Category: সারাদেশ

  • মহান বিজয় দিবস পালন করেছে রাঙামাটিবাসী যেমনটি।

    মহান বিজয় দিবস পালন করেছে রাঙামাটিবাসী যেমনটি।

    বাংলাদেশের জাতীয় গৌরবের দিন যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে পার্বত্য রাঙামাটিবাসী। সুর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদীতে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যদিয়ে এই মহান দিবসের কার্যক্রম শুরু করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিব উল্লাহ।
    এর পরপরই রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার,রাঙামাটির পুলিশ সুপার ড.ফরহাদ হোসেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যান রিপন চাকমা,পৌর প্রশাসক নাসরিন সুলতানা,বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধি, রাঙামাটি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ এবং পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামী,এলডিপিসহ,বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করার পাশাপাশি দলীয় শপথবাক্য পাঠ করা হয়।  
    সর্বস্তরের জনগণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ট বীর সুর্য্য সন্তানদের ।
    অন্যদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সকালে কুমার সমিত রায় জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।
    জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সংবর্ধনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ,তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশের প্রতাশ্যা এখনো পূরণ হয়নি। সকলকে দেশের জন্য একসাথে কাজ করার আহবান জানান বক্তারা।
    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা পুলশি সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হোসেন চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা সুধীর চন্দ্র দাশ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
    এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।
    তার পরপরই শহীদ মিনারের বিপরীত দিকে অবস্থিত স্মৃতিসৌধ,শহীদ এম আব্দুল আলীর স্মৃতিস্তম্ভে এবং শহীদ আব্দুস শুক্কুরের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। উল্লেখ্য,বিজয় দিবসের প্রথম প্রহর ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২ টা ১মিনিটে মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ও মুক্তিযোদ্ধা হাজী কামাল উদ্দীন শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা শুক্কুরের স্মৃতিস্তম্ভে ফুলের তোড়ায় শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন করতে দেখা গেলেও ভোর হতেই এই তোরণ আর স্মৃতির বেদীতে পাওয়া যায়নি। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
    এদিকে এদিন সকাল ৮ টায় রাঙামাটি সার্কিট হাউজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ,পুলিশ সুপার ড.ফরহাদ হোসেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন লোকজন জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
    সেখানে আলোচনা সভা,পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিকাল ৩টায় মারি স্টেডিয়ামে আয়োজন থাকছে ক্রীড়া অনুষ্ঠানের। একই স্থানে মহিলা ক্রীড়া অনুষ্ঠান।
    সন্ধ্যা ৬টায় রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন জন সমাগম স্থলে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী হয়। জেলার সকল মসজিদ মন্দির ও গির্জায় বিশেষ মুনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।এছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা,এতিমখানা,শিশু পরিবার ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান সমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বিনোদনমুলক স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র শিশুদের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকেটে উন্মুক্ত রাখা হয়। #

  • রুচি ও স্বাদের অনন্য বৈচিত্রময়তা নিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী অভিজাত মিষ্টি বিপনী মধুবন এখন রাঙ্গামাটিতে

    রুচি ও স্বাদের অনন্য বৈচিত্রময়তা নিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী অভিজাত মিষ্টি বিপনী মধুবন এখন রাঙ্গামাটিতে

    পর্যটনগরী রুপের রানী রাঙ্গামাটিতে রুচিঁ ও স্বাদের অনন্য বৈচিত্রময়তা নিয়ে বানিজ্যিক শুভ যাত্রা শুরু হল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যপ্রতিষ্টান মধুবন অভিজাত মিষ্টি বিপনী’র।
    ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় রাঙ্গামাটির বানিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র ঐতিহাসিক রিজার্ভ বাজার সিএনজি ষ্টেশনে শুভ উদ্বোধন হল চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্টান মধুবন অভিজাত মিষ্টি বিপনী রিজার্ভ বাজার শাখা। ঝাকঁজমকপূর্ন এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি মধুবন গ্রুপের চেয়ারম্যান নূরুল আবছার উদ্বোধনী ফিতা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে শাখার শুভ-উদ্বোধন করেন। এসময় মধুবনের পরিচালক নুরুল হক,নুরুল আমিন,এস এম কাইছার উদ্দিন হেড অফ একাউন্টস মধুবন,রিজার্ভ বাজার জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মাওলানা হাফেজ নঈম উদ্দিন আল-কাদেরী ও রাঙ্গামাটি পৌরসভার সাবেক ১নং ওয়ার্ড কমিশনার হেলাল উদ্দীন,মধুবন রিজার্ভ বাজার শাখার সত্বাধিকারী হাজী আবু তাহের,বিশিষ্ট কাঠব্যবসায়ী হাজী জসিম উদ্দিন,হাজী আলী আকবর সত্বাধিকারী তৈয়বিয়া হার্ডওয়্যার,বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী হাজী নুরুল ইসলাম তালুকদার সহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্টানে উপস্থিতিজনরা এই ধরনের একটি খ্যাতনামা খাদ্যপন্য প্রতিষ্ঠান হাতের কাছে পেয়ে খুবই উচ্ছসিত ও আনন্দিত। গ্রাহকের উন্নত সেবা,মূল্যে ন্যায্যতা,সুন্দর ব্যবহার,খাদ্যসামগ্রীর গুনগত মান, পরিবেশনে পরিস্কার পরিছন্নতা ও বিশ্বস্থতায় মধুবন তার উত্তম গ্রাহকসেবা সদা-সর্বদা বজায় রাখবে এ প্রত্যাশা এলাকাবাসীর। #

  • সাংবাদিক মোস্তফা কামাল’র মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা

    সাংবাদিক মোস্তফা কামাল’র মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা

    রাঙামাটির বিশিষ্ট সাংবাদিক, ক্রীড়া সংগঠক ও শিক্ষক মোস্তফা কামালের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে শহরের রিজার্ভ বাজারস্থ রাঙামাটি শিশু নিকেতন প্রাঙ্গনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
     
    সাংবাদিক মোস্তফা কামাল স্মরণ সভা পরিষদের সদস্য শংকর হোড়ের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, সাবেক সভাপতি সামশুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, অর্থ সম্পাদক পুলক চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল স্মরণ সভা পরিষদের সদস্য রমজান আলী, রাঙামাটি সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দীপ্ত হান্নান, রিজার্ভ মুখ স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত দাশ দেবু, সাবেক শিক্ষার্থী রোকসানা আক্তার রুমা।

    সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক মোস্তফা কামাল স্মরণ সভা পরিষদের সদস্য আহমেদ ফজলুর রশীদ।

    সভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা ব্যাক্তিত্ব। শুধু সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেই নয়, ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও ছিল তাঁর দক্ষ পদচারণা। তিনি তাঁর মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে নিজেকে এবং রাঙামাটিকে তুলে ধরেছেন এক অনন্য উচ্চতায়।

    বক্তারা আরো বলেন, মোস্তফা কামাল নিজেকে সাংবাদিক ছাড়াও একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন। তাঁর অনেক ছাত্র-ছাত্রী আজ সফলতার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহন করেছেন। তাঁদের সফলতার গল্পে মোস্তফা কামাল একটি গুরুত্বপূর্ণচরিত্র দখল করে আছেন।

    সভা শেষে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন অতিথিরা।

    মিশু মল্লিক

  • প্রাথমিক ভাবে দেশের চারটি নোটের নকশায় আসছে পরিবর্তন।

    প্রাথমিক ভাবে দেশের চারটি নোটের নকশায় আসছে পরিবর্তন।

    বহুল আলোচিত বাংলাদেশি ২০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা ও ১০০০ টাকা মূল্যমানের নতুন নোট আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাজারে আসবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্য প্রকাশ করার পর নতুন নোটের নকশার উপাদান নিয়ে মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।
    নতুন নোট আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “নতুন নকশায় টাকা ছাপার বিষয়ে সরকারের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এখন বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আশা করছি, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বাজারে আসতে পারে নতুন নকশার টাকা।”
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো নকশায় সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিতে দিয়েছে। নতুন টাকার নকশায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইকনিক প্রতিকৃতি আর নাও থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। এর পরিবর্তে যুক্ত হবে ধর্মীয় স্থাপনা,বাঙালি ঐতিহ্যসহ “জুলাই বিপ্লবের গ্রাফিতি”।
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, সরকার নতুন নোট মুদ্রণের অনুমোদন দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করার পর ছয় মাসের মধ্যে সেগুলোর প্রচলন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,বর্তমান নকশা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে চারটি নোটের নকশায় পরিবর্তন করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে দেশের সব ধরনের ব্যাংক নোটের নকশা পরিবর্তন করা হবে।
    বাংলাদেশে মুদ্রা ছাপানোর কাজটি করে দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড,যা “টাঁকশাল” নামে পরিচিত। টাঁকশালের এক কর্মকর্তা জানান,চলতি ডিসেম্বর মাসেই টেন্ডার আহ্বান করা হবে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলে ছাপার কাজ শুরু হবে। নতুন টাকা আগামী জুনের আগেই বাজারে আসবে।
    বর্তমানে ১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার ১০টি কাগুজে নোট বাজারে রয়েছে। এর মধ্যে ২ টাকা থেকে শুরু করে ১০০০ টাকা পর্যন্ত সব কাগুজে নোটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি আছে। কোনো কোনো নোটের দু’পাশে বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবের ছবি রয়েছে। এ ছাড়া ধাতব মুদ্রা গুলোতেও তাঁর ছবি আছে। #

  • বাঘাইছড়িতে কৃষকদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    বাঘাইছড়িতে কৃষকদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল আলোচনা সভা এবং কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।
    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকাল ৩ টায় বাঘাইছড়ি বিএনপি কার্যালয় সম্মুখ হতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালী বের হয়ে চৌমুহনী চত্বর প্রদক্ষিন করে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
    উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আমান উল্লাহ’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দিন বাবু, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওমর আলী, বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ খাজা, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন এছাড়াও পৌরসভা ইউনিয়ন কৃষক দলের নেতাকর্মীরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
    উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম ও সভাপতি ইব্রাহীম খলিল।
    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপি কৃষক বান্দব দল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গঠিত জাতীয়তাবাদী কৃষক দল সর্বদা বাংলার কৃষকদের পাশে ছিলো, দীর্ঘ অনেক বছর পর বাঘাইছড়িতে কৃষক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরে আমরা আনন্দিত, বিগত সময় বিএনপি সরকারে থাকা অবস্থায় কৃষকদের ৫ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করেছিলো এছাড়াও কৃষকদের জন্য সার বিজ কিটনাশক সহ বিভিন্ন সময় কৃষি উপকরণ প্রদান করেছিলো এবং ভবিষ্যতে বিএনপি আবার সরকার গঠন করলে কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন অতিথিরা।
    সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনা দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মধ্যম পাড়া জামে খতিব হাফেজ মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম।
    আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শেষে কৃষক দলের পক্ষ থেকে ১৮৬ জন কৃষকের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ১০ কেজি সার ও সবজি বীজ প্রদান করা হয়।#

  • রাঙ্গামাটিতে পুলিশের অভিযানে ৫০০ পিস ইয়াবা : ৫৬,৫০০ টাকা  উদ্ধার সহ ১জন গ্রেফতার।

    রাঙ্গামাটিতে পুলিশের অভিযানে ৫০০ পিস ইয়াবা : ৫৬,৫০০ টাকা উদ্ধার সহ ১জন গ্রেফতার।

    আজ ১২ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কোতয়ালী থানাধীন ০১ নং পৌর ওয়ার্ডস্থ মহসিন কলোনী এলাকায় মাদক কেনাবেচা হয় মর্মে গোপন সংবাদ পাওয়া যায়। উক্ত সংবাদ প্রাপ্তির সাথে সাথেই রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনর দিকনির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোহাম্মদ সাহেদ উদ্দিন এর তত্বাবধানে উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন রাত্রিকালীন কিলো-০১ ডিউটিতে নিয়োজিত এসআই(নিঃ) মোঃ শফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য সঙ্গীয় ফোর্স।

    অভিযান পরিচালনাকালে কোতয়ালী থানাধীন ০১ নং পৌর ওয়ার্ডস্থ মহসিন কলোনীর জনৈক চুন্নু মিয়ার দু-তলা বিশিষ্ট বাড়ির ছাদের উপর হইতে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মোঃ নাসির উদ্দিন প্রকাশ নাসির(৪০), পিতা-মৃত চুন্নু মিয়া, মাতা-লতিফুন নেসা, সাং-মহসীন কলোনী, ০১নং ওয়ার্ড, রাঙ্গামাটি পৌরসভা, থানা- কোতয়ালী, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা এর পরিহিত হুডির সামনের পকেটের ভিতর হতে ৫০০ (পাঁচশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট(মাদকদ্রব্য) এবং মাদক বিক্রয়ের সর্বমোট ৫৬,৫০০/- (ছাপান্ন হাজার পাঁচশত) টাকা উদ্ধার করা হয়।

    উপরোক্ত ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • রাঙ্গামাটিতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি’র আগমনে বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত।

    রাঙ্গামাটিতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি’র আগমনে বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত।

    গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি: রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নিউ পুলিশ লাইন্স কনফারেন্স রুমে চট্টগ্রাম রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি আগমন উপলক্ষে বিশেষ কল্যাণ সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত কল্যাণ সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি জনাব মোঃ আহসান হাবীব পলাশ।
    এ কল্যাণ সভায় সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ সম্মানিত ডিআইজির নিকট নানাবিধ সমস্যার কথা তুলে ধরেন। সম্মানিত ডিআইজি মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে পুলিশ সদস্যদের সমস্যার কথা শোনেন। এসময় তিনি সমস্যাসমূহ দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন মর্মে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
    সভায় সম্মানিত ডিআইজি মহোদয় উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সের কল্যাণ, নৈতিক স্খলন রোধ, প্রশাসনিক বিষয়ে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, কর্তৃপক্ষের আদেশ নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ, বুদ্ধিমত্তা, সুরক্ষা, নিরাপত্তা এবং সকলের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনসহ সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য যে, কল্যাণ সভা উপলক্ষে সম্মানিত ডিআইজি মহোদয় নিউ পুলিশ লাইন্সে পৌঁছালে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান পুলিশ সুপার মহোদয়। এসময় সম্মানিত ডিআইজি মহোদয়কে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। পরে তিনি নিউ পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন করেন।
    এসময় রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • দেশের সর্বত্রই অনিয়ম থাকলেও, তবে পার্বত্য এলাকায় তা একটু বেশি- ড. ইউনূস

    দেশের সর্বত্রই অনিয়ম থাকলেও, তবে পার্বত্য এলাকায় তা একটু বেশি- ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার (১১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক পর্বত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে আয়োজিত আলোচনা সভায় যমুনা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
    দেশের সবক্ষেত্রেই অনিয়ম থাকলেও, পার্বত্য এলাকায় এ অনিয়মের মাত্রা একটু বেশি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সম্পদ ও সম্ভাবনা দেশের অন্য যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় অনন্য। এটি দেশের সবচেয়ে উন্নত অঞ্চল হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এ পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না। যদিও অনিয়ম সারাদেশেই বেশি, তবে পার্বত্য অঞ্চলে তা আরও প্রকট। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত কীভাবে এসব অনিয়ম কমিয়ে আনা যায়।
    তিনি আরও বলেন, আগামী মাসে তারুণ্যের উৎসব হবে, যা সবার জন্য একটি উদযাপন। আমি আশা করি, এ উৎসবে পার্বত্য এলাকার তরুণরা এগিয়ে থাকবে। এবার প্রথমবারের মতো এই উৎসব অনুষ্ঠিত হবে এবং তারা নিজেদের উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি সফল করবে। পার্বত্য অঞ্চলের তরুণরা দেশের অন্য অঞ্চলের তরুণদের থেকে পিছিয়ে নেই, এটি প্রমাণ করার এটাই সুযোগ। কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন, আমি সমাধানের চেষ্টা করব।
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পার্বত্য এলাকার যা প্রাপ্য, তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হবে এই অঞ্চলকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়া। পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ-তরুণীরা হবে বিশ্ব নাগরিক। শুধু নিজ এলাকা নয়, তারা সারা বিশ্বকে পরিবর্তন করবে। তাই মনকে বড় করতে হবে এবং উচ্চ ভাবনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।#

  • শেরপুরে পালিত হল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ

    শেরপুরে পালিত হল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ

    শেরপুরে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের ক্যাম্পাসে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির সহযোগিতায় এক মানববন্ধন অনুষ্টিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে অনুষ্ঠিত দিবসটি পালন উপলক্ষে মানবন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক হাফিজা আমিন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক লুৎফুল কবির উপস্থিত ছিলেন।

    এতে অন‍্যান‍্যের মাঝে ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী ফারহানা মিল্কী, জেলা ব্যবস্থাপক সেলপ বিদ্যুৎ কুমার নন্দী, স্বপ্ন সারথি দলের সদস্যগন, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের প্রতিনিধি গন, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

  • আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে আবারও মামলা : তীব্র প্রতিবাদ বিএসসি’র।

    আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে আবারও মামলা : তীব্র প্রতিবাদ বিএসসি’র।

    চট্টগ্রাম প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক,বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি, বিএসসি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামের আদালতে জনৈক এনামুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে এ মামলাটি রুজু করেছেন। বিগত ২৬ নভেম্বরের ঘটনায় ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৪০০/৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং এতে ১২০ নম্বরে দেওয়া হয়েছে আয়ান শর্মার নাম।
    একই ঘটনার বর্ণনা উল্লেখ করে গত সপ্তাহেও আয়ান শর্মার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। অথচ দৈনিক চট্টগ্রাম প্রতিদিন উপদেষ্টা সম্পাদক আয়ান শর্মা ২৩ নভেম্বর থেকে ২৬ নভেম্বর ১২ টা পর্যন্ত ছিলেন ঢাকায়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পিএইচপি গ্রুপের দায়ের করা মামলা মোকাবেলায় উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাইতে যান তিনি। আয়ান শর্মা ২৬ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত ঢাকার একটি তারকামানের হোটেলে অবস্থান শেষে বেলা ১টায় ঢাকা ছাড়েন। মেঘনা সেতু পার হওয়ার তথ্য উপাত্ত ও সেতুর টোলবক্সের সিসি ক্যামেরায়ও ওই স্থান অতিক্রম করার ভিডিওচিত্র উঠে এসেছে। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় ঘটনার সময় আয়ান শর্মা ফেনী অতিক্রম করছিলেন, অথচ মামলার বিবরণ অনুসারে তাকে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় স্বশরীরে উপস্থিত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়।
    বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি,বিএসসি প্রধান উপদেষ্টা সাংবাদিক সাইদুর রহমান রিমন জানান,
    একের পর এক মামলা হয়রানির ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমরা আর নিন্দা প্রতিবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না, আইন মন্ত্রনালয় বিষয়ক সম্মানিত উপদেষ্টা ও তথ্য উপদেষ্টার কাছে সু-নির্দ্দিষ্ট তথ্যাদি উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি দিতে চাই। উপদেষ্টাদের কাছ থেকেও পেতে চাই অঙ্গিকার। #