Blog

  • ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এবাদত খানায় কার্পেট ও সাউন্ড সিস্টেম উপহার দিলেন হাবীব আজম।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এবাদত খানায় কার্পেট ও সাউন্ড সিস্টেম উপহার দিলেন হাবীব আজম।

    মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস ২০২৫ উপলক্ষে “ইসলামের দৃষ্টিতে শ্রমিকের মর্যাদা ও অধিকার” শীর্ষক আলোচনা সভা অদ্য (১ মে) বৃহস্পতিবার সকাল ১১.০০ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে প্রধান অতিথি রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো: হাবীব আজম ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রাঙামাটি জেলা এবাদতখানায় কার্পেট ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যক্তিগতভাবে উপহার হিসেবে প্রদান করেন।

    আলোচনা সভা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো: হাবীব আজম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালেক্টর জামে মসজিদের ইমাম  আবুল হাশেম, কৃষি ও বন আবাসিক মসজিদের ইমাম মাওলানা আশহাদুল ইসলাম, দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শফিউল আলম আল-কাদেরী। আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মো: পেয়ার আহমদ।

    প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে মো: হাবীব আজম বলেন, শ্রমিকের অধিকার ও শ্রমগ্রহীতার কর্তব্য সম্পর্কে হাদিস শরিফে এসেছে, ‘শ্রমিকেরা তোমাদেরই ভাই, আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের দায়িত্বে অর্পণ করেছেন। আল্লাহ তাআলা যার ভাইকে তার দায়িত্বে রেখেছেন; সে যা খাবে, তাকেও তা খাওয়াবে; সে যা পরিধান করবে, তাকেও তা পরিধান করাবে; তাকে এমন কষ্টের কাজ দেবে না, যা তার সাধ্যের বাইরে। কোনো কাজ কঠিন হলে সে কাজে তাকে সাহায্য করবে।’ (মুসলিম, মিশকাত)। তিনি আরো বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এবাদত খানায় মুসল্লীদের সুবিধার্থে নামাজের জন্য কার্পেট ও আলেম ওলামারা যাতে আলোচনা অনুষ্ঠান সুন্দর ভাবে পরিচালনা করতে পারেন সেজন্য সাউন্ড সিস্টেম দেওয়া হচ্ছে। আলেমদের পাশে সব সময় থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    অন্যান্য বক্তারা বলেন, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে মালিক বা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো শ্রমিকের প্রতি সদয় হওয়া, তাঁর কাজের চাপ কমিয়ে দিয়ে তাঁকে সাহায্য করা। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার কাজের লোকের কাজ কমিয়ে সহজ করে দিল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার হিসাব সহজ করে দেবেন।

    পারিশ্রমিকের ব্যাপারে হাদিস শরিফে আছে, ‘তোমরা শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করো তার ঘাম শুকানোর আগেই।#

  • মাওলানা রইজ উদ্দিন এর হত্যার বিচারের দাবিতে ১০২ জন নাগরিকের বিবৃতি

    মাওলানা রইজ উদ্দিন এর হত্যার বিচারের দাবিতে ১০২ জন নাগরিকের বিবৃতি

    স্বৈরাচার পতনের পর থেকে মব ভায়োলেন্সের একটি উল্লম্ফন দেশবাসী দেখেছে। এই উল্লম্ফনের ধারাবাহিকতায় গত ২৭ এপ্রিল, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন ৩৯ নং ওয়ার্ড হায়দারাবাদ এলাকার আখলাদুল জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা র‌ঈস উদ্দিনকে ২ মাস পূর্বের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের পর সকাল ১০টায় পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পুলিশ তাকে কোনোরূপ খাদ্য ও চিকিৎসা ব্যতিরেকেই থানা হেফাজতে রাখে। থানা থেকে কারা কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর হয় সন্ধ্যা ৭টায়। এরপর চলে যায় ঘন্টার পর ঘন্টা। কিন্তু মৌলিক অধিকার হিসেবে খাদ্য ও চিকিৎসা কিছুই সরবরাহ করা হয়নি তাঁকে। অতঃপর ভোর ৪টায় কারাগারেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    মাওলানা র‌ঈস উদ্দিনের এই মৃত্যুর সাথে সরাসরি দুইটি বিষয় জড়িত ক) মব ভায়োলেন্সে অকথ্য নির্যাতন খ) পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের নির্মম আচরণ। মব ভায়োলেন্সে নির্যাতনের শিকার হ‌ওয়ার পর যদি পুলিশ তার নাগরিক অধিকারের স্বার্থে অভিযুক্তকে খাদ্য ও চিকিৎসা সরবরাহ করতো তাহলে হয়তো এই নির্মম মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হতো না। 

    স্বৈরাচার পতনের ৮ মাস পর‌ও এমন মব ভায়োলেন্স, পুলিশের নির্মম ও অমানবিক আচরণ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। কেন আমরা পুলিশী ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই তার একটি দৃষ্টান্ত এই ঘটনা। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে একজন নাগরিকের এমন নির্মম মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। 

    এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত মব ভায়োলেন্সের উদ্যোক্তা এবং অংশগ্রহণকারী, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা থানা পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষ— প্রত্যেককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। সুপ্রিম কোর্টের অধীনে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতের জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা আশা করছি, এই মামলার তদন্ত ও বিচারের মাধ্যমে মব ভায়োলেন্স নামে রাহাজানি এবং নির্মম পুলিশী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

    দাবির পক্ষে:

    ১. আনু মুহাম্মদ (সদস্য গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি)

    ২. সামিনা লুৎফা , শিক্ষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় 

    ৩. জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবী,  বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। 

    ৪. রাখাল রাহা (কথাসাহিত্যিক ও আহ্বায়ক, শিক্ষা ও শিশু রক্ষা আন্দোলন)

    ৫. আর রাজী (অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)

    ৬. জাহেদ উর রহমান (শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

    ৭. পারভেজ আলম (লেখক, গবেষক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৮. ফেরদৌস আরা রুমী (কবি ও অধিকার কর্মী) 

    ৯. দেবাশিস চক্রবর্তী (শিল্পী ও লেখক)

    ১০. দিদারুল ভূঁইয়া (সদস্য, ডিএসএ ভিক্টিমস নেটওয়ার্ক)

    ১১. জিএইচ হাবীব (অনুবাদক ও শিক্ষক)

    ১২. বাকী বিল্লাহ, লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী

    ১৩. রাফসান আহমেদ (চলচ্চিত্রকার)

    ১৪. সৈকত আমীন (কবি ও সাংবাদিক)

    ১৫. হাসান মারুফ রুমি (রাজনৈতিক সংগঠক)

    ১৬. আব্দুল্লাহ মহিউদ্দিন (মুক্তিযোদ্ধা)

    ১৭. পুন্নি কবীর (শিক্ষার্থী, কোলন বিশ্ববিদ্যালয়, জার্মানী)

    ১৮. মারজিয়া প্রভা (অ্যাক্টিভিস্ট)

    ১৯. অলিউর সান, শিক্ষক, ইউল্যাব

    ২০. মোকাররম হোসাইন (শিক্ষক, সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল)

    ২১. মোহাম্মদ রোমেল (চলচ্চিত্রকার, কবি ও সংগঠক)

    ২২. বীথি ঘোষ,  শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক  

    ২৩. অরূপ রাহী (চিন্তক ও শিল্পী)

    ২৪. মোস্তাকিমবিল্লাহ মাসুম (সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা)

    ২৫. তুহিন চৌধুরী (অ্যাক্টিভিস্ট)

    ২৬. নাশাদ ময়ুখ (কবি ও লেখক)

    ২৭. মোহাম্মদ আবু সাঈদ (লেখক ও আর্কাইভিস্ট)

    ২৮. এএইচএম শাহীন (লেখক ও সংগঠক)

    ২৯. আসবাবীর রাফসান (মূকাভিনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠক)

    ৩০. আরমান হোসাইন (রাজনৈতিক সংগঠক)

    ৩১. ইমেল হক (নির্মাতা)

    ৩২. নফিউল ইসলাম (লেখক ও সংগঠক)

    ৩৩. জাবেদ আহমেদ (আয়কর আইনজীবি)

    ৩৪. আহমেদ ইসহাক (কবি ও সংগঠক)

    ৩৫. এহসান (রাজনৈতিক সংগঠক)

    ৩৬. ফারহা তাহসিন (শিক্ষার্থী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়)

    ৩৭. জাহিদ জগৎ (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৩৮. ইমতিয়াজ মির্জা (সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৩৯. নুসরাত জাহান সুমনা (শিক্ষার্থী, দিল্লি ইউনিভার্সিটি)

    ৪০. শান্তনু বোস (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৪১. কায়েস মাহমুদ স্নিগ্ধ (কবি)

    ৪২. রাফসান গালিব (লেখক ও অনুবাদক)

    ৪৩. ইফতেখার জামিল (লেখক ও গবেষক)

    ৪৪. মওলবি আশরাফ (লেখক ও গবেষক) 

    ৪৫. সৈয়দ হাসান ইমতিয়াজ (জনস্বাস্থ্য গবেষক)

    ৪৬. সোয়েব মাহমুদ (কবি)

    ৪৭. সুলাইম মাহমুদ (সদস্য, জুলাই রেকর্ডস)

    ৪৮. মীর হুজাইফা আল-মামদূহ (লেখক ও গবেষক)

    ৪৯. শেখ এখতিয়ার বাকী (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৫০. মুহম্মদ নাহিয়ান (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৫১. রহমান মুফিজ (কবি ও সাংবাদিক)

    ৫২. খান আইয়্যুব (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৫৩. মিশকাত আল আলভী (পিএইচডি গবেষক)

    ৫৪. আরিফুল আলম (অ্যাক্টিভিস্ট)  

    ৫৫. তাশরিক হাসান (অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৫৬. পুলিন বকসী (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৫৭. ইরফানুর রহমান রাফিন (লেখক, গবেষক ও অনুবাদক)

    ৫৮. হুমায়ুন কবির (অর্থনীতি গবেষক)

    ৫৯. রাহুল বিশ্বাস (লেখক ও গবেষক)

    ৬০. হাসান ইনাম (লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৬১. শোয়েব আব্দুল্লাহ (মানবাধিকার কর্মী)

    ৬২. ইয়াসির আরাফাত (সাংবাদিক)

    ৬১. শাওন চিশতী (আর্টিস্ট)

    ৬৩. হাসিবুল ইসলাম (লেখক ও গবেষক)

    ৬৪. সামিউল আজীম (কবি)

    ৬৫. মোশরেফা মিশু (রাজনৈতিক সংগঠক)

    ৬৬. কৌশিক আহমেদ (সদস্য, জনভাষ্য)

    ৬৬. গোলাম সারওয়ার (সহযোগী অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

    ৬৮. মিজানুর রহমান মিজান (গবেষক ও অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৬৯. সামি আব্দুল্লাহ্ ছাত্র নেতা 

    ৭০. তসলিমা আক্তার বিউটি, শ্রমিক নেত্রী

    ৭১. আরিফ রহমান , লেখক

    ৭২. তানিয়াহ্ মাহমুদা তিন্নি (শিক্ষক, ইউআইইউ)

    ৭৩. সৈয়দুল হক, লেখক

    ৭৪. সৈয়দ ফরহাদ (কবি ও সংগীত শিল্পী)

    ৭৫. মাসুদ জাকারিয়া (নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ পলিটি)

    ৭৬. অরুণাভ আশরাফ (শিক্ষার্থী)

    ৭৭. মাহির আহনাফ হোসেন (শিক্ষার্থী)

    ৭৮. সৌরভ চৌধুরী (উদ্যোক্তা সংগঠক, জুলাই নেটওয়ার্ক)

    ৭৯. সাজিদ উল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)

    ৮০. জাফর হোসেন (সভাপতি, নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা)

    ৮১. তাওফিকা প্রিয়া (রাজনৈতিক সংগঠক)

    ৮২. আকরাম খান (চলচ্চিত্রকার)

    ৮৩. কাজী আবদুর রহমান (অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ)

    ৮৪. সবুজ শহিদুল ইসলাম (রাজনৈতিক সংগঠক)

    ৮৫. ধ্রুব দাশ, চলচ্চিত্র নির্মাতা 

    ৮৬. আশিকুর রহমান অনিক , স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা 

    ৮৭. মোহাম্মদ আলী হায়দার, থিয়েটারকর্মী 

    ৮৮. সজীব তানভীর, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা 

    ৮৯. সীমা দত্ত , নারী অধিকার নেত্রী 

    ৯০. কাজী সফিকুল ইসলাম রাব্বী (পলিটিক্যাল অ্যাক্টিভিস্ট)

    ৯১. পূরবী তালুকদার , এক্টিভিস্ট 

    ৯২. সুস্মিতা রায় সুপ্তি, সংস্কৃতি কর্মী 

    ৯৩. ডা. নাজমুস সাকিব, দন্ত্য চিকিৎসক 

    ৯৪. সৈকত দে, গদ্যকার 

    ৯৫. রাফিকুজ্জামান ফরিদ, ছাত্রনেতা 

    ৯৬. মাসুদ রেজা, শ্রমিক নেতা 

    ৯৭. কাজী ফরিদ , অধ্যাপক , সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়  

    ৯৮. স্বপন ইসলাম, সাংবাদিক 

    ৯৯. তানভীর তিয়াস, পরিবেশ আন্দোলন কর্মী 

    ১০০. কামরুজ্জামান রিপন, উন্নয়ন কর্মী 

    ১০১. মাইনুল হাসান (অধিকার কর্মী)

    ১০২. আজাদ হোসেন (রাজনৈতিক সংগঠক)

    বার্তা প্রেরক:

    মোহাম্মদ আবু সাঈদ

    রাফসান আহমেদ

    এএইচএম শাহীন

    মোবাইল: ০১৮৫০-৩১৮১৬০

    তারিখ: ৩০ এপ্রিল, ২০২৫

  • রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুন  সেনা শাখা সার্টিফিকেট বিতরণ :

    রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুন সেনা শাখা সার্টিফিকেট বিতরণ :

    সোমবার ২৮এপ্রিল-২৫ইং রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুন সেনা শাখার পক্ষ থেকে  গত ২১/০১/২০২৫ হতে ৩০/০১/২০২৫ ইং পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া বাৎসরিক রেজিমেন্টাল ক্যাম্পে অংশ গ্রহণ করা মোট ১৬ জন চৌকস ক্যাডেট কে সার্টিফিকেট প্রদান করেন PUO মো. আনোয়ার হোসাইন ।

    উক্ত ক্যাম্পে ফাঁদ,হানা,অগ্নি নির্বাপণ,অস্ত্র পরিচিতি সহ নানাবিধ সামরিক  প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ক্যাম্পে ফায়ারিং,ড্রিল,উপস্থিত বক্তিতা এবং কুইজ  প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যেক প্রতিযোগিতার প্রত্যেক ইভেন্টে রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ এর ক্যাডেটরা নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়। রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুন সেনা শাখার রেজিমেন্ট ক্যাম্প (২০২৪-২০২৫) মোঃ আমিনুল ইসলাম সুমন  (প্লাটুন ইনচার্জ)  এর নেতৃত্বে মোট ১৬ জন ক্যাডেট অংশগ্রহণ করে এ প্রতিযোগিতায়। বিএনসিসি হলো সেনাবাহিনীর আধাসামরিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন।

    অংশগ্রহণকারী ক্যাডেটরা হলেন

    ১। মোঃ আমিনুল ইসলাম (প্লাটুন ইনচার্জ) ২। জিনতি চাকমা (ক্যাডেট কর্পোরাল) ৩। আরাফাত (ক্যাডেট কর্পোরাল) ৪। তন্ময় হাসান(ক্যাডেট ল্যান্স কর্পোরাল) ৫। উচয়েন রাখাইন(ক্যাডেট ল্যান্স কর্পোরাল ৬। কহিনী চাকমা (ক্যাডেট) ৭। মল্লিকা চাকমা(ক্যাডেট) ৮।পারমি চাকমা (ক্যাডেট) ৯।বৈশাখী চাকমা (ক্যাডেট) ১০।সীমা আক্তার (ক্যাডেট) ১১।সানজিদা পাটোয়ারী (ক্যাডেট) ১২।ত্রিপন চাকমা (ক্যাডেট) ১৩।মোঃ ইয়াসিন (ক্যাডেট) ১৪।শাহিদুল ইসলাম হৃদয় (ক্যাডেট) ১৫।মহিউদ্দিন (ক্যাডেট) ১৬।পিংকি চাকমা (ক্যাডেট)।

    সার্টিফিকেট প্রদানের এক পর্যায়ে PUO মো. আনোয়ার হোসাইন বিএনসিসি প্লাটুন এর সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন,  একজন সফল ক্যাডেট হিসেবে গড়ে উঠতে বিএনসিসি ক্যাডেটদের বিভিন্ন ট্রেইনিং দেয়া হয়,এই ট্রেনিং তার একটি অংশ ছিল। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা, কমান্ডিং, ডিসিপ্লিন, সেলফ কনফিডেন্স, নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ আছে এবং সর্বদা দেশ ও জাতির সেবাই নিয়োজিত থাকার আহবান জানান বিএনসিসির সদস্যদের।#

  • রাঙ্গামাটি- চট্টগ্রাম সড়কের রাবার বাগান এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৫জন নিহত ও আহত-১

    রাঙ্গামাটি- চট্টগ্রাম সড়কের রাবার বাগান এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৫জন নিহত ও আহত-১

    রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের কাউখালীর বেতবুনিয়া রাবার বাগান এলাকায় সিএনজি অটোরিক্সা ও পিকআপের মুখোমুখি  সংঘর্ষে নারীসহ ৫ জন নিহত ও ১ জন আহত হয়েছে।
    আহত ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক । নিহতরা হলেন, রাউজানের চৌধুরী পাড়া এলাকার সোহরাব হোসেনে ছেলে তোরাব আলী। কাউখালীর মনাইরটেক এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে নুর নাহার ও হাটহাজারী সাত্তার ঘাট এলাকার মাহমুদের রহামান।
    শনিবার সকাল সাড়ে দশটায় কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া রাবার বাগান এলাকায় রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে যাত্রীবাহি সিএনজি অটো রিক্সা ও পিকআপের সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সোহাগ জানান ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত ও হাসপাতালে নেয়ার পথে ২ জন মারা যায়। ১জন কে গুরুতর আহত  অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান রাঙ্গামাটিগামী সিএনজি অটোরিক্সা  ও রাঙ্গামাটি হতে চট্টগ্রাম গামী মাহেন্দ্র পিকআপ এর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন ও মেডিকেল নেওয়ার পথে আরো ০২ জন মারা যায় এবং ১ জন আহত হন।  গুরুতর আহত ব্যক্তিকে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে  চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  পাঠানো হয়েছে।
    খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, কাউখালী থানা, বেতবুনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করে। #

  • কাউখালীর নারী ধর্ষণের  প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার।

    কাউখালীর নারী ধর্ষণের প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার।

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাউখালী থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর নারী ধর্ষণের (মারমা তরুণী) ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফাহিম (২৩), পিতাঃ আনোয়ার হোসেন মেম্বার, সাং- পোয়াপাড়া, থানাঃ কাউখালী, জেলাঃ রাঙ্গামাটি’কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গতকাল (২৩ এপ্রিল ২০২৫) চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানা এলাকা হতে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সহায়তায় উক্ত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কাউখালী থানা পুলিশ।

    উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম গত ১৭ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত ফাহিম আত্মগোপনে চলে যায়। এসময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়ের নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কাপ্তাই সার্কেল) জনাব জাহেদুল ইসলাম, পিপিএম এর তত্ত্বাবধানে উক্ত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে থাকে।পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের সহায়তায়,কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব সাইফুল ইসলাম সোহাগের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড থানাধীন কদম রসূল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রধান অভিযুক্ত ফাহিম’কে গ্রেফতার করে। #

  • অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থী মুক্তি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ।। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বিবৃতিতে দাবী।

    অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থী মুক্তি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ।। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের বিবৃতিতে দাবী।

     

    রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি : 

    অপহরণের ৯ দিন পর মুক্তি পেয়েছে খাগড়াছড়ি থেকে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থী।আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নিপন ত্রিপুরা। অপহরণকারীরা জনরোষের মুখে তাদেরকে কয়েক দফায় ছেড়ে দিয়েছে বলে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবী করা হয়। তবে, কোথায়-কখন তাদেরকে মুক্তি দেয়া হয়েছে; সে সম্পর্কে কোন তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি। তবে এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার, আরেফিন জুয়েল,জানান নানান চাপে দুর্বৃত্তরা চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের অপহৃত ৫ শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে। বর্তমানে তারা তাদের অভিবাভকদের কাছে আছে । শিক্ষার্থীদের মুক্তির বিষয়টি স্বীকার করে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ চট্টগ্রাম ব্শি^বিদ্যালয় শাখা থেকে গণমাধ্যমেও প্রেস বিবৃতি পাঠানো হয় । বিবৃতিতে অপহৃত চবি পিসিপি সদস্য রিশন চাকমাসহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ।

    বিবৃতিতে বলা হয় ,‘গত ১৬ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ৬.৩০ টার  খাগড়াছড়ির সদরের গিরিফুল এলাকা থেকে পিসিপি সদস্য রিশন চাকমা, চারুকলা ইনস্টিটিউটের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অলড্রিন ত্রিপুরা, একই বিভাগ ও একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মৈত্রীময় চাকমা, নাট্যকলা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দিব্যি চাকমা এবং প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী লংঙি ম্রোকে জোরপূর্বক তুলে নেয়া হয়। এ ঘটনার জন্য শুরু থেকেই ইউপিডিএফকে দায়ীকে করে আসছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (সন্তু লারমা) সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের  কেন্দ্রীয় সভাপতি কেন্দ্রীয় সভাতি নিপন ত্রিপুুরা । তবে শুরু থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে ইউপিডিএফ।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, অপহৃত পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে আপামর সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রগতিশীল ব্যক্তি ও ছাত্র সংগঠনসমূহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন গড়ে তোলে। অবশেষে ব্যাপক জনরোষের মুখে পড়ে অপহরণকারীরা কয়েক দফায় মুক্তি দিয়েছে। অপহৃত পাঁচ শিক্ষার্থীর মুক্তির দাবিতে যারা সোচ্চার ছিলেন বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা  জ্ঞাপন করছে।#

  • রাঙ্গামাটিতে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ;  রাঙ্গামাটি-০ ,  বান্দরবন-১

    রাঙ্গামাটিতে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ; রাঙ্গামাটি-০ , বান্দরবন-১

    দেশের প্রথম ফিফা স্বীকৃত নারী রেফারি জয়া চাকমার পরিচালনায় রাঙ্গামাটিতে আজ বৃহস্পতিবার উদ্বোধন হলো চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামে্ন্ট-২০২৫।

    দীর্ঘ ২৭ বছর পর বিকেল ৩টায় রাঙ্গামাটির চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ। মুখোমুখি হয় আয়োজক জেলা রাঙ্গামাটি ও প্রতিবেশী জেলা বান্দরবান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি চট্টগ্রামের  কমিশনার ড. জিয়া উদ্দিন। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক হাবিব উল্ল্যাহ মারুফ এর সভাপতিত্বে এ অনুস্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সদর জোন কমান্ডার লেফ্টেনেন্ট কর্ণেল জুনাঈদ উদ্দীন শাহ চৌধুরীর, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার, জেলা পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ- সভাপতি এড মামুনুর রশিদ, বিএনপি ও জামাত নেতৃবৃন্দ সহ সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

    চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ টি জেলার ফুটবল দল( রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার,চট্টগ্রাম) অংশ নিচ্ছে এবারের এই প্রতিযোগিতায়। খেলাধুলার পাশাপাশি আয়োজিত হয় এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে অংশ নেন রাঙামাটির নানা জাতিগোষ্ঠীর শিল্পীরা। 

    প্রথম ম্যাচেই ঘরের মাঠে নামা রাঙ্গামাটির দল মাঠে এনে দেয় বিশেষ আবেগ ও উচ্ছ্বাস। ঐতিহ্য, সামর্থ্য আর শক্তিতে রাঙ্গামাটি বরাবরই ফুটবলের একটি গর্বিত নাম।

     আজকের খেলায় বান্দরবান ১, রাঙ্গামাটি দল ০। বান্দরবান দল ১ গোলে  জয়ী হয়। গোলদাতা – তুইমা সিং। 

    আগামীকালের ম্যাচ চট্টগ্রাম বনাম খাগড়াছড়ির মধ্য অনুষ্টিত হবে।

     ২৭ বছর পর আবারও পাহাড়ি শহর রাঙ্গামাটি কাঁপছে ফুটবলের উত্তেজনায়। সর্বশেষ ১৯৯৭ সালে এই ঐতিহাসিক শহরটি হয়েছিল বিভাগীয় গোল্ডকাপের গর্বিত আয়োজক। #

  • রাঙ্গামাটির প্রবীন বিএনপি নেতার পাশে জেলা পরিষদ সদস্য হাবীব আজম

    রাঙ্গামাটির প্রবীন বিএনপি নেতার পাশে জেলা পরিষদ সদস্য হাবীব আজম

    রাঙ্গামাটি জেলার প্রবীন বিএনপি নেতা ইন্দ্রজিৎ ত্রিপুরা (৮২) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিল রোগে ভুগছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অবস্থার অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা সহায়তায় তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য মো. হাবীব আজম।
    সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে শহরের গর্জনতলীস্থ ইন্দ্রজিতের বাসায় গিয়ে খোঁজ খবর নেন এবং নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন জেলা পরিষদ সদস্য হাবীব আজম। এসময় অত্র এলাকার বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    জেলা পরিষদ সদস্য মো. হাবীব আজম বলেন, সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। মানব সেবা শুধু একটি দায়িত্ব নয়, এটি মানবিকতার শ্রেষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ। একজন মানুষের প্রকৃত মূল্য নির্ধারিত হয় তার অর্থ বা প্রতিপত্তির মাধ্যমে নয়, বরং সে অন্যের জন্য কতটা উপকারী হতে পারে তার মাধ্যমে। সমাজে দুঃস্থ, অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানব সেবা।রাঙ্গামাটির প্রবীন বিএনপি নেতার পাশে
  • রাবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    রাবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষ্যে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

    ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান/ ইঞ্জিনিয়ারিং) জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি সমন্বয় সভা আজ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।

    উক্ত সমন্বয় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব নাদিরা নূর, সিভিল সার্জন অফিসের সহকারী সার্জন ডা. ইমরুল হাসান, রাঙ্গামাটি পৌরসভার শহর পরিকল্পনাবিদ জনাব সুবর্ণ চাকমা, শাহ্‌ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ মুজিবুর রহমান, ভোয়াল্ল্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব প্রজ্ঞা মিত্র তঞ্চঙ্গ্যা এবং ডিজিএফআই, ডিএসবিসহ অন্যান্য অংশীজনের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও রাবিপ্রবি’র বিভিন্ন ডিন, প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় ভর্তি পরীক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি যেমন: নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, যানবাহন ও আবসিক হোটেলসহ অন্যান্য বিষয়াদির সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান এবং ভর্তিচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রী-অভিভাবকগণের রাঙ্গামাটি শহরে অবস্থান ও যাতায়াতের সুবিধা ও নিরপত্তা বিধানের জন্য সকলের প্রতি মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় আহবান জানান। #

  • নববর্ষের শোভাযাত্রায় ইয়েন ইয়েনের দেশবিরোধী প্ল্যাকার্ড বহনে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ।

    নববর্ষের শোভাযাত্রায় ইয়েন ইয়েনের দেশবিরোধী প্ল্যাকার্ড বহনে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ।

    নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের পক্ষে চাকমা সার্কেল চীফ দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের নেতৃত্বে  প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করায় এর প্রতিবাদ জানিয়ে (২১ এপ্রিল) রবিবার সকাল ১১.০০ টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

    শহরের কাঠালতলী থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা সিএনজি স্টেশন চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়।
    পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো: আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও পৌর সভাপতি পারভেজ মোশাররফ হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান, রাঙামাটি জেলা প্রচার সম্পাদক হুমায়ুন কবির, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো: খলিলুর রহমান, সহ- সাধারণ সম্পাদক ও লংগদু উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ হাসান, প্রচার সম্পাদক ইসমাঈল গাজী, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, পিসিসিপি জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক ও কলেজ শাখার যুগ্ন আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, পিসিসিপি পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

    বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এবারের পহেলা বৈশাখেও ছাড় পেল না পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ। বাঙালির প্রাণের উৎসবকে হাতিয়ার বানিয়ে আবারও চোখে পড়লো পরিচিত সেই পুরনো প্রোপাগান্ডা। রাঙামাটির চাকমা সার্কেল চীফ দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের নেতৃত্বে কয়েকজন বামপন্থী ও উগ্রবাদী উপজাতি পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিজেদের স্বার্থে বানানো প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হাজির হলো ঢাকার রাজপথে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩২- উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার একটি অংশে ইয়েন ইয়েন নিজেই একটি প্ল্যাকার্ড নিলেন যেখানে আঁকা রয়েছে বম জনগোষ্ঠীর নারী শিশুরা বন্দী, আসলে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে ইয়েন ইয়েন মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে, সেখানে কোনো নারী শিশুরা বন্দী নয়, বন্দী হলো বান্দরবানে যারা ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত ছিলো ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যায় জড়িত বম-খিয়াংদের নিয়ে গঠিত কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট- কেএনএফ এর মতো সন্ত্রাসী সংগঠন এর সদস্যরা। এখন দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েন কি কেএনএফ সন্ত্রাসীদের সরাসরি পক্ষ নিয়ে মুক্তি দাবি করছে? যদি তিনি কেএনএফ সন্ত্রাসীদের নিরীহ বানিয়ে মুক্তির দাবি করে থাকে তাহলে সন্ত্রাসীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ইয়েন ইয়েনকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
    তবে এটি ইয়েন ইয়েন এর একটি নাটক ও ষড়যন্ত্র, যখনি চাকমা আধিপত্য বাদ নিয়ে চারদিকে কথা হচ্ছে তখনি কিছু ষড়যন্ত্রকারীদের প্রেসক্রিপশনে ইয়েন ইয়েন  বম প্রীতি দেখানোর নামে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের মুক্তি দাবি করছেন।

    বক্তারা আরো বলেন, ইয়েন ইয়েন নেতৃত্বে চিহ্নিত কয়েকজন উপজাতি ও বাম সংগঠনের বাঙালি নারী পুরুষ প্ল্যাকার্ড হাতে নেয় সেখানে কোথাও লেখা “আদিবাসীর স্বীকৃতি চাই”, কোথাও “পাহাড়ে সেনাশাসন বন্ধ করো”, আবার কোথাও দেখা গেলো পাহাড়কে ফিলিস্তিনের সঙ্গে তুলনা করার মতো হাস্যকর ও উদ্দেশ্যমূলক দাবি।

    প্রশ্ন হলো—এই ছেলেমানুষি আর কতদিন? আর এসব দেখে যারা বাহবা দেয়, তাদেরও জিজ্ঞেস করা উচিত—আপনারা আদতে পাহাড়ের কোন বাস্তবতা বোঝেন?
    পাহাড়ে কি সেনা শাসন চলছে? কখনোই না, কারন পার্বত্য উপদেষ্টা চাকমা সম্প্রদায়ের, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চাকমা সম্প্রদায়ের, পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান চাকমা সম্প্রদায়ের, চাকমা সার্কেল চীফ চাকমা সম্প্রদায়ের, আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান চাকমা সম্প্রদায়ের,
    উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এর চেয়ারম্যান
    চাকমা সম্প্রদায়ের। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল কিছুর চেয়ার যদি চাকমা সম্প্রদায়ের হাতে থাকে তাহলে সেনা শাসন টা চলছে কোথায়? পাহাড়ে তো চলছে চাকমা শাসন, এখন চাকমা শাসন বন্ধ করার দাবিতে সকলের রাজপথে নামা উচিত।

    বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা হলো সাধারণ একজন চাষী, ব্যবসায়ী বা গৃহিণীকেও বাঁচতে হয় চাঁদাবাজির ভয় নিয়ে। তিন পার্বত্য জেলায় বছরে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি চলে। এই চাঁদাবাজি কারা করে জানেন?
    যারা বলছে পাহাড় থেকে সেনা হঠাও, যারা বলছে সেনা শাসন বন্ধ করো, সেই তারাই পাহাড়ে চাঁদাবাজি করছে, সশস্ত্র অবস্থায় ভারী অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে।
    আপনি যদি পাহাড়ে একটা পোষা মুরগিও বিক্রি করতে চান, আপনাকে পাহাড়ি উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে হবে। কলা, হলুদ, সবজি—সবজান্তা সন্ত্রাসীদের নজর এড়ায় না কিছুই। সন্তানদের বিয়েও করতে হলে দিতে হয় চাঁদা, নয়তো আসে হুমকি, কখনো বা অপহরণ।

    বক্তারা আরো বলেন, তাদের কাছে “আদিবাসী অধিকার” মানে সাধারণ পাহাড়ির অধিকারের নাম নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থের ঢাল।
    পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়িদের সব দাবি সরকার মেনে নিয়েছে, সেখানে সরকারের সাথে চুক্তি করেছে উপজাতি পরিচয়ে।
    তাদের সব দাবি যখন মেনে নিয়েছে সরকার তখন তাদের হাতে আন্দোলনের নামে পাহাড় অশান্ত করার আর অস্ত্র রইলো না। এখন তাহলে কিভাবে পাহাড়কে অশান্ত করা যায়,? সেই চিন্তা থেকে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা মিলে ২০০৭ সাল থেকে জাতিসংঘ আইএলও কনভেনশন ঘোষণা করার পর থেকে নতুন করে আদিবাসী পরিচয় দাবি করে পাহাড়কে অশান্ত করতে উঠে পড়ে লেগে যায়।
    এখন পাহাড়ে নতুন করে অশান্ত করার তাদের একটি হাতিয়ার সেটি হচ্ছে অযৌক্তিক ‘আদিবাসী দাবি’।#