। একজন রাজনীতিবিদের কাজ জনগণের সেবা করা, কিন্তু তারা তা না করে ওয়ার্ড অফিস থেকে সাময়িক লাভের জন্য জনগণের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিলেন। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরি।

    সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাংবাদিকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।  

    এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

    ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তারা বাংলাদেশের অর্জনকে নস্যাৎ করতে চায়। তারা চায়, বিএনপির মতো একটি জনপ্রিয় দলকে বিতর্কিত করতে। এমন সন্ত্রাসী চক্র দলের নাম ব্যবহার করে বলেই আজ এতো সমালোচনা! আমি চাই, আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

    ওসমান এহতেসাম বলেন, আমরা ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতি নিয়ে সাড়ে তিন মাস ধরে অনুসন্ধান চালিয়েছি। আমাদের ঢাকা অফিসে হাজারের অধিক দুর্নীতির ভিডিও প্রমাণ পাঠানো হয়েছে, যা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। জীবন থাকলে কলম চলবেই—জীবন কেড়ে নিলেই কেবল তা থামবে।  

    জনগণের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের জীবনহানির ঝুঁকি নিতে হচ্ছে—এটি কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক সমাজে কাম্য নয়। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না করলে সুশাসন ও জবাবদিহিতা অর্জন অসম্ভব।  

    সরকার, প্রশাসন ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার এখনই সময়।#

  • রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের মহান মে দিবস উদযাপন

    রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের মহান মে দিবস উদযাপন

    “মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত  স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস, ২০২৫” যথাযথ মর্যাদা এবং উৎসব মুখর পরিবেশে মান্যবর জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা’র নেতৃত্বে র‍্যালি এবং  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে, সিভিল সার্জন, রাঙ্গামটি জেলা, পুলিশ সুপার, রাঙ্গামাটি জেলা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ‘র রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জনাব, এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা জামায়াতের আমির জনাব, মোহাম্মদ আব্দুল আলীম, জনাব মো: মিজানুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক, রাঙ্গামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন, জনাব মো: ইসমাইল, সভাপতি, রাঙ্গামাটি জেলা কার-মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়ন, জনাব মো: সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, রাঙ্গামাটি জেলা ট্রাক-পিকাপ শ্রমিক ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে র‍্যালিতে  অংশগ্রহণ করেন এবং আলোচনা সভায়   উপস্থিত ছিলেন।  মহান মে দিবসের ২০২৫ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে   “শ্রমিক মালিক এক হয়ে গড়বো এ দেশ নতুন করে “এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি  দিবস ২০২৫ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে “শ্রমজীবী মানুষের অধিকার বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অঙ্গীকার”। তীব্র প্রতিযোগিতামূলক মুক্তবাজার অর্থনীতির বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায়  দেশীয় শিল্পকে  টিকিয়ে রাখতে হলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শ্রমিকদের  শোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বর্তমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। একইসাথে, শিশুদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যাতে নিয়োগ করা না হয় সেজন্য মালিক শ্রমিক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠান উপলক্ষে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর রাঙ্গামাটি কার্যালয় হতে, বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষায় করণীয় এবং আইনগত বিভিন্ন বিষয়ের লিফলেট বিতরণ করা হয়। শ্রমিক  কর্মক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হলে এবং শ্রমিকদের আইনগত পাওনাদি  অনাদায়ী থাকলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর হট লাইন নাম্বার ১৬৩৫৭(টোল ফ্রি) অভিযোগ জানানোর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে উপস্থাপন করা হয়।

    মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য সেফটি নিশ্চিত করার মাধ্যমে শোভন কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করলে দেশ সমৃদ্ধ হবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বাংলাদেশকে উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে আত্মপ্রকাশ করবে এ অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়। #