Logo
শিরোনাম :
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে : উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা রাবিপ্রবি’তে জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্স ২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের টেকনিক্যাল সেশন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে ১০২ শিক্ষার্থী পেল গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে গণভোট ও নির্বাচনে বাংলাদেশ বেতারের আলোচনা সভা ও বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান। পার্বত্যবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ পার্বত্য উপদেষ্টার। রাঙামাটির পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে রাবিপ্রবির মিনি ট্যুরিজম হাব। সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ অধিকার আদায়ে আদিবাসী জুম্ম জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদার করতে হবে: আদিবাসী ফোরাম। পাহাড়ের গর্ব: জাতীয় মঞ্চে সাফল্যের জয়গান গাইছে রাঙামাটির তাজিম রাঙ্গামাটি বধির (বাক্-শ্রবণ) বিদ্যালয়ে পাঠ্যবই বিতরণ। রাঙামাটির প্রথম জেলাপ্রসাশক দূর্গম দুমদুম্যা ও ফারুয়া হলিসর্টি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন।

চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের ১ শত ১৮ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ়্য র‍্যালি 

ঝুলন দত্ত,কাপ্তাই( গিরি সংবাদ) / ১৫২ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

পার্বত্যঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবার বাতিঘর কাপ্তাইয়ে অবস্থিত চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের ১ শত ১৮ বছর পূর্তি এবং হাসপাতাল দিবস উপলক্ষে বর্ণিল আয়োজনে বর্ণাঢ়্য র‍্যালি বের করা হয়। 

শনিবার ( ৬ ডিসেম্বর)  সকাল সাড়ে ৮ টায় হাসপাতাল চত্বর হতে বাদ্যযন্ত্র, বাঁশি,  বর্ণিল সাজসজ্জা এবং ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে  র‍্যালিটি শুরু হয়ে দোভাষী বাজার, লিচুবাগান, কুষ্ঠ হাসপাতাল এলাকা এবং কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও হাসপাতাল চত্বরে এসে শেষ হয়।
আনন্দঘন মুহূর্তে 

র‍্যালিতে  চিকিৎসক, নার্স, নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা  অংশগ্রহণ করেন।

 এর আগে বেলুন উড়িয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা: প্রবীর খিয়াং র‍্যালির  উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি বলেন, 
 চন্দ্রঘোনা খ্রীষ্টিয়ান হাসপাতালের ১শত ১৮ বছর পূর্তিতে শ্রদ্ধার সহিত তাঁদের স্মরণ করছি যারা এই হাসপাতালটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করেছে এবং ভূমিকা রেখেছে। হাসপাতালের প্রাক্তন পরিচালকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। এছাড়া দাতা সদস্য যারা আমাদের আর্থিকভাবে এবং প্রার্থনার মাধ্যমে সহযোগিতা করে গেছেন। পাশাপাশি রাঙামাটি, রাঙ্গুনিয়া সহ সকল জনসাধারণ এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই যারা আমাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবা নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস এই হাসপাতাল হাজার বছর এইভাবে মানুষের সেবা দিয়ে যাবে। এছাড়া সকলকে হাসপাতাল দিবসের শুভেচ্ছা জানাই।

প্রসঙ্গত: চন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতাল ১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যখন ব্রিটিশ ব্যাপটিস্ট মিশনারি সোসাইটির (BMS) পক্ষ থেকে ডা. জি. ও. টেইলর (Dr. G. O. Taylor) একটি ছোট ডিসপেনসারি বা অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে এটি শুরু করেন এবং পরবর্তীতে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপ নেয়। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
Theme Created By Web Themes BD.Com