Logo
শিরোনাম :
এবার ২ পার্বত্য জেলায়ও সড়ক-নৌপথ অবরোধের ঘোষণা প্রত্যাশী সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে কক্সবাজারে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটির সাইমুন প্রধানমন্ত্রী’র হাত থেকে নিলেন “ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬” পদক। কক্সবাজার টুপটুপ রেস্টুরেন্টে এন্ড রিসোর্টে : ফ্রিজে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত কাপ্তাই লেকে পাথর বাঁধা যুবকের মরদেহ উদ্ধার ঃ বোট মালিক আটক মানবতাবাদী সমাজ গঠনে লালন সাঁইয়ের দর্শন অনুসরণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের রাঙ্গামাটির লাভ পয়েন্টে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২ চলমান পরিস্থিতিতে পাহাড়ে গুজব, মিথ্যা তথ্যছড়ানো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীর ফাদেঁ পা দিবেন না : সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের “রাঙ্গামাটি জার্নালিস্ট ক্লাব” এর আত্মপ্রকাশ নেতৃত্বে আজিজুল-লোকমান পর্যটক ও দর্শনার্থীর নিরাপত্তায় সড়ক বিভাগের লেক ভিউ গার্ডেনে বসানো হলো পুলিশ বক্স

বন ভবন আর প্রধান বন সংরক্ষককে ঘিরে ভয়ংকর কাহিনী ফাঁস। তুলকালাম কান্ড।

সাইদুর রহমান রিমন(গিরি সংবাদ)ঢাকা / ১৮৬ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

আখেরি বাণিজ্য চালাচ্ছেন প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী। বিভিন্ন পদে একযোগে কয়েকশ জনবল নিয়োগ, পদোন্নতি, বদলি, প্রাইজ পোস্টিং মিলিয়ে টাকার ছড়াছড়ি চলছে বন ভবনে।

জুলাই বিপ্লবের পরে দেশের সকল লুটপাট সেক্টরে যখন স্থবিরতা নেমে এসেছে, তখনও বন অধিদপ্তরে চলছে উলটো চিত্র। প্রকল্প কর্মকাণ্ডের ভাগ বাটোয়ারা আর নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি,পোস্টিং সংক্রান্ত লেনদেন ঘিরে শুরু হয়েছে হৈহৈ রৈরৈ পরিস্থিতি।

চারটি পদের বিপরীতে ৩৩৭ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেই চাকরি প্রার্থী, দালাল, সিন্ডিকেট সদস্যদের হাট বাজারে পরিণত করা হয়েছে বন ভবনকে। আবেদন, বাছাই, পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষার খবর নেই এখনও, অথচ মোটা অঙ্কের রেট বেধে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ধুম চলছে সেখানে।

সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী সাহাবউদ্দিন ও তার পুত্র জাকির হোসেন জুমনকে নিয়ে পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট গড়ে তুলে বন অধিদপ্তরকে লুটপাটের আখড়ায় পরিণত করেন।

আওয়ামীলীগের তহবিলে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দিয়ে একটানা চার বছর ধরে প্রধান বন সংরক্ষকের পদটি মহা দাপটে কব্জায় রাখেন আমির হোসাইন চৌধুরী। জুলাইয়ের বিপ্লব দমনেও জোগান দেন মোটা অঙ্কের টাকা। এতকিছুর পরও অলৌকিক ক্ষমতায় বহাল তবিয়তেই আছেন তিনি। বিএনপি’র নামেও মাসিক তিন কোটি টাকা চাঁদা দিয়ে আমির হোসাইন চৌধুরী হয়ে উঠেছেন আরো বেশি দাপুটে।


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ