Logo
শিরোনাম :
রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও বিজিবি’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন রাঙ্গামাটিতে পিসিসিপি’র উদ্যোগে ২৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ / সভাপতি কামাল, সম্পাদক সৈকত ও সাংগঠনিক ফাতেমা জান্নাত মুমু রাবিপ্রবি’র নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী’র যোগদান রাঙামাটিতে জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি ‘কুমন’ এর উদ্বোধন করলেন পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান কাপ্তাইয়ে দাদার সাথে কর্ণফুলী নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু রাঙামাটিতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল উদ্যোগ: অনলাইন বাস টার্মিনাল ও সিএনজি চালকদের ডিজিটাল ডাটাবেস কার্যক্রমের উদ্বোধন। রাঙ্গামাটিতে কোতোয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: মাদকসহ গ্রেফতার ৮ চকরিয়ায় মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ সরকারের ১ শত ৮০ দিনের  সম্পাদিত কার্যক্রম বিষয়ে কাপ্তাই তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিং

পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ বরদাশত করা হবে না: পার্বত্য মন্ত্রী

নিউজ ডেক্স(গিরিসংবাদ) / ২০৩ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
Oplus_131072

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাশত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট জানান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না; বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতিমধ্যে হয়েছে, তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে। তিনি সকল দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সাথে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক।

প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) সিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান, হাবিব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, নাইউপ্রু মারমা, সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা ও দয়াল দাশ প্রমুখ।#


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ