Blog

  • রাবিপ্রবি’তে ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে “No Work, No School” কর্মসূচির সাথে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    রাবিপ্রবি’তে ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে “No Work, No School” কর্মসূচির সাথে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসন ও নৃশংস গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী “No Work, No School” কর্মসূচির সাথে সংহতি প্রকাশ করে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আজ ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখ সকাল ১১:১৫ ঘটিকায় একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিবাদ সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির আওতায় সকাল ৯:০০ ঘটিকা থেকে সকাল ১১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালন করা হয়।

    রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এ প্রতিবাদ সমাবেশে বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে প্রায় পঁচাত্তর বছর ধরে ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি আগ্রাসী তৎপরতা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপে বিশ্ববাসী দেখেছে; ক্রমান্বয়ে তা প্রবল থেকে প্রবলতর হয়েছে। সম্প্রতি সমগ্র ফিলিস্তিনে যে ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে ও হচ্ছে তা অবর্ণনীয়। সেখানে মানুষ অবর্ণনীয় দুঃখ, দুর্দশা সহ্য করছে এবং কষ্ট করছে খাদ্য ও পানির জন্য। ইসরায়েলের জিঘাংসার পথ পরিক্রমা এখনো চলমান রয়েছে। ফিলিস্তিনে মানুষ হিসেবে যে অধিকার আছে, তা চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। আজকে ফিলিস্তিনে নারীদের যে হাহাকার, শিশুদের যে হাহাকার, তা হৃদয়বিদারক। এরকম বাস্তবতায় আমরা মানুষের জন্য কথা বলতে চাই। আমাদের প্রথম ও প্রধান পরিচয় আমরা এই সমাজের মানুষ।

    তিনি বলেন, বিশ্ব মোড়ল ও বিশ্বে যারা নেতৃত্বে আছেন, তাদের বলতে চাই- বন্ধ হোক ফিলিস্তিনে গণহত্যা, বন্ধ হোক শিশুদের উপর নির্যাতন, নারীদের উপর নির্যাতন এবং জনসাধারণের উপর গণহত্যা; ফিলিস্তিনে শান্তি ফিরে আসুক। একের পর এক চুক্তির নামে যেসমস্ত বাহানা চলছে, তা সত্যিকার অর্থে অর্থবহ হোক, সেগুলো আবার ফিলিস্তিনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর হোক।

    তিনি আরো বলেন, ইউরোপ, আমেরিকাসহ ওআইসি ও জাতিসঙ্ঘ যাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার কথা তারাও কার্যকরী ভূমিকা রাখছে না। মানবতা ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। সুতরাং আমরা সামগ্রিকভাবে যারা এখনো পর্যন্ত মানবতাকে টিকিয়ে রাখতে চায়, তাদের কাছে আমাদের আহবান থাকবে অতিসত্বর ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধ হোক এবং সকল আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংস্থাসমূহ শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকরী ভূমিকা রাখুক।

    প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণ করায় শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

  • রাঙ্গামাটি এটিআই শিক্ষার্থীদের  ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও ৮ দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা

    রাঙ্গামাটি এটিআই শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও ৮ দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা

    ‘ডিপ্লোমা কৃষিবিদ, এক হও লড়াই করো, অধিকার আদায় করো’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে আট দফা দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে রাঙ্গামাটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) শিক্ষার্থীরা। উচ্চশিক্ষার দাবি যুক্তিক বলে মন্তব্য করেন রাঙ্গামাটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপসহকারী প্রশিক্ষক আহসানুল হক বলেন, আমাদের ১৯টি পদে কর্মরত শিক্ষক মাত্র ৬ জন। শূন্য পদগুলোতে পদায়ন করার আহ্বান জানান তিনি।

    রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় রাঙ্গামাটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে ও আগামীকাল থেকে ৮ দফা দাবি আদায়ের অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা।

    সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে রাঙ্গামাটি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপসহকারী প্রশিক্ষক আহসানুল হক বলেন, অবশ্যই তাদের দাবি সমূহ যৌক্তিক। কারন তাদের উচ্চশিক্ষার দাবি করা বা উচ্চশিক্ষার সুযোগ নেয়াটা যুক্তিক দাবি। এছাড়া আমাদের যে অবস্থা। রাজধানী বা তার আশেপাশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলিতে পদের থেকেও সংযুক্তিতে অতিরিক্ত প্রশিক্ষক আছেন। আর আমাদের এখানে সব মিলিয়ে উনিশটি পদ। এই ১৯টি পদে কর্মরত আছি মাত্র ৬ জন। স্টুডেন্ট রয়েছেন ২৭৯ জন।

    এই খাতে বৈষম্য তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি সেমিস্টারে সতটা, আটটা সাবজেক্টে রয়েছে। সে হিসেবে এক একজন শিক্ষক  দুইটা সাবজেক্ট করে ক্লাস নিতে হয়। আমাদের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য সবসময়ই বলে যাচ্ছি।

    কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ফয়সাল বিন ফারুক বলেন, সারা দেশের কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রাঙ্গামাটি এটিআইয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে এবং আগামীকাল থেকে ৮ দফা দাবি আদায়ের  অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।

    তার প্রেক্ষিতে কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা নিজেদের আট দফা দাবি চূড়ান্ত করে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে। শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচি ও আলোচনা সভা করে। কিন্তু তারা এখন পর্যন্ত সরকার থেকে কোনো নোটিশ না পাওয়ায় নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে। সারা দেশে কৃষি ডিপ্লোমা ছাত্র অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে তারা আন্দোলনের ডাক দেয়।

    শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে গেজেট প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষক সংকট দূর করতে হবে, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষাকে ডি.এ.ই অধীনস্থ থেকে বের করে সম্পূর্ণভাবে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আলাদা প্রতিষ্ঠান করতে হবে, সকল কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পদটি শুধুমাত্র ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের জন্য সংরক্ষিত করতে হবে, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে ন্যূনতম দশম গ্রেডের পে-স্কেলে বেতন দিতে হবে, কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদেরকে মাঠ সংযুক্তি ভাতা প্রদান করতে হবে, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের চাকরিতে প্রবেশের পর ছয় মাসের ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। #

  • ওর্য়াল্ডের মধ্যে ভারতীয় মিডিয়া মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন — স্বরাষ্ট্র  উপদেষ্টা

    ওর্য়াল্ডের মধ্যে ভারতীয় মিডিয়া মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন — স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ভারতীয় মিডিয়া ওর্য়াল্ডের ভিতরে মিথ্যা বলার জন্য চ্যাম্পিয়ন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র  উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত  লেঃ জেনারেল  মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী । তিনি বলেন, ভারতীয় মিডিয়া মিথ্যা সংবাদ দিয়ে গুজব রটিয়ে দিচ্ছে। ওদের কয়েকটি মিডিয়া আছে যাদের কাজই হচ্ছে গুজব রটানো। তিনি প্রকৃত্ সত্য তথ্য পরিবেশন করে ভারতীয় মিডিয়ার সৃষ্ট মিথ্যা গুজবকে প্রতিরোধ করতে দেশের গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহবান জানান । স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আজ সাজেক পরিদর্শন শেষে রাঙ্গামাটি বিজিবি সেক্টরে এক মতবিনিময় সভা শেষে  প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  বলেন পার্বত্য এলাকায় বড় সমস্যা চাঁদাবাজী আর দূর্ণীর্তি ।পাহাড়ে যত সহিংসতা হয় তার মূলে রয়েছে চাঁদাবাজী ।আর দূর্নীতির কারণে তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ জনগন উন্নয়নের সুফল পায়না। তাই  চাদাঁবাজী ও দূর্নীতি বন্ধ করতে হবে।তা নাহলে কোন দিনও পাহাড়ের সমস্যার সমাধান হবেনা। 

    এর আগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা  রাঙ্গামাটির বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন ৫৪ বিজিবির এলাকা এবং  বিজিবির সাজেক বিওপি পরিদর্শন করেন । এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, 

    ,ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের  মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল মোঃ ইয়াছির জাহান হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।  

    তিনি সাজেক পরিদর্শণকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে কথা বলেন। 

    সাজেকে সাম্প্রতিক অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে আগুন নির্বাপনের গুরুত্ব বিবেচনায় সাজেকে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার জন্য ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেন। #

     

     

  • সু-প্রদীপ চাকমার রাঙামাটি আগমনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও কালো পতাকা প্রদর্শন

    সু-প্রদীপ চাকমার রাঙামাটি আগমনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও কালো পতাকা প্রদর্শন

    পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নজিরবিহীন বৈষম্যের কারনে রাঙামাটিতে পার্বত্য উপদেষ্টা আগমনের প্রতিবাদ জানিয়ে (৩ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার শহরের বনরূপায় সকাল ১১.০০ টার দিকে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কালো পতাকা প্রদর্শণ কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্য বিরোধী বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা।

    বিক্ষোভ সমাবেশ ও কালো পতাকা প্রদর্শন কর্মসূচিতে ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ শহিদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন। বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং ছাত্র উপদেষ্টা কামাল উদ্দিন, রেড জুলাই রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ ইমাম হোসেন ইমু, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা প্রতিনিধি সাইদা ইসলাম সাদিয়া, বড়ুয়া সমিতির প্রতিনিধি জনাব শ্যামল চৌধুরী বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ঐক্য পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা সমন্বয়ক পেয়ার আহমদ খান প্রমুখ। 

    বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রতি এক নজিরবিহীন বৈষম্য চালিয়ে সম্প্রতি যে চাকমা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা বাতিল করে পাহাড়ি-বাঙালি সকল জাতিগোষ্ঠীকে জনসংখ্যা অনুপাতে সমান ভাবে বরাদ্দের আওতায় আনতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় কর্তৃক পাহাড়ের জনগণের সাথে বৈষম্য চালিয়ে সম্প্রতি যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা সংবিধানের সাম্যের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক বাজেট বরাদ্দ তালিকা পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট হয়, এই বরাদ্দ প্রক্রিয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পক্ষপাতদুষ্ট এবং এক বিশেষ জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীভূত। রাষ্ট্রের সম্পদ কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য নয়, এটি সকল নাগরিকের সমান অধিকার। অথচ পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রদায়িক উপদেষ্টা সু-প্রদীপ চাকমা পাহাড়ি অঞ্চলের জনসংখ্যার প্রকৃত চিত্র ও প্রয়োজন উপেক্ষা করে একপাক্ষিক বরাদ্দ প্রদান করেছে, যা চরম বৈষম্যমূলক।

    বিক্ষোভে পাহাড়ের সকল জাতিগোষ্ঠীরা জোর দাবি জানিয়ে বলেন,

    ১. পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের বৈষম্যমূলক সাম্প্রদায়িক চাকমা বরাদ্দ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

    ২. বান্দরবানসহ সকল জেলার জন্য ন্যায্য বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

    ৩. বাঙালি, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, সাঁওতালসহ সকল জনগোষ্ঠীর সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

    ৪. একই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে একাধিকবার বরাদ্দ দেওয়ার অনৈতিক প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।

    ৫. জনসংখ্যার অনুপাতে ও প্রকৃত প্রয়োজনের ভিত্তিতে বরাদ্দ প্রদান করতে হবে।

    ৬. উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর সাইনবোর্ড ভেঙে সেখানে সংবিধান ও পার্বত্য চুক্তি বিরোধী শব্দ আদিবাসী লেখা ও বিভিন্ন স্কুলের সাইনবোর্ডে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী লেখা মুছে দিয়ে সেখানে আদিবাসী শব্দ যেসব উগ্র সাম্প্রদায়িক ব্যক্তিরা লিখেছে তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। 

    ৭. পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ও চাঁদাবাজি বন্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে পার্বত্য মন্ত্রণালয় হতে কঠোর নির্দেশনা দিতে হবে। 

    সমাবেশে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়, এটি সকল জাতিগোষ্ঠীর আবাসভূমি। এখানে বরাদ্দের নামে কোনো পক্ষপাতমূলক আচরণ ছাত্র সমাজ মেনে নেবে না। এই বৈষম্যমূলক বাজেট অবিলম্বে সংশোধন করা না হলে ও আদিবাসী শব্দ লেখা ও বলা ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা না হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। #

  • ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে পার্বত্য উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বাণী”

    ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে পার্বত্য উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বাণী”

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর  উপলক্ষে দেশবাসী তথা পার্বত্য অঞ্চলের সকলের সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন।
    উপদেষ্টা বলেন, “ঈদ হলো ভালোবাসা, খুশি ও সম্প্রীতির বন্ধন। তিনি সকলকে ভেদাভেদ ভুলে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর পবিত্রতা রক্ষা করে আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছন। উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা আরো বলেন, আমাদের এ সরকার চায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এদেশে অপরাধমুক্ত সমাজ ও সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হোক। দেশে সম্প্রীতি ও  সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য বিরাজ করুক। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-এ সকলের অন্তরকে পবিত্র রাখুক এ প্রত্যাশা করেন তিনি। #
  • এতিম শিশুদের সাথে ঈদ- আনন্দে মেতে উঠলেন  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।

    এতিম শিশুদের সাথে ঈদ- আনন্দে মেতে উঠলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।

    সোমবার  (৩১ মার্চ) পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের দিন সকাল ৯:০০ টায় জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ) ঈদের নামাজ আদায় করেই স্বপরিবারে চলে যান রাঙ্গামাটি সরকারি শিশু পরিবারে।  এসময়  প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। ।

    সরকারি শিশু পরিবারে পৌঁছে তিনি সেখানে বসবাসরত ১৭০ জন এতিম ও অসহায় শিশুদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা  বিনিময় করেন।

    পরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ডিসি বাংলোতে  তৈরি  বিশেষ খাবার সকল শিশুদের মাঝে পরিবেশন করা হয়। জেলা প্রশাসকের উষ্ণ আতিথেয়তায় সকল শিশুইকেই আবেগাপ্লুত হতে দেখা গেছে। এসময় তিনি শিশুদের লেখাপড়ার খোজখবর এবং শিশুদের প্রতি যথাযথভাবে খেয়াল রাখতে তিনি সংশ্লিষ্টদেরকে দিকনির্দেশনা দেন। 

    এর আগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শিশু পরিবারের সকল এতিম ও অসহায় শিশুদের মাঝে তিনি ঈদের সেলামী উপহার দেন।

    এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব ইমরান হোসেন ভুইয়া,  সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইয়াসিন খন্দকার, নেজারত ডেপুটি কমিশনার শিব সংকর বসাক,  রাঙ্গামাটি  সরকারি শিশু পরিবারের উপতত্ত্বাবধায়ক সহ অন্যান্য কর্মকর্তা -কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

  • ইমাম মুয়াজ্জিনদের ঈদ শুভেচ্ছা বোনাস  দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হাবীব আজম।

    ইমাম মুয়াজ্জিনদের ঈদ শুভেচ্ছা বোনাস দিলেন জেলা পরিষদের সদস্য হাবীব আজম।

    ইমাম মুয়াজ্জিন এবং মসজিদের খাদেমদের ঈদ সালামি দিয়ে অতীতের চেয়ে ব্যতিক্রম ভাবে তাদের পাশে দাড়িয়েছে রাঙামাটি জেলা পরিষদ, আর রাঙামাটি পৌরসভা ও সদরের সকল ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাঝে ঈদ সালামি পৌঁছে দিতে এতে সার্বিক ব্যবস্থাপনা করেছে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো: হাবীব আজম।

    রবিবার (৩০ মার্চ) দুপুর দুইটায় রাঙামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী এর সভাপতিত্বে ও

    বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও. মো. আশহাদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো: হাবীব আজম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ইমাম সমিতির রাঙামাটি জেলা সভাপতি মাওলানা তোফায়েল আহমেদ, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার আল হক, কাওমি ওলামা পরিষদের রাঙামাটি জেলা সভাপতি মাওলানা আবুল হাশেম, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের রাঙামাটি জেলা সভাপতি মাওলানা মোস্তফা হেজাজি প্রমুখ।

    রাঙামাটি পৌরসভা ও সদরের ১০৫ টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের হাতে ঈদ সালামি নগদ অর্থ তুলেদেন জেলা পরিষদ সদস্য মো: হাবীব আজম।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: হাবীব আজম বলেন, ত্যাগ-তাকওয়া আর সংযমের শিক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর ব্যক্তি, পরিবার সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনকে সুন্দর ও পরিশুদ্ধ করার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর বিশ্বজনীন ঐক্য, সংহতি, সহমর্মিতা এবং অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে এলো পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। 

    ব্যক্তি জীবনকে পরিশুদ্ধ ও সংযমী করে গড়ার লক্ষ্যে মোমিন মুসলমানেরা মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর হৃদয় আনন্দে উপচে পড়া ঈদুল ফিতর সমাগত হয়।

    এই ঈদুল ফিতরের আনন্দ সকলের সাথে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরাও যাতে ভাগাভাগি করে নিতে পারে তাই এই ঈদ সালামি ‘উপহার’ হিসেবে দেওয়া হলো।

    হাবীব আজম আরো বলেন, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করেছি সকলের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। আমাদের এই সামান্য উপহার আপনাদের ঈদ কে আরো উৎসবমুখর করবে। #

  • রাঙ্গামাটিতে আহত জুলাই যোদ্ধাদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করলেন জেলা প্রসাশক।

    রাঙ্গামাটিতে আহত জুলাই যোদ্ধাদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করলেন জেলা প্রসাশক।

    রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ সকাল ১১টায়  জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত জুলাই যোদ্ধাদের মাঝে আর্থিক অনুদানের ১,০০,০০০/- টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ)।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  বক্তব্যে তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে  ছাত্র-জনতা অপরিসীম আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের সামনে শোষনহীন ও বৈষম্যবিহীন নতুন  বাংলাদেশ গড়ার সুবর্ণ  সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন, যেমনি করে ১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তাদের সীমাহীন আত্মত্যাগের মাধ্যমে জাতির পরম আরাধ্য  স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। 

     তিনি আরো বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে। 

    উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন হতে স্থানীয় উদ্যেগে আহতদের  জন্য ৮০,০০০/- টাকা করে নগদ চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হয়েছে। #

  • রাঙামাটিতে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনে  নানান কর্মসূচী পালন

    রাঙামাটিতে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনে নানান কর্মসূচী পালন

    নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে  রাঙামাটিতে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

    বীর শহীদদের স্মরণে  শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর, চাকমা সার্কেল চিফ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিসহ
    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    অন্য দিকে সকাল ৯টায় রাঙামাটি চিংহ্লামং মারী স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কুচকাওয়াজে পুলিশ, আনসার, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অংশ গ্রহণ করে। পরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান করা
    হয়।

    কুচকাওয়াজ শেষে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে রাঙামাটি ছিলো গৌরবময় ভূমিকা। এই জেলার জনগন পাহাড়ি-বাঙালি এক সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছেন এবং শত্রুর প্রতিরোধ করেছেন। রাঙামাটির
    নানিয়ারচরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে অসীম সাহসিতা দেখিয়েছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, যুগে যুগে এই জাতি গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই সংগ্রাম করে এসেছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আরেকটি অধ্যায়। এই আন্দোলনে নিহত ও আহত সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। #

  • রাবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উদযাপিত

    রাবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উদযাপিত

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ২৬ মার্চ ২০২৫ খ্রিঃ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে অবস্থিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ২৫শে মার্চ  কাল রাত্রিতে শাহাদাৎ বরণকারী, ১৯৭১ ও এর পথ ধরে ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর রাবিপ্রবি’র শিক্ষক সমিতি ও  অফিসার্স এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ১৯৭১ ও জুলাই’২৪ এর চেতনাকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে আহবান জানান। তিনি ২৫শে মার্চ কালরাত্রি ও স্বাধীনতার ইতিহাস জানার জন্য এ সংক্রান্ত বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেন।

      এছাড়াও গতকাল ২৫শে মার্চ গণ হত্যা দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ছাত্র হল ও ছাত্রী হলে রাত ১০:৩০ ঘটিকায় ১ মিনিটের জন্য প্রতীকী ব্ল্যাক আউট পালন করা হয়। ২৬শে মার্চ ২০২৫ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ছাত্র হল ও ছাত্রী হলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ২৬শে মার্চ সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবন-১ এ আলোকসজ্জা করা হবে।

    উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেন। এদিনটি জাতির আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম ও সাহসের প্রতীক। দেশের ছাত্রজনতা-কৃষক-শ্রমিক-বুদ্ধিজীবী সকল স্তরের মানুষের আত্মত্যাগ এবং হানাদার বাহিনীর নিপীড়ন-নির্যাতন ও শোষণ এর বিরুদ্ধে এক গৌরব গাঁথা ইতিহাস নিহিত আছে এদিনটিতে। ১৯৭১ এর ধারায় ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশকে ভিন্ন এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে।

    জুলাই’২৪ এর শহীদদের আত্মত্যাগ ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সকলকে দুর্নীতিমুক্ত থেকে নৈতিকতার সাথে কাজ করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর। এছাড়া এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে রাবিপ্রবি’র সকল শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অন্যান্য অংশীজনদের সহায়তা কামনা করেন।