Blog

  • রাঙ্গামাটিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

    রাঙ্গামাটিতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা

    পার্বত্য রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মানিকছড়ি মুখ এলাকায় অবৈধভাবে কাপ্তাই লেকের বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন এবং উত্তোলনকৃত বালু মজুদের অভিযোগের দায়ে এক ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটায় রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আসমার নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিপণনের প্রস্তুতির সত্যতা পাওয়া যায়। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অপরাধী ফাহিম (২৫) কে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

    অভিযানকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, মগবান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মানিকছড়ি মুখ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। ।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাপ্তাই লেকে এধরণের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।#

  • রাঙ্গামাটির রাজবন বিহারে উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা।

    রাঙ্গামাটির রাজবন বিহারে উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা।

    দেশের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে রাঙামাটির রাজবন বিহারসহ বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা।

    বৌদ্ধ ধর্মীয় ভিক্ষুরা তিন মাস বর্ষাবাসের শেষ দিনটিতে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করেন।

    প্রবারণা হল আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণের ধর্মীয় উৎসব।
    সকাল থেকে রাঙামাটির রাজবন বিহারে বৌদ্ধপঞ্চশীল প্রার্থনা, বুদ্ধপূজা, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, বুদ্ধ মূর্তি দান, অন্নদানসহ নানাবিধ দানের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মীয় দেশনা দেন রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির।
    এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক হাবিব উল্লাহ, রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার এসএম ড. ফরহাদ হোসেন,কেন্দ্র বিএনপি’র ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।
    শুধু রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে নয়,
    বিভিন্ন বিহারে বুদ্ধ পতাকা উত্তোলন, ভিক্ষু সংঘের পিন্ডদান ও প্রাতঃরাশ, মঙ্গল সূত্র পাঠ, বুদ্ধ পূজা, পঞ্চশিল প্রার্থনা, মহাসংঘ দান, প্রদীপ পূজা, হাজার বাতি দানসহ বিভিন্ন দানানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রবারণা উদযাপন করা হচ্ছে।

    ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব প্রাণীর মঙ্গল ও বিশ্ব শান্তি কামনায় সমবেত প্রার্থনা করা হয়।#

  • দুদকের মামলায় রাঙামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্যসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    দুদকের মামলায় রাঙামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্যসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের মামলায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. আহসান তারেক এ আদেশ দেন।

    মামলার এজাহার সূত্র জানা গেছে, ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯, ২০১৯-২০ অর্থবছরসহ বিগত সময়ে রাঙামাটির বরকল উপজেলায় জেলা পরিষদ থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু বরাদ্দ অনুযায়ী উন্নয়ন কাজ দৃশ্যমান হয়নি। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ সালের ৮ জুন পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেন দুদক রাঙামাটি সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আহমেদ ফরহাদ হোসেন। মামলা দায়েরের দুই বছর পর আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলো।

    মামলার আসামিরা হলেন- রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য সবির কুমার কুমার, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী আবদুস সামাদ ও বিরল বড়ুয়া, সহকারী প্রকৌশলী জ্যোতির্ময় চাকমা, উপসহকারী প্রকৌশলী রিগ্যান চাকমা, ভূষণছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশীদ, ঠিকাদার চিং হেন রাখাইন, মিলন তালুকদার ও অমলেন্দু চাকমা।
    দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জুয়েল দেওয়ান বলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলীসহ অন্যান্য প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা চারটি মামলায় চার্জশিট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হয়। আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিয়েছেন এবং চার মামলার প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। #

  • উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা’র সঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রদূতদের সৌজন্য সাক্ষাত

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা’র সঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রদূতদের সৌজন্য সাক্ষাত

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলার (ক্রিস) এবং ডেনমার্ক দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি, হেড অফ পলিটিক্স, ওল্লে লানডিন আজ এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    আজ রবিবার সকালে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান তিন কূটনীতিকের উন্নয়ন ভাবনা ও আগ্রহকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জানান।

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়নের জন্য কোয়ালিটি এডুকেশন, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং কৃষি খাতের আধুনিকায়ন অপরিহার্য। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, এসব উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকার বিষয়ে সচেতন এবং এসব বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে স্টারলিংক ব্যবহারের মাধ্যমে ১০০টি স্কুলে ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু হয়েছে এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ১০০টি স্কুলে স্টারলিংক ব্যবহারে অনলাইন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, বিভিন্ন ভাষাভাষি সম্প্রদায়ের ভাষা ও বর্ণমালাগুলো সংরক্ষণের জন্য প্রাইমারি স্কুল লেভেলে ভাষাভিত্তিক বই মুদ্রণ করা হচ্ছে এবং স্থানীয় ভাষা শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কাপ্তাই লেকের যথাযথ ব্যবহার এবং স্থানীয় সম্পদের সুবিধা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। পরিবেশ সহায়ক হারমোনিয়াস অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পানির দুষ্প্রাপ্যতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও তিনি জানান।

    বৈঠকে তিন দেশের প্রতিনিধিরা চার্টার অব এনসিপি, পিআর এবং বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস অফিস নিয়ে তাদের মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণে বাংলাদেশ সরকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়ে সুষ্ঠু, অবাধ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে।

    পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে সকলে মিলে কাজ চলছে। তিনি প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন, পরিবেশ সম্মত ট্যুরিজম এবং নার্সিং খাতে সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। কফি ও কাজু বাদাম চাষ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। তিনি পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এই অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলার (ক্রিস) এবং ডেনমার্ক দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি ও হেড অফ পলিটিক্স, ওল্লে লানডিনও একই মনোভাব প্রকাশ করেন।

    বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান এবং সিনিয়র সহকারী সচিব শুভাশীষ চাকমা।

    মো. রেজুয়ান খান, জনসংযোগ কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ০১৮২৫৮৯৭৮১৮

  • রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অনুমোদিত রাঙ্গামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ)।

    এসময় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ এর ধারাঃ ২ (১৫)-এ উল্লিখিত স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থার সংশ্লিষ্ট গঠনতন্ত্র মোতাবেক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উপর অর্পিত ক্ষমতা অনুসরণে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ এর ধারা: ২ (৪) ও ৮-এ বর্ণিত পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান কর্তৃক সদয় অনুমোদিত। অনুমোদিত এ্যাডহক কমিটির গঠন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ এর ধারা: ১৪ (৩) অনুসরণে নিম্নরূপে নির্দেশক্রেমে ২৭ মে-২০২৫ ইংরেজি তারিখের প্রজ্ঞাপন এবং ১৯ জুন-২০২৫ ইংরেজি তারিখ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সচিব (যুগ্মসচিব) মো. আমিনুল ইসলাম, এনডিসি স্বাক্ষরিত রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য মো. সফিকুল ইসলাম চৌধুরী, নির্মল বড়ুয়া মিলন, আবু সাদাত মো. সায়েম, মোহাম্মদ আলী পাটোয়ারী, সৈয়দ হেফাজত-উল-বারী (সবুজ), হৃদয় চাকমা ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ।

    এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ২৭ আগষ্ট-২০২৪ ইংরেজি তারিখের প্রজ্ঞাপন এর সার্কুলার মোতাবেক সভাপতির অনুমতিক্রমে সহযোগিতা/পরামর্শের জন্য সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুহুল আমীন হওলাদার, রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সহসভাপতি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ক্রীড়া সংগঠক এড. মামুনর রশিদ মামুন, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সহসভাপতি রাঙামাটি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ক্রীড়া সংগঠক আবুল বাসেত অপু,ছদক ক্লাবের সভাপতি প্রীতিময় চাকমা, ছাত্র প্রতিনিধি ও রাঙামাটি সরকারি কলেজের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শাকিল এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস সচিব আব্দুল করিম লালু প্রমুখ।
    রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির প্রথম সভার আলোচ্য সূচি: পরিচিতি পর্ব,খেলোয়াড় হোস্টেল নির্মাণ সংক্রান্ত, দোকান ভাড়ার চুক্তি নবায়ন ও পুকুর লীজ সংক্রান্ত, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত এবং বিবিধ।

    রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির প্রথম সভা শেষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম অংশিজন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাকিব হাসানের নেতৃত্বে এ্যাডহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ (মারুফ) এর হাতে ফুল দিয়ে জেলার খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এ্যাডহক কমিটিকে অভিনন্দন জানান।

  • রাঙামাটিতে জেলা পুলিশের কল্যাণ সভা।

    রাঙামাটিতে জেলা পুলিশের কল্যাণ সভা।

    রাঙামাটি জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হলো মাসিক কল্যাণ সভা। আজ বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে আয়োজিত এই সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যরা অংশ নেন।
    সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ড. এস এম ফরহাদ হোসেন। সভা সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ইকবাল হোসাইন, পিপিএম।
    কল্যাণ সভায় মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা পেশাগত ও ব্যক্তিগত নানা সমস্যা তুলে ধরেন। মনোযোগ দিয়ে সব বক্তব্য শোনেন পুলিশ সুপার। পরে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
    এসপি ফরহাদ হোসেন বলেন, “পুলিশের দায়িত্ব পালনে সতর্কতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের বিকল্প নেই। নৈতিক স্খলন রোধে সবাইকে কঠোর হতে হবে এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।”
    তিনি আরও বলেন, “উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করতে হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে প্রতিটি দায়িত্ব পালন করতে হবে।”
    সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাঙামাটির কলেজগেইট এলাকায় সড়কের ধারে ময়লার ভাগাড়।শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি চরমে।

    রাঙামাটির কলেজগেইট এলাকায় সড়কের ধারে ময়লার ভাগাড়।শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি চরমে।

    রাঙামাটি শহরের প্রধান সড়কের অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা কলেজগেইট। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার প্রধান সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও সড়কের ধারে ময়লার স্তুপ জমে থাকায় শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পথচারীরাও চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, মোঃ কামাল নিয়মিত মন্ত্রীপাড়া ও কলেজগেইট এলাকার ব্যবসায়ীদের ময়লা এনে কলেজগেইটের সামনের মেইন রোডের ধারে ফেলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি দাবি করেন, পৌরসভার নির্দেশেই নাকি তিনি এ কাজ করছেন। শুধু তাই নয়, এ নিয়ে কথা বললেই তিনি আরও খারাপ ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
    রাঙামাটি সরকারি কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের প্রতিদিন ক্লাসে যেতে এই রাস্তা দিয়েই হাঁটতে হয়। ময়লার দুর্গন্ধে নাক চেপে চলতে হয়। বিশেষ করে দুপুরে গরমে দুর্গন্ধে দাঁড়ানোই যায় না।
    এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, সড়কের ধারে ময়লার স্তুপ থাকায় তাদের ব্যবসা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ক্রেতারা আসতে চান না। দুর্গন্ধে মানুষ দোকানে ঢুকতে ভয় পায়। এতে আমাদের বড় ক্ষতি হচ্ছে।
    জনবহুল এলাকায় এভাবে ময়লার ভাগাড় তৈরি হওয়া মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ডেকে আনতে পারে। এতে ডায়রিয়া, টাইফয়েড, ডেঙ্গু, শ্বাসকষ্টসহ নানারকম সংক্রামক রোগ ছড়াতে পারে। পাশাপাশি পরিবেশও ভয়াবহভাবে দূষিত হচ্ছে।
    সচেতন মহল মনে করছেন, এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হলে পৌরসভার কার্যকর উদ্যোগ জরুরি। নিয়মিত ময়লা অপসারণের পাশাপাশি জনগণকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহারে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় রাঙামাটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় চলাফেরা প্রতিদিন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।
    এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের দাবি।
    অবিলম্বে কলেজগেইট এলাকার সড়কের পাশ থেকে ময়লার ভাগাড় সরাতে হবে।
    নিয়মিত ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে হবে।
    দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে
    পথচারীরা বলেন, এখনই ব্যবস্থা না নিলে আগামীতে এটি বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিতে পারে।

  • ৩৫ কাঠুরিয়া স্মৃতি সংসদের স্মারকলিপি পেশ।

    ৩৫ কাঠুরিয়া স্মৃতি সংসদের স্মারকলিপি পেশ।

    রাঙামাটিতে ১৯৮৪ সালের মর্মান্তিক ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়সঙ্গত দাবির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের নিকট স্মারকলিপি দিয়েছে ৩৫ কাঠুরিয়া স্মৃতি সংসদ।
    শুক্রবার দুপুরে রাঙামাটি শহরে আয়োজিত সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক মো. সাখাওয়াত হোসেন সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনায় ছিলেন মো. গিয়াস উদ্দিন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ ইব্রাহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী মোহাম্মদ জালুয়া এবং সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
    সভায় ভিকটিম পরিবারের সদস্য হাফেজ মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনা ও ন্যায়বিচারের দাবি তুলে ধরেন।
    স্মারকলিপিতে দাবিসমূহ
    ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির আওতায় আনা।
    নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য সরকারি ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
    ভুক্তভোগী পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা প্রদান।
    পাপড়িখাল ট্রানজিট ক্যাম্প পুনর্বাসনের আগে স্থায়ী শান্তি-চুক্তিভিত্তিক সমাধান নিশ্চিত করা।
    সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের বিচার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

  • হ্রদের শহরে সহজলভ্য আইনী সেবার পথে নতুন যাত্রা রাঙামাটিতে উদ্বোধন হলো “অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ এন্ড এসোসিয়েটস্” ল’চেম্বার।

    হ্রদের শহরে সহজলভ্য আইনী সেবার পথে নতুন যাত্রা রাঙামাটিতে উদ্বোধন হলো “অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ এন্ড এসোসিয়েটস্” ল’চেম্বার।

    বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাঙামাটির রিজার্ভ বাজারে নতুন এক ল’চেম্বারের যাত্রা শুরু হলো। রিজার্ভ বাজার জামে মসজিদের নতুন মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় উদ্বোধন করা হয় “অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ এন্ড এসোসিয়েটস্”-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
    উদ্বোধন করেন জেলার প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ। সভাপতিত্ব করেন জেলা জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: হারুন অর রশিদ। উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, নোটারি পাবলিক অ্যাডভোকেট শাহ আলম, অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন, ব্যবসায়ী মনসুর আহম্মদসহ স্থানীয় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা, তরুণ আইনজীবী ও ব্যবসায়ীরা।
    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সহজপ্রাপ্য সেবা জরুরি
    অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট মোখতার আহম্মদ বলেন।
    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সহজপ্রাপ্য আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই ল’চেম্বারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও সহজে তাদের প্রয়োজনীয় আইনী সেবা পাবেন।
    পাহাড়ি জেলায় আইনী সেবা প্রাপ্তির চ্যালেঞ্জ
    রাঙামাটি সদর থেকে প্রত্যন্ত ইউনিয়ন বা উপজেলায় যাতায়াতের জন্য ভরসা মূলত নৌপথ। অনেকের পক্ষে জেলা শহরে এসে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সহজ হয় না। তাছাড়া গ্রামের সাধারণ মানুষ আইনগত বিষয়ে সচেতনতার অভাবেও ভোগেন। স্থানীয় সমাজকর্মীরা বলছেন, সহজলভ্য ও কম খরচে আইনগত সেবা নিশ্চিত হলে ভুক্তভোগীরা প্রতারণা বা অযথা হয়রানি থেকে রক্ষা পাবে।

    রিজার্ভ বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন ল’চেম্বার খোলার মাধ্যমে এলাকার মানুষ এখন দ্রুত আইনগত সহায়তা পাবে। বিশেষ করে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, পারিবারিক সমস্যা কিংবা সাধারণ নাগরিক অধিকার রক্ষার বিষয়গুলোতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা করছেন।
    অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিরা রাঙামাটির জনসাধারণের কল্যাণে এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং নতুন ল’চেম্বারের সফলতা কামনা করেন।
    আইনজীবী সমাজের দাবি এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়ুক পাহাড়ের অন্য উপজেলাতেও। কারণ ন্যায়বিচার তখনই নিশ্চিত হবে, যখন সাধারণ মানুষ সহজে তার দোরগোড়ায় আইনগত সেবা পাবে।

  • রাঙামাটিতে মেধা ও যোগ্যতায় পুলিশে চাকরি  পেলেন ৮ জন

    রাঙামাটিতে মেধা ও যোগ্যতায় পুলিশে চাকরি পেলেন ৮ জন

    “সেবার ব্রতে চাকরি”বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ, জুন২০২৫ উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা হতে ০৮ জন প্রার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অপেক্ষমান তালিকায় রয়েছেন ০২ জন প্রার্থী। রবিবার ৩১ আগস্ট ২০২৫ সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ড.এস এম ফরহাদ হোসেন তত্ত্বাবধানে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ,জুন-২০২৫ খ্রি. এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয়। মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে চলমান টিআরসি নিয়োগে পর্যায়ক্রমে শারীরিক,লিখিত, মৌখিক এবং মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ০৮ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অভিনন্দন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ড.এস এম ফরহাদ হোসেন।
    এসময় কঠিন প্রতিযোগিতামূলক, তদবিরবিহীন,প্রভাবমুক্ত,স্বচ্ছ,মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির জন্য মনোনীত হওয়ায় অনেকে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে নির্বাচিত প্রার্থীদের অনেকেই তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা বলেন, আজ আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা,মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরিতে নির্বাচিত হয়ে খুবই আনন্দিত। রাঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার অত্যন্ত সৎ,নিষ্ঠাবান এবং ভালো মনের মানুষ হওয়ায় মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়নের ভিত্তিতে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। তাই আমরা সকলেই আমাদের অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই।
    এসময় পুলিশ সুপার বলেন,অত্যন্ত কঠিন প্রতিযোগিতামূলক,তদবিরবিহীন,প্রভাবমুক্ত,স্বচ্ছ,মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ, জুন-২০২৫ এর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আপনারা মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন তাই আপনারা দেশ সেবায় চূড়ান্ত ভাবে সততা দেশপ্রেম এবং কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন। এসময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। #