
রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরের সন্তান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত নৌসদস্য ট্রোম্যান খীসার ধর্মীয় আচার শেষে দাহক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ গ্রামে সহকর্মী ও এলাকাবাসীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তার দাহক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
এর আগে, তার মরদেহ দেখতে নানিয়ারচরের মহাপুরম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমবেত হয় স্বজন ও গ্রামবাসী। তাকে একনজর দেখতে শুধু মাঠেই নয়, পুরো বিদ্যালয় ভবনেও অবস্থান নেয় সাধারণ মানুষ। এসময় স্বজনদের চোখের জলে ভারী হয়ে ওঠে পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ। পরে সামরিক কায়দায় সহকর্মীকে শেষ শ্রদ্ধা জানায় নৌ-বাহিনীর একটি দল। এরপর লাশবাহি গাড়ি পৌঁছে নিজ আঙ্গিনায়। সেখানে ধর্মীয় আচার শেষে করা হয় দাহক্রিয়া।
পরিবার নৌবাহিনীর সূত্র থেকে জানা যায়, রাঙামাটির নানিয়ারচরে রামহরি পাড়ায় ট্রোম্যান খীসা ২০০৬ সালের ১ জুলাই নাবিক হিসেবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ ফোর্স মেরিটাইম ইউনিট ব্যান এফএমইউ-১১-এ দায়িত্ব পালনকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন নৌবাহিনীর সদস্য ট্রোম্যান খীসা। পরে তাকে ফিল্ড হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অথচ ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার কথা ছিল তার। কিন্তু নিয়তির পরিহাস ফিরলেন ঠিকই তবে লাশ হয়ে। সদা হাস্যজ্জল বিনয়ী ট্রোম্যানের এই অকাল প্রয়াণ মেনে নিতে পাচ্ছে না স্বজন ও এলাকাবাসী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে দিশাহারা পরিবার#