Blog

  • জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবীতে সমাবেশ – বিক্ষোভ।

    জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবীতে সমাবেশ – বিক্ষোভ।

    জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে রাঙামাটি শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলাম।

    মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে রাঙামাটি পৌরসভা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল আলিম।
    সমাবেশে বক্তারা বলেন, জামায়াতের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি ছাড়া রাজ পথ ছাড়বো না। দেশ ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়েছে, স্বাধীন হয়েছে কিন্তু জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম এখনো কারাগারে। কাল ক্ষেপন না করে অভিলম্বে এ নেতাকে মুক্তি দিতে হবে বলে জানান বক্তারা।

    বক্তারা আরও বলেন, হেফাজত ইসলামের নেতৃবৃন্দদের হত্যা করা হয়েছে, বিডিআর অফিসারদের হত্যা করেছে, দুই হাজার ছাত্র হত্যা করা হয়েছে,ত্রিশ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা মিথ্যা মামলা, মিথ্যা প্রসিকিউটর দিয়ে জামাত নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্তি,তারকে জিয়ার মামলা প্রত্যাহার ও সাবেক সরাষ্ট্রমন্ত্রী কে মুক্তি দেওয়া হলেও
    এ উপদেষ্টা পরিষদ কেন আমাদের নেতাকে এখনো বন্দি রেখেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মুক্তি না দিলে অন্যথায় আমরা ঘরে ফিরবো না। এ দেশের ছাত্র জনতাকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন করে আমাদের নেতাকে মুক্তি করে আনবো।

    জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মনছুরুল হকের পরিচালনায় এসময় জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির জাহাঙ্গীর আলম,জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ মনজুরুল হক, ইসলামি ছাত্র শিবিরের জেলা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম শাফি,জামায়াত সূরাহ নেতা এ্যাডভোকেট হারুনুর রশীদ,শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান,
    কাপ্তাই উপজেলা জামায়াতের আমির হারুনুর রশিদ,নানিয়ারচর উপজেলা জামায়াতের আমির জুলফিকার আলী বক্তব্য রাখেন।
    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পৌর জামায়াতের আমির মঈনুদ্দিন,এ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারী এ্যাড রহমত উল্লাহ।
    বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে সংগঠনটি মিছিল নিয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।#

  • রাঙামাটির নানিয়ারচরে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে মন্টু চাকমার পরিবার।

    রাঙামাটির নানিয়ারচরে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে মন্টু চাকমার পরিবার।

    সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাঙামাটি নানিয়ারচর উপজেলায় বুড়িঘাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বগাছড়ির কৈলাস পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
    ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন নানিয়ারচর জোন উপ অধিনায়ক মো. মশিউর রহমান। এসময় নিঃস্ব হয়ে পড়া মন্টু চাকমার পরিবারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
    নানিয়ারচর থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমাদের একটা টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
    ভুক্তভোগী মন্টু চাকমা জানায়, এই ঘটনায় তার প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গেল বৃহস্পতিবার গরু বিক্রির ১লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা ঘরে ছিল। সব টাকাই পুড়ে গেছে। এখন আমি পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
    এসময় নানিয়ারচর জোন জেসিও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. শহিদুল্লাহ ও ইউপি সদস্য মো. আব্দুল মালেকসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

  • বরকলে ২ ছাত্রলীগ নেতা আটক

    বরকলে ২ ছাত্রলীগ নেতা আটক

    অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বরকল থানা পুলিশ বরকল উপজেলার ৩নং আইমাছড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের, কলাবুনিয়ার গ্রামের ২ ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।

    আটককৃতরা হলেন- দীপংকর ধর অভি (২২),পিতা-বাদল চন্দ্র ধর ও সজীব চন্দ্র ধর (২৭), পিতা- বাদল চন্দ্র ধর, সাং- কলাবুনিয়া, ৩নং আইমাছড়া ইউপি, ২নং ওয়ার্ড, থানাঃ- বরকল,জেলা- রাঙ্গামাটি।

    বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, গতকাল শনিবার যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আইনগত পদক্ষেপ শেষে রাঙ্গামাটি কোর্টের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হবে।

  • গণঅভুথ্যানে আহত ছাত্রদের রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সংবর্ধনা ও চেক বিতরণ

    গণঅভুথ্যানে আহত ছাত্রদের রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সংবর্ধনা ও চেক বিতরণ

    বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় তারুণ্যের অবদানের স্মরণে ছাত্র জনতার গণঅভুথ্যানে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার আহত ছাত্রদের সংবর্ধনা প্রদান ও জেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে “এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” প্রতিপাদ্যে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে আহতদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় তিন ক্যাটাগরিতে ৮ (আট) জন আহতের মাঝে আর্থিক সহায়তা হিসেবে চেক দেওয়া হয়।
    অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে চেক তুলে দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার ও পরিষদের সকল সদস্যবৃন্দ।
    সম্মাননা স্মারক প্রাপ্তরা হলেন— মো. আমান উল্লাহ, মো. ইমরান দুই জনকে জনপ্রতি ১ লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়। মো. উসমান হারুন, মো. আবদুল হক, রাকিব হাসান তিন জনকে জনপ্রতি ৪০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়। মো. কামরুল হাসান কাদের, নবাব শরীফ সজীব, আবদুল আহাদ তিন জনকে জনপ্রতি ৩০ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়।
    পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুদ্দিন মুহাম্মদ শিবলী নোমানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন,জেলা পরিষদের সদস্য দেব প্রসাদ দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান,বৈশালী চাকমা, মো. হাবীব আজম, মিনহাজ মুরশীদ, লুৎফুন্নেসা বেগম, প্রনতি রঞ্জন খীসা, ড্যানিয়েল লাল মুয়ান সাং পাংখোয়া, প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, সাগরিকা রোয়াজা, নাইউ প্রু মারমা, রাঙাবী তঞ্চঙ্গ্যা, দয়াল দাশ, ক্যওসিংমং সহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাঙামাটির নেতারা।#

  • বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর মেজবান ও মিলন মেলা-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর মেজবান ও মিলন মেলা-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    গাজীপুর জেলায় বসবাসরত বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের ঐক্য-সংহতি-সম্প্রিতির সংগঠন বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর মেজবান ও মিলন মেলা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজীপুর সদর উপজেলার  পিরুজালী সরকার পাড়ায় অবস্থিত আদুরী কুঞ্জে শুক্রবার দিনব্যাপী এই মেজবান ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সকল সদস্যরা তাদের পরিবারের সদস্য ও ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে  এই  মেজবান ও মিলন মেলায় অংশগ্রহণ করেন। সমিতির সদস্য ছাড়াও চট্টগ্রামের অধিবাসী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের  অনেক কর্মকর্তা ও দেশের অনেক শীর্ষ ব্যবসায়ীরা  অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন। 
    দিনব্যাপী এ মেজবান ও মিলনমেলায় সকালে বিভিন্ন ইভেন্টে সদস্যদের ছেলেমেয়েরা অংশগ্রহণ করে। এছাড়াও নানা ধরনের খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান খাবার পরিবেশন করা হয়। 
    খাবারের পর অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা অনুষ্ঠান। সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলি নেওয়াজ এর সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন সমিতির সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আ হ ম কামরুজ্জামান চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদ হোসাইন, সহ-সভাপতি মোঃ  নাজিম উদ্দিন ও মোঃ  জসিম উদ্দিন, সহ-সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম সহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এম শাহাদাত হোসেন সোহেল, সদস্য সচিব এম এ তাহের, সদস্য সরওয়ার জামান, আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথিদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানে  র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। এছাড়াও মেজবান ও মিলনমেলা উপলক্ষে চট্টলা ২০২৫ নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ  মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডঃ মোঃ মহিউদ্দিন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডাঃ এ এম পারভেজ রহিম শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী প্রদান করেন।
    চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আয়োজকগন।

  • আমরা আজ উদ্বেলিত, আমাদের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন শুরু হল– ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান

    আমরা আজ উদ্বেলিত, আমাদের প্রত্যাশার বাস্তবায়ন শুরু হল– ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান

    আজ রবিবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ খ্রি: সকাল ১১টায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার প্লান অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন শীর্ষক প্রকল্প (২য় সংশোধিত) এর অধীনে একাডেমিক ভবন-১ এবং প্রশাসনিক ভবন-১ ফিটা কেটে ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.মোঃ আতিয়ার রহমান।
    এরপর তিনি উপস্থিত সবাইকে ফুল দিয়ে  আনুষ্ঠানিকতার শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান বলেন, আজকে আমরা ভীষণ উদ্বেলিত কারণ আমরা যে প্রত্যাশার উপর দাঁড়িয়ে আছি তার বাস্তবায়ন শুরু হলো। আপনারা আমাদের কাজগুলোকে ইতিবাচকতার সাথে পাহাড়ের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিবেন ; কারন এ অঞ্চলের উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসাবে এটির উন্নয়ন নিশ্চয়ই আমাদের মতো আপনাদেরও কাম্য। কাজ করলে ভূল হতেই পারে; আপনারা আমাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দেবেন, আমরা তা সংশোধন করে নিশ্চয়ই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবো।
    তিনি আরও বলেন,একটু একটু করে আমরা স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছি। আমরা ৪ টি বিল্ডিং এর মধ্যে আজ প্রশাসনিক ও একাডেমিক বিল্ডিং উদ্বোধন করলাম। যা আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হবে আশা করছি এবং আগামী মাসে আরো দুটি বিল্ডিং (ছাত্র হল ও ছাত্রী হল) এর উদ্বোধন হবে। এ ৪ টি ভবন খুব দ্রুত মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। পাহাড়ের শান্তিপ্রিয় জনসাধারণ যেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফল পায় তার জন্য আমাদের সকলের একযোগে কাজ করে যেতে হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের এ স্থাপনাসমূহের উদ্বোধন আমাদেরকে ও এ অঞ্চলের উচ্চ শিক্ষাকে এগিয়ে নেবে যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদান রাখবে এবং এ অঞ্চলের সুফল বয়ে আনবে।
    এছাড়া তিনি সকল ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরসদস্যবৃন্দ, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, শেলটেক প্রাইভেট লিঃ, ঠিকদার প্রতিষ্ঠান ও রাবিপ্রবি’র পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস, প্রকৌশল দপ্তরসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং যারা এ প্রক্রিয়ার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শ্রম ও মেধা দিয়ে জড়িত ছিলেন সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
    এসময় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডীন জনাব ধীমান শর্মা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডীন জনাব সূচনা আখতার, প্রক্টর জনাব সাদ্দাম হোসেন, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্প এর প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আবদুল গফুর, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, রাঙ্গামাটি জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব বিজক চাকমা, সহকারী প্রকৌশলী জনাব আলো জ্যোতি চাকমা, শেলটেক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এর টীম লিডার জনাব মুকতাসিম খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ,কর্মকর্তা,কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে কক্সবাজার বিএনপির সমাবেশ প্রস্তুতি

    ইঞ্জিনিয়ার সহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে কক্সবাজার বিএনপির সমাবেশ প্রস্তুতি

    কক্সবাজার জেলা বিএনপির আগামি ১৭ ফেব্রুয়ারির সমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভা করেছেন কক্সবাজার পৌর, সদর, রামু ও ঈদগাঁও বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। কক্সবাজার-০৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান নিজে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান বলেন, বহু বছর পর আমাদের নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে জেলা বিএনপির সমাবেশ হচ্ছে। এই সমাবেশ জেলা বিএনপির নেতা কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করে তুলবে।

    তিনি বলেন, এই সমাবেশ সফল করতে সম্ভব সব করতে হবে। তিনি প্রতিটি এলাকা বিএনপি নেতা কর্মী এবং সাধারণ মানুষকে এই সমাবেশে যোগদান করাতে নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন।

    এই প্রস্তুতি সভায় বক্তাগণ বলেন, জেলা বিএনপির এই সমাবেশ আগামী দিনের নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি। বিএনপি আগামীতে কী করবে তা এই সমাবেশের মাধ্যমে ঠিক হয়ে যাবে। তাই এই সমাবেশ সফল করতে হবে।

    সভায় শহরে গ্রামে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে জোর প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়।

    প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন রামু উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল্লাহ সিকদার চেয়ারম্যান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতারুল আলম, পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল হক, ঈদগাঁও বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত আলম ও রামু উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আকতার কামাল আজাদ।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য জানে আলম, কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মোকতার আহমদ, ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ, জেলা যুবদলের সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রোকুনোজ্জামান চৌধুরী, রামু স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাহজাহান মিয়া, জেলা যুবদল নেতা আজিজুর রহমান সিকদার, জালালবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উমর ফারুখ লিটন, ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদুল হক জনি, বিএনপি নেতা নুরুল আলম, বিএনপি নেতা আবুল হোছন মেম্বার প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন রামু স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাষ্টার আবু বকর ছিদ্দিক।

  • দীপংকর তালুকদার নাম পরিবর্তন করে এখন “বেতবুনিয়া কলেজ’

    দীপংকর তালুকদার নাম পরিবর্তন করে এখন “বেতবুনিয়া কলেজ’

    রাঙ্গামাটি কাউখালি থানাধীন বেতবুনিয়ায় অবস্থিত দীপঙ্কর কলেজটির নাম পরিবর্তন করে ‘বেতবুনিয়া কলেজ’ করা হয়েছে। রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের নামে পূর্বে এটির নামকরণ ছিল।

    রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের নির্দেশে জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মুহাম্মদ রিজাউল করিমের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে জারীকৃত এ আদেশে বলা হয়, ‘দীপংকর তালুকদার কলেজ’এর নাম পরিবর্তন করে ‘বেতবুনিয়া কলেজ’ নামকরণ অবিলম্বে কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়।

    কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বেতবুনিয়াসহ কাউখালি উপজেলাবাসী সবাই চায় সরকারি অর্থায়নে কোন প্রতিষ্ঠান ব্যাক্তির নামে হতে পারে না। সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি, বেতবুনিয়া দীপঙ্কর কলেজের নাম পরিবর্তন করে ‘বেতবুনিয়া কলেজ’ নামকরণ করা।

    আমাদের দাবি মেনে নিয়ে সরকারি নির্দেশনা প্রদান করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তাই আমরা কাউখালীবাসী ও বেতবুনিয়ার আপামর জনতা, স্থানীয় সরকার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। শুভ হোক বেতবুনিয়া কলেজের নতুন পথচলা।

  • রাবিপ্রবি’তে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    রাবিপ্রবি’তে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ আজ শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ আয়োজন করা হয়।
    প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।
    তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষনার্থী শিক্ষকদের যেকোনো কাজে সফলতার জন্য টাইম ম্যানেজেমেন্ট টুল ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেন। প্রতিটি কাজের জন্য পরিকল্পনা অনুযায়ী দিনের কাজ দিনে সম্পন্ন করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, একটা প্রতিষ্ঠান কখন পিছিয়ে থাকে, যখন সেখানে কর্মরতরা কোন কাজ সঠিক সময়ে সঠিকভাবে শেষ করেন না এবং টীম ওয়ার্কের অভাবে প্রতিটা কাজের জন্য সময়ক্ষেপণ করে থাকেন। ঠিক তেমনি আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়কে উচ্চ শিখরে পৌঁছার জন্য আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে নিতে হবে।
    প্রশিক্ষণে রাবিপ্রবি’র পাঁচটি বিভাগের শিক্ষকগণ এ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
    এছাড়া প্রশিক্ষণে সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর অতিরিক্ত পরিচালক (ইটিএল) জনাব ধীমান শর্মা, রাবিপ্রবি স্থাপন প্রকল্প (২য় সংশোধিত) এর প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আবদুল গফুর, রাবিপ্রবি’র উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (আইকিউএসি’র) জনাব মাহবুব আরাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশের শাসকগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের বিশ্বাস করে না। : সন্তু লারমা

    দেশের শাসকগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের বিশ্বাস করে না। : সন্তু লারমা

    পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা বলেছেন,দেশের শাসকগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের বিশ্বাস করে না। ধর্মীয় এবং সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখেন। এখানকার মানুষদের সঙ্গে যুগের পর যুগ ধরে বৈষম্য করা হয়েছে। ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতিগত বৈষম্য বিরাজমান। এখনো সেই বৈষম্য বিদ্যমান। এই বৈষম্য দূর করতে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।’গত ১৩ ফেব্রুয়ারী-২৫,বৃহস্পতিবার রাঙামাটি জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে এক যুব সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    সন্তু লারমা আরো বলেন,‘বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম সেনা শাসনাধীন। আশির দশকে অপারেশন দাবানল, ১৯৯৭ সালে পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর অপারেশন উত্তরণ নামে সেই সেনাশাসন বিদ্যমান আছে।’
    প্রধান আলোচকের বক্তব্যে চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় বলেন, ‘কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে পাহাড়ের স্থায়ী বাঙালিদের সঙ্গে পাহাড়িদের কোনো বিরোধ নেই। আদিবাসী মানে বাঙালি মাইনাস নয়, এ ভুল মানসিকতসা ত্যাগ করতে হবে। এ বিরোধ নিরষনে আমাদের সকলের কাজ করতে হবে।’
    তিনি বলেন, জনসংখ্যার আনুপাতিক হিসাব দেখিয়ে একটি অংশ দাবি তুলেছে, জেলা পরিষদ আইন, ভূমি কমিশন আইন পরিবর্তন করতে হবে। সেখানে বাঙালি ভাইস চেয়ারম্যান দাবি করা হচ্ছে।’
    এ দাবীকে তামাশা উল্লেখ করে রাজা বলেন, ‘তা যদি হয় তাহলে ডিসি যদি বাঙালি হয়, তাহলে এডিসি পাহাড়ি, ব্রিগেড কমান্ডার বাঙালি হলে কমান্ডিং অফিসার পাহাড়ি হবে। বাংলাদেশ রাষ্ট্র কি কাজটা করবে?’
    তিনি আরও বলেন, ‘এখানে বৈষম্য জারি রাখা হয়েছে। বিদেশ থেকে কোনো রাষ্ট্রদূত রাঙামাটিতে আসলে আমার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে অনুমতি দেওয়া হয় না। রাজবাড়ীতে যেতে পারেন না এসব অতিথি।’
    তারুন্যের উৎসবের এি যুব সমাবেশে বিশেষ আলোচক ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার। বক্তব্য দেন আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা, প্রভাষক আনন্দ জ্যোতি চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক বিশ্লেষক তনয় দেওয়ান, সাংবাদিক হিমেল চাকমা, সৈকত রঞ্জন চৌধুরী, উদ্যোক্তা রোজিনা ইসলাম প্রমুখ।#