Blog

  • দেশের সর্বত্রই অনিয়ম থাকলেও, তবে পার্বত্য এলাকায় তা একটু বেশি- ড. ইউনূস

    দেশের সর্বত্রই অনিয়ম থাকলেও, তবে পার্বত্য এলাকায় তা একটু বেশি- ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার (১১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে আয়োজিত আলোচনা সভায় যমুনা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
    দেশের সবক্ষেত্রেই অনিয়ম থাকলেও, পার্বত্য এলাকায় এ অনিয়মের মাত্রা একটু বেশি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সম্পদ ও সম্ভাবনা দেশের অন্য যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় অনন্য। এটি দেশের সবচেয়ে উন্নত অঞ্চল হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এ পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না। যদিও অনিয়ম সারাদেশেই বেশি, তবে পার্বত্য অঞ্চলে তা আরও প্রকট। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত কীভাবে এসব অনিয়ম কমিয়ে আনা যায়।
    তিনি আরও বলেন, আগামী মাসে তারুণ্যের উৎসব হবে, যা সবার জন্য একটি উদযাপন। আমি আশা করি, এ উৎসবে পার্বত্য এলাকার তরুণরা এগিয়ে থাকবে। এবার প্রথমবারের মতো এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে এবং তারা নিজেদের উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সফল করবে। পার্বত্য অঞ্চলের তরুণরা দেশের অন্য অঞ্চলের তরুণদের থেকে পিছিয়ে নেই, এটি প্রমাণ করার এটাই সুযোগ। কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন, আমি সমাধানের চেষ্টা করব।
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পার্বত্য এলাকার যা প্রাপ্য, তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হবে এই অঞ্চলকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়া। পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ-তরুণীরা হবে বিশ্ব নাগরিক। শুধু নিজ এলাকা নয়, তারা সারা বিশ্বকে পরিবর্তন করবে। তাই মনকে বড় করতে হবে এবং উচ্চ ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।#

  • শেরপুরে পালিত হল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ

    শেরপুরে পালিত হল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ

    শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের ক্যাম্পাসে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির সহযোগিতায় এক মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত দিবসটি পালন উপলক্ষে মানবন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক হাফিজা আমিন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক লুৎফুল কবির উপস্থিত ছিলেন।

    এতে অন‍্যান‍্যের মাঝে ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী ফারহানা মিল্কী, জেলা ব্যবস্থাপক সেলপ বিদ্যুৎ কুমার নন্দী, স্বপ্ন সারথি দলের সদস্যগন, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধি গন, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে আবারও মামলা : তীব্র প্রতিবাদ বিএসসি’র।

    আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে আবারও মামলা : তীব্র প্রতিবাদ বিএসসি’র।

    চট্টগ্রাম প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক,বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি, বিএসসি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের আদালতে জনৈক এনামুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি রুজু করেছেন। বিগত ২৬ নভেম্বরের ঘটনায় ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০০/৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং এতে ১২০ নম্বরে দেওয়া হয়েছে আয়ান শর্মার নাম।
    একই ঘটনার বর্ণনা উল্লেখ করে গত সপ্তাহেও আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। অথচ দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন উপদেষ্টা সম্পাদক আয়ান শর্মা ২৩ নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর ১২ টা পর্যন্ত ছিলেন ঢাকায়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পিএইচপি গ্রুপের দায়ের করা মামলা মোকাবেলায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাইতে যান তিনি। আয়ান শর্মা ২৬ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত ঢাকার একটি তারকামানের হোটেলে অবস্থান শেষে বেলা ১টায় ঢাকা ছাড়েন। মেঘনা সেতু পার হওয়ার তথ্য উপাত্ত ও সেতুর টোলবক্সের সিসি ক্যামেরায়ও ওই স্থান অতিক্রম করার ভিডিওচিত্র উঠে এসেছে। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় ঘটনার সময় আয়ান শর্মা ফেনী অতিক্রম করছিলেন, অথচ মামলার বিবরণ অনুসারে তাকে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় স্বশরীরে উপস্থিত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়।
    বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি,বিএসসি প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিক সাইদুর রহমান রিমন জানান,
    একের পর এক মামলা হয়রানির ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমরা আর নিন্দা প্রতিবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না, আইন মন্ত্রনালয় বিষয়ক সম্মানিত উপদেষ্টা ও তথ্য উপদেষ্টার কাছে সু-নির্দ্দিষ্ট তথ্যাদি উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি দিতে চাই। উপদেষ্টাদের কাছ থেকেও পেতে চাই অঙ্গিকার। #

  • চন্দনাইশ জোয়ারা মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল মাওলানা আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল

    চন্দনাইশ জোয়ারা মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল মাওলানা আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল

    চন্দনাইশ পৌরসভা সদরস্থ ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার বিশিষ্ট লেখক আলা হযরত গবেষক হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা প্রিন্সিপাল আমিনুর রহমান দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল রাত আটটার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
    ইন্তেকালে তাহার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী,১ ছেলে,২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। আজ ৭ডিসেম্বর-২০২২ইং বাদে আসর মরহুমের জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার মাঠে হুজুরের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য,তিনি জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা নাজেমে আলা হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি শফিউর রহমান (রাহ:)এর ১ম পুত্র অধ্যক্ষ হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা মাহমুদুর রহমান (রাহ:) ১ম পুত্র এবং ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস,সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা ফখরুদ্দিন (রাহ:)এর প্রথম জামাতা।
    হুজুরের মৃত্যুতে দৈনিক গিরি সংবাদ পরিবার গভীর শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে পবিত্র জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
    হুজুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নিমিত্বে পুনঃ নিউজ,স্মৃতি সংগ্রহে প্রয়াস মাত্র।

  • খেজুরের তৈরি কোমল পানীয় বাজারে আনলো সৌদিআরব

    খেজুরের তৈরি কোমল পানীয় বাজারে আনলো সৌদিআরব

    কোমল পানীয়ের চাহিদা ও জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে। তবে স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অনেকেই এড়িয়ে যান। স্বাস্থ্যসচেতন কোমল পানীয় প্রেমীদের জন্য সৌদি আরবে বাজারে এল খেজুরের তৈরি কোমল পানীয় মিলাফ কোলা। প্রাকৃতিক সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত খেজুর দিয়ে তৈরি মিলাফ কোলাতে স্বাদ ও পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটি।
    গত নভেম্বরে রিয়াদ ডেট ফেস্টিভ্যালে এই পানীয়টির উদ্বোধন করেন সৌদি কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রহমান আল–ফাদলি ও থুরাথ আল–মদিনা কোম্পানির সিইও বান্দার আল–কাহতানি।
    সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) সহযোগী প্রতিষ্ঠান থুরাথ আল–মদিনা মিলাফ কোলার উৎপাদক। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলাফল এই মিলাফ কোলা। আন্তর্জাতিক খাদ্যনিরাপত্তা এবং গুণগত মান বজায় রেখে তৈরি করা হয়েছে এটি। স্বাদ ও পুষ্টির দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও বিশ্ববাজারে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
    মিলাফ কোলার উৎপাদক প্রতিষ্ঠান আরও জানায়, সৌদি আরবে স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা উচ্চমানের খেজুর দিয়ে এই কোমল পানীয়টি তৈরি করা হয়েছে। প্রচলিত কোমল পানীয়ের চেয়ে এটি অনেক স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।
    সৌদি আরবের পরিবেশবান্ধব এবং স্থানীয় পণ্য প্রচারের ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মিলাফ কোলার মতো খেজুরের তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্য পণ্য উদ্ভাবনে কাজ করে থুরাথ আল–মদিনা।
    কোম্পানির একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে খেজুরের তৈরি আরও পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা করছি। মিলাফ কোলা তো কেবল শুরু। আমরা এমন একাধিক পণ্য নিয়ে কাজ করছি, যা বিশ্বব্যাপী খেজুর ব্যবহারের পদ্ধতিকে বদলে দেবে।’
    রিয়াদ ডেট ফেস্টিভ্যালে পানীয়টি বেশ ইতিবাচক সাড়া পায়। মিলাফ কোলা খাদ্য ও পানীয় শিল্পে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলা যায়।#

  • ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে নামাজরত মাকে কূপিয়ে হত্যা করল দূর্বৃত্তরা।

    ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে নামাজরত মাকে কূপিয়ে হত্যা করল দূর্বৃত্তরা।

    সারাদেশে কেমন চরম নিরাপ্তাহীনতায় আছে সাধারণ নিরহ মানুষ তার প্রতিচ্ছবি পঞ্চগড়ের নামাজরত মাকে নিঃসংস্বভাবে হত্যা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রীলীগ সভাপতি হওয়ায়,পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় এলাকার কিছু দূর্বৃত্ত মোটা অংকের চাদাঁ দাবী,
    ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল নিহতের পরিবারকে। ঘটনার সময় ছেলেকে না পেয়ে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় অরিনা বেগম (৪৫) নামে এক নারীকে নামাজ আদায়রত অবস্থায় নির্মম ও পাশবিকভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
    গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সাড়ে রাত ১০টায় উপজেলার কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের কালিয়াগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে বোদা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
    শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। নিহত অরিনা ওই এলাকার আবুল কালামের স্ত্রী।
    জানা যায়, নিহত অরিনার বড় ছেলে চাকরি সুবাদে ঢাকায় থাকেন। তার আরেক ছেলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন সভাপতি। রাজনৈতিক কারণে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ঘরে এশার নামাজ আদায় করছিলেন অরিনা বেগম। ওই সময় ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর এক আঘাত করে। এতে মাটিতেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে অরিনা।বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দীন বলেন, ঘটনার পরে ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। সুরতহালে নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মাথায় একাধিক আঘাত করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছি। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।#

  • রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও ডিজিএফআই এর কর্নেলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও ডিজিএফআই এর কর্নেলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটি জেলা শহরের পলওয়েল পার্ক মাল্টিপারপাস শেডে রাঙামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও ডিজিএফআই এর কর্নেল জিএস এর বদলি উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিদায়ী অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান এবং ডিজিএফআই এর জিএস কর্নেল মো.আনোয়ারুল ইসলাম। এসময় আগত অতিথিবৃন্দ বিদায়ী অতিথিগণের রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় কর্মকালীন সময়ের বর্ণাঢ্য পেশাগত জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিদায়ী অতিথির সফল কর্মময় জীবন ফুটে উঠে। কর্মময় জীবনে বিদায়ী অতিথিগণ সৎ,দক্ষ,গুণী ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রাঙামাটিবাসীর কাছে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গুনী এই কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বিদায়ী অতিথিদের রাঙামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এসময় রাঙামাটি ১১ ইবি সদর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল এরশাদ হোসেন চৌধুরী,ডিজিএফআই এর নবাগত জিএস (ভারপ্রাপ্ত) লেঃ কর্নেল মিরাজ হায়দার চৌধুরী, পিএসসি,এনএসআই এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ হোসেন এবং রাঙামাটি জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন……….✍️

  • সারাদিন গোলাগুলি সাজেকে,আটকা পড়েছে পর্যটক,ভ্রমণে নিযেধাজ্ঞা

    সারাদিন গোলাগুলি সাজেকে,আটকা পড়েছে পর্যটক,ভ্রমণে নিযেধাজ্ঞা

    ০৩ ডিসেম্বর-২০২৪ইং
    প্রকৃতির ভূস্বর্গ খ্যাত রাঙ্গামাটির সাজেকে দিনভর গোলাগুলির ঘটনায় পর্যকটরা ফিরতে পারেনি খাগড়াছড়িতে। এদিকে,পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সাজেক ভ্রমণে নিরুৎসাহী করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান
    খাগড়াছড়ি জীপগাড়ির লাইনম্যান মো.ইয়াছিন আরাফত জানান, সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ২৫-৩০টি গাড়ি সাজেক গিয়েছে যাতে প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক রয়েছে। তিনি জানান, দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিকেলে কোন পর্যটক গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি আসেনি।
    সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেক ও মাচালং এর ৭নং ওয়ার্ডের শীপপাড়া নামক এলাকায় এই গোলাগুলিরর ঘটনা ঘটে। যা পর্যটন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এই গোলাগুলির ঘটনার কারণে বিকেলের প্রায় ১০টি পর্যটকবাহী গাড়ি সাজেক ছেড়ে যায়নি। রাতে প্রায় ৫শতাধিক পর্যটক সাজেক অবস্থান করছেন।
    রাঙামটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, দুই আঞ্চলিক দলের গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার একদিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে বিধি নিষেধ দেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যারা আছেন তাদের নিরাপদে কাল ফিরিয়ে আনা হবে।
    স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, এলাকা নিয়ন্ত্রণে বিগত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাছালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপ ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনার খবর পাওয়া যায়। তবে এখনো হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। #

  • রাঙ্গামাটি পৌর মাঠ রক্ষায় শহরে নাগরিকদের মানববন্ধন।

    রাঙ্গামাটি পৌর মাঠ রক্ষায় শহরে নাগরিকদের মানববন্ধন।

    পর্যটন নগরী রাঙামাটি পৌরমাঠে ফুলের বাগানের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে পৌর শহরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকালে “পৌরমাঠে ফুলের বাগানের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির” অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে রাঙামাটি পৌরসভার সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। 
    মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা ব্যক্তিবর্গ অভিযোগ করেন, রাঙামাটি পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিগত স্বৈরাচারি সরকারেরই এক কর্মকর্তা।
    বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করতে ও আর্থিক ভাবে লাভবানের প্রয়াসে এই কর্মকর্তা পৌর প্রশাসনের চেয়ারে বসে পৌর নাগরিকদের মতামত উপেক্ষা করে সরকারের বিরুদ্ধে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্রের লিপ্ত রয়েছে দাবি করে বক্তারা বলেন, পৌর এলাকার অত্যন্ত গুরুপূর্ন এই পৌরমাঠে প্রতিদিন কয়েকশো শিশুকিশোর খেলাধূলা করে এবং সারাবছরই বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গনজমায়েত ও মেলাসহ নানান কর্মসূচী পালন করা হয়।
    কিন্তু বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ মর্যাদার জনৈক নারী কর্মকর্তা নিজ ইচ্ছায় ফুল বাগান সৃজনের নামে পুরো মাঠটিকে ক্ষত-বিক্ষত করে বাগান সৃষ্টির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
    বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি স্থানীয় হাজারো নাগরিক। তারা পৌর কর্তৃপক্ষকে মাঠটি নষ্ট না করার অনুরোধ জানালেও নাগরিকদের আপত্তিতে কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি সংশ্লিষ্ট্যরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষুব্ধ নাগরিকরা “পৌরমাঠে ফুলের বাগানের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির” অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে পৌর প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছে। 
    এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা দূর্ণীতি দমন কমিটির সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক, সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, জাসাস সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দিন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজী কামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 
    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা নারী কর্মকর্তার স্বামীও রাঙামাটিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বিগত স্বৈরাচারি সরকারের একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা। যার ফলে তিনি পতিত সরকারের পর রাঙামাটিতে বিতর্কিত কর্মকান্ড করে পার্বত্য উপদেষ্ঠাকেও বির্তকিত করেছিলেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছিলো জেলা প্রশাসন।
    এক পর্যায়ে তাকে রাঙামাটি থেকে বদলী করে নিয়ে যাওয়া হয়। সে একই ধারাবাহিকতা চালিয়ে যাচ্ছেন তার স্ত্রী। মূলতঃ স্বামী-স্ত্রী এই দুই কর্মকর্তা পতিত সরকারের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি করে বিসিএস কর্মকর্তা হয়েছিলেন।
    বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করতে তারা জনমতকে অগ্রাহ্য করে জনসাধারনের স্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। এই পৌর মাঠে আমাদের প্রাণের মাঠ। পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডে কোন মাঠ নেই। তাই এই পৌর মাঠে এলাকার ছোট ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করে থাকে। ফুলের বাগান করার নামে এই মাঠ দখল করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ বন্ধ করা না হয় তা হলে বিক্ষোভ মিছিলসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।#
     

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বারোটা বেজে তেরোটা বেজে যাবে-উষাতন তালুকদার সাবেক এমপি।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বারোটা বেজে তেরোটা বেজে যাবে-উষাতন তালুকদার সাবেক এমপি।

    দেশে এখন সর্বত্র অরাজকতা বিরাজ করছে,কোথাও কারো নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহীতা নেই। আইন-শৃঙ্খলার পরিরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। পুলিশ এখন নাম মাত্র,পুলিশের মনোবল ভেঙ্গে গেছে। যখন-তখন যেখানে সেখানে, কারণে-অকারণে, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে, হরতাল- অবরোধ,মিছিল-মিটিং ,হামলা- মামলা। এক চরম অরাজকতা পরিস্থিতি বিরাজ করছে সারা দেশময়। কেউ,কাউকে মানছে না, এভাবে একটা উন্নয়নশীল দেশ চলতে পারেনা। এরুপ চলতে থাকলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বারো টা বেজে তেরোটা বেজে যাবে। তাই সর্বাগ্রে,দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার আহ্বান জানান, জনসংহতি সমিতি,জেএসএসের সহ-সভাপতি,সাবেক এমপি উষাতন তালুকদার।
    আজ রবিবার,২ডিসেম্বর সকাল ১১টায় শহরের কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গনে রাঙ্গামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণসমাবেশ এ বক্তব্য রাখেন তিনি।
    রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বিরোধী ও জুম্ম স্বার্থ পরিপন্থী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলন জোরদার করার আহবান জানিয়ে এ গনসমাবেশ অনুষ্টিত হয়।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সাধারণ সম্পাদক সহ-সাধারণ সম্পাদক উ উইন মং জলির সভাপতিত্বে জনসংহতি সমিতির শীর্ষ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার বক্তব্যে আরো বলেন,আজকে আপনাদের কাছে,এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে,আপনারা নিরেপক্ষ,আপনারা বৈষম্যবিরোধী,আপনারা নতুন বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছেন। আমরা আশা রাখব,আপনারা পার্বত্য সমস্যা গভীর ভাবে চিন্তা করবেন। সংখ্যায় সামন্য হতে পারে পাহাড়ের মানুষ,তারাও মানুষ তাদেরও আত্ম-মর্যদা রয়েছে,রয়েছে নিজেদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য। সুতরাং পাহাড়বাসীকে অবেহেলা করে,পার্বত্য সমস্যা পাশ কাটিয়ে গেলে চলবেনা।
    রাষ্ট্রীয় ধর্ম নিরেপক্ষাকতা নিয়ে তিনি বলেন, সময়ের জ্ঞাতার্থে আপনাদের জানাচ্ছি,এ দেশ পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ,এখন কি এটাকে, ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ বানাতে চাচ্ছেন নাকি? আপনারা সংখ্যায় ৯০% হতে পারেন! আমরা অন্যানরা ১০% হতে পারি।
    সময় অনেক গড়িয়ে গেছে,পৃথিবী অনেক বদলে গেছে, এখন, একবিংশ যুগ, এ যুগে আপনারা পিছনে চলে যাবেন নাকি? আমাদের ১০% কে আপনারা কি গণনায় আনবেন না? রাষ্ট্রের ধর্ম লাগে না, সেটা লাগে ব্যাক্তির,মানুষেই ধর্ম ব্যবহার করে। রাষ্ট্র নয় !
    অপরদিকে শিক্ষাবীদ,গবেষক শিশির চাকমা বলেন,এ শান্তিচুক্তির দায় শুধুই জন সংহতি সমিতির,অবশ্যই নয়। এ চুক্তি হয়েছে জনসংহতি সমিতি ও সরকারের মধ্যে ঠিক আছে। এ শান্তিচুক্তি জনসংহতি সমিতির একার নয়,এটি সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত ১৩ টি জাতিসত্বা সহ এখানে বসবাসরত স্থায়ী বৃহত্তর বাঙগালী জনগোষ্টিরও,এটা আমাদের বুঝতে হবে,মানতে হবে।
    সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা, জনসংহতি সমিতির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল চাকমা, মহিলা সমিতির নেত্রী আশিকা চাকমা,জনসংহতি সমিতির নেতা অরুণ ত্রিপুরাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    গণসমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে ভুমি সমস্যা বেড়েই চলেছে। চুক্তি মোতাবেক গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর না হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে।
    বক্তারা বলেন,পাহাড়ের অশান্ত পরিস্থিতি দূর করতেই শান্তিচুক্তি(পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি) হয়েছিল। কিন্তু সেই চুক্তি বাস্তবায়ন না করায় পাহাড়ে এখনো বৈষম্য রয়ে গেছে।
    আজ যখন দেশের মানুষ একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের, সবার জন্য সম অধিকারের স্বপ্ন দেখছে, সেই পরিস্থিতিতে পাহাড়িদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য দূর করতে চাইলে শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ- জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহবান জানান।
    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর শান্তি প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সরকারের সাথে পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষর করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি( জেএসএস)। #