Category: সারাদেশ

  • চন্দনাইশ জোয়ারা মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল মাওলানা আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল

    চন্দনাইশ জোয়ারা মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল মাওলানা আমিনুর রহমানের ইন্তেকাল

    চন্দনাইশ পৌরসভা সদরস্থ ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার বিশিষ্ট লেখক আলা হযরত গবেষক হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা প্রিন্সিপাল আমিনুর রহমান দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল রাত আটটার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
    ইন্তেকালে তাহার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী,১ ছেলে,২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। আজ ৭ডিসেম্বর-২০২২ইং বাদে আসর মরহুমের জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার মাঠে হুজুরের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য,তিনি জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা নাজেমে আলা হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি শফিউর রহমান (রাহ:)এর ১ম পুত্র অধ্যক্ষ হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা মাহমুদুর রহমান (রাহ:) ১ম পুত্র এবং ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস,সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা ফখরুদ্দিন (রাহ:)এর প্রথম জামাতা।
    হুজুরের মৃত্যুতে দৈনিক গিরি সংবাদ পরিবার গভীর শোকাহত। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাই। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে পবিত্র জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
    হুজুরের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নিমিত্বে পুনঃ নিউজ,স্মৃতি সংগ্রহে প্রয়াস মাত্র।

  • খেজুরের তৈরি কোমল পানীয় বাজারে আনলো সৌদিআরব

    খেজুরের তৈরি কোমল পানীয় বাজারে আনলো সৌদিআরব

    কোমল পানীয়ের চাহিদা ও জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে। তবে স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অনেকেই এড়িয়ে যান। স্বাস্থ্যসচেতন কোমল পানীয় প্রেমীদের জন্য সৌদি আরবে বাজারে এল খেজুরের তৈরি কোমল পানীয় মিলাফ কোলা। প্রাকৃতিক সুপার ফুড হিসেবে পরিচিত খেজুর দিয়ে তৈরি মিলাফ কোলাতে স্বাদ ও পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটি।
    গত নভেম্বরে রিয়াদ ডেট ফেস্টিভ্যালে এই পানীয়টির উদ্বোধন করেন সৌদি কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রহমান আল–ফাদলি ও থুরাথ আল–মদিনা কোম্পানির সিইও বান্দার আল–কাহতানি।
    সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) সহযোগী প্রতিষ্ঠান থুরাথ আল–মদিনা মিলাফ কোলার উৎপাদক। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলাফল এই মিলাফ কোলা। আন্তর্জাতিক খাদ্যনিরাপত্তা এবং গুণগত মান বজায় রেখে তৈরি করা হয়েছে এটি। স্বাদ ও পুষ্টির দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ও বিশ্ববাজারে এটি বেশ জনপ্রিয়তা পাবে বলে আশা করছেন তাঁরা।
    মিলাফ কোলার উৎপাদক প্রতিষ্ঠান আরও জানায়, সৌদি আরবে স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা উচ্চমানের খেজুর দিয়ে এই কোমল পানীয়টি তৈরি করা হয়েছে। প্রচলিত কোমল পানীয়ের চেয়ে এটি অনেক স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।
    সৌদি আরবের পরিবেশবান্ধব এবং স্থানীয় পণ্য প্রচারের ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মিলাফ কোলার মতো খেজুরের তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাদ্য পণ্য উদ্ভাবনে কাজ করে থুরাথ আল–মদিনা।
    কোম্পানির একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা ভবিষ্যতে খেজুরের তৈরি আরও পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা করছি। মিলাফ কোলা তো কেবল শুরু। আমরা এমন একাধিক পণ্য নিয়ে কাজ করছি, যা বিশ্বব্যাপী খেজুর ব্যবহারের পদ্ধতিকে বদলে দেবে।’
    রিয়াদ ডেট ফেস্টিভ্যালে পানীয়টি বেশ ইতিবাচক সাড়া পায়। মিলাফ কোলা খাদ্য ও পানীয় শিল্পে সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলা যায়।#

  • ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে নামাজরত মাকে কূপিয়ে হত্যা করল দূর্বৃত্তরা।

    ছাত্রলীগ নেতাকে না পেয়ে নামাজরত মাকে কূপিয়ে হত্যা করল দূর্বৃত্তরা।

    সারাদেশে কেমন চরম নিরাপ্তাহীনতায় আছে সাধারণ নিরহ মানুষ তার প্রতিচ্ছবি পঞ্চগড়ের নামাজরত মাকে নিঃসংস্বভাবে হত্যা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রীলীগ সভাপতি হওয়ায়,পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় এলাকার কিছু দূর্বৃত্ত মোটা অংকের চাদাঁ দাবী,
    ছেলেকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল নিহতের পরিবারকে। ঘটনার সময় ছেলেকে না পেয়ে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় অরিনা বেগম (৪৫) নামে এক নারীকে নামাজ আদায়রত অবস্থায় নির্মম ও পাশবিকভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
    গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সাড়ে রাত ১০টায় উপজেলার কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের কালিয়াগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে বোদা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
    শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। নিহত অরিনা ওই এলাকার আবুল কালামের স্ত্রী।
    জানা যায়, নিহত অরিনার বড় ছেলে চাকরি সুবাদে ঢাকায় থাকেন। তার আরেক ছেলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়ন সভাপতি। রাজনৈতিক কারণে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ঘরে এশার নামাজ আদায় করছিলেন অরিনা বেগম। ওই সময় ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর এক আঘাত করে। এতে মাটিতেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে অরিনা।বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দীন বলেন, ঘটনার পরে ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। সুরতহালে নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মাথায় একাধিক আঘাত করা হয়েছে। বর্তমানে মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছি। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।#

  • রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও ডিজিএফআই এর কর্নেলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও ডিজিএফআই এর কর্নেলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটি জেলা শহরের পলওয়েল পার্ক মাল্টিপারপাস শেডে রাঙামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃক রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও ডিজিএফআই এর কর্নেল জিএস এর বদলি উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিদায়ী অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান এবং ডিজিএফআই এর জিএস কর্নেল মো.আনোয়ারুল ইসলাম। এসময় আগত অতিথিবৃন্দ বিদায়ী অতিথিগণের রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় কর্মকালীন সময়ের বর্ণাঢ্য পেশাগত জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিদায়ী অতিথির সফল কর্মময় জীবন ফুটে উঠে। কর্মময় জীবনে বিদায়ী অতিথিগণ সৎ,দক্ষ,গুণী ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রাঙামাটিবাসীর কাছে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন গুনী এই কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে বিদায়ী অতিথিদের রাঙামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এসময় রাঙামাটি ১১ ইবি সদর জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল এরশাদ হোসেন চৌধুরী,ডিজিএফআই এর নবাগত জিএস (ভারপ্রাপ্ত) লেঃ কর্নেল মিরাজ হায়দার চৌধুরী, পিএসসি,এনএসআই এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ হোসেন এবং রাঙামাটি জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন……….✍️

  • সারাদিন গোলাগুলি সাজেকে,আটকা পড়েছে পর্যটক,ভ্রমণে নিযেধাজ্ঞা

    সারাদিন গোলাগুলি সাজেকে,আটকা পড়েছে পর্যটক,ভ্রমণে নিযেধাজ্ঞা

    ০৩ ডিসেম্বর-২০২৪ইং
    প্রকৃতির ভূস্বর্গ খ্যাত রাঙ্গামাটির সাজেকে দিনভর গোলাগুলির ঘটনায় পর্যকটরা ফিরতে পারেনি খাগড়াছড়িতে। এদিকে,পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সাজেক ভ্রমণে নিরুৎসাহী করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান
    খাগড়াছড়ি জীপগাড়ির লাইনম্যান মো.ইয়াছিন আরাফত জানান, সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ২৫-৩০টি গাড়ি সাজেক গিয়েছে যাতে প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক রয়েছে। তিনি জানান, দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিকেলে কোন পর্যটক গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি আসেনি।
    সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেক ও মাচালং এর ৭নং ওয়ার্ডের শীপপাড়া নামক এলাকায় এই গোলাগুলিরর ঘটনা ঘটে। যা পর্যটন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এই গোলাগুলির ঘটনার কারণে বিকেলের প্রায় ১০টি পর্যটকবাহী গাড়ি সাজেক ছেড়ে যায়নি। রাতে প্রায় ৫শতাধিক পর্যটক সাজেক অবস্থান করছেন।
    রাঙামটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, দুই আঞ্চলিক দলের গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার একদিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে বিধি নিষেধ দেয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। যারা আছেন তাদের নিরাপদে কাল ফিরিয়ে আনা হবে।
    স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, এলাকা নিয়ন্ত্রণে বিগত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাছালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপ ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনার খবর পাওয়া যায়। তবে এখনো হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। #

  • রাঙ্গামাটি পৌর মাঠ রক্ষায় শহরে নাগরিকদের মানববন্ধন।

    রাঙ্গামাটি পৌর মাঠ রক্ষায় শহরে নাগরিকদের মানববন্ধন।

    পর্যটন নগরী রাঙামাটি পৌরমাঠে ফুলের বাগানের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে পৌর শহরের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার সকালে “পৌরমাঠে ফুলের বাগানের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির” অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে রাঙামাটি পৌরসভার সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। 
    মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা ব্যক্তিবর্গ অভিযোগ করেন, রাঙামাটি পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিগত স্বৈরাচারি সরকারেরই এক কর্মকর্তা।
    বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করতে ও আর্থিক ভাবে লাভবানের প্রয়াসে এই কর্মকর্তা পৌর প্রশাসনের চেয়ারে বসে পৌর নাগরিকদের মতামত উপেক্ষা করে সরকারের বিরুদ্ধে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্রের লিপ্ত রয়েছে দাবি করে বক্তারা বলেন, পৌর এলাকার অত্যন্ত গুরুপূর্ন এই পৌরমাঠে প্রতিদিন কয়েকশো শিশুকিশোর খেলাধূলা করে এবং সারাবছরই বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গনজমায়েত ও মেলাসহ নানান কর্মসূচী পালন করা হয়।
    কিন্তু বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ মর্যাদার জনৈক নারী কর্মকর্তা নিজ ইচ্ছায় ফুল বাগান সৃজনের নামে পুরো মাঠটিকে ক্ষত-বিক্ষত করে বাগান সৃষ্টির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
    বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি স্থানীয় হাজারো নাগরিক। তারা পৌর কর্তৃপক্ষকে মাঠটি নষ্ট না করার অনুরোধ জানালেও নাগরিকদের আপত্তিতে কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি সংশ্লিষ্ট্যরা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিক্ষুব্ধ নাগরিকরা “পৌরমাঠে ফুলের বাগানের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির” অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে পৌর প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছে। 
    এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা দূর্ণীতি দমন কমিটির সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক, সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, জাসাস সভাপতি মোঃ কামাল উদ্দিন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজী কামাল উদ্দিন, ছাত্রনেতা শহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 
    মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা নারী কর্মকর্তার স্বামীও রাঙামাটিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বিগত স্বৈরাচারি সরকারের একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা। যার ফলে তিনি পতিত সরকারের পর রাঙামাটিতে বিতর্কিত কর্মকান্ড করে পার্বত্য উপদেষ্ঠাকেও বির্তকিত করেছিলেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছিলো জেলা প্রশাসন।
    এক পর্যায়ে তাকে রাঙামাটি থেকে বদলী করে নিয়ে যাওয়া হয়। সে একই ধারাবাহিকতা চালিয়ে যাচ্ছেন তার স্ত্রী। মূলতঃ স্বামী-স্ত্রী এই দুই কর্মকর্তা পতিত সরকারের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি করে বিসিএস কর্মকর্তা হয়েছিলেন।
    বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করতে তারা জনমতকে অগ্রাহ্য করে জনসাধারনের স্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। এই পৌর মাঠে আমাদের প্রাণের মাঠ। পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডে কোন মাঠ নেই। তাই এই পৌর মাঠে এলাকার ছোট ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করে থাকে। ফুলের বাগান করার নামে এই মাঠ দখল করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যদি এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ বন্ধ করা না হয় তা হলে বিক্ষোভ মিছিলসহ বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।#
     

  • অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বারোটা বেজে তেরোটা বেজে যাবে-উষাতন তালুকদার সাবেক এমপি।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বারোটা বেজে তেরোটা বেজে যাবে-উষাতন তালুকদার সাবেক এমপি।

    দেশে এখন সর্বত্র অরাজকতা বিরাজ করছে,কোথাও কারো নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহীতা নেই। আইন-শৃঙ্খলার পরিরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। পুলিশ এখন নাম মাত্র,পুলিশের মনোবল ভেঙ্গে গেছে। যখন-তখন যেখানে সেখানে, কারণে-অকারণে, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করে, হরতাল- অবরোধ,মিছিল-মিটিং ,হামলা- মামলা। এক চরম অরাজকতা পরিস্থিতি বিরাজ করছে সারা দেশময়। কেউ,কাউকে মানছে না, এভাবে একটা উন্নয়নশীল দেশ চলতে পারেনা। এরুপ চলতে থাকলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বারো টা বেজে তেরোটা বেজে যাবে। তাই সর্বাগ্রে,দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করার আহ্বান জানান, জনসংহতি সমিতি,জেএসএসের সহ-সভাপতি,সাবেক এমপি উষাতন তালুকদার।
    আজ রবিবার,২ডিসেম্বর সকাল ১১টায় শহরের কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গনে রাঙ্গামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গণসমাবেশ এ বক্তব্য রাখেন তিনি।
    রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বিরোধী ও জুম্ম স্বার্থ পরিপন্থী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে বৃহত্তর আন্দোলন জোরদার করার আহবান জানিয়ে এ গনসমাবেশ অনুষ্টিত হয়।
    পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সাধারণ সম্পাদক সহ-সাধারণ সম্পাদক উ উইন মং জলির সভাপতিত্বে জনসংহতি সমিতির শীর্ষ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার বক্তব্যে আরো বলেন,আজকে আপনাদের কাছে,এ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে,আপনারা নিরেপক্ষ,আপনারা বৈষম্যবিরোধী,আপনারা নতুন বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছেন। আমরা আশা রাখব,আপনারা পার্বত্য সমস্যা গভীর ভাবে চিন্তা করবেন। সংখ্যায় সামন্য হতে পারে পাহাড়ের মানুষ,তারাও মানুষ তাদেরও আত্ম-মর্যদা রয়েছে,রয়েছে নিজেদের ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য। সুতরাং পাহাড়বাসীকে অবেহেলা করে,পার্বত্য সমস্যা পাশ কাটিয়ে গেলে চলবেনা।
    রাষ্ট্রীয় ধর্ম নিরেপক্ষাকতা নিয়ে তিনি বলেন, সময়ের জ্ঞাতার্থে আপনাদের জানাচ্ছি,এ দেশ পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ,এখন কি এটাকে, ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশ বানাতে চাচ্ছেন নাকি? আপনারা সংখ্যায় ৯০% হতে পারেন! আমরা অন্যানরা ১০% হতে পারি।
    সময় অনেক গড়িয়ে গেছে,পৃথিবী অনেক বদলে গেছে, এখন, একবিংশ যুগ, এ যুগে আপনারা পিছনে চলে যাবেন নাকি? আমাদের ১০% কে আপনারা কি গণনায় আনবেন না? রাষ্ট্রের ধর্ম লাগে না, সেটা লাগে ব্যাক্তির,মানুষেই ধর্ম ব্যবহার করে। রাষ্ট্র নয় !
    অপরদিকে শিক্ষাবীদ,গবেষক শিশির চাকমা বলেন,এ শান্তিচুক্তির দায় শুধুই জন সংহতি সমিতির,অবশ্যই নয়। এ চুক্তি হয়েছে জনসংহতি সমিতি ও সরকারের মধ্যে ঠিক আছে। এ শান্তিচুক্তি জনসংহতি সমিতির একার নয়,এটি সমগ্র পার্বত্য অঞ্চলের বসবাসরত ১৩ টি জাতিসত্বা সহ এখানে বসবাসরত স্থায়ী বৃহত্তর বাঙগালী জনগোষ্টিরও,এটা আমাদের বুঝতে হবে,মানতে হবে।
    সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা, জনসংহতি সমিতির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল চাকমা, মহিলা সমিতির নেত্রী আশিকা চাকমা,জনসংহতি সমিতির নেতা অরুণ ত্রিপুরাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    গণসমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে ভুমি সমস্যা বেড়েই চলেছে। চুক্তি মোতাবেক গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর না হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে।
    বক্তারা বলেন,পাহাড়ের অশান্ত পরিস্থিতি দূর করতেই শান্তিচুক্তি(পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি) হয়েছিল। কিন্তু সেই চুক্তি বাস্তবায়ন না করায় পাহাড়ে এখনো বৈষম্য রয়ে গেছে।
    আজ যখন দেশের মানুষ একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের, সবার জন্য সম অধিকারের স্বপ্ন দেখছে, সেই পরিস্থিতিতে পাহাড়িদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য দূর করতে চাইলে শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃ- জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহবান জানান।
    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর শান্তি প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সরকারের সাথে পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষর করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি( জেএসএস)। #

  • রাঙামাটিতে আগুনে পুড়ে ছয় বসতবাড়ি ছাইঁ।

    রাঙামাটিতে আগুনে পুড়ে ছয় বসতবাড়ি ছাইঁ।

    আগুনে পুঁড়ে গেছে রাঙ্গামাটি শহরের চম্পক নগর এলাকায় সাবেক পার্বত্য উপদেষ্টা মরহুম শাহজাহান মোল্লার বাড়ি সহ আশ-পাশের ৬টি ঘর। সন্ধ্যে ৭ টার দিকে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। রান্নাঘরের গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা ফায়ার সার্ভিসের।
    রাঙামাটির ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও রেড ক্রিসেন্ট ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রান্নাঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশেপাশে ঘরগুলো টিনের হওয়ায় দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে।
    রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক দিদারুল আলম জানান, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনটি ইউনিট দিয়ে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় ছয়টি বসতঘর পুড়ে যায়। বাড়ির মালিক আক্তার হোসেনের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
    আগুনে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। #

  • বাংলাদেশের  জনগন আগামীতে জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায় : সহ:সেক্রেটারী জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান

    বাংলাদেশের জনগন আগামীতে জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায় : সহ:সেক্রেটারী জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান

    জামায়াত ইসলামীকে স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন বলে নিষিদ্ধ করতে গিয়ে ফ্যাসিবাদের দোসর,গণহত্যাকারী শেখ হাসিনা নিজেই নিষিদ্ধ হয়ে গেছেন,অবশেষে শেখ হসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন। এ মন্তব্য করেছেন,জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও চট্টগ্রামের সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ শাহজাহান চৌধুরী। তিনি আরো বলেন, ১৭ বছর জামায়াত শিবিরের উপর নির্যাতন চালানোর পরও আমরা কেউ পালিয়ে যায়নি কিন্তু ছাত্রজনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ এক মাসও টিকতে পারেনি।

    শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাঙ্গামাটি আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা মাঠে পৌরসভা জামায়াত আয়োজিত বিশাল কর্মী সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৭ বছর পর রাঙ্গামাটি শহরে পৌর জামায়াতে ইসলামীর বিশাল কর্মী সন্মেলনে হাজারো নেতা কর্মী যোগ দেয় ।

    সমাবেশে শাহজাহান চৌধুরী বলেন বিগত ১৫ বছর সরকারের জুলুম-নির্যাতনের কারণেই আমরা খোলা মনে কথা বলতে পারিনি। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারিনি। রাজনৈতিকভাবে আমাদের ওপর জুলুম-নির্যাতন করা হয়েছে। অফিস গুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হাজার হাজর নেতা কর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেলে দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে খুন গুমের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব চালানো হয়েছে।

    তিনি বলেন ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে যে সফল বিল্পব সাধন হয়েছে তা সমুন্নত রাখতে হবে । আগামী নির্বাচনে সৎ, যোগ্য এবং তাকওয়াবান নেতৃত্ব তৈরী করে জামায়াতে ইসলামীকে নির্বাচিত করতে দলের নেতাকর্মীদের কাজ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান। তিনি আগামীর বৈষম্যহীন শোষনহীন দুর্নীতিমুক্ত কল্যানকর বাংলাদেশ বিনির্মানে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন বাংলার মানুষ আগামীতে জামায়াতকে ক্ষমতায় আনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য পৃথিবীর ইতিহাসে এত জঘন্যতম, নির্মমতা ও পৈশাচিকতা আওয়ামী লীগ প্রদর্শন করেছে ।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকার সময় সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত ও জুলুম হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেতা কর্মীদের । অথচ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার বিতাড়িত হওয়ার পর কোন কোনো প্রতিশোধ নেয়নি। এই জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই এর জবাব দিতে হবে।

    রাঙ্গামাটি পৌর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে আয়োজিত বিশাল কর্মী সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাঙ্গামাটি জেলা আমীর অধ্যাপক মোঃ আব্দুল আলীম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মনছুরুল হক, রাঙ্গামাটি ইসলামীক সেন্টারের চেয়ারম্যান এডভোকেট. মোখতার আহমেদ, রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম , আল আমিন ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আলম ছিদ্দিকী, এলডিপির জেলা সভাপতি দিবাকর দেওয়ান, রাঙ্গামাটি জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক এড. মোঃ হারুনুর রশিদ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি এড. জিল্লুর রহমান, কাপ্তাই উপজেলা আমীর, মোঃ হারুন অর রশিদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলাম, সেক্রেটারী মোঃ রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

    এর আগে রাঙ্গামাটি পৌর জামায়াতের কর্মী সন্মেলন উপলক্ষে শনিবার রাঙ্গামাটি পৌর সভা থেকে রেলি বের করা হয়। রেলিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে বনরূপা আল আমিন সিনিয়র মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে এসে পৌর জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। #

    তারিখ- ৩০ নভেম্বর -২০২৪

  • রাঙামাটিতে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত; আহত-৩২

    রাঙামাটিতে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহত; আহত-৩২

    পার্বত্য রাঙামাটিতে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থী নিহত ও অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছে। রাঙামাটি শহরের প্রবেশমুখ মানিকছড়িতে শুক্রবার সকালে এবং পৃথকভাবে রাজস্থলী উপজেলাধীন বাঙ্গালহালিয়া এই দু’ই দূর্ঘটনা সংঘটিত হয়। 
    শুক্রবার সকালে চন্দ্রঘোনা-বাঙালহালিয়া সড়কের রাজস্থলী উপজেলার বাঙালহালিয়া ইউনিয়নের পুলিশ ক্যাম্প সড়ক সংলগ্ন ডাকবাংলা পাড়া এলাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় হতে আসা পর্যটকবাহী বাস ও যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ১ শিক্ষার্থী নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থী পাইমে মারমা অটোরিক্সার যাত্রী ছিলো। সে বান্দরবান জেলার সদর উপজেলার বালাঘাটা ঘোয়াইংগ্যা পাড়ার ক্য চিং নু মারমার মেয়ে। তিনি চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাঙ্গুনিয়া কলেজে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি সেন্টারে অধ্যয়নরত আছেন বলে জানা গেছে তাঁর ব্যবহৃত ব্যাগ হতে আইডি কার্ড সনাক্ত করে।
    এদিকে এই ঘটনায় আহত ৪ জন যাত্রী এবং সিএনজি চালককে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় সনাক্ত করা যায় নাই। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ১১ টা ৪৫ মিনিটের দিকে এই দূর্ঘটনা ঘটে বলে জানান,চন্দ্রঘোনা থানার ওসি মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল। 
    অপরদিকে, শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সকালে রাঙ্গুনিয়া থেকে রাজবনবিহারে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসার পথে মানিকছড়ি মুন্সি আব্দুর রউফ চত্বর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহি বাস উল্টে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।
    স্থানীয়রা জানান, ৪০ জনের একটি বাসে করে সকালে রাঙ্গুনিয়া থেকে রাঙামাটি রাজবনবিহারে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আসছিলেন। এমন সময় মানিকছড়ি নামক স্থানে বাসটি নিয়ন্ত্রণে হারিয়ে উল্টে যায়। 
    রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডাঃ শওকত আকবর খান জানিয়েছেন, বাস দূর্ঘটনায় আহত ২৭ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে ১১জন ভর্তি এবং ১৬জন আউটডোরে চিকিৎসা গ্রহণ করে। পুস্পিতা বড়–য়া নামের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম রেফার্ড করা হয়েছে। বেলা তিনটার সময় সর্বশেষ তথ্যানুসারে আহত ভর্তিদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই হাসপাতাল ছেড়ে বাড়িতে চলে গেছেন। #