
টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটের নাফনদীর মোহনায় ঢেউয়ের কবলে পড়ে সেন্টমার্টিনের হাছানের মালিকানাধীন স্পিড বোটটি ডুবে গেছে। এ ঘটনায়
মা-মেয়ে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো-সেন্টমার্টিনের পূর্ব পাড়ার মাহফুজ রহমানের স্ত্রী মরিয়ম খাতুন (৩৫) ও শিশুকন্যা মহিমা (৫)।
মুমূর্ষু অবস্থায় ৪ যাত্রীকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে
মৃত ঘোষণা করেন। অন্য দুই শিশু মাহমুদা (৯) ও নুসাইবা (৬) শঙ্কামুক্ত রয়েছে। এদের মধ্যে মাহমুদা সেন্টমার্টিনের পূর্ব পাড়ার মাহফুজ রহমানের এবং নুসাইবা একই এলাকার মো. ইয়াছিনের শিশুকন্যা।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে নাফনদীর মোহনায় ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানায় সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ফয়জুল ইসলাম।
তিনি জানান, ‘সকালে সেন্টমার্টিন জেটিঘাট থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১১ জন যাত্রী এবং চালকসহ স্পিডবোটটি টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বঙ্গোপসাগর ও নাফনদীর মোহনায় পৌঁছালে ঢেউয়ের কবলে পড়ে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় মা-মেয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে’।
নিহত মরিয়মের বড় ভাই ও ভাবী বলেন, ‘বাপের বাড়ি বেড়ানোর পর শ্বশুর বাড়ি ফিরতে দুই মেয়েসহ শাহপরীর দ্বীপ ফিরছিলেন। হঠাৎ সাগরের ঢেউয়ের তোড়ে স্পিডবোট উল্টে দেয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে মা-মেয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়’।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আসিফ আলভী বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই মা–মেয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আহত আরও দুই শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রাকিব হাসান চৌধুরী বলেন, ‘দুর্ঘটনায় দুইজন মারা গেছেন। কীভাবে স্পিডবোটটি উল্টে গেল, তা তদন্ত
করা হচ্ছে। #