Blog

  • ⁨সুইডেন আওয়ামীলীগের ১৬ই ডিসেম্বর ৫৩তম  মহান বিজয় দিবস উদযাপন।

    ⁨সুইডেন আওয়ামীলীগের ১৬ই ডিসেম্বর ৫৩তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন।

    ⁨ ১৬ই ডিসেম্বর ৫৩তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সুইডেন আওয়ামী লীগ ২২ ডিসেম্বর রবিবার স্টকহোমের ফিতিয়া স্কুলের হলে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সুইডেন আওয়ামী লীগ এর সহ সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন ও যৌথ ভাবে সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান। সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন পাঠ ও জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন সুইডেন আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফছার আহমেদ।

    বাংলাদেশ এর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও সমবেত কন্ঠে জাতিয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং উপস্থিত সকলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    বিজয় দিবস এর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সুইডেন আওয়ামী লীগ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কাজী কুদ্দুস সহ সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম, সিনিয়র সদস্য জাকারিয়া খন্দকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আফছার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছিম আহমদ, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস ছালাম, সহ-প্রচার সম্পাদক নাসিরুল হক বাবুল।

    এসময় আলোচনা সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি সব্যসাচী বড়ুয়া টিলু,সিনিয়র সদস্য শাহ আলী রিয়াজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া ইসলাম, আবিদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মীঠু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইসরাত জাহান, সমবায় সম্পাদক তারেক কামাল মুস্তাফা,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবীর রিপন, মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তপন ঘোষ, অভিবাসন বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা আমিন, সদস্য আখতার হোসেন, মুবীন ইসলাম, চুন্নু মিয়া,সুইডেন যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মীন্ঠু শেখ ও প্রমুখ।⁩

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসত্য চিঠি ও ছবি প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসত্য চিঠি ও ছবি প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    বাড্ডা থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক কর্তৃক ‘দৃষ্টি আকর্ষন’ শিরোনামে আলহাজ্ব মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তারকে হেয় করে গত ১৫ ডিসেম্বর একটি মিথ্যা,বানোয়াট চিঠি ইস্যু করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার ২৩ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় কুহাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলনে উদ্দেশ্য প্রনোদিত চিঠির প্রতিবাদ জানানো হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার।
    লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা চিঠির। চিঠিতে উল্লেখ করা আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
    তিনি আরো বলেন,শহীদ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ নুরু ভাই এর হাত ধরে আমি রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করি। ওই সময় আমরা আওয়ামী বিরোধী রাজনীতি করতাম। তখন আমরা আওয়ামী বিরোধী গ্রুপ হিসাবে পরিচিত ছিলাম। নুরু ভাই শহীদ হওয়ার পর প্রয়াত সাতাহার চেয়ারম্যান এলাকার রাজনীতির হাল ধরেন। পরবর্তীতে বিএনপির জন্ম হলে আমরা আওয়ামী বিরোধী গ্রুপ বিএনপির রাজনীতিতে যোগদান করি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের/মেরামতের একত্রিশ দফার আলোকে এলাকায় বিভিন্ন রকমের সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছি।
    আপনারা হয়তো ইতিমধ্যে অবগত হয়েছেন যে,বাড্ডা থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক কর্তৃক দৃষ্টি আকর্ষন শিরোনামে আমাকে কেন্দ্র করে ১৫.১২.২০২৪ তারিখে যে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে,আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি । আমার নামে আনীত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই।
    বিশেষ করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে আওয়ামী লীগ বানানোর জন্য যে ষড়যন্ত্র করছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। দুষ্কৃত কারীরা আমার ছবি সুপার এডিট করে আমাকে পতিত আওয়ামী লীগ এর সাথে জড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। প্রকৃত পক্ষে ঘৃণিত আওয়ামী লীগের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই।
    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কামরুজ্জামান আয়নাল,ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, ৫নং ঝালুকা ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইন্তাজ আলী মেম্বার, আলহাজ আব্দুস সাত্তার (হেজাতী পাড়া),আব্দুস সালাম, আব্দুল মজিদসহ বিভিন্ন স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।#

  • চাঁদার টাকা না দেওয়ায় রাউজানে ইটভাটায় হামলার অভিযোগ 

    চাঁদার টাকা না দেওয়ায় রাউজানে ইটভাটায় হামলার অভিযোগ 

    ইটভাটা করতে হলে গুনতে হবে এক কোটি টাকা। পরে এক বিএনপি নেতার বাসায় কয়েকজন  ইটভাটা মালিক মিলে মধ্যস্থতা করে ৮০ লাখ টাকা দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। চাঁদা না দেওয়ায় সিনেমা স্টাইলে ইটভাটার অফিসে হামলা চালিয়ে নগদ ৪/৫ লাখ টাকা লুটসহ ভাটার ম্যানেজার ও 
    অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ইউভাটা মালিক এস এম শহিদ উল্লাহ।  রবিবার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় ঘটনাটি ঘটেছে রাউজান থানাধীন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলীখীল এলাকায় অবস্থিত রাউজান ব্রীক মেনুফেকচার (আরবিএম) এর অফিস কক্ষে। সন্ত্রাসী হামলায় ইটভাটা অফিসের দুই কর্মচারি কবির হাসান এবং দিদার হাসান আহত হয়েছেন। আহত দুজন রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
    ইটভাটা মালিক ব্যবসায়ী এস এম শহিদ উল্লাহ জানান, এমনিতেই বর্তমান পরিস্থিতিতে ইটভাটা চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মালিকপক্ষ। তার উপর এই ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনা ও হুমকিতে  জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত তিনি। 
    এই ঘটনায় ইটভাটা মালিক ব্যবসায়ী এস এম শহিদ উল্লাহ বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৯ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী এস এম শহিদ উল্লাহ রাউজান পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের এস এম শফির ছেলে। 
    দায়ের করা মামলার আসামিরা হলেন- রাউজান সদর  ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হরিষখান পাড়ার মৃত বজল আহম্মদের ছেলে আজিজ উদ্দিন (৫২), একই এলাকার রাসেল (৩২), মো. রাকিব (৩০), গুলজারপাড়া কাগতিয়া এলাকার মো. ইসহাকের ছেলে নুরুন্নবী (৩০), কাগতিয়া মাইজপাড়া এক নম্বর ওয়ার্ডের মৃত মাহাবুল আলমের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫), নাতোয়ান বাগিচা এলাকার মো. ইব্রাহীম (২৮) ও গহিরা নয়াহাট এলাকার আফসার (৩৮)।
    পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এক নম্বর আসামি আজিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ৫টি হত্যাসহ অন্তত ১৪টি মামলা রয়েছে। সে বিগত সময়ে উপজেলা যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। বাকী আসামিদের বিরুদ্ধেও  একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে ।
    মামলার বাদি এস এম শহিদ উল্লাহ জানান, গত ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর গত ১ ডিসেম্বর মামলার আসামিরা ইটভাটা চালাতে হলে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। এর আগেও কয়েক দফায় সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে হয়েছে। এক কোটি টাকা চাঁদা না দিলে আমার ইট ভাটাবন্ধসহ   মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। চাঁদা দিতে আমার উপর চাপ প্রয়োগ করে আসছে। সর্বশেষ চাঁদা না পেয়ে রবিবার রাতে আমার ইটভাটায় গিয়ে অফিসে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় ফাঁকায় গুলিবর্ষণ করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করেন সন্ত্রাসীরা। অফিস কক্ষে ভাঙচুর করে নগদ ৪/৫ লাখ টাকা লুট করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। 
    রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইটভাটায় হামলার অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।#

  • বিএসসি’র নেতা সাংবাদিক সোহাগ আরেফিনের পিতৃবিয়োগে বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটির শোক প্রকাশ

    বিএসসি’র নেতা সাংবাদিক সোহাগ আরেফিনের পিতৃবিয়োগে বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটির শোক প্রকাশ

    বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি তথা বিএসসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক,গিরি টিভির ব্যস্থাপনা সম্পাদক সাংবাদিক সোহাগ আরেফিনের বাবা,সাবেক নৌ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান (৮৫) গতরাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে) চট্টগ্রামে তাঁর নিজ বাসভবনে (হালিশহর বি ব্লক,রোড নং ০২,লাইন নং ১৬,বাসা নং ০৯/১১) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজেউন)।
    সাংবাদিক সোহাগ আরেফিনের বাবার নামাজে জানাজা আজ ২৩ ডিসেম্বর সোমবার বাদ যোহর বি ব্লকের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা নামাজ করা হয় বলে তাঁর পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।
    অনুষ্ঠিত সাবেক এই নৌ কর্মকর্তার জানাজায় শত শত সকলস্থরের ধর্মপ্রাণ মুসলমান,নিকট আত্বীয় এবং এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করে মরহুমে রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
    এদিকে সাংবাদিক নেতা সোহাগ আরেফিনের বাবার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি তথা বিএসসি’র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। তাছাড়া গিরি সংবাদ এন্টারটেইনমেন্ট পরিবার-গিরি টিভি ও দৈনিক গিরি সংবাদ পক্ষে গভীর শোক এবং এ অবসর নৌ-কর্মকর্তার বিদেহী আত্বার মাগফেরাত ও আত্মার শান্তি কামনা করা হয় রব্বে করিমের পাক দরবারে, শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।#

  • পাবনা জেলাপরিষদের চেয়ারম্যান পাকন এর অপকর্মের ফিরিস্তি

    পাবনা জেলাপরিষদের চেয়ারম্যান পাকন এর অপকর্মের ফিরিস্তি

    ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে পাবনা জেলা পরিষদের সরকারি তহবিল থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গং।
    ২০২২-‘২৩ অর্থ বছরে জেলা পরিষদ অফিস ভবনের সম্মুখে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ব্যয় করা হয়েছে ১৬ লাখ টাকা। চলতি অর্থ বছরে (২০২৩-‘২৪) শহরের চারতলা মোড়ে ও জুবলি ট্যাঙ্ক চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক নির্মাণ বাবদ খরচ করা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা।
    জেলার বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ছাউনি ও গণশৌচাগার নির্মাণ বাবদ ২০২২-‘২৩ খরচ করা হয়েছে ৪০ লাখ টাকা। উল্লেখ্য গণশৌচাগারগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মাত্র এক বছরেই। একই অর্থ বছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭ টি পুকুর সংস্কার বাবাদ ব্যয় করা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন বাবদ একই অর্থ বছরে খরচ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। কোথায়ও কোন ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড এখন আর অবশিষ্ট নেই। কাগজপত্রে ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে সাঁথিয়া উপজেলা সদরের অডিটোরিয়ামে কাম কমিউনিটি সেন্টার মেরামত বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।
    সঠিক ঠিকানা নেই এমন প্রকল্প দেখিয়ে একই অর্থ বছরে খরচ করা হয়েছে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০ টাকা। নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেলো সাঁথিয়া উপজেলার কিতাই এর বাড়ি থেকে বারেক মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত ২৪০ ফুট রাস্তা পাকাকরণে এই পরিমাণ টাকা খরচ করা হয়েছে। এটা কোন গ্রামে তার উল্লেখ নেই।
    সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া রাস্তার প্যালাসাইডিং নির্মাণ বাবদ ব্যয় করা হয়েছে ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। চাটমোহর উপজেলার পবাখালি দক্ষিণ পাড়া মসজিদের ছাদ মেরামতে খরচ করা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। দেবোত্তর ডিগ্রি কলেজের গেট নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। পাবনা পৌরসভা এলাকার রাধানগর ও সদর উপজেলার কিসমতপ্রতাপপুর ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৩০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ফরিদপুর উপজেলার বালুঘাটা ঈদগাঁ মাঠের গেট নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা।
    ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে ব্যয় করা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে জেলার বিভিন্ন স্থানে সোলার ল্যাম্প স্থাপন বাবদ ৩ লাখ টাকা এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বাবদ ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য ব্যাটারিচালিত যানবাহন (বোরাক) বিতরণ ও নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ টাকা। বিভিন্ন স্থানে সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপন বাবদ খরচ করা হয়েছে ৩৪ লাখ টাকা।
    কাশিনাথপুর মোড়ে ফুলবাগান করার জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৩ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, সেখানে ফুল বাগানের কোন চিহ্ন নেই।
    বৃক্ষ রোপন বাবদ ২০২২-‘২৩ এবং ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।
    বিগত বছরগুলোতে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ।

  • উচ্চতর ডিগ্রি  না থাকলেও আব্দুর গফুর হালী অসাধারণ জ্ঞানের অধিকারী-অধ্যাপক হানস হারডার

    উচ্চতর ডিগ্রি না থাকলেও আব্দুর গফুর হালী অসাধারণ জ্ঞানের অধিকারী-অধ্যাপক হানস হারডার

    আবদুল গফুর হালী চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের দিকপাল,আজ মহান ২১ শে ডিসেম্বর রোজ শনিবার চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান,কিংবদন্তী গীতিকার ও সুরকার অসংখ্য মুরশেদী,মাইজভান্ডারি ও বিচ্ছেদী কালামের দীকপাল,২ হাজারেরও অধিক গানের রচয়িতা,সুরকার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত মরমী কবি,গোলামে মাইজভান্ডারি,শ্রদ্ধেয় আবদুল গফুর হালী মাইজভান্ডারির ৮ম তম মহাপ্রয়ান দিবস আজ। ২০১০ সালে তাকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র মেঠোপথের গান।
    হালী নিজের রচিত অধিকাংশ গানে সুরারোপ করেন। এছাড়াও রচনা করেছেন একাধিক আঞ্চলিক নাটক। আস্কর আলী পণ্ডিতের ভাবশিষ্য হালী যদিও নাটক রচনা ও সুর সৃষ্টি করেন। তার গান নিয়ে দুটি গ্রন্থ তত্ত্ববিধি ও জ্ঞানজ্যোতি।
    আবদুল গফুর হালী ১৯২৮ সালের ৬ আগস্ট চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার রশিদাবাদে জন্ম নেন। তার পিতা আবদুস সোবহান এবং মাতা গুলতাজ খাতুন। রশিদাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চন্দনাইশের জোয়ারা বিশ্বম্বর চৌধুরী উচ্চবিদ্যালয় থেকে তিনি শিক্ষা গ্রহণ করেন। তবে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পর ইস্তফা দেন।
    আবদুল গফুর হালীর লেখা অন্যতম গান মধ্যে রয়েছে উল্লেখযোগ্য-
    # সোনাবন্ধু তুই আমারে করলি রে দিওয়ানা,
    # রসিক তেল কাজলা কোন অই লাল কোর্তা অলা,
    # মনের বাগানে ফুটিল ফুলরে,
    # তুঁই যাইবা সোনাদিয়া বন্ধু মাছ মারিবার লাই,
    # অ শ্যাম রেঙ্গুম ন যাইও,
    # ঢোল বাজের আর মাইক বাজের,
    # বানুরে অ বানু আঁই যাইয়ুম গই চাটগাঁ
    শরত তোঁয়ার লাই আইন্যম কী,
    কিংবা মাইজভান্ডারী গান- দেখে যারে মাইজভাণ্ডারে, কতো খেলা জানরে মাওলা, মাইজভাণ্ডারে কি ধন আছে এবং মোহছেন আউলিয়া গান- চল যাই জিয়ারতে মোহছেন আউলিয়ার দরবারে, আল্লাহর ফকির মরে যদি।
    তিনি ছয়টি আঞ্চলিক নাটক রচনা করেছেন। এর মধ্যে গুলবাহার গীতিনাট্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে মঞ্চায়িত ও বেতার-টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। নাটকটিতে আস্কর আলী পণ্ডিতের কালজয়ী গান ডালেতে লড়িচড়ি বৈও চাতকি ময়নারে সহ অন্যান্য গান অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি আজব সুন্দরী নামেও একটি নাটক রচনা করেছেন। তাঁর আঞ্চলিক নাটকগুলো হল: গুলবাহার,নীলমণি,কুশল্যা,পাহাড়,চাটগাঁইয়া,সুন্দরী
    সতী মায়মুনা,আশেক বন্ধু।
    জার্মানির হালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারতবর্ষ বিষয়ক দর্শন শাস্ত্রের সহকারী অধ্যাপক হানস হারডার (বর্তমানে হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক) ১৯৮৯ সালের দিকে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের মাইজভান্ডারসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। পরে শিল্পী কল্যাণী ঘোষের মাধ্যমে যোগাযোগ হয় আবদুল গফুর হালীর সঙ্গে। তাঁর জীবন ও গান নিয়ে ২০০৪ ডার ফেরুকটে গফুর, স্প্রিখট (পাগলা গফুর, বলে) নামে একটি গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ করেন। এতে হালীর ৭৬টি গান অন্তর্ভুক্ত হয়। এগুলোকে আবদুল গফুর হালী রচিত পূর্ববাংলার মরমি গান বলে উল্লেখ করেছেন হানস হারডার। তিনি আবদুল গফুর হালী সম্পর্কে লেখেন, ‘আবদুল গফুর হালীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ ডিগ্রি বা উপাধি না থাকলেও নিজের চেষ্টায় তিনি অসাধারণ জ্ঞানের অধিকারী হতে সক্ষম হয়েছেন।
    ২০১৬ সালের ২১ ডিসেম্বর এই মহান কালজয়ী মরমী কবি ও শিল্পি মৃত্যুবরণ করেন।
    আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

    (সৌজন্যে-ধ্রুব আহসান)

  • রাঙামাটিতে জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের  আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ ও শীতবস্ত্র উপহার প্রদান

    রাঙামাটিতে জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নগদ অর্থ ও শীতবস্ত্র উপহার প্রদান

    রাঙামাটি সদর উপজেলাধীন ৮নং পৌর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত চম্পকনগর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জীবন পরিবার। ডিসেম্বরের শুরুতে বসতবাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লেগে স্বনামধন্য ব্যাবসায়ী মোহাম্মদ আক্তার হোসেন (আক্তার সওদাগর) এঁর বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ৭টি পরিবার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

    জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শুক্রবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও শীতবস্ত্র উপহার হিসেবে দেয়া হয়।

    এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আবু কাউসার (রিপন), চম্পকনগর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাহতাব হোসেন।

    জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নগদ অর্থ প্রদান করেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক শুভ মন্ডল ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ ইমন।

    জীবন এর প্রতিষ্ঠাতা প্রোকৌশলী সাজিদ-বিন-জাহিদ (মিকি) জানান, “আমাদের জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু এই চম্পকনগর থেকে, তাই সামাজিক দায়বদ্ধতা ও এই এলাকার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই আমরা পরিবারগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা আশাকরি, সবাই এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সহমর্মিতা প্রকাশ করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন।”

    আগুন ব্যবস্থাপনা নিয়ে সামনে আরো সচেতনতামূলক প্রচারণা ও কর্মসূচীর প্রয়োজন বলে মতামত প্রদান করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।#

  • ২ কোটি টাকার সিগারেট সহ ১ জনকে আটক করল রাঙামাটির ডিবি পুলিশ

    ২ কোটি টাকার সিগারেট সহ ১ জনকে আটক করল রাঙামাটির ডিবি পুলিশ

    আবারো ধরা পড়লো প্রায় দুই কোটি টাকার শুল্কবিহীন অবৈধ সিগারেট।  দূর্গম পাহাড়ি সীমান্ত অতিক্রম করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে পার্বত্য রাঙামাটিতে আনা হচ্ছে বিদেশী নামী-দামি বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট। সাম্প্রতিক সময়ে এই অবৈধ সিগারেট পাচারকারি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে রাঙামাটির গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ শাখা। 
    এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাঙামাটিতে ডিবি পুলিশের অভিযানে আবারো ধরা পড়লো প্রায় দুই কোটি টাকার শুল্কবিহীন অবৈধ সিগারেট। 
    শুক্রবার ভোরে রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী এলাকা থেকে ভারত থেকে আনা এসকল সিগারেট অভিনব কায়দায় চট্টগ্রামে পাচারের সময় এসকল সিগারেট আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি জেলা ডিবি পুলিশের ওসি দৌস মোহাম্মদ। 
    ডিবির ওসি প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের পুলিশ সুপার ড. ফরহাদ হোসেন মহোদয়ের নির্দেশনায় আমরা আগে থেকেই ভেদভেদীতে অবস্থান নিয়েছিলাম। 
    পরবর্তীতে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে গ্যাসের সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক থামিকে তল্লাসী চালালে আমরা ১৬০ কার্টুন অবৈধ সিগারেটসহ (যাহার বাজার মূল্য এক কোটি ৯২ লাখ টাকা) জুয়েল নামের এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছি। 
    এ বিষয়ে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে জানিয়ে ডিবির ওসি বলেন, অবৈধ চোরাচালানকারিদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এরআগে রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারের পোড়া সমিল এলাকায় কাপ্তাই হ্রদে অভিযান দিয়ে যাত্রীবাহি স্প্রিডবোট থেকে ১৯ লাখ টাকার সিগারেটসহ একজনকে আটক করেছিলো ডিবি পুলিশ। 
    স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার আটককৃত সিগারেটগুলো মূলত কাপ্তাই দিয়ে কাভার্ড ভ্যানে করে চট্টগ্রাম পাচার করা কথা ছিলো। কিন্তু কাপ্তাই থানা পুলিশের তৎপরতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে প্রায় ৩’শ কার্টুন সিগারেট আসামবস্তি সড়ক দিয়ে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এনে রাখা হয়। 
    পরবর্তীতে এসব সিগারেট দুই ট্রাকে করে অভিনব কায়দায় জ্বালানি গ্যাসের সিলিন্ডার চারদিকে সাজিয়ে মাঝখানে সিগারেটের বস্তা রেখে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা চালায় চোরাচালান সিন্ডিকেট চক্র। 
    একটি রাজনৈতিকদের একশ্রেণীর নেতার মাধ্যমে কন্ট্রাক করে নিরাপদ রুট হিসেবে গ্রীণ সিগন্যাল পাওয়ার পর সিগারেটগুলো ভোররাতে রাঙামাটির ভেদভেদী হয়ে মানিকছড়ি দিয়ে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় বেরসিক ডিবি পুলিশ হাতেনাতে একটি ট্রাকভর্তি সিগারেটগুলোসহ জুয়েলকে আটক করে। এসময় অন্য আরেকটি সিগারেটভর্তি ট্রাক শহরের স্বর্ণটিলা এলাকায় সরিয়ে নিয়ে যায় সিন্ডিকেট চক্র। 
    স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কাপ্তাই হ্রদের তীরবর্তি বাশঁঝাড়ের নিচে এবং আশেপাশের কয়েকটি বাড়িতে সিগারেটভর্তি বস্তাগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এদিকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রাঙামাটি শহরে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে জেলা পুলিশ। #

     

  • রাঙামাটিতে লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম পরিচালনা পরিষদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম পরিচালনা পরিষদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের পূর্ণাঙ্গ নবগঠিত পরিচালনা পরিষদের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    আজ শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় শহরের ভেদভেদীতে লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রম পরিচালনা কমিটির আয়োজনে ও উদ্যোগে নিজস্ব সম্মেলন কক্ষে এ শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানের শুরুতেই ধর্মীয় গীতা পাঠ ও নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পরিষদের নেতৃবৃন্দদের ‘‘মানব কল্যাণে সর্বদা নিয়োজিত রেখে নিজেকে সমর্পণ করার মাধ্যমে” শপথ বাক্য পাঠ করান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ লোকনাথ ব্রহ্মচারী সেবক সংঘের সাবেক বিভাগীয় সম্পাদক ও রাঙামাটি লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের প্রতিষ্ঠাকালনি সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান উপদেষ্টা মাধব চক্রবর্তী।
    লোকনাথ ব্রহ্মচারী যোগাশ্রমের সভাপতি কুশল চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ পালিত রাজার স্বাগত বক্তব্য ও সঞ্চালনায় সভায় উপদেষ্টা স্বপন কুমার দে, ডাঃ রনজিত নাথ, আশীষ কুমার দে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শিক্ষক অরূপ কুমার মুৎসুদ্দি বক্তব্য রাখেন।
    একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়তে সকলকে এক হওয়ার আহব্বান ও আদর্শ উদ্দেশ্য স্বার্থ বিরোধী ও নীতিমালার পরিপন্থি কোন প্রকার কার্যকলাপে অংশগ্রহণ থেকে বিরত আহব্বান জানিয়ে সভায় বক্তারা নেতৃবৃন্দদের বলেন, সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রেখে মানব কল্যাণে নিজেকে সমর্পণ করতে হবে। আদর্শ উদ্দেশ্য স্বার্থ বিরোধী ও নীতিমালার পরিপন্থি কোন প্রকার কার্যকলাপে অংশগ্রহণ যাবে না। সংগঠনের মঙ্গলার্থে সকল প্রকার কাজ একান্ত নিষ্ঠার সাথে পালন করার জন্য অর্পিত দায়িত্ব আনন্দের সহিত পালন করার আহব্বান জানান নেতৃবৃন্দরা।
    আলোচনা সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক কমিটির সদস্য বাবু স্বপন কুমার মল্লিক, মতি কৃষ্ণা দেব, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইন্টু মনি তালুকদার, সহ সভাপতি বাবু মিলন কান্তি চৌধুরী, বাবু অমল চৌধুরী, বাদল দে, পান্না বিশ্বাস, অরুণ দাশসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    এর আগে জগতের সকলের সুখ, শান্তি ও রোগ মুক্তি এবং সু-স্বাস্থ্য কমানায় ১মিনিটি নিরবতা পালন করা হয়। #

  • বিজয় দিবসে মাঝ আকাশে রোড ম্যাপ একেঁ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাল পাইলট ফাহিম

    বিজয় দিবসে মাঝ আকাশে রোড ম্যাপ একেঁ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাল পাইলট ফাহিম

    ২০২৪’র বিজয়ের মাসে,শনিবার(১৪ ডিসেম্বর)স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৬ মিনিটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রিপাবলিক বিমানবন্দর থেকে মাঝ আকাশে বাংলাদেশের মানচিত্রের রুটম্যাপ তৈরি করতে উড্ডয়ন করেন তিনি।
    নিউইয়র্কের রিপাবলিক বিমানবন্দর থেকে সেসনা-১৭২ ব্র‍্যান্ডের এয়ারক্রাফট দিয়ে ফ্লাইটটি পরিচালনা করেন, আকাশে গোটা ম্যাপটি তৈরি করতে ফাহিমের উড্ডয়ন করতে হয়েছে ২ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট।
    এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেছেন তার বন্ধু আসাদ আবদুল্লাহ। যিনি পুরো সময় তার পাশে ছিলেন।
    তিনি বলেন,বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৩ বছর পূর্তিতে একটি বিশেষ কাজ করার চিন্তা থেকেই এ ম্যাপটি তৈরি করেছি। ফ্লাইট রাডার ব্যবহার করে মানুষ অনেক ধরনের অদ্ভুত ও সৃজনশীল জিনিস আঁকে, যা দেখে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি। ম্যাপ তৈরি করতে গিয়ে আমি অনেক আবেগ অনুভব করেছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের কথা মনে পড়লে, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে ত্যাগ ও সংগ্রাম,তা কখনোই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। এ ম্যাপের মাধ্যমে আমি আমাদের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে চেয়েছি। তারা যে আত্মত্যাগ করেছেন,তা দেশের প্রতি আমার ভালোবাসাকে আরও গভীর করে তোলে। স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে যে পরিমাণ কষ্ট, ত্যাগ আর সংগ্রাম ছিল,তা ভেবে আমি সত্যিই গর্বিত।
    ফ্লাইট রাডারের মাধ্যমে বিমানগুলোর রুট দিয়ে এমন একটি ম্যাপ তৈরি করা এক ধরনের নতুন অভিজ্ঞতা, যা দেশের প্রতি আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে থাকবে।#