Logo
শিরোনাম :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে চোরা কারবারী, মাদক ব্যবসায়ী, দাঙ্গাবাজসহ মোট ০৩ জন আসামী গ্রেফতার ১৯ পিচ ইয়াবা উদ্ধার রাঙামাটিতে বাংলাদেশ বুলেটিনের ৯ম তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রাঙ্গামাটির বরকলে গৃহবধূ হত্যা ও দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেপ্তার: পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক আসামী সহ ৫জন আটক। পরিবেশের সুরক্ষায় বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই – লে: কর্নেল মো: একরামুল রাহাত রাঙামাটিতে রাতভর অভিযানে আটক ২১ রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও বিজিবি’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন রাঙ্গামাটিতে পিসিসিপি’র উদ্যোগে ২৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ / সভাপতি কামাল, সম্পাদক সৈকত ও সাংগঠনিক ফাতেমা জান্নাত মুমু

পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাঁশ গুরুত্বপূর্ণ উপাদান-উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন(গিরি সংবাদ)রাঙ্গামাটি / ১২৮ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপদ্রীপ চাকমা বলেছেন, প্রকৃতি ও পরিবেশের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন করা হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে পানি শূন্যতা হ্রাস ও এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ গড়ে তুলতে আমরা বাঁশ এর ফলন ও এর ব্যবহার বাড়াতে চাই। পরিবেশ রক্ষায় বাঁশ খুবই কার্যকরী ও গুরুত্বপূর্ণ। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা সেগুন, মেহগনি আকাশি গাছ লাগাতে আর উৎসাহিত করছি না। পার্বত্য চট্টগ্রামের পানি শূন্যতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাঁশ হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গতকাল বুধবার (১৫ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে FAO-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ জিয়াওকুন শী (Jiaoqun Shi) ও তার প্রতিনিধি দলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপদ্রীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সকলের উপযোগী প্রকল্প গ্রহণের জন্য FAO প্রতিনিধি দলের প্রতি আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, ন্যাচারাল রিজার্ভ ফরেস্ট এখানে শতাব্দিকাল যাবৎ একইভাবে রয়েছে। আমরা চাই, পার্বত্য চট্টগ্রামে FAO গৃহীত প্রকল্পগুলোর স্থায়িত্ব টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্যের নিরাপত্তা ও জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে টেকসই জীবিকার সংস্থান করতে FAO এর গৃহীতব্য প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 
রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা ইকোসিস্টেমে পরিবেশবান্ধব বাঁশ চাষকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে ধরেন। উপদেষ্টা বলেন, পাহাড় টিকিয়ে রাখতে হলে বন-জঙ্গল, ঝিরি, ঝরণা, বাঁশ ঝাড়ের চাষ বাড়াতে হবে। কাপ্তাই লেক এর পানি সংরক্ষণ ও এর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজ, ফলজ, বনজ সম্পদ গড়ে তোলাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট বাস্তবায়নে ২৬টি উপজেলায় কাজু বাদাম, কফি চাষ, ইক্ষু চাষের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি এসকল অর্থকরী আবাদে নতুন করে প্রকল্প গ্রহণের জন্য FAO প্রতিনিধি দলের প্রতি আহ্বান জানানপার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (সিনিয়র সহকারী সচিব) শুভাশিষ চাকমা, FAO এর বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ জিয়াওকুন শী (Jiaoqun Shi), সহকারী কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ ইমানুন নবী খান, ন্যাশনাল প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন অফিসার এমদাদুল হক চৌধুরী এবং ইউএনডিপি’র কর্মকর্তা এ এ মং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।#

 


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ