Blog

  • কাপ্তাই হ্রদে  ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    মংরী রাখাইন নামে একজনের মরদেহ রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ থেকে  উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার ১৪ মার্চ,  রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভ বাজার গীতাশ্রম কলোনীর ‘স’ মিল এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজার গীতাশ্রম কলোনী এলাকার পাশে হ্রদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। খবরটি শহরময় ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক জনতা ভিড় করেন ঘটনাস্থলে। পরে খবর পেয়ে রিজার্ভ বাজার এলাকার বাসিন্দা ও মংরী রাখাইনের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে তার মরদেহ শনাক্ত করে। 

    তার পরিবারের লোকজন জানায়, গত দুদিন ধরে মংরী রাখাইন নিখোঁজ ছিলেন। তাকে খুঁজে না পেয়ে রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পরে শুক্রবার সকালে কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। 

    খবর পেয়ে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শাহেদ পারভেজ ও থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ সোহাগ চৌধুরীসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দেখে ও সনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ও উপস্থিত স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। 

    রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ শাহেদ পারভেজ বলেন, নিহত মংরী রাখাইন ১৩ মার্চ আগের রাত থেকে নিখোঁজ হন। পারিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে। পরে আজ সকালে তার মরদেহ কাপ্তাই হ্রদে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। #

  • রাঙামাটিতে ১৫ মার্চ,ভিটামিন ”এ” ক্যাপসুল  পাবে ৮৫ হাজার শিশু

    রাঙামাটিতে ১৫ মার্চ,ভিটামিন ”এ” ক্যাপসুল পাবে ৮৫ হাজার শিশু

    সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এ বছর রাঙামাটি জেলার ৮৫ হাজার ৮৬০ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওনোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ঘিরে বুধবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রাঙামাটি জেলার সিভিল সার্জন ডা: নূয়েন খীসা।

    তিনি জানান, জেলার ১০ উপজেলার ৫৩টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় এক যোগে শনিবার পাঁচ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে।

    এবারের ক্যাম্পেইনে ৬-১১মাস বয়সী ১০হাজার ৫৩৭ শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭৫ হাজার ৩২৩জন শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রতিটি ওয়ার্ডে এ জন্য ১ হাজার ২৬০ অস্থায়ী ক্যাম্প থাকবে বলে জানান সিভিল সার্জন। স্বাস্থ্যকর্মীরা সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

    বুধবার বিকেলে সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে এবং জাতীয় পুষ্টিসেবা কার্যক্রমের সহযোগিতায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সিভিল সার্জন ডা: নূয়েন খীসার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, সাধারন সম্পাদক আনোয়ার আল হক, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত ৫৩ জন সাংবাদিক।

    স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ এবং শারীরিক বৃদ্ধি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত রাঙামাটির প্রবীণ সাংবাদিক এ কে এম মকছুদ আহমেদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। #

  • সাজেকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় লুসাই ও ত্রিপুরা পরিবারের পাশে – বিজিবি

    সাজেকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় লুসাই ও ত্রিপুরা পরিবারের পাশে – বিজিবি

    রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে ভয়াবহ আগুনে সব কিছু হারিয়ে  নিঃস্ব হয়ে যাওয়া  স্থানীয়  ৪৩ টি লুসাই ও ত্রিপুড়া পরিবারের পাশে দাড়িয়েছে বিজিবির খাগড়াছড়ি সেক্টর।  খাগড়াছড়ি সেক্টর এর আওতাধীন  ৫৪ বিজিবি বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন ও ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন যৌথভাবে এই সহায়তা প্রদান করে । বিজিবি ক্ষতিগ্রস্ত ৪৩ পরিবারকে পারিবারিক গৃহস্থালি জিনিসপত্র, থালা, বাটি, গ্লাস, কলসি, মগ  প্রদান সহ নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করে ।  ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর  ১২ ঘটিকায় সাজেক রুইলুই পাড়া ত্রিপুড়া কমিউনিটি সেন্টারের সামনে  এসব সহায়তা প্রদান করেন বিজিবির খাগড়াছড়ি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল  আব্দুল মোত্তাকিম, এসপিপি, পিএসসি,জি।  এসময় ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ  এবং ৫৪ বিজিবি বাঘাইহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো: মহিউদ্দিন ফারুকী উপস্থিত ছিলেন। পরে সেক্টর কমান্ডার স্থানীয়দের উদ্দেশ্য বলেন সাজেকে ভয়াবহ আগুনে স্থানীয় ৪২ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জানমালের নিরাপত্তার পাশাপাশি বিজিবির পক্ষ থেকে  সামান্য পরিসরে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে আগামীতেও এই ধরনের সহায়তা অব্যহত থাকবে।

    উল্লেখ্য গত ২৪ ফেব্রুয়ারী সাজেকে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক রিসোর্ট কটেজের পাশাপাশি স্থানীয় লুসাই ও ত্রিপুড়া পরিবারের বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। 

  • নালিতাবাড়ীতে চেক ছিনতাই ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    নালিতাবাড়ীতে চেক ছিনতাই ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সড়কে চলতি সিএনজি থামিয়ে ১০ লাখ টাকার চেক ছিনতাই এবং গণধোলাইয়ের পর উল্টো চেকের মালিকসহ তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী রূপালী ইয়াসমিন রুপা নামে এক বিধবা।

    বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে  বলা হয়, প্রায় ১ বছর আগে কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমুন নাহার ও তার স্বামী নাট্যশ্রমীর চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জামান জুয়েল বাড়ি করার জন্য তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত করে এবং নাজমুন নাহারের চেক জমা দিয়ে দশ লাখ টাকা ঋণ নেয়। পরে দেই-দিচ্ছি বলে টাকা না দিলে ভুক্তভোগী আদালতের স্মরণাপন্ন হন। গত ৬ মার্চ আদালতে ওই মামলার তারিখ থাকায় চেক ও মামলার কাগজপত্রসহ শেরপুর যাওয়ার পথে বালুঘাটা চুয়া ব্রিজ এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলে চারজন গিয়ে সিএনজি থামায়। পরে ভুক্তভোগী রুপালীর কাছে থাকা চেক ও মামলার কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে ফিল্মী স্টাইলে পালিয়ে যায় রুকুনুজ্জামান জুয়েলসহ অন্যরা। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক নালিতাবাড়ী থানায় এবং বিকেলে আদালতকে অবহিত করেন। এর কিছু সময় পর নালিতাবাড়ী শহরের শুঁটকি মহলে রুকুনুজ্জামান জুয়েল ভুক্তভোগী ও তার দুলাভাইকে দেখে সটকে পড়ার চেষ্টা করে। কিন্তুু ততক্ষণে তাকে আটকে চেক ফেরত চাইলে উৎসুক জনতা ছিনতাইকারী ভেবে কিছু উত্তম-মধ্যম দেয়। এসময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা ছুটে এলে জুয়েল কাগজে লিখিত আকারে চেক ফেরতের কথা লিখে চলে যায়। 

    সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার কথা থাকলেও টাকা ও চেক দিতে তালবাহানা করায় ১০ মার্চ আবারো আদালতের স্মরণাপন্ন হন তিনি। এরপর ১১ মার্চ টাকা আত্মসাতকারী ও চেক ছিনতাইকারী নাজমুন নাহার বাদী হয়ে ভুক্তভোগী রুপালী এবং তার ভগ্নিপতি তোফাজ্জল ও কর্মস্থলের মালিক মুঞ্জুরুল আহসানকে আসামী করে আদালতে উল্টো মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পাওনা টাকা আদায়, চেক ফেরত এবং মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুকুনুজ্জামান জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, এখন তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেলে আছেন। মেডিকেল থেকে ফিরে এ বিষয়ে তিনি কথা বলবেন বলে জানান।#

  • খাগড়াছড়িতে রাক্ষুসে সাংবাদিকতার কীর্তি

    খাগড়াছড়িতে রাক্ষুসে সাংবাদিকতার কীর্তি

    চাঁদাবাজি মামলা দায়েরকারী বাদী আলমগীরের ইটভাটা গত জানুয়ারি মাসেই যেহেতু সরকারি অভিযানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে- সেখানে চাঁদা দাবির সুযোগ থাকে কি?

    খাগড়াছড়িতে চার সংবাদকর্মীকে মিথ্যা সাজানো চাঁদাবাজি মামলায় জেলে ঢোকানোর নেপথ্য কাহিনি ফাঁস হয়েছে। সেখানে অবৈধ ইটভাটা মালিকের অনুরোধে সাংবাদিক এইচ এম প্রফুল্ল নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছেন, সৃষ্টি হয়েছে জঘন্যতার। ওই সাংবাদিকদের উপর তিনি প্রথম ছাত্রদল কর্মীদের লেলিয়ে দেন। তারা ওই সাংবাদিকদের হেনস্তা করেন এবং তাদের আইডি কার্ড, মানিব্যাগ, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেন।

    এর পর পরই প্রফুল্ল বাবুর পাঠানো পুলিশ সেখানে পৌঁছে সাংবাদিকদের আইডি কার্ড দেখতে চান। কিন্তু পূর্ব মুহূর্তেই ছিনিয়ে নেয়ায় সংবাদকর্মীরা তাদের আইডি দেখাতে ব্যর্থ হলে পুলিশ প্রথমে তাদেরকে ভুয়া সাংবাদিক আখ্যা দিয়ে আটক করে। দীর্ঘ সময় দেন দরবার শেষে সাজানো হয় চাঁদাবাজির মামলা।

    ঘটনার সূত্রপাত ঘটে দীঘিনালায় সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে পরিচালিত ফোর বি ইটভাটা থেকে। ওই ইটভাটার মালিকানায় রয়েছেন মোহনা টিভির প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন। তিনি প্রফুল্ল‘র অন্ধ ভক্ত। গত ২০ জানুয়ারি দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মামুনুর রশীদ অভিযান চালিয়ে ফোর বি ইটভাটাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং স্থায়ীভাবে ভাটাটি বন্ধ করে দেন। কিন্তু প্রফুল্ল বাবুর প্রভাব খাটিয়ে আলমগীর তার ইটভাটা যথারীতি চালু রাখছিলেন।

    সফররত সাংবাদিকদের ক্যামেরায় সে দৃশ্য উঠে আসায় দ্রুত সেখানে হাজির হন সাংবাদিক-কাম-ভাটা মালিক আলমগীর হোসেন। তিনি অনুনয় বিনয়ের একপর্যায়ে ৫০০০ টাকা তাদের পকেটে গুঁজে দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সাংবাদিকরা সে টাকা না নেয়ায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে গুরু এইচ এম প্রফুল্ল‘র সাহায্য চান। বাকিটা ঘটেছে তার রাক্ষুসে সাংবাদিকতার কীর্তিতে….

    মামলার এজাহারে আলমগীর বলেছেন, তার ইটভাটায় গিয়ে এ চার সাংবাদিক দুই লাখ টাকা দাবি করলে তিনি এক লাখ দিতে রাজি হন। তা মশায়, আপনার ইটভাটার নামটা কি? আপনার ভাটা তো দুই মাস আগেই অভিযান চালিয়ে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেটি কার নির্দেশে চালু করেছেন?

    চাঁদাবাজি মামলা দায়েরকারী বাদী আলমগীরের ইটভাটা গত জানুয়ারি মাসেই যেহেতু সরকারি অভিযানে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে- সেখানে চাঁদা দাবির সুযোগ থাকে কি? নিউজটি লেখার আগে খাগড়াছড়ির সম্মানিত সাংবাদিক বন্ধুদের মনে একবারও সে প্রশ্নটি উদয় হয়নি?

  • রাঙ্গামাটির বরকলে ২০০ যাত্রী নিয়ে পানিতে ডুবল যাত্রীবাহি লঞ্চ।

    রাঙ্গামাটির বরকলে ২০০ যাত্রী নিয়ে পানিতে ডুবল যাত্রীবাহি লঞ্চ।

    রাঙ্গামাটি থেকে বরকল হয়ে ছোটহরিনা যাওয়ার পথে ২০০ জন যাত্রী নিয়ে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে  ডুবে যায় যাত্রীবাহি লঞ্চ । তবে হ্রদে পানি কম থাকায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    আজ সোমবার (১০ মার্চ) দুপুর ৩টায় রাঙামাটি হতে বরকল উপজেলার সীমান্তবর্তী ছোট হরিণাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চটি উপজেলার সুবলং ইউনিয়নের মরংছড়ি(মাইশছড়ি) নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনায় পড়ে। 

    প্রত্যক্ষদর্শী সুলেখা চাকমা জানান, লঞ্চটি মাইশছড়ি নামক জায়গায় আসলে হঠাৎ পানিতে ডুবে যায়। তবে পানি কম থাকায় মানুষ হতাহত হয়নি। লঞ্চটি থেকে যাত্রীরা নিরাপদে পাড়ে নেমেছেন। তবে লঞ্চে থাকা কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল পানিতে ডুবে গেছে।

    লঞ্চে থাকা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত মাল বোঝাইয়ের কারণে এ দুর্ঘনার শিকার হয় কাঠের এই লঞ্চটি। 

    লঞ্চে একদিকে যেমনি ছিল অতিরিক্ত যাত্রী, তেমনি উপজেলার বিভিন্ন বাজারের দোকানদারদের মালামাল,বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ও পুলিশের মালামাল। লঞ্চে ধারন ক্ষমতার বাইরে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন করায়  এদুর্ঘটনা হয়েছে বলে জানান অনেক ভুক্তভোগী যাত্রী।

    তারা আরো জানান-বরকল উপজেলায় সড়ক পথ না থাকায় জেলার সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নদীপথ। প্রতিনিয়ত লঞ্চ মালিক সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা অতিরিক্ত লাভের জন্য ধারন ক্ষমতার বাইরে যাত্রী ও মালামাল বোঝায় করায় যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।

    এ ক্ষেত্রে হরহামাশা  অভ্যন্তরীন নৌযান অধিদপ্তরের নিয়ম ও আইন লংঙগন করছেন  লঞ্চ মালিক সমিতি। ফলে নৌ-পথে প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ।

    এ দূর্ঘটনার ব্যাপারে বরকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিফাত আসমা জানান, রাঙামাটি থেকে ২০০ জন যাত্রী নিয়ে বরকল হয়ে হরিনা যাওয়ার পথে মাইশছড়ি এলাকায় লঞ্চের তলায় কাঠ ফেটে গিয়ে পানি ডুকে লঞ্চটি ডুবে যায়। খবর পাওয়ার সাথে সাথে স্থানীয় বিজিবি সেখানে গিয়ে ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রীদের উদ্ধার করে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।#

     

  • রাঙামাটিতে চার রাজনৈতিক দলের ঐক্য

    রাঙামাটিতে চার রাজনৈতিক দলের ঐক্য

    দেশের সর্বশেষ রাজনীতি পরিস্থিতি, ধর্ষণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বৈষম্যে অবসান ও জেলার উন্নয়ন বিষয়ক আলাপ-আলোচনা ও বৈঠক করেছে রাঙামাটিতে চার রাজনৈতিক দল।

    সোমবার (১০ মার্চ) সকাল ১১টায় শহরের একটি হোটেলে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশের বিপ্লরী ওয়ার্কার্স পাটি ও খেলাফত মজলিস রাঙামাটি জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলনের সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি দিবাকর দেওয়ান, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ দিদারুল আলম, ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি মওলানা মো. জসিম উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক মওলানা মো. ওমর ফারুক, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক জুঁই চাকমা, খেলাফত মজলিশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি মওলানা আবু বকর ছিদ্দিক ও সাধারন সম্পাদক মুফতি শামসুল আলম প্রমুখ।

    চার জাতীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ দেশের সর্বশেষ রাজনীতি পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করেন।

    রাঙামাটি জেলার উন্নয়ন এবং সর্বক্ষেত্রে বৈষম্যের অবসান নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার লক্ষে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি -এলডিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশের বিপ্লরী ওয়ার্কার্স পাটি ও খেলাফত মজলিস রাঙামাটিতে জাতীয় ৪ রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

    বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলনকে এ সমন্বয় কমিটির মূখ্য সমন্বয়ক হিসাবে মনোনীত করা হয়।

    খেলাফত মজলিশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি মওলানা আবু বকর ছিদ্দিক যুগ্ম সমন্বয়ক হিসাবে মনোনীত করা হয়।

    লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি -এলডিপি রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি দিবাকর দেওয়ান, ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি মওলানা মো. জসিম উদ্দিনকে সমন্বয়ক হিসাবে মনোনীত করা হয়।

    এছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি -এলডিপি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক সৈয়দ দিদারুল আলম, ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মওলানা মো. ওমর ফারুক, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক জুঁই চাকমা ও খেলাফত মজলিশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মুফতি শামসুল আলমকে সহ  সমন্বয়ক হিসাবে মনোনীত করা হয়।

    রাঙামাটি জেলায় জাতীয় ৪ রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক মওলানা মো. ওমর ফারুক ও বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক জুঁই চাকমা। #

  • ধর্ষকদের শাস্তি মৃত্যুদন্ড  করতে হবে-  ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি

    ধর্ষকদের শাস্তি মৃত্যুদন্ড করতে হবে- ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি

    দেশব্যাপী সকল ধর্ষনের বিচার ও ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আজ ১০ মার্চ’২৫ রোজ সোমবার  বাদে মাগরিব  ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে দেশব্যাপী সকল ধর্ষণের বিচার ও ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে  বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ হোসাইন মল্লিক বলেন দেশব্যাপী লাগাতার ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ। বাংলাদেশে ধর্ষণ আজ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আমাদের মা-বোনেরা পাশবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, অথচ প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এসব অপরাধ দমনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। 

    তিনি আরো বলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, বর্তমান বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী। ইসলামই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজ থেকে ধর্ষণ ও সকল প্রকার অনৈতিকতা নির্মূল করা সম্ভব।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা সেক্রেটারী মাওলানা ওমর ফারুক, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ইমাম হোসাইন কুতুবী, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি দিদারুল আলম, ইসলামী যুব আন্দোলন রাঙ্গামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা শাখা সহ সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আনাস রেজা,সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমেদ, অর্থ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।##

  • রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের  ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

    রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

    পবিত্র মাহে রমজান -২০২৫ খ্রীঃ উপলক্ষে  আজ ০৯ মার্চ  রবিবার  রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয় পলওয়েল পার্ক মাল্টিপারপাস শেডে।

     রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন  এর সভাপতিত্বে  এ অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত জেলা ও দায়রা জজ জনাব সহিদুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব মেজর জেনারেল (অব) অনুপ কুমার চাকমা, এনডিসি, পিএসসি, রিজিয়ন কমান্ডার জনাব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শওকত ওসমান, এএফব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি, বিজিবির সেক্টর কমান্ডার জনাব কর্ণেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন, পিবিজিএম, পিএসসি, জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব কৃষিবিদ কাজল তালুকদার সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

    ইফতার ও দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়ার আয়োজন করা হয়। #

  • রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি কঠোর অবস্থানে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ;  বহিস্কার ৪০ নেতাকর্মী

    রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি কঠোর অবস্থানে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ; বহিস্কার ৪০ নেতাকর্মী

    চরম উশৃঙ্খল ও নৈতিক স্খলন হওয়া নেতাকর্মীদের দমনে কঠোর হচ্ছে রাঙামাটি জেলা বিএনপি। মুষ্টিমেয় অপকর্মকারিদের বিরুদ্ধে একের পর এক বহিস্কারাদেশ দিয়ে পুরো জেলাজুড়েই তৃণমুল নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্ঠা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
    গত ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত অন্তত ৪০ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিস্কারাদেশ দিয়েছে জেলা বিএনপি। বিশৃঙ্খলাকারিদের মধ্যে রাঙামাটি সদরের পাশাপাশি জেলার বাঘাইছড়ি, কাউখালী, কাপ্তাই উল্লেখযোগ্য। তবে বাঘাইছড়িতেই বহিস্কারের সংখ্যা বেশি।
    রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেছেন, কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তনুসারে তারেক রহমানের নির্দেশনানুসারে আমরা দলকে আগামীর জন্য সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর আপ্রাণ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি। এতে করে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারিদের কোনো ধরনের শৈতল্য আমরা দেখাচ্ছিনা। যারাই অপকর্মের সাথে জড়িত হবে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিবো আমরা।
    দলীয় সূত্র জানায়, ভারত সীমান্ত দিয়ে আনা অবৈধ সিগারেট পাঁচার, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মারামারি,মব জাস্টিস সহ নানান অপকর্মের অভিযোগ তদন্তে গঠন করা হয়েছে একাধিক তদন্ত কমিটি। প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ইতোমধ্যেই অন্তত ৪০ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। সর্বশেষ ৭ই মার্চ রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় ৩ জন ও বাঘাইছড়িতে ৫ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল,কৃষকদলের নেতাকে বহিস্কার করা হয়েছে। কাউখালী উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ তাদের স্বাক্ষরিত বহিস্কারাদেশ পত্রে উল্লেখ করেন,
    ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ সেলিম মাহমুদ, কাউখালী উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন ও উপজেলা তাতীঁদলের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রিপন মিয়া, আপনারা দলীয় পদ পরিচয় দিয়ে নিজ স্বার্থে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী বিভিন্ন অনৈতিক অপকর্মে লিপ্ত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। আপনারা নিজ স্বার্থে দলের সকল নির্দেশনা অমান্য করে এসকল গঠনতন্ত্র ও শৃংখলা বিরোধী অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে দলীয় সুনাম ও দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করছেন। তারা সকলেই অবৈধ বিদেশী সিগারেট পাচারের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে যৌথবাহিনীর হাতে ৬২ লাখ টাকার সিগারেটসহ আটক হয়।
    উল্লেখ্য যে মোঃ সেলিম মাহমুদের দলীয় শৃংখলা বিরোধী কর্মকান্ডের কারনে ইতিপূর্বে তাহার বিরুদ্ধে ২ বার দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা করেছে। এরপরও ৭ই মার্চ তারিখে জারিকৃত বহিস্কারাদেশ পত্রে উল্লেখ করা হয়, উপরোক্ত তিনজনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলের সকল পর্যায়ের/অংগ সংগঠনের সকল পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান পূর্বক সাময়িক বহিস্কার করা হলো।
    অপরদিকে, একইদিনে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির পাঁচ নেতাকে বহিস্কার করা হয়েছে। রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়,
    বাঘাইছড়ি উপজেলা বিএনপি’র সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আশ্রাফ আলী, সদস্য মোঃ আইয়ুব আলী, প্রকাশ সরকার ও পৌর যুবদলের সদস্য খোরশেদ জর্জকে সকল পর্যায়ের দলীয় সকল পদ পদবী ও পদের কার্যক্রম দলের গঠনতন্ত্রের ৫(গ) ধারা মোতাবেক অভ্যন্তরিণশৃংখলা রক্ষার প্রয়োজনে পরবর্তি নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। সেই সাথে বাঘাইছড়িতে জেলা কর্তৃক অনুমোদন বিহীন শ্রমিকদলের পৌর ও থানা কমিটির সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উক্ত বহিস্কারাদেশ পত্রে।
    এদিকে, এই বহিস্কারাদেশ এর ব্যাপারে নিজের মন্তব্য জানিয়ে, পৌর যুবদলের সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা খোরশেদ জর্জ বলেন, আমি দুই গ্রুপের মারামারির ঘটনা শুনেই সেখানে গিয়ে উভয় পক্ষকে রক্ষার চেষ্ঠা করেছি। এতে সেসময় আমি পা কেটে ইনজুরও হয়েছি। এরপরও আমার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সম্পর্কে আমার আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি, আমার কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি। বিগত দিনে অত্যন্ত সচেতনতার সহিত রাজনীতি করেছি আমি। কখনো কোনো প্রকার অনৈক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলাম না। কিন্তু উপজেলার নেতাদের নিজস্ব অর্ন্তকোন্দলের বলি হতে হলো আমাকে।
    রাঙ্গামাটি শহরে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি ও তিন সহযোগী সংগঠনের চার নেতাকে বহিষ্কার করেছে দলটি। একই সঙ্গে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের বিষয়ে তদন্তে একটি কমিটিও গঠন করেছে বিএনপি। গত মঙ্গলবার (৪ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে  রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি।
    বহিষ্কৃতরা হলেন— রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সদস্য আনোয়ারুল আজিম আজম, রাঙ্গামাটি পৌর তাঁতী দলের সভাপতি আলী আজগর বাদশা, রাঙ্গামাটি পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য অনতোষ দাশ ও জেলা কৃষকদলের ক্ষুদ্র ও সমবায় সম্পাদক সুমন  চাকমা। রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাদের সাময়িক বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, অভিযুক্তরা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন, দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল প্রকার পদ-পদবী থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলে।
    এদিকে, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার বলেছেন, কোনো ধরনের অপকর্ম করা যাবেনা তারেক রহমানের এমন নির্দেশনা অনুসরণ করে আমরা দলকে সুসংগঠিত করছি। বিএনপি চাঁদাবাজিতে, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ কোনো অপকর্মে বিশ্বাস করেনা মন্তব্য করে বিএনপি সভাপতি বলেন, খুব অল্প সংখ্যক নেতাকর্মী এসকল অপকর্মগুলোর সাথে জড়িত হয়ে গেছে।
    জনগণের স্বার্থ পরিপন্থী কোনো কাজ করা যাবে না; এই ক্ষেত্রে আমরা একেবারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে রাঙামাটি জেলা বিএনপি। হঠাৎ করে পটপরিবর্তনের পর দলের কারো কারো নৈতিক স্খলন ঘটেছে এবং মুষ্টিমেয় তারাই এই দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এই ধরনের অপকর্মকারিদের কেউ বা কোনো নেতা শেল্টার দিচ্ছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। #