Blog

  • রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তুরস্কের আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তুরস্কের আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়, তুরস্ক-এর মধ্যে আজ ২৮ আগস্ট ২০২৫খ্রি: তারিখে একটি সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারকে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন রেক্টর প্রফেসর ড. আহমেত হাসিমাফতুগ্লু।

    এ সমঝোতা স্মারক দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক শিক্ষাসম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এ স্মারকের মাধ্যমে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক একাডেমিক-প্রশাসনিক উন্নয়ন ও জ্ঞান বিকাশ-বিস্তারের পথ সুগম হবে এবং উভয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। নিকট ভবিষ্যতে শিক্ষক-গবেষক-শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক রির্সোস থেকে জ্ঞান অর্জন ও দক্ষতা উন্নয়নে এবং শিক্ষা সফরের মাধ্যমে বিশেষ শিক্ষা-সাংস্কৃতিক মিথস্ক্রিয়ায় এক নতুন দিক উন্মোচিত হবে। উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক গবেষণা, বক্তৃতা, সেমিনার ও ওয়ার্কশপ; স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক প্রোগ্রাম বিনিময়সহ একাডেমিক মেটেরিয়ালস্, জার্নাল ও অন্যান্য তথ্য সম্বলিত প্রকাশনামূলক উপাদান তথা শিক্ষা, জ্ঞান ও গবেষণা বিকাশের সকল বিষয়াদি এ স্মারকের আওতাধীন থাকবে।

    এ সমঝোতা স্মারক আগামী ৫ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পরবর্তীতে উভয়ের সম্মতিক্রমে এ মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে।

  • মানবিক ফান্ডের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ।

    মানবিক ফান্ডের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ।

    রাঙামাটির কলেজ গেইট এলাকায় সামাজিক সংগঠন মানবিক ফান্ড-এর উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে শহরের মোটেল জর্জ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্টজন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, সভাপতি রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, সমাজসেবক ও ক্রীড়াবিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য জনাব হাবিব আজম এবং সমাজসেবক জনাব মাহাফুজ।
    কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জনাব ইদ্রিস হাওলাদার, সভাপতি মানবিক ফান্ড, কলেজ গেইট। সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল হাসান জুয়েল।
    প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন তাঁর বক্তব্যে বলেন,
    এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। মানবিক ফান্ডের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সমাজে সাম্যের বীজ বপন করতে হলে সবার আগে আমাদের দরিদ্র ও অসহায়দের সহযোগিতা করতে হবে।
    বিশেষ অতিথি হাবিব আজম বলেন,
    মানবিক ফান্ড দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করছে। আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করে—তরুণ প্রজন্ম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
    সমাজসেবক জনাব মাহাফুজ বলেন,
    সামাজিক সংগঠনগুলো যদি আন্তরিকভাবে কাজ করে, তবে অচিরেই একটি কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাচ্চু মিয়া, মো. কামাল হোসেন, মাওলানা আবুল কাশেম, মো. আশরাফুল ইসলাম, আমনাত বাগ স্পোর্টিং ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক রহিম উদ্দিন এবং তরুণ্য স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক।
    সভাপতি ইদ্রিস হাওলাদার বলেন,
    আমরা শুরু থেকেই মানবিক কাজকে প্রাধান্য দিচ্ছি। এতিম ও অসহায়দের পাশে থেকে তাদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।
    সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুল হাসান জুয়েল জানান,
    আগামীতে আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ক্রীড়া উন্নয়নমূলক কার্যক্রমেও কাজ করব। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা পেলে মানবিক ফান্ডকে আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
    অনুষ্ঠান শেষে এতিমদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজনটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

  • রাঙামাটিতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার কর্মশালা ও কার্ড বিতরণ।

    রাঙামাটিতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার কর্মশালা ও কার্ড বিতরণ।

    রাঙামাটিতে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার উদ্যোগে ট্রেনিং, কর্মশালা ও কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার শহরের একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পৌর প্রশাসক ও উপ-সচিব জনাব মোঃ মোবারক হোসেন (পারভেজ)।
    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংস্থার রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান (রানা)। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা আনোয়ার আল হক, পরিবেশ ও মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ আবুল কাশেম এবং অরুপ মুসুদ্দি।
    এছাড়াও কাপ্তাই উপজেলা থেকে অংশ নেন উপদেষ্টা রুবাইয়েত আকতার আহমেদ, উপজেলা সভাপতি সুপর্না বারই এবং অংথুই থেয়ানং। পাশাপাশি নানিয়ারচর ও বুড়িঘাট উপজেলা থেকে আগত সদস্যবৃন্দও কর্মশালায় যোগ দেন।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবারক হোসেন বলেন, মানবাধিকার নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এ ক্ষেত্রে সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এই ধরনের উদ্যোগ নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং সমাজে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
    বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ নানা সমস্যা ও বঞ্চনার শিকার। এ অবস্থায় মানবাধিকার রক্ষায় সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে একযোগে কাজ করতে হবে।
    অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে কার্ড ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের কর্মশালা নিয়মিত আয়োজনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের মানবাধিকার কর্মীদের আরও প্রশিক্ষিত ও কার্যকর করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • রাঙামাটিতে বিদর্শন ভাবনা কোর্সের সমাপনী:পূণ্যানুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ

    রাঙামাটিতে বিদর্শন ভাবনা কোর্সের সমাপনী:পূণ্যানুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ

    দুঃখ মুক্তির পথ বিদর্শন ভাবনা এই দর্শনকে সামনে রেখে রাঙামাটিতে শেষ হলো এক সপ্তাহব্যাপী বিদর্শন ভাবনা অনুশীলন। সকালে শহরের বুদ্ধাংকুর বুদ্ধ বিহারে ২৭তম বিদর্শন ভাবনা কোর্সের সমাপনী উপলক্ষে আয়োজন করা হয় সম্মিলিত পূণ্যানুষ্ঠান ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান।
    কোর্সটি পরিচালনা করেন চট্টগ্রামের পশ্চিম খুলশীর বিমুক্তি মেডিটেশন ও বুদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাতা, বিহারাধ্যক্ষ দর্শনাচার্য ভদন্ত বুদ্ধ রক্ষিত স্থবির।
    সমাপনী দিনে দেব-মানুষ তথা সকল প্রাণীর হিতসুখ কামনায় অনুষ্ঠিত হয় বুদ্ধ মূর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কারদান ও নানাবিধ দান। কোর্সে অংশ নেওয়া অনুশীলনকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদপত্র।
    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি বুদ্ধাংকুর বুদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ ও পরিচালনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক ভদন্ত করুণাপাল স্থবির।
    স্বাগত বক্তব্য দেন বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থা ও বুদ্ধাংকুর বুদ্ধ বিহারের পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ধীমান বড়ুয়া।
    বিদর্শন ভাবনার মাধ্যমে দুঃখ মুক্তির পথ এই উপলব্ধি তুলে ধরে বক্তব্য দেন ধ্যানানুশীলনকারীদের প্রতিনিধি শ্যামল বড়ুয়া।
    এ ছাড়া বক্তব্য দেন বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মৃদুল বড়ুয়া, বিহার পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি প্রদীপ বড়ুয়া, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুঁই চাকমা, ভেদ ভেদী বড়ুয়া সমাজকল্যাণ সমিতির সভাপতি সমীর বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্মল বড়ুয়া মিলন এবং বিদর্শন ভাবনা পরিচালনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক প্রদীপ কান্তি বড়ুয়া নিখিল।
    পঞ্চশীল প্রার্থনা পরিচালনা করেন খোকন কান্তি বড়ুয়া।
    দেশনা দেন ভদন্ত বুদ্ধ রক্ষিত স্থবির ও ভদন্ত করুণাপাল স্থবির।
    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বুদ্ধাংকুর বুদ্ধ বিহার ও বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থার আহ্বায়ক ত্রিদিব বড়ুয়া টিপু, অর্থ সম্পাদক সম্ভু বড়ুয়া, উপদেষ্টা রবীন্দ্র লাল বড়ুয়া, সুজিত বড়ুয়া (মনু), সদস্য দেবাশীষ বড়ুয়া, সুজিত বড়ুয়া, পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের সহসভাপতি শ্যামল চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক অপু বড়ুয়া, প্রচার সম্পাদক দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, পৌর কমিটির সভাপতি উদয়ন বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবেট বড়ুয়াসহ দায়ক দায়িকা ও ভক্তবৃন্দ।
    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি বুলবুল চৌধুরী।

  • রাঙ্গামাটিতে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী(সঃ) এ হাজারো মুসল্লীর বাধঁভাঙ্গা উচ্চাস

    রাঙ্গামাটিতে জশনে জুলুশে ঈদে মিলাদুন্নবী(সঃ) এ হাজারো মুসল্লীর বাধঁভাঙ্গা উচ্চাস

    পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শুক্রবার রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে পার্বত্যাঞ্চলের সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী(সঃ)। ২৯ আগষ্ট শুক্রবার বাদ জুমা গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ রাঙ্গামাটি জেলা শাখার আয়োজনে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় হাজারো মুসল্লির ঢল নামে শহরের রাস্তায়।

    শোভাযাত্রাটি রিজার্ভ বাজার শাহী জামে মসজিদ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল সবুজ পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। শিশু, কিশোর, যুবক থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ পর্যন্ত নানা বয়সী ধর্মপ্রাণ মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে যোগ দেন এ ঐতিহাসিক শোভাযাত্রায়।
    পুরো শহরজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। দুরুদ শরিফ, নাত-ই-কাওম ও কালেমার সমবেত ধ্বনিতে কেঁপে ওঠে শহরের আকাশ-বাতাস। প্রধান সড়কজুড়ে তৈরি করা হয় আলোকসজ্জা ও বর্ণিল তোরণ।
    শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার প্রধান মাওলানা আবদুল ওয়াজেদ। পাশাপাশি বিভিন্ন ইসলামি সংগঠন, মাদ্রাসা ও স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন শোভাযাত্রায়।
    শোভাযাত্রা শেষে বনরূপা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি জেলা গাউসিয়া কমিটির আহ্বায়ক হাজী আলী আকবর সওদাগর। সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব শামীম জাহাঙ্গীর।
    আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বনরূপা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা ইকবাল হোসাইন আল ক্বাদেরী, রিজার্ভ বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবু নওশাদ নঈমীসহ অন্যান্যে আলেম-উলামা। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম, পুরাতন বাসস্টেশন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সুলতান মাহমুদ আল ক্বাদেরী, তৈয়বিয়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মো. আখতার হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
    বক্তারা বলেন, ১২ রবিউল আউয়াল মানবজাতির ইতিহাসে সবচেয়ে আনন্দের দিন—যেদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) দুনিয়ায় আগমন করেন। তাঁর জীবনাদর্শে শান্তি, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার শিক্ষা নিহিত।
    এ সময় বক্তারা সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তাঁরা জশনে জুলুছকেও রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানান।
    শোভাযাত্রা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক দলের শত শত সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ফলে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
    ধর্মীয় এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে রাঙামাটি শহরে সৃষ্টি হয় ভ্রাতৃত্ব ও আধ্যাত্মিক উচ্ছ্বাসের পরিবেশ। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের আয়োজন মুসলিম সমাজে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও ধর্মীয় চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করে।
    অনুষ্ঠানের শেষাংশে দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।#

  • রাঙামাটিতে সংবাদকর্মীকে হুমকি:থানায় সাধারণ ডায়েরি।

    রাঙামাটিতে সংবাদকর্মীকে হুমকি:থানায় সাধারণ ডায়েরি।

    রাঙামাটি শহরের কে কে রায় সড়কে এক সংবাদকর্মীকে হুমকির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন তিনি।
    মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাঙামাটি কোতোয়ালি থানায় হাজির হয়ে এ সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৪৬৬) করেন রূপান্তর বাংলা পত্রিকার রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি এসএম জাহাঙ্গীর আলম।
    সাধারণ ডায়েরিতে জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, সেদিন তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মাদার্স টেলিকম’-এ বসে ছিলেন। এ সময় একজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এসে তার নাম জানতে চান। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তি বলেন, উল্টাপাল্টা নিউজ কর? বিষয়টা ঠিক না। তোমাকে পরে দেখে নেব। এরপরই দ্রুত সেখান থেকে চলে যান তিনি।
    এই ঘটনাকে সরাসরি হুমকি মনে করছেন সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
    কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন বলেন, “সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম থানায় হাজির হয়ে বিষয়টি আমাদের জানিয়েছেন। তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    এদিকে, জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেন, ঘটনার দুই দিন আগে তিনি রাঙামাটির একটি আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন। এর জের ধরে কেউ তাকে হুমকি দিতে পারে বলে তার ধারণা।
    স্থানীয় সাংবাদিক মহল এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • রাঙামাটিতে সহশিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের বৈঠক।

    রাঙামাটিতে সহশিক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের বৈঠক।

    সহশিক্ষা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও সময়োপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মহোদয়ের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাঙামাটি ইউনিট।
    বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হাবিব উল্লাহ। সভায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন, সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং যুবসমাজকে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
    অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলার শিক্ষা অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলা ইউনিটের অ্যাডহক কমিটির সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান এস. এম. শফিউল আজম, সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল ইসলাম সাকিল এবং ইউনিট লেভেল অফিসার মোঃ আব্দুল গণি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন।
    বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত যুব প্রধান দেলোয়ার হোসেন তানভীর, সকল উপজেলার টিম লিডার এবং জেলার এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত যুব প্রধান দেলোয়ার হোসেন তানভীর, সকল উপজেলার টিম লিডার এবং জেলার যুব সদস্য মোঃ মেহেরাজ উদ্দীন শান্ত, মোঃ নুরুল আমিন জুবায়েদ, মোঃ সাকিল এবং মো সাজিদসহ আরো অনেকেই সদস্যবৃন্দ।
    সভায় জেলা প্রশাসক শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করার পাশাপাশি রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রমকে বিদ্যালয়ভিত্তিক আরও প্রসারিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সহশিক্ষা কার্যক্রম শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠনে নয়, ভবিষ্যতে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে তাদের এগিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখবে।
    রেড ক্রিসেন্টের নেতৃবৃন্দ জানান, এই ধরনের উদ্যোগ রাঙামাটির শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। বৈঠক শেষে আগামী দিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহশিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

  • রাঙামাটিতে সার্বজনীন গণেশ পূজা:ঢাক-ঢোল,শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ।

    রাঙামাটিতে সার্বজনীন গণেশ পূজা:ঢাক-ঢোল,শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ।

    শঙ্খধ্বনি আর ঢাকের বাজনায় মুখরিত হয়ে উঠেছিল রাঙামাটির কলেজগেইট দুর্গা মাতৃমন্দির চত্বর। ধূপধুনোর গন্ধে ভরে উঠেছিল চারদিক। রঙিন সাজসজ্জায় সেজে উঠেছিল মন্দির এলাকা। একে একে ভক্তরা প্রবেশ করছিলেন ভক্তিভরে, কেউ প্রণাম করছেন, কেউ প্রদীপ জ্বালাচ্ছেন। পাহাড়ি শহর রাঙামাটি যেন পরিণত হয়েছিল উৎসবের নগরীতে।
    শুভকর্ণ সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো শ্রী শ্রী সার্বজনীন গণেশ পূজা। এ উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক বিজয় কৃষ্ণ দে। সঞ্চালনা করেন রূপন কান্তি দাশ।
    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সংসদের সহধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু।
    এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক বাচ্চু মিয়া, জেলা জাসাসের সভাপতি কামাল হোসেন, জেলা যুবদলের সহসভাপতি শাহ আলম, সহসাধারণ সম্পাদক মো. কামাল, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক রহিম উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরনবী, যুবদল নেতা মো. আব্দুলসহ আরও অনেকে।
    অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন,
    গণেশ পূজা আমাদের মনে করিয়ে দেয় ভিন্ন ধর্মের মানুষ হলেও আমরা সবাই একই সমাজের অংশ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা মানে দেশকে শক্তিশালী করা। আজকের সময়ে একে অপরের ধর্মকে সম্মান জানানোই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
    রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু বলেন,
    আমরা চাই রাঙামাটি হোক সম্প্রীতির মডেল। পাহাড়ি-বাঙালি, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে থাকবে। এ ধরনের আয়োজন আমাদের সেই ঐতিহ্যকে আরও দৃঢ় করে।
    আলোচনা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ভক্তরা মাথা নত করে প্রার্থনা করেন শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির জন্য। মন্দিরের উঠোনে তখন এক অন্য দৃশ্য—শিশুরা আনন্দে মেতে উঠেছে, প্রবীণরা গল্প করছেন, কেউবা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন প্রতিমার সৌন্দর্য।
    সন্ধ্যার আঁধার নামতেই প্রদীপের আলোয় ঝলমল করে ওঠে মন্দির চত্বর। পাহাড়ি শহরের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের রঙ, আনন্দের সুর।
    রাঙামাটির এই আয়োজন আবারও মনে করিয়ে দিল—ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সম্প্রীতির বাংলাদেশেই এর সৌন্দর্য।

  • রাঙামাটিতে স্থানীয় সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের উঠান বৈঠক

    রাঙামাটিতে স্থানীয় সরকার উন্নয়ন প্রকল্পের উঠান বৈঠক

    রাঙামাটি পৌরসভায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ও এএফডি (AFD)–এর অর্থায়নে পরিচালিত স্থানীয় সরকার উন্নয়ন প্রকল্প-৩ (UGIIP) এর আওতায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পৌর এলাকার সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও টেকসই করার লক্ষ্যে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়।
    রাঙামাটি কলেজ গেইট মোটেল জর্জ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।এ উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) রাঙামাটি কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ শফী, ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
    বৈঠকে বক্তারা বলেন, নাগরিক সেবা উন্নয়ন, অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের মতামত অত্যন্ত জরুরি। এজন্য নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ওয়ার্ড পর্যায়ে এ ধরনের উঠান বৈঠককে নিয়মিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
    উপস্থিত বক্তারা আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণও সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। আলোচনায় নাগরিক সেবা প্রাপ্তি ও সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্থানীয়দের মতামত গ্রহণ করা হয়।
    এ সময় আহমদ শফী বলেন,
    “UGIIP প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো টেকসই নগর উন্নয়ন। তাই প্রত্যেক নাগরিককে এ প্রক্রিয়ার অংশীদার হতে হবে। নাগরিকের মতামতকে মূল্যায়ন করেই উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।
    বৈঠক শেষে স্থানীয়দের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওয়ার্ডবাসীরা তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন এবং কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

  • রাঙামাটিতে মাসব্যাপী ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ:পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

    রাঙামাটিতে মাসব্যাপী ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ:পর্যটন শিল্পে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

    পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে এবং স্থানীয় তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে চলছে মাসব্যাপী ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। প্রশিক্ষণের আজ ছিল পঞ্চম দিন।
    এদিন ক্লাস নেন ট্যুরিস্ট পুলিশ রাঙামাটি রিজিয়নের সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব নিহাদ আদনান তাইয়ান। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপদ পর্যটন, পর্যটকদের সেবা প্রদান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে গাইডদের ভূমিকা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    রাঙামাটি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের খনি নয়, এখানকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আতিথেয়তা পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ। একজন দক্ষ ট্যুর গাইড এই সৌন্দর্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারলেই দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙ্গা হবে।
    প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া একাধিক তরুণ জানান, এই কোর্স তাদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। পর্যটন সেক্টরে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন তারা।
    রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু পর্যটন বাড়ানো নয়, তরুণদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা। প্রশিক্ষণ শেষে সনদপ্রাপ্ত গাইডরা দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে কাজ করতে পারবে।
    রাঙামাটিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে দেশের অন্যতম বড় পর্যটন শিল্প। তাই পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ ও পেশাদার গাইডের অভাব পূরণে এই উদ্যোগকে মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।