Blog

  • সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সাথে জোট করবো না- হাসনাত আব্দূল্লাহ

    সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সাথে জোট করবো না- হাসনাত আব্দূল্লাহ

    জাতীয় নাগরিক পাটি এনসিপির কেন্দ্রীয় মূখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিনাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপির উদ্দেশ্য বলেছেন গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম ঘুষ-দূর্নীতি থেকে বাচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন, আমরা আপনাদেরকে যথাযোগ্য সম্মান দবো । যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায় নির্যাতন জুলুমের স্বীকার হয়েছে তাদের পাশে আমাদের দাড়াতে হবে। বিএনপি জামায়াতে যদি নিরাপদ মনে না করেন তাহলে এনসিপিতে ফিরে আসুন,আপনাদের আমরা যথাযোগ্য মর্যদায় গ্রহণ করবো, আপনাদের সাথে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ব। এনসিপি যেই অবস্থান নেয় বিএনপি জামাত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে। তাই আগামীতে যাই কিছুই আসুক তা রাজপথে মোকাবেলা হবে। বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব এনসিপি দেবে। আগামী দশ বছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে। যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আপনাদেরকে বাংলাদেশের জনগন সঠিক সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে মানুষ অতিষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে। ইতিমধ্যে জনগন আপনাদের বুলেটের জবাব ব্যালটে দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।
    হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেছেন,সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সাথে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়, আমরা নির্বাচনে সিট পুনর্বণ্টনে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। কোন প্রকার টাকা,গুন্ডা ও পেশি শক্তি ছাড়া আমরা যদি পাচশ ভোটও পাই সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। আমরা খেলতে আসিনি আমরা পুরো খেলার নিয়ম পরিবর্তন করতে আসছি।
    তিনি বলেন গনভোট দিতে হবে, চুপ্পুর হাত থেকে কোন জুলাইয়ের সনদ আমরা নেবোনা, ড.ইউনুছকে দিতে হবে। চুপ্পুর হাত থেকে জুলাই সনদ নেয়া তার চেয়ে বিষ খাওয়া ভালো।
    বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামীলীগকে না বলার। আওয়ামীলীগ এদেশে আর থাকতে পারবে না আমরা থাকতে দেব না। আমরা এদেশ থেকে আওয়ামীলীগ মুক্ত করবো। ভারতের আদিপত্যবাদ মূক্ত
    আমরা চাইনা পরবর্তী বাংলাদেশে কোন ডিবি হারুন বেনজির জন্ম হোক চাইনা। আমরা এসব মাফিয়াতন্ত্র আর এদেশের মাটিতে তৈরী হতে দেবোনা।
    তিনি বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। রাঙ্গামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে এ সমন্বয় সভা অনুস্টিত হয়।
    এনসিপি রাঙ্গামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে অনুস্টিত উক্ত সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন,পার্বত্য অঞ্চল তত্তাবধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ন আহবায়ক কলিন চাকমা,বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল,খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমূখ, রাঙ্গামাটির জেলা ১ম যুগ্ম সমন্বয়ক এনসিপি নেতা জাহিদুল, শহিদ খান, যুগ্ম সমন্বয়কারী রাঙ্গামাটি জেলা প্রমূখ। #

  • লংগদুতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনা বীজ–সার বিতরণ

    লংগদুতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারি প্রণোদনা বীজ–সার বিতরণ

    রাঙামাটির লংগদুতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকারের প্রণোদনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে লংগদু উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি, সরিষা, অড়হড়সহ বিভিন্ন ফসলের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি অফিস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লংগদু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জাহাঙ্গীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়াসিফ রহমান এবং জেলা পরিষদ সদস্য মিনহাজ মোরশেদ।
    বক্তারা বলেন, বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষককল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির এই সময়ে এ ধরনের সরকারি সহায়তা কৃষকদের প্রকৃত উপকারে আসবে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসল উৎপাদনে যে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবেলায় আধুনিক প্রযুক্তি ও নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানান তারা।
    কৃষি বিভাগ জানায়, বিতরণকৃত উপকরণ ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়লে দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের টেকনিক্যাল সহায়তাও অব্যাহত থাকবে।
    সরকারের এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন উপকারভোগী কৃষকেরা। তাদের মতে, এ সহায়তা মৌসুমে উৎপাদন ব্যয় কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
    সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারি এ প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

  • রূপসী কাপ্তাইয়ের ব্যতিক্রমি আয়োজন : হারিয়ে  যাওয়া বউ-ছি ও হা-ডু ডু খেলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ

    রূপসী কাপ্তাইয়ের ব্যতিক্রমি আয়োজন : হারিয়ে যাওয়া বউ-ছি ও হা-ডু ডু খেলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ

    আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসানে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা। একসময় গ্রামগঞ্জ এবং স্কুলে বউছি খেলা, হা- ডু ডু খেলা, কানামাছি, দাঁড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট খেলা দেখা মিললেও আধুনিক সভ্যতার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে আমরা ইতিমধ্যে হারিয়েছি আমাদের অনেক ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, আচার, আচরণ, কৃষ্টি এবং সংস্কৃতিকে। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা জানে না বউছি খেলা, দাড়িয়াবান্ধা খেলা কিংবা কানামাছি খেলা কি৷ তাই হারিয়ে যাওয়া এইসব গ্রামীণ খেলাধূলাকে পুনরায় ফিরে আনার লক্ষ্যে রাঙামাটির কাপ্তাই হতে প্রকাশিত মাসিক সাময়িকী রূপসী কাপ্তাইয়ের উদ্যোগে বউছি খেলা এবং হা- ডু- ডু খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

    সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় কাপ্তাই ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
    শুরুতেই ছেলেদের হা- ডু- ডু খেলা অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কুকিমারা লোটাস শিশু সদন আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয় । এতে ৩০-২০ পয়েন্ট এ কুকিমারা লোটাস শিশু সদন আবাসিক বিদ্যালয় ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়কে পরাজিত করেন।
    পরে মেয়েদের বউছি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয় এবং কুকিমারা লোটাস শিশু সদন আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয় । এতে উভয় দল ৩৯-৩৯ পয়েন্ট অর্জন করেন। ফলে এ খেলা ড্র হয়।
    এর আগে কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে: কর্নেল কাওসার মেহেদী সিগন্যালস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই গ্রামীণ খেলাধুলার উদ্বোধন করেন এবং খেলোয়াড়দের সাথে পরিচিত হন। এসময় তিনি বলেন, আমাদের গ্রামবাংলার অনেক খেলা আজ বিলুপ্তির পথে, এইসব হারিয়ে যাওয়া খেলাকে পুনরায় আমাদের মাঝে ফিরে আনতে হবে। আজকে রুপসী কাপ্তাই যেই উদ্যোগ গ্রহন করেছেন তা সত্যি প্রশংসনীয়।
    রূপসী কাপ্তাইয়ের সম্পাদক সাংবাদিক কাজী মোশাররফ হোসেন এবং কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কাপ্তাই উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো হোসেন, ১০০ নং ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান অরুণ তালুকদার, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিমল তনচংগ্যা, বড়ইছড়ি কর্ণফুলী নুরুল হুদা কাদেরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়সীম বড়ুয়া, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিপ্লব কুমার চৌধুরী , লোটাস শিশু সদন আবাসিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হ্রাংহ্লামং মারমা, সহকারী প্রধান শিক্ষক মুন্নী বড়ুয়া সহ স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
    খেলা পরিচালনা করেন কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহাবুব হাসান বাবু, ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কল্যান বিকাশ তনচংগ্যা এবং আল আমিন নুরিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আব্দুল কাদের।
    পরে অতিথিরা বিজয়ী এবং বিজিত দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।
    উদ্বোধনের আগে ওয়াগ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর নাচ এবং গান পরিবেশন করেন।। #

  • পুলিশ কোন দল-মত-আদর্শের নয় !  এ জনপদের সবার—ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ।

    পুলিশ কোন দল-মত-আদর্শের নয় ! এ জনপদের সবার—ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ।

    বাংলাদেশ পুলিশ কোন দল-মত-আদর্শের সম্পর্কিত নয়। এ জনপদের সকলের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ একথা বলেছেন ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ।
    ০২ ও ০৩ নভেম্বর ২০২৫ খ্রি. বাংলাদেশ পুলিশের নির্দেশনায় জেলা পুলিশ কর্তৃক আয়োজিত রাঙ্গামাটি মারী স্টেডিয়ামে দু’দিনের সম্প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।
    শৃঙ্খলা নিরাপত্তা প্রগতি”- খেলাধুলায় গড়ে উঠুক সম্প্রীতি” এ স্লোগান নিয়ে ২ নভেম্বর বিকেল ৩টায় শহরের মারী স্টেডিয়ামে জেলা পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এ সম্প্রীতির টুর্ণামেন্টের সম্প্রীতির ফুটবল ম্যাচ এর প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ,বিপিএম-সেবা (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম-কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স),ডিএমপি ফরিদা ইয়াসমিন,রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ,উপ-পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি কাজী নুসরাত এদীব লুনা,জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সরিৎ কুমার চাকমা,রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য বরুণ বিকাশ দেওয়ান এবং রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হারুন-অর-রশিদ। জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন,স্কুলের কোমলমতি ছাত্রত্র/ছাত্রী সহ অগনিত ফুটপ্রিয় দর্শক।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি বলেন,“খেলাধুলা কেবল বিনোদন নয়,এটি সমাজে শৃঙ্খলা,ন্যায়বোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতা গড়ে তোলে। খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক চিন্তার অন্যতম মাধ্যম। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশের এই আয়োজন প্রমাণ করে-পুলিশ জনগণের বন্ধু,অংশীদার এবং শান্তির অগ্রদূত। পাহাড়ের এই অঞ্চলে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের সংস্কৃতি রক্ষায় এমন উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয়।”
    তিনি আরো বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে আপানাদের একটি মেসেজ দিতে চায়,আমরা বাংলাদেশ পুলিশ এ জনপদের সবার জন্য,কোনদল,মত-আদর্শের সম্পর্কিত নয়,আমরা বাংলাদেশ পুলিশ এ জনপদের সকলের জন্য কাজ করছি,বাংলাদেশের সমস্ত প্রশাসন কাজ করছে জনপদের সর্বস্তরের মানুষের সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য,তাদের যে কৃষ্টি-কালচার রয়েছে,তাদের যে জীবনাচার রয়েছে,সবার প্রতি আমাদের সম্মান- শ্রদ্ধা ভালবাসা সমান রয়েছে,অটুট রয়েছে। এই জিনিসটিই প্রমান করার জন্য এ উদ্যেগ- আয়োজন।
    অনুর্দ্ধ ১৪ বছর বয়সী ছাত্রদের নিয়ে সম্প্রীতি ফুটবল ম্যাচে আজকের অনুষ্টিত হয় রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় বনাম রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়। খেলায় নির্ধারিত সময়ে কোন পক্ষ গোল করতে সমর্থ না হওয়া রানী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় ট্রাইবেকারে ৪- ২ গোলে রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়কে হারিয়ে বিজয়ী হন।
    রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের আয়োজনে আগামী ৩রা নভেম্বর সম্প্রীতির মিনি ম্যারাথন সকাল ৭টায় রাঙ্গামাটি পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু হয়ে মারী স্টেডিয়াম শেষ হবে এবং সকাল ১০টায় স্টেডিয়ামে সম্প্রীতির হ্যান্ডবল খলা অনুষ্টিত হবে।
    এ খেলা উপভোগ করতে মাঠে গ্যালারী উপচে পরা ভীড় ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের। বিশেষ করে স্কুল মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ও প্রবীনদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। #

  • প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারীতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে – ফরিদা আখতার

    প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারীতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে – ফরিদা আখতার

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার কথা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারীতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটা সেভাবেই হবে এবং আমরা সে প্রক্রিয়ায় আগাচ্ছি।

    উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ব্যাপারটি নির্বাচন কমিশনের। আমাদের ক্যাবিনেট মিটিং আইনিভাবে এই সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত যে যে কাজগুলো করার কথা আমরা করে যাব এবং ক্যাবিনেটেই সেই সিদ্ধান্তগুলো হবে।

    রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে  কাপ্তাই হ্রদের স্টেকহোল্ডারদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    এর আগে রাঙ্গামাটি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ রুহুল আমীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) ফারাহ শাম্মী।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন,জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ নূয়েন খীসা,জেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আব্দুল আলীম, জেলা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবি দলের সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম বাচা,জেলা এনসিপির সমন্বয়কারী মোঃ জাহিদুল ইসলাম,নাগরিক পরিষদ প্রতিনিধি এম এ বাশার,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র প্রতিনিধি সায়েদা ইসলাম সাদিয়া,জেলা মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুর শুক্কুর, পেশাজীবি মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি মোহর আলীসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধি,পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিএফডিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভার শুরুতে কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন জেলা বিএফডিসি ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোহাম্মদ ফয়েজ আল করিম।

    উপদেষ্টা সাংবাদিকদের আরো বলেন,কাপ্তাই লেক রক্ষার জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে ড্রেজিং করা এবং এটা এখানকার সকলের দাবি। তাছাড়া কাপ্তাই লেকে দুষণের পরিমানও দিনদিন বাড়ছে,এখানে লেকে পয়ঃনিষ্কাষণসহ যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। দুষণের ব্যাপারে স্থানীয় সরকার,পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং আরো যারা সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে কি করা যায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

    উপদেষ্টা আরো বলেন, কাপ্তাই লেকে পলি জমে যাওয়ার কারনে পলি পরে লেক ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে পানির স্তর কমে যাওয়ায় পানির উপরের স্তরে বড় মাছগুলো থাকতে পারছেনা। এ কারনে লেকে ছোট মাছের আধিক্য বেড়েছে এবং বড় মাছ কমে যাচ্ছে। লেকটাকে রক্ষা করতে সরকারের পাশাপাশি সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

    উপদেষ্টা আজ সোমবার বিকেলে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন,বিএফডিসির কাপ্তাই উপকেন্দ্র ও বিএফআইডিসির স্থান পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। #

  • বনরুপা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি  জসিম, সাধারণ সম্পাদক  লিটন

    বনরুপা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জসিম, সাধারণ সম্পাদক লিটন

    ২৫শে অক্টোবর শনিবার অনুষ্টিত রাঙ্গামাটি শহরের বৃহত্তর বনরূপা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে ব্যবসায়ী মো. জসিম উদ্দিন (প্রতীক-চেয়ার) ও সাধারণ সম্পাদক পদে বিএম শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির নেতা এমএস জাহান লিটন (প্রতীক-প্রজাপতি) নির্বাচিত হয়েছেন

    অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন-
    সহ-সভাপতি পদে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী এম নেকবর আলী (প্রতীক-টেবিল ফ্যান), সংরক্ষিত সহ-সভাপতি পদে গঙ্গামানিক চাকমা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

    সমিতির মূখ্য নির্বাহী পদ সাধারণ সম্পাদক পদে বিএম শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির নেতা এমএস জাহান লিটন (প্রতীক-প্রজাপতি), সহ সাধারণ সম্পাদক পদে আক্তার হোসেন (প্রতীক-উড়োজাহাজ)।

    সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. কামাল উদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থ সম্পাদক পদে বিকাশ ধর (প্রতীক-বই), দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ বেলাল উদ্দিন (প্রতীক-বাস)।

    প্রচার যোগাযোগ ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে সাবেক সম্পাদক মোঃ হালিম শেখের (প্রতীক খেজুঁর গাছ), ধর্মীয় সাহিত্য ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে সমিতির সাবেক কার্যকরী সদস্য হাফেজ মোঃ ওমর ফারুকের (প্রতীক-কাঁঠাল)।

    কার্যকরী সদস্য পদে মোঃ নাছির উদ্দিন (প্রতীক কেটলি) ও মোঃ রফিকুল ইসলাম (প্রতীক-হরিণ) নির্বাচিত হয়েছেন।

  • পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি শুধু দায়িত্বের বৃদ্ধি নয়, এটি সততা ও জনগণের সেবায় নিবেদিত অঙ্গীকার – পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটি

    পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি শুধু দায়িত্বের বৃদ্ধি নয়, এটি সততা ও জনগণের সেবায় নিবেদিত অঙ্গীকার – পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটি

    রাঙ্গামাটিতে পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৫ এর ক্যাম্প প্রশিক্ষণ, প্যারেড ও সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা বোর্ডের সভাপতি ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে বাংলাদেশ পুলিশের অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৫ উপলক্ষে কনস্টেবল/নায়েক হতে এএসআই (নিরস্ত্র), এএসআই (নিরস্ত্র) হতে এসআই (নিরস্ত্র), কনস্টেবল হতে এটিএসআই, কনস্টেবল হতে নায়েক, নায়েক হতে এএসআই (সশস্ত্র) এবং এএসআই (সশস্ত্র) হতে এসআই (সশস্ত্র) পদে পদোন্নতি পরীক্ষার ক্যাম্প প্রশিক্ষণ, প্যারেড ও সাক্ষাৎকার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) জনাব শেখ মো. সেলিম মহোদয়, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) জনাব মোজাম্মেল হক মহোদয় এবং রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের সংরক্ষিত পুলিশ পরিদর্শক (আরআই) জনাব মো. ফোরকান শরীফ।

    পরীক্ষা শেষে পুলিশ সুপার পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য প্রদান করে বলেন, পুলিশ সদস্যদের পদোন্নতি শুধু দায়িত্বের বৃদ্ধি নয়, এটি সততা, শৃঙ্খলা ও জনগণের সেবায় আরও নিবেদিত হওয়ার অঙ্গীকার।

    এ সময় পুলিশ সুপার পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের প্যারেড, টার্নআউট, ড্রিল কমান্ড পর্যবেক্ষণ, অস্ত্র বিষয়ক পরীক্ষা, ক্যাম্প পরিদর্শন ও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন এবং বিধি মোতাবেক পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করেন।#

  • বিলাইছড়িতে নৌকা থেকে কাপ্তাই লেকের পানিতে পড়ে  অন্তঃসত্বা নারীর মৃত্যু

    বিলাইছড়িতে নৌকা থেকে কাপ্তাই লেকের পানিতে পড়ে অন্তঃসত্বা নারীর মৃত্যু

    লতা মারমার সন্ধানে কাপ্তাই হ্রদে জাল ফেলে তল্লাশি চলছে। আজ সকালে রাঙামাটি বিলাইছড়িতে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ডুবে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় বাজারে যাওয়ার পথে একটি নৌকা থেকে পড়ে গিয়ে হ্রদের পানিতে তলিয়ে যান তিনি। পরে হ্রদে জাল ফেলে ওই নারীর লাশ উদ্ধার হয়।
    আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার বিলাইছড়ির কেরণছড়ি এলাকা থেকে ঐ নারীর লাশটি উদ্ধার হয়েছে।
    নিহত নারীর নাম লতা মারমা(৩২)। তিনি উপজেলার কেংড়াছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শামুকছড়ি বাসিন্দা মিলন কান্তি চাকমার স্ত্রী। কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রামাচরন মারমা বলেন, সকালে লতা মারমা নৌকায় করে বাড়ি থেকে বিলাইছড়ি বাজারে যাচ্ছিলেন। কেরণছড়ি এলাকায় নৌকা থেকে পড়ে যান তিনি। নৌকায় তাঁর ভাশুরের দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া একটি ছেলেও ছিলেন। ছেলেটি বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি বলার পর লতা মারমাকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লতা মারমার অচেতন দেহ কাচকি জালে উঠে আসে। এরপর এটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
    বিলাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নূর উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই লতা মারমার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর খবরে লতা মারমার স্বামী ও শ্বশুর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

    বিলাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়া দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

  • ডিসেম্বরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে – পার্বত্য উপদেষ্টা

    ডিসেম্বরেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে – পার্বত্য উপদেষ্টা

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামে ই-লার্নিং স্কুল চালু করা হবে। খাগড়াছড়ি,রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে ৩টি করে মোট ৯টি স্কুলে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা ই-লার্নিং শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স, রোবটিকস ব্যবহার করা সহ গ্লোবাল কমিউনিটিতে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর ইচ্ছা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে ১০০টি ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে।

    আজ বিকালে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে ই-লার্নিং স্কুল প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার বৈষম্য দূর করতে চাই। তিনি জানান, নির্বাচিত স্কুলগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী ও দক্ষ শিক্ষকরা শহর থেকে অনলাইনে স্বেচ্ছায় পাঠদান করতে পারবেন, এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞান, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকের অভাব পূরণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই ই-লার্নিং স্কুলগুলো পার্বত্য অঞ্চলের শিশুদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং তাদের জাতীয় পাঠ্যক্রম অনুযায়ী মানসম্পন্ন ডিজিটাল শিক্ষার সুযোগ প্রদান করবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. সানাই প্রু ত্রিপুরা, যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ। #

     

  • ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে রাঙ্গামাটিতে ইফা’র টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে রাঙ্গামাটিতে ইফা’র টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ বিষয়ক দিনব্যাপী পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (৮ অক্টোবর) সকালে রাঙ্গামাটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ের মিলনায়তনে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় এই ওয়ার্কসপ অনুষ্ঠিত হয়।

    ইফা’র উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি পৌরসভা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, সিভিল সার্জন ডাক্তার নূয়েন খীসা, মেডিকেল অফিসার ডাক্তার কে এম আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা ইপিআই প্রতিনিধি জনাব সাইফুল ইসলাম সহ সভায় জেলা পর্যায়ের প্রায় অর্ধশত ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ওয়ার্কসপে বক্তারা বলেন, টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যাধি। টিকা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের এ রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। এর জন্য জনসচেতনতা বাড়াতে আলেম ওরামাদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। আলেম ওলামাদের সহযোগিতায় সচেতনতা ছড়িয়ে পড়বে শিশু কিশোরদের মধ্যে, আর এতে টাইফয়েড সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

    বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০২১ সালে প্রায় ৪ লাখ ৭৮ হাজার জন টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়। যার মধ্যে ৭ হাজার জন মৃত্যুবরণ করেন। টাইফয়েড রোগ নিয়ন্ত্রণে সরকার ইপিআই এর ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে টিকা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটিতে টাইফয়েড টিকাদান করা হবে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী (নবম শ্রেণী) পর্যন্ত। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে এ টাইফয়েড টিকা প্রদান শুরু হবে।