Logo
শিরোনাম :
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে : উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা রাবিপ্রবি’তে জাতীয় ট্যুরিজম কনফারেন্স ২০২৬ এর দ্বিতীয় দিনের টেকনিক্যাল সেশন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে ১০২ শিক্ষার্থী পেল গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে গণভোট ও নির্বাচনে বাংলাদেশ বেতারের আলোচনা সভা ও বহিরাঙ্গন অনুষ্ঠান। পার্বত্যবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ পার্বত্য উপদেষ্টার। রাঙামাটির পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচনে রাবিপ্রবির মিনি ট্যুরিজম হাব। সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ অধিকার আদায়ে আদিবাসী জুম্ম জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি জোরদার করতে হবে: আদিবাসী ফোরাম। পাহাড়ের গর্ব: জাতীয় মঞ্চে সাফল্যের জয়গান গাইছে রাঙামাটির তাজিম রাঙ্গামাটি বধির (বাক্-শ্রবণ) বিদ্যালয়ে পাঠ্যবই বিতরণ। রাঙামাটির প্রথম জেলাপ্রসাশক দূর্গম দুমদুম্যা ও ফারুয়া হলিসর্টি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন।

রাঙামাটিতে সার্বজনীন গণেশ পূজা:ঢাক-ঢোল,শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ।

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি(গিরি সংবাদ) / ১১১ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

শঙ্খধ্বনি আর ঢাকের বাজনায় মুখরিত হয়ে উঠেছিল রাঙামাটির কলেজগেইট দুর্গা মাতৃমন্দির চত্বর। ধূপধুনোর গন্ধে ভরে উঠেছিল চারদিক। রঙিন সাজসজ্জায় সেজে উঠেছিল মন্দির এলাকা। একে একে ভক্তরা প্রবেশ করছিলেন ভক্তিভরে, কেউ প্রণাম করছেন, কেউ প্রদীপ জ্বালাচ্ছেন। পাহাড়ি শহর রাঙামাটি যেন পরিণত হয়েছিল উৎসবের নগরীতে।
শুভকর্ণ সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো শ্রী শ্রী সার্বজনীন গণেশ পূজা। এ উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক বিজয় কৃষ্ণ দে। সঞ্চালনা করেন রূপন কান্তি দাশ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সংসদের সহধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক বাচ্চু মিয়া, জেলা জাসাসের সভাপতি কামাল হোসেন, জেলা যুবদলের সহসভাপতি শাহ আলম, সহসাধারণ সম্পাদক মো. কামাল, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক রহিম উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরনবী, যুবদল নেতা মো. আব্দুলসহ আরও অনেকে।
অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান বলেন,
গণেশ পূজা আমাদের মনে করিয়ে দেয় ভিন্ন ধর্মের মানুষ হলেও আমরা সবাই একই সমাজের অংশ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা মানে দেশকে শক্তিশালী করা। আজকের সময়ে একে অপরের ধর্মকে সম্মান জানানোই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু বলেন,
আমরা চাই রাঙামাটি হোক সম্প্রীতির মডেল। পাহাড়ি-বাঙালি, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে থাকবে। এ ধরনের আয়োজন আমাদের সেই ঐতিহ্যকে আরও দৃঢ় করে।
আলোচনা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ভক্তরা মাথা নত করে প্রার্থনা করেন শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির জন্য। মন্দিরের উঠোনে তখন এক অন্য দৃশ্য—শিশুরা আনন্দে মেতে উঠেছে, প্রবীণরা গল্প করছেন, কেউবা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন প্রতিমার সৌন্দর্য।
সন্ধ্যার আঁধার নামতেই প্রদীপের আলোয় ঝলমল করে ওঠে মন্দির চত্বর। পাহাড়ি শহরের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের রঙ, আনন্দের সুর।
রাঙামাটির এই আয়োজন আবারও মনে করিয়ে দিল—ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সম্প্রীতির বাংলাদেশেই এর সৌন্দর্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
Theme Created By Web Themes BD.Com