Blog

  • রাঙামাটিতে সিএনজি সমিতির অনিয়ম ; সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

    রাঙামাটিতে সিএনজি সমিতির অনিয়ম ; সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

    রাঙামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির বর্তমান মেয়াদোত্তীর্ণ কার্য্যকরি পরিষদের বিরুদ্ধে সংগঠনের নানান আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে, কর্য্যকরি কমিটির সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ এবং জেলা অটোরিক্সা সচেতন চালকবৃন্দরা।
    সোমবার (০৩ মার্চ ২৫) দুপুরে ১২টায় জেলা অটোরিক্সা সচেতন চালকবৃন্দদের উদ্যোগে ও আয়োজনে শহরের বনরুপা চৌমুহনীতে এ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় সমাবেশে রাঙামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ ওলি, সাবেক সাংগঠনিক মোঃ হানিফ, সদস্য মোঃ ইকবাল, সদস্য কামাল, সিএনজি সমিতির শ্রমিক নেতা রণিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন।

    প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা সমিতিতে নানান আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ করে বলেন, রাঙামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির কার্য্যকরি পরিষদের বর্তমানে মেয়াদোত্তীর্ণ। আইনী জটিলতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বল-প্রয়োগের মাধ্যমে বর্তমানে এই মেয়াদোত্তীর্ণ কার্য্যকরি কমিটি সমিতির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনী ও সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি। বক্তারা অভিযোগ করে আরো বলেন, সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভা দেওয়া হচ্ছে না। সমিতির আর্থিক কোন হিসাব দেওয়া হচ্ছে না। দৈনিক ও মাসিক যে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে তা সমিতির ফান্ডে জমা না দেওয়ার অভিযোগ নেতৃবৃন্দদের।

    নেতৃবৃন্দরা আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ সভার তারিখ ও দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানান। অন্যত্থায় সড়ক অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচির ঘোষণার হুশিয়ারি দেন তারা।

    অন্যদিকে সংগঠনের নানান আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে রাঙামাটি জেলা অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়ন ও চালক কল্যাণ সমিতির সভাপতি পরেশ মজুমদার জানান, সমিতির কার্য্যকরি কমিটির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। সমিতির দৈনিক ও মাসিক চাঁদা সমিতির ফান্ডে জমা হচ্ছে। তিনি জানান, সমিতির মেয়াদ শেষ এটি সত্য কিন্তু আইনী জটিলতায় নির্বাচন সম্ভব হচ্ছে না। তবে বার্ষিক সাধারণ সভা সকলের সাথে আলাপ আলোচনা করে করা হবে।

    মানববন্ধন ও প্রতিবিাদ সমাবেশে কর্য্যকরি কমিটির সাবেক ও বর্তমান কমিটির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা অটোরিক্সা সচেতন চালকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। #

  • আবদুল্লাহ আল নোমানের মৃত্যুতে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজমের শোক

    আবদুল্লাহ আল নোমানের মৃত্যুতে রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজমের শোক

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ আল নোমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম।

    শুক্রবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক শোকবার্তায় রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন একজন ত্যাগী রাজনীতিবিদ। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি অত্যন্ত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ও মার্জিত নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শ্রমিক নেতা ছিলেন।

    শোকবার্তায় হাবীব আজম বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ হিসেবে জাতির ক্রান্তিকালে বরাবরই দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি একজন জাতীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশবাসীর নিকট অত্যন্ত সমাদৃত ছিলেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের নীতি ও আদর্শে গভীরভাবে আস্থাশীল এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী এই জাতীয় বীর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকাল থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে একজন আপসহীন যোদ্ধা হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তিনি বিভিন্ন সময় সরকারের মন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকাসহ সারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ব্যাপক অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হলো। যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
    শোকবার্তায় আবদুল্লাহ আল নোমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকার্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য।

     

  • বাঘাইহাট জোন কর্তৃক অবৈধ ভারতীয় সিগারেট জব্দ

    বাঘাইহাট জোন কর্তৃক অবৈধ ভারতীয় সিগারেট জব্দ

    রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৫ নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ড এর বঙ্গলতলী নামক এলাকায় ভারতীয় সিগারেট জব্দ করেছে বাঘাইহাট জোনের সদস্যরা।শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ) অভিযানে ৬০ কার্টুন অবৈধ ভারতীয় PATRON ব্যান্ডের সিগারেট জব্দ করা হয়।

    বাঘাইহাট জোন জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় কয়েকজন স্থানীয় পাহাড়ী যুবক সাজেকের উদয়পুর সীমান্ত হতে ভারতীয় সিগারেট নিয়ে  বাঘাইছড়ি নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাচার করছে।

    এই তথ্যের ভিত্তিতে বাঘাইহাট জোনের আওতাধীন *করেঙ্গাতলী ক্যাম্প হতে বঙ্গলতলী* এলাকায় *লে: খান আব্দুস সালাম* এর নের্তৃত্বে অভিযান পরিচালনা করলে অবৈধ পাচারকারী চক্র ৬০ কার্টুন সিগারেট পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়,পরবর্তীতে সেগুলি জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মুল্য  ৯০০০০ টাকা।

    বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ খায়রুল আমিন (পিএসসি) মালামাল জব্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

     

  • নালিতাবাড়ীর বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যানকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন

    নালিতাবাড়ীর বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যানকে অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন

    শেরপুরের নালিতাবাড়ীর বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সিঃ সহসভাপতি আব্দুস সবুরকে অপসারণ পুর্বক গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে বাঘবেড় ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে পলাতক আ’লীগ নেতা ও বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যানের আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে ভোট কারচুপি, অনিয়ম-দুর্নীতি, মিথ‍্যা মামলায় হয়রানিসহ নানা অপকর্মের জন‍্য

    প্রশাসনের কাছে তাকে অপসারণ পুর্বক গ্রেপ্তারের দাবী জানানো হয়। পরে ইউএনও ফারজানা আক্তার ববির নিকট এলাকাবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ও বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সবুরকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের জন‍্য স্বারকলিপি প্রদান করেন।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাঘবেড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হক, শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক রহুল আমিন, উপজেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, ইউপি মেম্বার হামিদুল ইসলাম হারুন, শেফালী বেগম, সুলাইমান মিয়া, ছাত্রদলের সহ সভাপতি রাসেল আকন্দ, আলম মিয়া, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিয়া প্রমুখ। 

    মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার কয়েকশ জনসাধারণ অংশ নেন।

  • রাঙ্গামাটিতে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটিতে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবউল্লাহ মারুফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব খন্দকার রেজাউল করিম এবং সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মোহাম্মদ হাবিবউল্লাহ মারুফ তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করে বলেন, ২০০৯ সালের এই দিন সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস কর্মকর্তা ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেছিলেন।   তিনি শহিদ সেনাদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর সম্মান জ্ঞাপন করেন।  সকল শহিদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আত্মত্যাগকারী শহিদদের নিকট হতে অনুপ্রেরণা গ্রহণ ও তাদের ত্যাগের মহত্ব প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিনিধি, এলজিইডি ও বিআরডিবি-র কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।#

    রাঙ্গামাটিতে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘জাতীয় শহিদ সেনা দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবউল্লাহ মারুফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব খন্দকার রেজাউল করিম এবং সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমা।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মোহাম্মদ হাবিবউল্লাহ মারুফ তাঁর বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করে বলেন, ২০০৯ সালের এই দিন সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস কর্মকর্তা ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তিনি শহিদ সেনাদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর সম্মান জ্ঞাপন করেন। সকল শহিদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আত্মত্যাগকারী শহিদদের নিকট হতে অনুপ্রেরণা গ্রহণ ও তাদের ত্যাগের মহত্ব প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
    আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের প্রতিনিধি, এলজিইডি ও বিআরডিবি-র কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।#

  • রাঙামাটিতে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনে দিনব্যাপী যাকাতের সেমিনার

    রাঙামাটিতে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনে দিনব্যাপী যাকাতের সেমিনার

    ‘সরকারি যাকাত ফাণ্ডে যাকাত দিন, দারিদ্র্য বিমোচনে অংশ নিন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটি ইসলামিক ফাউণ্ডেশনে দিনব্যাপী যাকাতের সেমিনার-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।

    বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ৯টা থেকে কার্যালয়ের মিলনায়তনে জেলা পর্যায়ে সরকারিভাবে যাকাতের অর্থ সংগ্রহ ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে যাকাতের গুরুত্ব-তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনারে রাঙামাটি ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা প্রশাসকের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল হক।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে যাদের উপর যাকাত ফরজ তাদের যাকাত প্রদানে আরো সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যাকাত দেয়া মুত্তাকির আলামত। যারা সম্পদ অর্জন করেছেন, তাদের জন্য যাকাত আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।

    তিনি বলেন, আমাদের অনেকেই নানাভাবে অর্থ ব্যয় করে থাকেন, তবে নিজেদের খামখেয়ালিপনায় অনেক সময় যাকাত প্রদান করেন। কিংবা যাকাতের গুরুত্ব বুঝতে সক্ষম হচ্ছেন না। যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করা হলে গরিব অসহায় লোকদের অভাব অনটন থাকতো না। তাই যাকাত প্রদানে যারা মসজিদের ইমাম, খতিব ও আলেম-ওলামাগণ রয়েছেন,  আপনারা যকাত প্রদানের কেত্রে ভূমিকা পালন করবেন। 

    ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ইসলামের ৫টি স্তম্ভর মধ্যে তৃতীয় হচ্ছে এই যাকাত। মাহে রমজানের শুরুতেই যাকাত আদায়ের মাধ্যমে আমাদের সম্পদকে পবিত্র করতে হবে। যাকাত ফরজ হয় নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে, সেক্ষেত্রে সম্পদের হিসাব থেকে ২.৫% যাকাত আদায় করতে হবে। যাদের ফসলের উপরে আয় রয়েছে তাদেরকে ওশর আদায় করতে হবে। সম্পদের উপরে দুই ধরনের যাকাত রয়েছে, একটা বস্তুগত সম্পদ এবং অন্যটি ফসলী উৎপাদনের উপরে। নিসাবের ২টা মানদন্ড আছে, স্বর্ণ ও রূপার ক্ষেত্রে। যাকাত আদায়ের অর্থ হচ্ছে আমার সম্পদকে পবিত্র করা। সম্পদশালীদের জন্য দু’টি অন্যতম ফরজ বিধান যাকাত ও হজ্ব পালন। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৮টি নির্দিষ্ট খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন যাকাত দাতাদের কাছ থেকে যাকাত আদায় ও বন্টণের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করছে।

    তিনি বলেন, যাকাত দিলে মাল পবিত্র হয় এবং মালে প্রবৃদ্ধি বাড়ে। যাকাত আদায় না করে নিজে খেয়ে অনেকে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পবিত্র কুরআনে যেখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে নামাজের কথা বলা হয়েছে, সাথে সাথেই যাকাত আদায়ের কথাও সেখানে বলা হয়েছে। সকল সম্পদের উপরে হিসাব করে যাকাত দিতে হবে। অন্যদিকে ফসলের উপরেও ওশর দিতে হবে। প্রাকৃতিক নিয়মে বৃষ্টি মারফত যদি ফসল হয় তাহলে ১০ ভাগের ১ ভাগ ওশর আদায় করতে হবে।

    যাকাত সংগ্রহ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার মো. আলী আহসান ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কালেক্টরেট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্থলী উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আবু বক্কর, কাপ্তাই উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, নানিয়ারচর উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. মইনুল আলম মুবিন, কাউখালী উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন, লংগদু উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মোজাম্মেল হক। এছড়াও রাঙামাটির দশটি উপজেলার মডেল কেয়ারটেকার, সাধারণ কেয়ারটেকার ও মডেল মসজিদের ইমামগণসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন মসজিদের দুই শতাধিক ইমাম-খতিব উপস্থিত ছিলেন।#রাঙামাটিতে ইসলামিক ফাউণ্ডেশনে দিনব্যাপী যাকাতের সেমিনার
    ‘সরকারি যাকাত ফাণ্ডে যাকাত দিন, দারিদ্র্য বিমোচনে অংশ নিন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটি ইসলামিক ফাউণ্ডেশনে দিনব্যাপী যাকাতের সেমিনার-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়।
    বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ৯টা থেকে কার্যালয়ের মিলনায়তনে জেলা পর্যায়ে সরকারিভাবে যাকাতের অর্থ সংগ্রহ ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে যাকাতের গুরুত্ব-তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনারে রাঙামাটি ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা প্রশাসকের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল হক।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, ইসলামের দৃষ্টিতে যাদের উপর যাকাত ফরজ তাদের যাকাত প্রদানে আরো সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যাকাত দেয়া মুত্তাকির আলামত। যারা সম্পদ অর্জন করেছেন, তাদের জন্য যাকাত আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।
    তিনি বলেন, আমাদের অনেকেই নানাভাবে অর্থ ব্যয় করে থাকেন, তবে নিজেদের খামখেয়ালিপনায় অনেক সময় যাকাত প্রদান করেন। কিংবা যাকাতের গুরুত্ব বুঝতে সক্ষম হচ্ছেন না। যথাযথভাবে যাকাত প্রদান করা হলে গরিব অসহায় লোকদের অভাব অনটন থাকতো না। তাই যাকাত প্রদানে যারা মসজিদের ইমাম, খতিব ও আলেম-ওলামাগণ রয়েছেন,  আপনারা যকাত প্রদানের কেত্রে ভূমিকা পালন করবেন।
    ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, ইসলামের ৫টি স্তম্ভর মধ্যে তৃতীয় হচ্ছে এই যাকাত। মাহে রমজানের শুরুতেই যাকাত আদায়ের মাধ্যমে আমাদের সম্পদকে পবিত্র করতে হবে। যাকাত ফরজ হয় নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে, সেক্ষেত্রে সম্পদের হিসাব থেকে ২.৫% যাকাত আদায় করতে হবে। যাদের ফসলের উপরে আয় রয়েছে তাদেরকে ওশর আদায় করতে হবে। সম্পদের উপরে দুই ধরনের যাকাত রয়েছে, একটা বস্তুগত সম্পদ এবং অন্যটি ফসলী উৎপাদনের উপরে। নিসাবের ২টা মানদন্ড আছে, স্বর্ণ ও রূপার ক্ষেত্রে। যাকাত আদায়ের অর্থ হচ্ছে আমার সম্পদকে পবিত্র করা। সম্পদশালীদের জন্য দু’টি অন্যতম ফরজ বিধান যাকাত ও হজ্ব পালন। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৮টি নির্দিষ্ট খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করতে হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন যাকাত দাতাদের কাছ থেকে যাকাত আদায় ও বন্টণের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করছে।
    তিনি বলেন, যাকাত দিলে মাল পবিত্র হয় এবং মালে প্রবৃদ্ধি বাড়ে। যাকাত আদায় না করে নিজে খেয়ে অনেকে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পবিত্র কুরআনে যেখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে নামাজের কথা বলা হয়েছে, সাথে সাথেই যাকাত আদায়ের কথাও সেখানে বলা হয়েছে। সকল সম্পদের উপরে হিসাব করে যাকাত দিতে হবে। অন্যদিকে ফসলের উপরেও ওশর দিতে হবে। প্রাকৃতিক নিয়মে বৃষ্টি মারফত যদি ফসল হয় তাহলে ১০ ভাগের ১ ভাগ ওশর আদায় করতে হবে।
    যাকাত সংগ্রহ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার মো. আলী আহসান ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, কালেক্টরেট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজস্থলী উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আবু বক্কর, কাপ্তাই উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, নানিয়ারচর উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. মইনুল আলম মুবিন, কাউখালী উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার জয়নুল আবেদিন, লংগদু উপজেলার ফিল্ড সুপারভাইজার মোজাম্মেল হক। এছড়াও রাঙামাটির দশটি উপজেলার মডেল কেয়ারটেকার, সাধারণ কেয়ারটেকার ও মডেল মসজিদের ইমামগণসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন মসজিদের দুই শতাধিক ইমাম-খতিব উপস্থিত ছিলেন।#

  • রাবিপ্রবি’তে কর্মকর্তাদের ‘অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    রাবিপ্রবি’তে কর্মকর্তাদের ‘অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে কর্মকর্তাদের জন্য অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ আয়োজন করা হয়।
    প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।
    তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা ও সময়ের ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পদ্ধতিগত ও কৌশলগত বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করার বিষয়ে আলোচনা করেন।
    তিনি আরো বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইন, প্রজ্ঞাপন, বিধি-বিধান মেনে নৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং টাইম ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন মডেল ও তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।
    তিনি প্রশিক্ষণার্থীদেরকে সঠিক জায়গায় সঠিক আচরণ করা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি আরো বলেন, ‘একজন দক্ষ সময় ব্যবস্থাপক হতে হলে সবাইকে র্স্মাট হতে হবে। একজন দক্ষ সময় ব্যবস্থাপকই হতে পারবেন, একটি প্রতিষ্ঠানের যোগ্য ব্যবস্থাপক। সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পেশাগত কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়, সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা পেশাগত ও মানসিক চাপ কমিয়ে ব্যক্তিজীবনকে সুন্দর করে তুলতে পারে ।
    মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, সময় এবং কাজের যোগফলই জীবন আর টাইম ম্যানেজমেন্টটি জীবনের সফলতা। সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করলে কর্মজীবনে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে আর সফল কর্মজীবন মানেই সুখী সমৃদ্ধ জীবন।
    প্রশিক্ষণে রাবিপ্রবি’র সকল কর্মকর্তাগণ প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া প্রশিক্ষণে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর কোর্স পরিচালক জনাব সূচনা আখতার এবং রাবিপ্রবি’র উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (আইকিউএসি’র) জনাব মাহবুব আরাসহ অন্যান্যরা।রাবিপ্রবি’তে কর্মকর্তাদের ‘অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর আয়োজনে কর্মকর্তাদের জন্য অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা উন্নয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ আজ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এ আয়োজন করা হয়।
    প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান।
    তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা ও সময়ের ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পদ্ধতিগত ও কৌশলগত বিষয়াদি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করার বিষয়ে আলোচনা করেন।
    তিনি আরো বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তথা কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইন, প্রজ্ঞাপন, বিধি-বিধান মেনে নৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং টাইম ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন মডেল ও তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।
    তিনি প্রশিক্ষণার্থীদেরকে সঠিক জায়গায় সঠিক আচরণ করা এবং সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি আরো বলেন, ‘একজন দক্ষ সময় ব্যবস্থাপক হতে হলে সবাইকে র্স্মাট হতে হবে। একজন দক্ষ সময় ব্যবস্থাপকই হতে পারবেন, একটি প্রতিষ্ঠানের যোগ্য ব্যবস্থাপক। সময় ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পেশাগত কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়, সঠিক সময় ব্যবস্থাপনা পেশাগত ও মানসিক চাপ কমিয়ে ব্যক্তিজীবনকে সুন্দর করে তুলতে পারে ।
    মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, সময় এবং কাজের যোগফলই জীবন আর টাইম ম্যানেজমেন্টটি জীবনের সফলতা। সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করলে কর্মজীবনে নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে আর সফল কর্মজীবন মানেই সুখী সমৃদ্ধ জীবন।
    প্রশিক্ষণে রাবিপ্রবি’র সকল কর্মকর্তাগণ প্রশিক্ষনার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া প্রশিক্ষণে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর কোর্স পরিচালক জনাব সূচনা আখতার এবং রাবিপ্রবি’র উপ-রেজিস্ট্রার (একাডেমিক) ও অতিরিক্ত দায়িত্ব (আইকিউএসি’র) জনাব মাহবুব আরাসহ অন্যান্যরা।
  • আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীকে যথাযথ মর্যদা ও সম্মান দিতে হবে : মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা।

    আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীকে যথাযথ মর্যদা ও সম্মান দিতে হবে : মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা।

    আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী ফাস্ট ফ্রন্ট ফোর্স, তাদের যথাযথ মর্যদা ও সম্মান দিতে হবে, এ মন্তব্য করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমসবেশে।

    “শান্তি,শৃঙ্খলা, উন্নয়ন,নিরাপত্তায় সর্বত্র আমরা”- এ মূল মন্ত্রকে ধারন করে আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী,বুধবার,সকাল সাড়ে ১০ টায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা মিলনায়তনে জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমাবেশ-২০২৫ইং অনুষ্টিত হয়।

    রাঙ্গামাটি জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীর জেলা কমান্ডেন্ট আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্টানে প্রাধন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা, চেয়ারম্যান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।

    প্রধান বক্তা – ড. মোঃ সাইফুর রহমান, উপ-মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী,চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম রেঞ্চ।

    বিশেষ অথিতি ছিলেন,কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন,সেক্টর কমান্ডার,বডার্র গার্ড বাংলাদেশ,

    সদর সেক্টর দপ্তর,রাঙ্গামাটি। লেঃ কর্নেল মুহাম্মদ জুনাঈদ উদ্দীন শাহ চৌধুরী,জোন কমান্ডার,সদর জোন রাঙ্গামাটি। ডা. নূয়েন খীসা,সিভিল সার্জন, রাঙ্গামাটি।  বিকাশ চন্দ্র দাশ,পরিচালক,ঘাগড়া আনসার ব্যাটেলিয়ন,রাঙ্গামাটি।

    রাঙ্গামাটি জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কর্তৃক  আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে বলেন, আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে দেশ-জাতির শান্তি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ফাস্ট লেইন ফোর্স হিসেবে কাজ করে,তাদেরকে নিয়োগ করা হয় এবং পরিস্থিতি অনুসারে আসে  পুলিশ, বিজিবি, এয়ার ফোর্স, নৌহবাহিনী। তবে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী।  কাজেই আমি বলব,তাদের এ দায়িত্ব পালন করতে আমাদের সবাইকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীকে যথাযথ মর্যদা ও সম্মান দিতে হবে। তবে আপনাদের সকলকে আপনাদের মূলমন্ত্র বা মূলনীতি “শান্তি,শৃঙ্খলা,উন্নয়ন, নিরাপত্তা সর্বত্রই আমরা ” এটি অন্তরে ধারন করে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে, তাহলে আমরা আমাদের দেশ শান্তি ও নিরাপদে থাকব। #
    আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী ফাস্ট ফ্রন্ট ফোর্স- মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা।
    আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী ফাস্ট ফ্রন্ট ফোর্স, তাদের যথাযথ মর্যদা ও সম্মান দিতে হবে, এ মন্তব্য করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমসবেশে।
    শান্তি,শৃঙ্খলা, উন্নয়ন,নিরাপত্তায় সর্বত্র আমরা এ মূল মন্ত্রকে ধারন করে আজ ২৬ ফেব্রুয়ারী,বুধবার,সকাল সাড়ে ১০ টায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা মিলনায়তনে জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমাবেশ-২০২৫ইং অনুষ্টিত হয়।
    রাঙ্গামাটি জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীর জেলা কমান্ডেন্ট আনোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্টানে প্রাধন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা, চেয়ারম্যান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।
    প্রধান বক্তা – ড. মোঃ সাইফুর রহমান, উপ-মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী,চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম রেঞ্চ। বিশেষ অথিতি ছিলেন,কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন,সেক্টর কমান্ডার,বডার্র গার্ড বাংলাদেশ,
    সদর সেক্টর দপ্তর,রাঙ্গামাটি। লেঃ কর্নেল মুহাম্মদ জুনাঈদ উদ্দীন শাহ চৌধুরী,জোন কমান্ডার,সদর জোন রাঙ্গামাটি। ডা. নূয়েন খীসা,সিভিল সার্জন, রাঙ্গামাটি। বিকাশ চন্দ্র দাশ,পরিচালক,ঘাগড়া আনসার ব্যাটেলিয়ন,রাঙ্গামাটি।
    রাঙ্গামাটি জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে বলেন, আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে দেশ-জাতির শান্তি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ফাস্ট লেইন ফোর্স হিসেবে কাজ করে,তাদেরকে নিয়োগ করা হয় এবং পরিস্থিতি অনুসারে আসে পুলিশ, বিজিবি, এয়ার ফোর্স, নৌহবাহিনী। তবে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনী। কাজেই আমি বলব,তাদের এ দায়িত্ব পালন করতে আমাদের সবাইকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষাবাহিনীকে যথাযথ মর্যদা ও সম্মান দিতে হবে। তবে আপনাদের সকলকে আপনাদের মূলমন্ত্র বা মূলনীতি “শান্তি,শৃঙ্খলা,উন্নয়ন, নিরাপত্তা সর্বত্রই আমরা ” এটি অন্তরে ধারন করে নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে, তাহলে আমরা আমাদের দেশ শান্তি ও নিরাপদে থাকব। #

  • ভূ-স্বর্গ সাজেকে পর্যটক ভ্রমনে নিরোৎসাহ : এক সপ্তাহে দু’বার রহস্যজনক আগুন!

    ভূ-স্বর্গ সাজেকে পর্যটক ভ্রমনে নিরোৎসাহ : এক সপ্তাহে দু’বার রহস্যজনক আগুন!

    রাঙামাটির সাজেকে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে প্রায় দেড় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতঘর। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে অবকাশ রিসোর্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা যায়। মুহুর্তেই আগুন আশপাশের রিসোর্টে ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ১৪০ টির বেশী রিসোর্ট, রেস্তোঁরা, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি আগুনে পুড়ে গেছে মর্মে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও  স্থানীয়দের নিকট হতে জানা গেছে।

    এদিকে রাঙ্গামাটি জেলা প্রসাশন এ আগুনের পরপরই সাজেকে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটকদের সাজেক ভ্রমনে নিরোৎসাহ করা হয়েছে।

    স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যানুসারে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি, পুলিশসহ স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় ৫ ঘন্টা পর আগুন সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই সময়ে প্রায় সবকিছু পুড়ে ছাইঁ হয়ে গেছে। এতে করে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
    রাঙামাটি জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, আজ দুপুর ১.১৫ ঘটিকায় সাজেক পর্যটন এলাকায় শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে সাজেক অবকাশ ম্যানুয়েল রিসোর্ট সহ পার্শ্ববর্তী রিসোর্টে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে মর্মে ধারণা করা হয়। আগুন মুহুর্তেই আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
    ঘটনা অবহিত হবার সাথে সাথে  দ্রুত আগুন নির্বাপনের জন্য রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার ফায়ার সার্ভিসসহ স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর রিজিয়ন কমান্ডার,রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার,খাগড়াছড়ি জোন কমান্ডার,বাগাইহাট এবং  খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়, বিকেল পর্যন্ত আগুনে সাজেকের একপাশ প্রায় পুড়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত প্রায় ১৪০ টির বেশি রিসোর্ট, রেস্তোঁরা, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি আগুনে পুড়ে গেছে মর্মে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও  স্থানীয়দের নিকট হতে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।
    বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরিন আকতার জানান, দুপুরের দিকে সাজেকের একটি রিসোর্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনী ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। সাজেকে দমকল বাহিনীর কোনো ইউনিট না থাকায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে ফায়ার সার্ভিস রওনা হয়।
    ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ খায়রুল আমিন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়াও আটকে পড়া পর্যটকদের অন্যত্র থাকার ব্যবস্থা করেছি।
    দীর্ঘদিন স্থানীয়রা দাবি জানিয়ে আসলেও রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে ফায়ার সার্ভিস অফিস স্থাপন না হওয়ার পাশাপাশি সাজেকের মতো অতিগুরুত্বপূর্ন একটি পর্যটন কেন্দ্রকে সুরক্ষিত রাখতে প্রয়োজনীয় অগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় মাত্র এক সপ্তাহের মাঝেই দুই বার আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছে অত্র অঞ্চলের ব্যবসায়ি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
    এদিকে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, সাজেকের ব্যবসায়িদের কাছে স্থানীয় আঞ্চলিকদলীয় সন্ত্রাসীরা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো কয়েকদিন ধরেই। সে চাঁদা না পেয়ে পাহাড়ি আঞ্চলিকদলীয় সন্ত্রাসীরা এই আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে বলেও ধারনা করছে নিরাপত্তা বাহিনী।
    এছাড়াও কয়েকদিন আগে রাঙামাটির নানিয়ারচরের একটি ঘরেও রহস্যজনক আগুন ধরাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উষ্কানি সৃষ্টির চেষ্ঠাও করছে পার্বত্য চুক্তি বিরোধী একটি আঞ্চলিকদলীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে। #

  • বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অগ্রগতিশীল জায়গায় পরিণত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম : হাবিব উন নবী খান সোহেল

    বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অগ্রগতিশীল জায়গায় পরিণত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম : হাবিব উন নবী খান সোহেল

    বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অগ্রগতিশীল জায়গায় পরিণত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এমন মন্তব্য করেছেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হাবিব উন নবী খান সোহেল।
    সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) রাঙামাটি শহীদ আব্দুর শুক্কুর স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির আয়োজনে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিরোধ, আইন শৃঙ্খলার উন্নতি, পতিত স্বৈরচারের দোসরদের বিচার ও গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে উত্তরণের জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
    বিএনপির এ নেতা বলেন,২০০৯ সালে ফ্যাসিস্ট সরকার এক আইন করেছে। বঙ্গবন্ধু পরিবার সুরক্ষা আইন। এই আইনের কারণে ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক এসএসএফ সদস্যরা তার পরিবারের সদস্যদের পাহাড়া দিবে।
    তিনি আরও বলেন,বিগত ১৫-১৬ বছরে দেশের ব্যাংকগুলে ফতুর করে দেওয়া হয়েছে। শেখের ছোট কন্যা রেহানাকে টাকা না দিয়ে কোন ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে পারিনি। পুতুল ও তার স্বামী গলা পর্যন্ত টাকা খেয়েছে।
    আরেকটি আছে শেখ পরিবারের জয়। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য মতে পৃথিবীর দামি ৮ টি গাড়ি জয়ের কাছে আছে। এই ৮ টি গাড়ির টাকায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব বলে জানান তিনি।
    বিএনপির কেন্দ্রীয় এ নেতা বলেন,বঙ্গবন্ধুর নাম স্যাটেলাইট তৈরি করা হয়েছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে এ স্যাটেলাইট তৈরিতে খরচ হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। কিন্তু খরচ দেখানো হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা। সেখানেও লোপাট করা হয়েছে।
    বিএনপি নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল আরও বলেন,রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণে খরচ হয়েছে ৮ বিলিয়ন ডলার। খরচ দেখানো হয়েছে ১২ বিলিয়ন ডলার। লোপাট এখানেও করা হয়েছে। শেখের নাতনী টিউলিপ এ দুর্নীতি করেছে। এসময় তিনি শেখের পরিবারকে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ পরিবার বলে মন্তব্য করেন।
    এ নেতা বলেন, চারদিক শুনি আপা আসবে। আমিও চাই আপা আসুক। ওনি আসলে হাতে হাতকড়া পড়িয়ে সব গণহত্যার বিচার করা হবে।
    তিনি আক্ষেপের সাথে বলেন,যে নেত্রী বারবার জনগণের ভোটে বিজয়ী সেই নেত্রীকে দুর্নীতির মামলায় বছরের পর বছর কারাগারে আটক রাখা হয়েছিলো। এত অনুরোধ করার পরও শুনা হয়নি আমাদের কথা। যেইদিন ধানমন্ডি ৩২ দাও দাও করে জ্বলছিলো সেইদিন আমাদেরও খারাপ লেগেছিলো। কারণ আমরা সন্ত্রাস বা মব জাস্টিস বিশ্বাস করি না।
    শেখ হাসিনার উদ্দশ্যে তিনি বলেন,আপনি আমাদের নেত্রীকে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের দিয়েছিলেন। সেই দিনের কথা আমরা ভুলেনি।
    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। কারন আপনি ইতিহাস রচনা করেছেন।
    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দদের উদ্দশ্যে বলেন, ছোট ভাইয়েরা নাকি সব কিছু জানে। ১৫ দিনের আন্দোলন করে তারা সবকিছুর দাবিদার করছে। অথচ আমরা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে দিন পর দিন,বছেরের পর বছর পার করেছি। আপনাদের আন্দোলনে আমাদের নেতা তারেক জিয়া সকল প্রকার সহযোগিতা করেছে। এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান মাস্টারমাইন্ড আমাদের তারেক রহমান। কথা কম বলুন। কথা বলার সময় হিসেব করে কথা বলবেন। আপনাদের উপর জঙ্গীভূত ভর করেছে। তারা মানুষের রগ কাটে। শত্রু অনেক শক্তিশালী। আমরা এক সাথে থাকলে ভাল।
    তিনি অন্তবর্তী সরকারের উদ্দ্যেশে আরও বলেন,বিএনপি সভা ডাকলে সমাবেশে পরিণত হয়,সমাবেশ ডাকলে মহা সমাবেশে পরিণত হয়। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দিবেন।
    আমরা নির্বাচন এবং আন্দোলন উভয়ের জন্য প্রস্তুত আছি। জাতীয় নির্বাচনের আগে কোন স্থানীয় নির্বাচন হবে না। একটি গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রের দায়ভার গ্রহণ করার পর স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা করবেন।
    সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম। জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকের মামুনুর রশীদ মামুনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ,ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,ধর্ম বিষয়ক সহ-সম্পাদক এ্যাড.দীপেন দেওয়ান, উপজাতীয় বিষয়ক সহ-সম্পাদক লে.কর্ণেল অব:মনীষ দেওয়ান এবং বিএনপির সাবেক পার্বত্য উপমন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ান।
    সমাবেশে বিএনপি ও অংগসংগঠনের জেলা,উপজেলার নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশস্থল হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহনে কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিলো স্টেডিয়াম। #