Logo
শিরোনাম :
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে : উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা রাবিপ্রবি’তে জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্স ২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের টেকনিক্যাল সেশন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে ১০২ শিক্ষার্থী পেল গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে গণভোট ও নির্বাচনে বাংলাদেশ বেতারের আলোচনা সভা ও বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান। পার্বত্যবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ পার্বত্য উপদেষ্টার। রাঙামাটির পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে রাবিপ্রবির মিনি ট্যুরিজম হাব। সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ অধিকার আদায়ে আদিবাসী জুম্ম জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদার করতে হবে: আদিবাসী ফোরাম। পাহাড়ের গর্ব: জাতীয় মঞ্চে সাফল্যের জয়গান গাইছে রাঙামাটির তাজিম রাঙ্গামাটি বধির (বাক্-শ্রবণ) বিদ্যালয়ে পাঠ্যবই বিতরণ। রাঙামাটির প্রথম জেলাপ্রসাশক দূর্গম দুমদুম্যা ও ফারুয়া হলিসর্টি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারকেও রাষ্ট্রীয় বেতন-ভাতা ও সম্মানী ব্যবস্থার দাবি

মোকাদ্দেম সাঈফ( গিরি সংবাদ) / ২০৯ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারকেও রাষ্ট্রীয় বেতন-ভাতা ও সম্মানী ব্যবস্থার আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। মহান মুক্তিযুদ্ধে যেমন মুক্তিযোদ্ধারা সম্মুখযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন, তেমনি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীরাও তাদের মেধা, প্রজ্ঞা ও চিন্তাশক্তি দিয়ে স্বাধীনতার সংগ্রামকে সুদৃঢ় করেছিলেন। অথচ স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবার রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এখনও উপেক্ষিত রয়ে গেছে।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী”র সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন জাতির মেরুদণ্ড। স্বাধীনতার ঠিক প্রাক্কালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা পরিকল্পিতভাবে দেশের খ্যাতনামা শিক্ষক,লেখক,চিকিৎসক,প্রকৌশলী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মেধাবী মানুষদের হত্যা করে। এর উদ্দেশ্য ছিল সদ্য জন্ম নেওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করে দেওয়া, যেন স্বাধীন দেশটি নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার সংকটে পড়ে।

তারা আরও বলেন, রাষ্ট্র বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যেভাবে সম্মানী ভাতা, মাসিক আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে, ঠিক তেমনিভাবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারকেও একটি স্থায়ী বেতন-ভাতা কাঠামোর আওতায় আনা উচিত। এটি কেবল আর্থিক সহায়তা নয়, বরং জাতির পক্ষ থেকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।

বক্তারা দাবি করেন,শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আরও দৃশ্যমান করতে তাদের জন্য আলাদা ভাতা ব্যবস্থা, চিকিৎসা সুবিধা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান তুলে ধরতে শিক্ষা কার্যক্রমে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ স্থানীয় সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
Theme Created By Web Themes BD.Com