Logo
শিরোনাম :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে চোরা কারবারী, মাদক ব্যবসায়ী, দাঙ্গাবাজসহ মোট ০৩ জন আসামী গ্রেফতার ১৯ পিচ ইয়াবা উদ্ধার রাঙামাটিতে বাংলাদেশ বুলেটিনের ৯ম তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রাঙ্গামাটির বরকলে গৃহবধূ হত্যা ও দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেপ্তার: পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে পলাতক আসামী সহ ৫জন আটক। পরিবেশের সুরক্ষায় বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নেই – লে: কর্নেল মো: একরামুল রাহাত রাঙামাটিতে রাতভর অভিযানে আটক ২১ রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসক ও বিজিবি’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন রাঙ্গামাটিতে পিসিসিপি’র উদ্যোগে ২৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ / সভাপতি কামাল, সম্পাদক সৈকত ও সাংগঠনিক ফাতেমা জান্নাত মুমু

রাঙ্গামাটিতে জলব্দ্ধতায় ১৮হাজার মানুষ : ৩দিন ধরে বন্ধ চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল।

মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ) / ২১৭ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫

টানা গত এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হ্রদে পানি বৃদ্ধিতে রাঙামাটি জেলার ১৮ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও সদর উপজেলার ছয়টি উপজেলায় পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে পানির বৃদ্ধির পাশাপাশি কাচালং,মাইনী সহ জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, জেলায় ২টি পৌরসভাসহ ২০ ইউনিয়নের ৮১টি গ্রাম, ৫ হাজার ৭০০ পরিবারের ১৮ হাজার ১৪৭ জন মানুষ বন্যাকবলিত রয়েছে। জেলায় বন্যায় ৫৪৮টি ঘর, ৬১টি সড়ক, ২টি ব্রিজ কালভার্ট, ৯৮ একর ফসলি জমি, ৪৩টি মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে। জেলায় ২৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত খোলা হয়েছে। জেলায় ১২ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৯৩৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তবে প্রশাসন থেকে ২৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।
অপরদিকে জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভার আটটি ইউনিয়নের পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও লংগদু উপজেলার যোগাযোগ অচল হয়ে পড়েছে।
রাঙামাটি সদরের আসামবস্তি, ব্রাহ্মণটিলা, শান্তি নগর, রিজার্ভ বাজার পুরাতনবস্তী, জালিয়া পাড়া, কেরানিপাহাড় সহ বেশ কিছু এলাকার নিম্মাঞ্চল মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে । গত ৫দিন ধরে রয়েছ পানিবন্ধি।
দুর্গতরা জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে রান্না করা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিতে শুরু করেছে। দ্রুত কাপ্তাই হ্রদের পানি কমিয়ে দেয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা।
রাঙামাটি জেলা প্রসাশন সূত্র জানা, জেলায় ২৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত খোলা হয়েছে। এছাড়া দুর্গতদের জন্য এক হাজার শুকনো প্যাকেট এবং দুই হাজার কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার রাত ১০টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৮.৫৪ ফিট এমএসএল। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বাঁধের ১৬টি গেট সাড়ে তিন ফুট থেকে কমিয়ে বর্তমানে ২.৫ ফুট উচ্চতায় খুলে রেখেছেন, এতে প্রতি সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে আরও ৩২ হাজারসহ মোট ৯০ লাখ কিউসেক পানি কর্ণফুলিতে গিয়ে পড়ছে। এতে পানি খুবই ধীরলয়ে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
অপরদিকে কাপ্তাই বাধেঁ নিস্কাশিত পানি কর্ণফুলি নদীতে ফেলায় সৃষ্ট প্রবল স্রোতের কারণে ফেরী চলাচল করতে পারছে না। ফলে রাঙ্গামাটি-বান্দরবন সড়কের চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে ৩দিন দিন হতে চলল। এছাড়া হ্রদের নিস্কাশিত পানি কর্ণফুলিতে ফেলায় নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা, রাঙ্গুনীয়া, রাউজান,বেয়ালখালীর অনেক এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছ ইতিমধ্যে। #


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ