Category: সারাদেশ

  • মাটিরাঙ্গার অপরাধ আখড়া

    মাটিরাঙ্গার অপরাধ আখড়া

    স্টাফ রিপোর্টার মাটিরাঙ্গা (খাগড়াছড়ি) থেকে ফিরে

    খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড এলাকা এখন চিহ্নিত অপরাধ আখড়ায় পরিনত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে সেখানে খুন, ধর্ষণ, মাদক, ক্যাসিনো জুয়া, জাল ডলার ও তক্ষক বাণিজ্যের নিরাপদ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আছে পদে পদে প্রতারণা আর কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া তাণ্ডব। এসব ক্ষেত্রে বরাবরই পুলিশের ঢিলেঢালা অবস্থান থাকার কারণে চিহ্নিত অপরাধীরা দিন দিনই বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

    পুলিশ বলছে, সেখানে অপরাধ অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গেলেই ক্ষমতাসীন দলের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা বাধা হয়ে দাড়ায়। কিন্তু এ ব্যাপারে পাল্টা অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বলা হচ্ছে, তক্ষক ও জাল ডলার প্রতারণা চক্রের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মাসোহারা পাওয়ার কারণে পুলিশ ৯ নং ওয়ার্ড এলাকাকে অপরাধের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। সেখানে টহল পুলিশ পর্যন্ত ঢুকে না। কোনো অপরাধ সংঘটনের খবর দেয়া হলেও পুলিশ রসুলপুর এলাকায় ঢুকতে গড়িমসি করে থাকে। যে কারণে সাধারণ মারামারির ঘটনাতেও ভুক্তভোগিরা ট্রিপল নাইনে ফোন করে তবেই পুলিশের নাগাল পান বলে জানিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, অতিসম্প্রতি রসুলপুর এলাকায় সৈনিক লীগের সভাপতিকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। কিন্তু দুর্বল পুলিশ প্রতিবেদনের সুযোগে ওই নেতা কয়েকদিনের মধ্যে জামিনে এসেই ইয়াবার বড় চালানদার হয়ে উঠেছেন। তার সঙ্গে পুলিশের এখন গলায় গলায় পীড়িত। ওই নেতাই এখন রসুলপুরের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হয়ে উঠেছেন।

    রসুলপুর, মুসলিম পাড়াসহ আশপাশের এলাকায় দুই ডজনেরও বেশি তক্ষক প্রতারকের সরব অবস্থান রয়েছে। প্রতিদিনই সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত তক্ষক ক্রেতাদের আনাগোণা দেখতে পাওয়া যায়। সংঘবদ্ধ তক্ষক চক্র প্রায়ই ক্রেতাদের মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে তাদের মারধোর করে বিভিন্ন বাড়িঘরে আটক করে রাখে। পরে তাদের স্বজনদের থেকে বিকাশের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে তবেই ছেড়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগিরা নতুন করে ঝক্কি ঝামেলায় পড়ার আশঙ্কায় থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ নিয়ে যায় না বলে জানা গেছে। ইদানিং তক্ষক প্রতারকদের চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে রসুলপুরের জাল ডলার চক্র। উভয়চক্রের মূল হোতারা থানার তালিকাভুক্ত অপরাধী হওয়া সত্তেও অজ্ঞাত ক্ষমতাবলে বুক ফুলিয়ে বিচরণ করে থাকে।

    সব মিলিয়ে মাত্র ৩০/৩৫ জন চিহ্নিত অপরাধীর কাছে গোটা ৯ নং ওয়ার্ডের কয়েক হাজার বাসিন্দা জিম্মী হয়ে আছে। এ অপরাধীরাই এলাকার বিচার আচার থেকে শুরু করে সমাজ কমিটি পর্যন্ত পরিচালনা করে থাকে। তারা অস্ত্রশস্ত্রে বলিয়ান ও সংঘবদ্ধ থাকায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে টু শব্দটি করতেও সাহস পায় না।

    রসুলপুরের পাড়ায় পাড়ায় কিশোর গ্যাং ও ক্যাসিনো জুয়ারও ব্যাপক দৌরাত্ম্য রয়েছে। রিকসা-ভ্যান চালক, খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝেও ক্যাসিনো খেলার ধুম লক্ষ্য করা যায়। পাড়ার মোড়ে মোড়ে, দোকানপাটের সামনে ক্যাসিনো জুয়াড়িদের ভিড় লেগেই থাকে। এসব ব্যাপারে পুলিশের বিন্দুমাত্র ভূমিকা নেই। ফলে কিশোর গ্যাংয়ের নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আর ক্ষুদে জুয়াড়িদের অহরহ চুরি চামারির ধকল পোহান বাসিন্দারা।

    অপরাধ আখড়া ৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় মাত্র দুই বছরে অন্তত চারটি নৃশংস হত্যাকান্ড, তিনটি ধর্ষণ, প্রায় বিশটি জবর দখল, ছয়টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ঘটনা পুলিশি মধ্যস্থতায় মিটমিমাংসা করারও অভিযোগ রয়েছে।

  • আহারে সাংবাদিক! আহারে সাংবাদিকতা!!

    আহারে সাংবাদিক! আহারে সাংবাদিকতা!!

    আহারে সাংবাদিক, আহারে সাংবাদিকতা! সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া সংবাদ ছাপাতে এতটাই উৎসাহী থাকেন সাংবাদিকরা যা অন্য কোনো পেশায় বিন্দুমাত্র নজির দেখতে পাওয়া যায় না। মূলত সাংবাদিক হিসেবে অপর সাংবাদিকের প্রতিহিংসা, বিরোধ, আক্রোশের কারণেই বেশিরভাগ সংবাদ প্রকাশের নজির বিদ্যমান। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় যা ঘটলো তা কোন ক্রাইটেরিয়ায় ফেলবো সেটি খুঁজে পাচ্ছি না।
    সেখানে দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক হাসান আল মামুন ও তার পরিবারের উপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে তার গাড়ি আটকায় এবং গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করে হাসান আল মামুন, তার স্ত্রী রত্না হাসান ও মেয়ে জান্নাত কে টেনে হিঁচড়ে নামায়। তারা রড, পাইপ, লাঠিসোটা দিয়ে সবাইকে বেধড়ক মারধোর করে এবং হাসান আল মামুনকে রীতিমত হত্যার অপচেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
    এই ঘটনায় মামলা হয়েছে, আসামি গ্রেফতারে পুলিশ অভিযানের পর অভিযান চালাচ্ছে। সে খবরটি প্রকাশের ব্যাপারে ওই উপজেলার সংবাদদাতাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই, ছিলও না। কিন্তু তাদের আগ্রহ ছিল ভিন্ন জায়গায়।
    একজন সম্পাদকসহ তার পরিবারের উপর ন্যাক্কারজনক হামলাকারীদের সরাসরি পক্ষ নিলেন স্থানীয় সংবাদদাতারা। তারা অভিযুক্তদের কথিত এক সংবাদ সম্মেলন দেখিয়ে একপেশে সংবাদ প্রস্তুত করে নিজেদের নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ করলেন। যদিও প্রথম শ্রেনীর কোনো পত্রিকায় সে সংবাদকে পাত্তাও দেয়া হয়নি। তারা প্রকাশিত সংবাদে কি বোঝাতে চাইলেন তা আমার মত অল্প শিক্ষিত পাঠক বুঝতেই পারলাম না। সে সংবাদে একবার বলতে চাইলেন যে, এলাকার একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করিয়ে দেয়ার জের হিসেবে ওই সম্পাদকের উপর হামলা হয়েছে। আবার বললেন, এলাকার লোকজনের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী আহত সম্পাদক হাসান আল মামুনের মাথায় এক ইঞ্চি পরিমান গভীর এবং আড়াই ইঞ্চি দীর্ঘ ক্ষত থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তক্ষরণ হওয়ার বর্ণনা রয়েছে। বলা হয়েছে এ আঘাত ভারি লৌহ দন্ডের। হাতাহাতির ঘটনায় বুঝি এমন ক্ষত হয়?
    তাছাড়া ঘটনাস্থলে পুরুষ হিসেবে হাসান আল মামুন, মহিলা হিসেবে তার স্ত্রী রত্না হাসান এবং তার চার শিশু সন্তান ছিল গাড়িতে। অপরপক্ষে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, রড, লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে অপেক্ষারত ছিল ১২/১৩ জন হামলাকারী। একজনের সঙ্গে ১২/১৩ জনের মারামারি হয় কখনও? নাকি ১২/১৩ জন মিলে একজনের উপর হামলা চালায়?
    সংবাদ সম্মেলনে এটুকু যৌক্তিকতা বুঝতে না পারলে, তা নিয়ে প্রশ্ন করতে না পারলে সেই সংবাদ সম্মেলন কাভারেজ দেয়ার এতো দায়বদ্ধতা পেলেন কোত্থেকে? সংবাদ সম্মেলন আর প্রেস রিলিজ এক কথা নয়। সেখানে অযৌক্তিক বা মিথ্যা তথ্য কেউ গেলানোর চেষ্টা করলে সাংবাদিককে অবশ্যই তা প্রশ্ন তুলতে হবে এবং ক্রসচেক করতে হবে। ক্রসচেকের নামে কেউ কেউ আহত সম্পাদক হাসান আল মামুনের যে মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, রক্তাক্ত জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিতসাধীন থাকাকালে কাউকে কোনো রকম বক্তব্য দেয়ার প্রশ্নই উঠে না। তাহলে কি দাঁড়ালো?
    আপনি বস্তুনিষ্ঠ হবেন, সত্যবাদী হবেন, আপসহীন হবেন- তাই বলে নিজ পেশার আরেক ভাইয়ের প্রতি আপনার বিন্দুমাত্র দায়বোধ, মমত্ববোধ থাকবে না? আপনি তার উপর হামলার ঘটনাকে মারামারি হিসেবে প্রচার করবেন, রক্তাক্ত একজন সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনবোধ করবেন না, একজন সম্পাদককে কথিত সম্পাদক হিসেবে পরিচিত করার পাঁয়তারা চালাবেন,,, এটাই বুঝি সাংবাদিকতার বিবেক? এটাই বস্তুনিষ্ঠতা?
    সাংবাদিকদের ব্যক্তি বিরোধ, আক্রোশ, প্রতিহিংসার কারণেই বারবার হামলা, নির্যাতন, হয়রানির ধকলে পড়ে আর প্রতিবারই কিছু দালাল সাংবাদিকের চেহারা উন্মোচিত হয়। আপনি, আমি সেই কাতারভুক্ত হয়ে পড়ছি কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

  • জলকেলিতে শেষ হল পাহাড়ে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব।

    জলকেলিতে শেষ হল পাহাড়ে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব।

    মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ)
    রাঙ্গামাটিতে বর্ষবরণের  মারমাদের সাংগ্রাই উৎসবের সমাপ্তি ঘটল জল উৎসব বা জলকেলি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ।
    মারমা তরুন-তরুনি নিজেদের  ঐতিজ্যবাহী আর্কষীন পোশাকে সাজস্জ্জায় সজ্জিত হয়ে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে  এসে জড়ো হয় রাঙ্গামাটি শহরের চিং হ্লা মারি স্টেডিয়ামে।  এ অনুষ্টানটি মারমা সম্প্রদায়ের হলেও  এউৎসবে রাঙ্গামাটির বসবাসরত সকল জাতিগোষ্টির মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করার মত ছিল। এ এক বাধঁভাঙ্গা নতুন প্রাণের উচ্ছাস। মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) এর আয়োজনে
    মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) এর সভাপতি ও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চোধুরীর সভাপতিত্বে শহরের চিং হ্লা মারি স্টডিয়ামে এ জল উৎসবের উদ্ভোধন করেন জনাব দীপংকর তালুকদার এমপি,মাননীয় সভাপতি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি
    মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গেষ্ট অব অনার ছিলেন ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি। সদস্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটি অর্থ মন্ত্রণালয়।
    জনাব জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা
    মাননীয় সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা আসন।
    জনাব সুপ্রদীপ চাকমা
    মাননীয় চেয়ারম্যান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি কমান্ডার, ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন।
    কর্নেল মোঃ আনোয়ার লতিফ খান।
    বিপিএম (বার) পিএসসি
    জনাব মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জেলা প্রশাসক,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
    মারমারা পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সাংগ্রাই-এর এই জল উৎসব করে থাকে। মারমা তরুণ-তরুণীরা এই জলকেলি উৎসবের মাধ্যমে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে পুরাতন বছরের গ্লানি, দুঃখ, অপশক্তিকে দূর করে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। #

  • রাঙামাটিতে উপজেলা নির্বাচনে  ৪   উপজেলায় ৩৭জন মনোনয়নপত্র জমা

    রাঙামাটিতে উপজেলা নির্বাচনে  ৪   উপজেলায় ৩৭জন মনোনয়নপত্র জমা

    ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটে তিনটি পদে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সদর উপজেলাসহ মোট চার উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে সর্বমোট ৩৭ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানাগেছে, এবার কেবল অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। এতে রাঙামাটি জেলার
    সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন,

    জুড়াছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান-৩ ভাইস চেয়ারম্যান-২, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-২,
    কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান-২, ভাইস চেয়ারম্যান-৪, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-৩
    বরকল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে-২ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। পরদিন প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে।

    প্রথম ধাপের রাঙামাটির চার উপজেলাসহ সর্বমোট ১৫০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে চলতি বছরের আগামী ৮ মে।

    এ ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন জেলা প্রশাসক। #


  • রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা

    রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা

    মোকাদ্দেম সাঈফ
    পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি সার্বজনীন লোক-উৎসব। আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে রাঙামাটি রিজিয়ন ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ সকল ইউনিটের অংশগ্রহণে ১১ ইস্ট বেঙ্গলের প্রশিক্ষণ মাঠে দুই দিনব্যাপী “বৈশাখী মেলা-১৪৩১” অয়োজন করা হয়েছে।
    রোববার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে, বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
    এসময় সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যসহ তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
    রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে মেলাটি সকল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় পহেলা বৈশাখের বাহারী খাবার, পান্তা/ইলিশ, বিভিন্ন প্রকারের পিঠা, বানর খেলা, সাপ খেলা সহ বিভিন্ন খেলা, পুতুল নাঁচ, বায়োস্কোপ, হস্ত শিল্পের প্রদর্শনী ও নাগর দোলার স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
    এছাড়াও নির্বাচিত শিল্পী এবং লেকার্স পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাহাড়ি ও বাঙালিদের মাঝে সু-সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে এ ধরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে রিজিয়ন কর্তৃপক্ষ।
    পাহাড় জুড়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর উৎসব থাকাতে এ বৈশাখী মেলা হয়েছে মনোমুগ্ধকর সম্প্রীতির মিলন মেলায় #

  • বাহারছড়ার ঐহিত্যবাহী একতা ক্রীড়া চক্রের  সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বাহারছড়ার ঐহিত্যবাহী একতা ক্রীড়া চক্রের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

    বাহারছড়ার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া ও সামাজিক সংগঠন একতা ক্রীড়া চক্রের গতকাল ৯ মার্চ রোজ-শনিবার কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার কনফারেন্স হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। একতা ক্রীড়া চক্রের সভাপতি সাহেদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক নৌশাদ ইফতেখারের সঞ্চালনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বিগত জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে ক্লাবের উপদেষ্টা জাহিদ ইফতেকার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ২ জন সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাদেরকে ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং আগামী ২৩ মার্চ ক্লাবের ইফতার পার্টির আয়োজন করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। সভায় অত্র ক্লাবের উন্নয়ন ও অন্যান্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন-সহ-সভাপতি সিফাত ইমতিয়াজ হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট উজ্জ্বল দাশ, দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান, অর্থ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, সিনিয়র সদস্য যথাক্রমে-আলী রেজা তসলিম, আবছার কামাল, সোয়েবুল ইসলাম, দিদার, এডভাকেট শওকত, এডাভোকেট আবু হেনা মোস্তফা কামাল, আল-আমিন, কাজল শীল তাহমিদুল মুনতাসির প্রমুখ। সভা শেষে উক্ত ক্লাবের সকল সদস্যদেরকে ক্লাবের উন্নয়ন ও সার্বিক সমস্যা ও ক্রীড়ার ক্ষেত্রে ক্লাবকে আরো গতিশীল করার জন্য পরামর্শ প্রদান করেন নবনির্বাচিত জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অত্র ক্লাবের উপদেষ্টা জাহিদ ইফতেকার

  • উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্নের তাগিদ  পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

    উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্নের তাগিদ পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি পার্বত্য চট্টগ্রামে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প কাজ ও স্কিমসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের জোর তাগিদ দেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তুলনা দিয়ে বলেন, সচিব এর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলো অত্যন্ত সূচারুরূপে পদ্ধতিগতভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। তিন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র উন্নয়ন সভায় উপস্থিত থাকলেই চলবে না, মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে যখন তখন মন্ত্রণালয়ে আসতে হবে। সকল কাজের তদারকি, পরামর্শ গ্রহণ ও দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার কৌশলগুলো জানতে হবে।

    আজ রাজধানীর বেইলী রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও এর অন্তর্ভুক্ত দপ্তরসমূহের উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করলে এলাকার মানুষের জন্য সুফল বয়ে আসবে। তিনি বলেন, আমাদের চিন্তা, চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে, কিন্তু দেশ আমাদের- দেশের মানুষ আমাদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরির্বতন করে যাচ্ছেন। দেশের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। আমাদের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়নের যে ধারা,  সে ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সকলকে অধিকতর দায়িত্বশীল থেকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সচল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন।

    সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহরে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্প ও স্কিমসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বরাদ্দ এবং অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নতুন স্কিম গ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট এন্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প, কফি ও কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে দারিদ্র্যহ্রাসকরণ প্রকল্প, সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্প, পার্বত্য অঞ্চলে পল্লী সড়ক নির্মাণ প্রকল্প, জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য মাস্টার ড্রেইন নির্মাণ ইত্যাদি প্রকল্পসমূহের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশীদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপুসহ পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • তদবীরহীন যোগ্যতা ও মেধায় পুলিশের চাকুরি পেলো রাঙামাটির ১৫ তরুন-তরুনী

    তদবীরহীন যোগ্যতা ও মেধায় পুলিশের চাকুরি পেলো রাঙামাটির ১৫ তরুন-তরুনী

    বিশেষ প্রতিনিধি
    কোনো প্রকার অনৈতিক সুবিধা ছাড়াই শুধুমাত্র মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে সকল প্রকার পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে ১৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী প্রার্থীকে বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করেছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে রাঙামাটির নিউ পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ, বিপিএম (বার) টিআরসি পদে উত্তীর্ণদের নাম ঘোষণা করেন।

    এসময় প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অভিনন্দন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি মীর আবু তৌহিদ, বিপিএম (বার)। এসময় কঠিন প্রতিযোগিতামূলক, তদবির বিহীন, প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির জন্য মনোনীত হওয়ায় মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরিক্ষায় উত্তীর্ণরা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

    নির্বাচিতরা তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশে জানায়, আজ আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা, মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরিতে নির্বাচিত হয়ে খুবই আনন্দিত। আইজিপি মহোদয় এবং রঙামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত সৎ, নিষ্ঠাবান এবং ভালো মনের মানুষ হওয়ায় মেধা ও যোগ্যতার মূলায়নের ভিত্তিতে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। তাই আমরা সকলকে আমাদের অন্তরের অন্ত:স্থল থেকে বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই।

    পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ সুপার বলেন, যাদের চাকরি হয়েছে তারা সবাই নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। এখানে অন্যকিছু ভাবার কোনো অবকাশ নেই। আপনারা সততা বজায় রেখে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। আপনারা মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন তাই আপনারা দেশ সেবায় চুড়ান্ত ভাবে সততা দেশপ্রেম এবং কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন।

    এসময় নিয়োগ বোর্ডের সদস্যগণসহ রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি জয়নাল আবেদিন, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শিবলী লোমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাঙামাটি সদর সার্কেল জাহিদুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

     

     

     

  • রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

    রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ

    এম.নাজিম উদ্দিন,রাঙামাটি।
    পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক চর্চায় আমাদের সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা পার্বত্য পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী। তিনি বলেন,পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে আমাদেরকে এই কাজ করতে হবে। তার জন্য রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলোকে কাজে লাগিয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
    মঙ্গলবার ১২ মার্চ রাঙামাটি জেলা পরিষদ মিনি হল রুমে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুদানের চেক বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
    এ সময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম,রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া,রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ইলিপন চাকমা,জেলা পরিষদ সদস্য নিউচিং মারমা,পরিষদ সদস্য দীপ্তিময় তালুকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাঙামাটি জেলার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়টি সংগঠনের ১৩ লক্ষ টাকা অনুদান বিতরণ করা হয়.

  • দক্ষ ও স্মার্ট পার্বত্য চট্রগ্রাম গড়তে  জেলা প্রশাসকদের আহ্বান- পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

    দক্ষ ও স্মার্ট পার্বত্য চট্রগ্রাম গড়তে জেলা প্রশাসকদের আহ্বান- পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

    বিশেষপ্রতিনিধি (গিরি সংবাদ) ঢাকা।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাজ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চেয়ে একটু ভিন্ন। একসময় পশ্চাদপদ জনপদ ছিল পার্বত্য চট্টগ্রাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য  চট্টগ্রামে দুই যুগেরও বেশি সময় চলমান ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত ‍নিরসনে ১৯৯৭ সালের ০২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন করেন। পার্বত্য অবহেলিত অঞ্চল ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে সম্পৃক্ত করার জন্যই বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এখন দক্ষ ও স্মার্ট পার্বত্য চট্রগ্রাম গড়ে তোলার কাজে সকলকে নিবেদিত হতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আমরা পার্বত্যবাসীরা ঐক্যবদ্ধ বলে মন্তব্য করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

    আজ রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৪ এর চতুর্থ দিনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কার্য অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এমন মন্তব্য করেন।
    অধিবেশন শেষে মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা আরও বলেন, দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে একীভূত করে সরকার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, বিশেষ করে পার্বত্য দুর্গম এলাকায় জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড পৌঁছানো সম্ভব নয়, সে সমস্ত এলাকায় সরকার সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছে। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ৫৫ হাজার সোলার প্যানেল স্থাপন করে আড়াই লাখ দুর্গম পার্বত্য মানুষের কাছে বিদ্যুতের সুবিধা পৌঁছে দিয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার। এছাড়া খুব শিগগিরই আরও ১ লাখ সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে ৫ লাখ দুর্গম মানুষকে বিদ্যুতের সুবিধায় আনার লক্ষ্যে কাজ করছে এ সরকার। প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, পার্বত্য এলাকায় পানির সংকট নিরসনের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের বনায়নকে ফিরিয়ে আনতে উজার হওয়া বনগুলোতে নতুন করে গাছপালা লাগানো হচ্ছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ইতোমধ্যে ভূমি কমিশন আইন করা হয়েছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে ভূমি কমিশনের প্রধান নিযুক্ত করা হয়েছে। এখন বিধির কাজ চলছে। বিধি হয়ে গেলে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা অনেকাংশে কমে যাবে বলে জানান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।
    অধিবেশন সভাপতিত্ব ও পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমান এনডিসি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।