Logo
শিরোনাম :
এবার ২ পার্বত্য জেলায়ও সড়ক-নৌপথ অবরোধের ঘোষণা প্রত্যাশী সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে কক্সবাজারে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটির সাইমুন প্রধানমন্ত্রী’র হাত থেকে নিলেন “ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬” পদক। কক্সবাজার টুপটুপ রেস্টুরেন্টে এন্ড রিসোর্টে : ফ্রিজে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত কাপ্তাই লেকে পাথর বাঁধা যুবকের মরদেহ উদ্ধার ঃ বোট মালিক আটক মানবতাবাদী সমাজ গঠনে লালন সাঁইয়ের দর্শন অনুসরণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের রাঙ্গামাটির লাভ পয়েন্টে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২ চলমান পরিস্থিতিতে পাহাড়ে গুজব, মিথ্যা তথ্যছড়ানো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীর ফাদেঁ পা দিবেন না : সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের “রাঙ্গামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব” এর আত্মপ্রকাশ নেতৃত্বে আজিজুল-লোকমান পর্যটক ও দর্শনার্থীর নিরাপত্তায় সড়ক বিভাগের লেক ভিউ গার্ডেনে বসানো হলো পুলিশ বক্স

৩৫ কাঠুরিয়া স্মৃতি সংসদের স্মারকলিপি পেশ।

প্রতিবেদকের নাম / ২১৬ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাঙামাটিতে ১৯৮৪ সালের মর্মান্তিক ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ ভুক্তভোগী পরিবারের ন্যায়সঙ্গত দাবির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের নিকট স্মারকলিপি দিয়েছে ৩৫ কাঠুরিয়া স্মৃতি সংসদ।
শুক্রবার দুপুরে রাঙামাটি শহরে আয়োজিত সভায় সংগঠনের আহ্বায়ক মো. সাখাওয়াত হোসেন সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনায় ছিলেন মো. গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ ইব্রাহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী মোহাম্মদ জালুয়া এবং সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সভায় ভিকটিম পরিবারের সদস্য হাফেজ মোহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন তাঁর বক্তব্যে পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনা ও ন্যায়বিচারের দাবি তুলে ধরেন।
স্মারকলিপিতে দাবিসমূহ
৩৫ কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির আওতায় আনা।
নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য সরকারি ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা প্রদান।
পাপড়িখাল ট্রানজিট ক্যাম্প পুনর্বাসনের আগে স্থায়ী শান্তি-চুক্তিভিত্তিক সমাধান নিশ্চিত করা।
সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের বিচার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এখনো শোক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ