Blog

  • রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ‘এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিন’ স্থাপন

    রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ‘এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিন’ স্থাপন

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রি. রোজ বুধবার দুপুর ১০:০০ ঘটিকায় রিসোর্স ইনোভেশন সেন্টার (আরআইসি) এ ‘এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিন’ স্থাপন করা হয়। এসময় রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া  ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ এর চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা এবং ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগ এর সহযোগী অধ্যাপক ও আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) ড. মোঃ আবু তালেব উপস্থিত ছিলেন।   
    বিগত ৩ ডিসেম্বর ২০২৫খ্রি. তারিখে রাবিপ্রবি প্রশাসনিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগকে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর একটি এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিন হস্তান্তর করেন। এসময় অনলাইনে বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) ও রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেকার ২৮ নভেম্বর ২০২৫খ্রিঃ তারিখে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয় এবং এর প্রেক্ষিতে বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) রাবিপ্রবিকে একটি এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিনটি প্রদান করে। 
    ‘এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিন’ স্থাপন করার সময় রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান বলেন,  এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিনটির মাধ্যমে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস নয় পুরো রাঙ্গামাটি শহর ও কাপ্তাই লেকের এয়ার কোয়ালিটির ডাটাবেইজ তৈরি করা সহজ হবে। রাবিপ্রবি’কে এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং মেশিনটি প্রদান করায় তিনি বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) কে ধন্যবাদ জানান।#

  • রাবিপ্রবি’তে ‘Forest Monitoring Using Drone Technology’ ‍বিষয়ক প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত

    রাবিপ্রবি’তে ‘Forest Monitoring Using Drone Technology’ ‍বিষয়ক প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে আজ দুপুর ১২:৩০ ঘটিকায় ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘Forest Monitoring Using Drone Technology’ ‍বিষয়ক প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।  

    Higher Education Cooperation for Forest Landscape Restoration and Sustainable Livelihoods in Bangladesh and Vietnam (FORSU) প্রোজেক্টের অর্থায়নে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে গাজীপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্ট অনুষদের রিমোট সেন্সিং এন্ড বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোঃ ফরহাদুর রহমান প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে ফিনল্যান্ডের University of Helsinki – FORSU Project এর কো-অর্ডিনেটর জনাব দিপজয় চাকমা, FORSU Project এর ম্যানেজার ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুপ্রিয় চাকমা, FORSU Project(রাবিপ্রবি) কো-অর্ডিনেটর ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা, FORSU Project এর সিনিয়র এক্সপার্ট ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সপ্তর্ষি চাকমা, FORSU Project এর জুনিয়র এক্সপার্ট ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাদ্দাম হোসেন এবং FORSU Project এর জুনিয়র এক্সপার্ট ও কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব ঋষিতা চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত প্রশিক্ষণে রিমোট সেন্সিং, ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার, টেকসই বনায়নে ড্রোন প্রযুক্তির উপকারিতা, বনায়নের বিস্তৃতি, ড্রোন উড্ডয়নে জাতীয় নীতিমালা, নিরাপত্তা প্রটোকল, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, হাতে কলমে ড্রোন উড্ডয়ন, বন পর্যবেক্ষণের এপ্লিকেশন, photogrammetry & processing software,  ফরেস্ট ম্যাপিং, ম্যাপ প্রস্তুতকরণ, ম্যাপ ব্যাখ্যাকরণ, রিপোর্ট প্রস্তুতি সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    প্রশিক্ষণে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ- প্রফেসর ড. মোঃ আলমগীর কবির ও সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ আরিফুর রহমান ও সাত জন শিক্ষার্থী এবং রাবিপ্রবি-ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের ২৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।#
    মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন
    ০১৫৫০৬০৯৩৪৩

  • রাবিপ্রবিতে উন্নয়ন কার্যক্রমে বাধা প্রদানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    রাবিপ্রবিতে উন্নয়ন কার্যক্রমে বাধা প্রদানে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    পাহাড়ের একমাত্র উচ্চ বিদ্যাপীঠ শিক্ষার আলোকবর্তিকা খ্যাত রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দ্রুত সম্পাদনের দাবি ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

    বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই স্মৃতিস্তম্বের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুরুল আলমের সঞ্চালনায় মানব বন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ফিশারিজ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী উম্মে ছালমা লাবন্য; জেমি বড়–য়া, সিএসই ডিপার্টমেন্টের ইফতেখার, অর্জুন মন্ডল, আক্তারুজ্জামান অপু, নুরুল আলম ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের ইফতেখার হামীম প্রমুখ।
    মানববন্ধনে শিক্ষার্থী নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত ২০০১ সালে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হওয়ার অন্তত ১৫ বছর পরে প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদান শুরু হয়।
    এরপর নানামুখি সংকট; আঞ্চলিকদলগুলোর চাঁদাবাজি, সশস্ত্র মহড়ার মাধ্যম উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে দেয়া হয়নি।
    বিগত ২০২৪ সালে শেষের দিকে বর্তমান ভিসি যোগদান করার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করে বড় বড় বেশ কয়েকটি ভবন নির্মান কাজ শুরু করে এবং পাঠদান নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।
    এতে করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতের পাশাপাশি একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তার অবয়ব ফিরে পেতে শুরু করেছে।
    বিষয়টি একটি কুচক্রি মহলের ভালো লাগছেনা মন্তব্য করে মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরকে কাজে লাগিয়ে তথাকথিত এনজিওর মাধ্যমে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে ধ্বংসের লক্ষ্যে উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।
    শিক্ষার্থী নেতৃবৃন্দ বলেন, রাঙামাটি একটি পাহাড়ি এলাকা; এখানে পরিবেশ রক্ষার দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তর নিজের অফিসটিও পাহাড় কেটে বানিয়েছে।
    তারা দাবি করেন, রাবিপ্রবিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হলে উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা চলবে না।
    একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণাঙ্গ রুপদানে বাধা প্রদান বন্ধ না করলে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে মানববন্ধন থেকে।
    প্রসঙ্গত: রাঙামাটির রাবিপ্রবিতে ছাত্রাবাসসহ চারটি ভবন নির্মান কাজে পাহাড় কাটার অভিযোগে ইতিমধ্যেই হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হলে হাইকোর্ট থেকে রাবিপ্রবি’র ভিসি থেকে শুরু করে রাঙামাটির ডিসি-এসপি ও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বাস্তবায়নকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জবাব দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    এই ঘটনার পর পরিবেশ অধিদপ্তর নিজেদের রক্ষায় রাবিপ্রবির প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের আসামী করে রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করে।
    এই মামলায় ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট্যরা রাঙামাটির কগনিজেন্স আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন বলে জানাগেছে।
    উপরোক্ত বিষয়ে প্রেক্ষিতে বুধবার আয়োজিত মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা বলেন, “রাবিপ্রবির চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে কোনো অযৌক্তিক বাধা দেওয়া হলে আমরা রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।”
    শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখা, ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিবন্ধকতা বন্ধ করা এবং দ্রুত ক্যাম্পাস সম্প্রসারণের দাবিও জানান। #

  • রাঙ্গামাটিতে ৬ দিনব্যাপী পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয় মেলা চলছে।

    রাঙ্গামাটিতে ৬ দিনব্যাপী পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয় মেলা চলছে।

    মহান বিজয় দিবস ও তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে ৬দিন ব্যাপী পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয় মেলা শুরু হয়েছে।
    গত মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সহযোগিতায় রাঙ্গামাটি জুমঘর মহিলা কল্যান সমিতির আয়োজনে পরিষদ প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার।

    এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী জোৎস্না তালুকদার, জেলা পরিষদ সদস্য সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা, দয়াল দাশ, নাই উ প্রু মেরি, ডেনিয়েল পাংখোয়া, রাঙ্গামাটি জুমঘর মহিলা কল্যান সমিতির সভাপতি বিনোটি চাকমা (বিনিতা) সহ স্থানীয় উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    এ সময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে তাদের উৎপাদিত পন্যগুলো নিয়ে পণ্য মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পন্য প্রদর্শনী ও বিক্রয় করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    মহান বিজয় দিবস ও তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে ৬ দিনব্যাপী পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয় মেলা মেলায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রায় ৪৫টি স্টল অংশ নিয়েছে। #

  • রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

    রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

    আজ ০৯ ডিসেফম্বর ২০২৫ খ্রি. রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি – এর নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম ।

    সভায় রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি – এর সভাপতি জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ মামুন এর নেতৃত্বে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ জেলার সার্বিক ব্যবসা – বাণিজ্যের নিরাপত্তা, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে তাদের মতামত উপস্থাপন করেন।

    সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, “ ব্যবসা – বাণিজ্যের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা পুলিশ প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার। জননিরাপত্তা, সুষ্ঠু ব্যবসা পরিচালনা, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যে কোনো অপরাধ দমনে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও ব্যবসাবান্ধব রাঙ্গামাটি গড়ে তোলাই রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের লক্ষ্য। ”

    মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম অ্যান্ড অপস্ ) জনাব মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএম উপস্থিত ছিলেন।#

  • রাঙ্গামাটি উপজেলা প্রশাসনের ৩০টি বিদ্যালয়ে খেলাধূলা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।

    রাঙ্গামাটি উপজেলা প্রশাসনের ৩০টি বিদ্যালয়ে খেলাধূলা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।

    রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দ হতে সদর উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধূলার সামগ্রী এবং ৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাচ্চাদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরন করা হয়েছে।

    আজকের এই আয়োজনে – প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব রিফাত আসমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রাঙামাটি সদর, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা। আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব রিয়াদ হোসেন , উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এছাড়া রাঙামাটি সদর উপজেলার ৬ টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

  • রাঙামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু

    রাঙামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু

    আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে রাঙামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন। এতে সভাপতি হিসেবে যমুনা টেলিভিশনের রাঙামাটি স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এস এম শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক একুশে টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি সত্রং চাকমা ও সাংগঠনিক সম্পাদক নিউজ২৪ চ্যানেলের স্টাফ রিপোর্টার ফাতেমা জান্নাত মুমু নির্বাচিত হয়েছেন।
    এছাড়া সহ-সভাপতি হিসেবে বিজয় টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি এম কামাল উদ্দীন, সহ-সভাপতি এশিয়ান টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি মো. আলমগীর মানিক, সহ-সভাপতি এসএ টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি মো. সোলায়মান ও যুগ্ম সম্পাদক আর টিভির রাঙামাটি প্রতিনিধি মো. ইয়াসিন রানা সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এখন টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি মো. জিয়াউল রহমান জুয়েল, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক চ্যানেল২৪ এর রাঙামাটি স্টাফ রিপোর্টার মো. জিয়াউল হক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দীপ্ত টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি মিশু মল্লিক, নারী বিষয়ক সম্পাদক মোহনা টেলিভিশনের রাঙামাটি প্রতিনিধি মহুয়া জান্নাত মনি ও প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক এটিএন নিউজের রাঙামাটি প্রতিনিধি মো. ইমতিয়াজ কামাল ইমনকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।
    এছাড়া ২৬জন টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকগণকে রাঙামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
    যমুনা টেলিভিশনের রাঙামাটি স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এস এম শামসুল আলম বলেন, রাঙামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন একটি আদর্শ নিয়ে কাজ করবে। বিশেষ করে যারা বিভিন্ন টেলিভিশনের প্রতিনিধিত্ব করছেন রাঙামাটিতে, তাদের নিয়ে এ সংগঠন তৈরি করা হয়েছে। এ সংগঠনে যারা অন্তর্ভূক্ত হয়েছেন কিংবা যারা অন্তর্ভূক্ত হবেন তাদেরকে একটি স্থানে ঐক্যবদ্ধ করা হবে। এটা বিশেষ করে সংবাদ প্রচারে সমন্বয়, পেশাগত কাজে ঐক্যের বিকাশ আর সহকর্মীদের মধ্যে সম্প্রীতি তৈরি করবে। আমরা বিশ্বাস করি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এ সংগঠন সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাবে।
    #

  • খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রাঙ্গামাটিতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

    খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রাঙ্গামাটিতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাজী ধনমিয়া পাহাড় জামে মসজিদের খতিব ও ছাতক দারুস সুন্নাহ লতীফীয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল বাছিত খান।

    গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার হাজী ধনমিয়া পাহাড়, পশ্চিম ওমদা মিয়া এবং মিয়াজি পাহাড় এলাকাবাসীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি এবং দেশের শান্তি সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    মাহফিলে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বি.এম শাহিন কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ ও চট্টগ্রাম গাউছুল আজম জিলানী (রহঃ) জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ মুর্শেদুল আলম আনোয়ারী, চট্টগ্রাম সাতবাড়িয়া শাহ্ আমানত (রহঃ) দাখিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পটিয়া কচুয়াই কালো জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ রবিউল হাসান দায়েমী, খান জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ আজিজুর রহমান।

    রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মোহাম্মাদ আবু জাফর লিটনের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুব দলের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আব্দুল সালাম বাবলু, জেলা কৃষক দলের সেক্রেটারি মোঃ রবিউল হোসেন বাবলু, জেলা ছাত্রদলের জয়েন্ট সেক্রেটারি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।

    উক্ত মাহফিল সঞ্চালনা করেন স্বর্ণটিলা জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ তানজিলুর রহমান।

  • চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের ১ শত ১৮ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ়্য র‍্যালি 

    চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের ১ শত ১৮ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ়্য র‍্যালি 

    পার্বত্যঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবার বাতিঘর কাপ্তাইয়ে অবস্থিত চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের ১ শত ১৮ বছর পূর্তি এবং হাসপাতাল দিবস উপলক্ষে বর্ণিল আয়োজনে বর্ণাঢ়্য র‍্যালি বের করা হয়। 

    শনিবার ( ৬ ডিসেম্বর)  সকাল সাড়ে ৮ টায় হাসপাতাল চত্বর হতে বাদ্যযন্ত্র, বাঁশি,  বর্ণিল সাজসজ্জা এবং ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে  র‍্যালিটি শুরু হয়ে দোভাষী বাজার, লিচুবাগান, কুষ্ঠ হাসপাতাল এলাকা এবং কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও হাসপাতাল চত্বরে এসে শেষ হয়।
    আনন্দঘন মুহূর্তে 

    র‍্যালিতে  চিকিৎসক, নার্স, নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা  অংশগ্রহণ করেন।

     এর আগে বেলুন উড়িয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং র‍্যালির  উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি বলেন, 
     চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের ১শত ১৮ বছর পূর্তিতে শ্রদ্ধার সহিত তাঁদের স্মরণ করছি যারা এই হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করেছে এবং ভূমিকা রেখেছে। হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। এছাড়া দাতা সদস্য যারা আমাদের আর্থিকভাবে এবং প্রার্থনার মাধ্যমে সহযোগিতা করে গেছেন। পাশাপাশি রাঙামাটি, রাঙ্গুনিয়া সহ সকল জনসাধারণ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই যারা আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবা নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস এই হাসপাতাল হাজার বছর এইভাবে মানুষের সেবা দিয়ে যাবে। এছাড়া সকলকে হাসপাতাল দিবসের শুভেচ্ছা জানাই।

    প্রসঙ্গত: চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল ১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যখন ব্রিটিশ ব্যাপটিস্ট মিশনারি সোসাইটির (BMS) পক্ষ থেকে ডা. জি. ও. টেইলর (Dr. G. O. Taylor) একটি ছোট ডিসপেনসারি বা অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে এটি শুরু করেন এবং পরবর্তীতে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপ নেয়। #

  • জেলার ১২ (বার) থানার সকল অফিসার ইনচার্জগণের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

    জেলার ১২ (বার) থানার সকল অফিসার ইনচার্জগণের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার ১২ (বার) থানার সকল অফিসার ইনচার্জগণের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত।
    আজ ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার ১২ (বার) থানার সকল অফিসার ইনচার্জগণের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম মহোদয়ের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম ।
    অনুষ্ঠানে বিদায়ী অফিসার ইনচার্জগণ তাঁদের বক্তব্যে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের সহযোগিতাপূর্ণ কর্মপরিবেশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা এবং সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    তাঁরা রাঙ্গামাটিতে দায়িত্ব পালনকালীন স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং ভবিষ্যতেও রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বিদায়ী অফিসার ইনচার্জগণের পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কর্তব্য পালন করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “রাঙ্গামাটির মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল জেলায় দায়িত্ব পালন করা গৌরবের বিষয়। বিদায়ী অফিসার ইনচার্জগণ তাঁদের কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার মাধ্যমে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”
    অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী অফিসার ইনচার্জগণের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এবং তাঁদের নতুন কর্মস্থলে সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।
    উক্ত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জনাব মোঃ জাহেদুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কাপ্তাই সার্কেল), রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। জনাব আসিফ ইমাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাঘাইছড়ি সার্কেল), রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। জনাব মোজ্জামেল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএসএফ), রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা এবং বিভিন্ন ইউনিট ইনচার্জসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। #