Logo
শিরোনাম :
পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ বরদাশত করা হবে না: পার্বত্য মন্ত্রী উৎসবের আনন্দ বাড়াতে দরিদ্রদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান–পার্বত্য মন্ত্রীর পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনবিধি ১৯০০ বাতিল সহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি ১৮০ দিনের কর্মসূচির দৃশ্যমান অগ্রগতির তাগিদ দিলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বাজার মনিটরিং ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর বাংলার রাজনীতিতে এসেছে নান্দনিক পরিবর্তন পার্বত্যাঞ্চলে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল রোজার মাসে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিসি এসপিদের তৎপর থাকার বিশেষ নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর সিআরএ’র পক্ষ থেকে মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা শহীদদের ‍প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

রাঙ্গামাটিতে জলব্দ্ধতায় ১৮হাজার মানুষ : ৩দিন ধরে বন্ধ চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল।

মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ) / ১৮৭ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫

টানা গত এক সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হ্রদে পানি বৃদ্ধিতে রাঙামাটি জেলার ১৮ হাজার মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি ও সদর উপজেলার ছয়টি উপজেলায় পানিতে প্লাবিত হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদে পানির বৃদ্ধির পাশাপাশি কাচালং,মাইনী সহ জেলার বিভিন্ন নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, জেলায় ২টি পৌরসভাসহ ২০ ইউনিয়নের ৮১টি গ্রাম, ৫ হাজার ৭০০ পরিবারের ১৮ হাজার ১৪৭ জন মানুষ বন্যাকবলিত রয়েছে। জেলায় বন্যায় ৫৪৮টি ঘর, ৬১টি সড়ক, ২টি ব্রিজ কালভার্ট, ৯৮ একর ফসলি জমি, ৪৩টি মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত রয়েছে। জেলায় ২৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত খোলা হয়েছে। জেলায় ১২ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৯৩৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তবে প্রশাসন থেকে ২৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।
অপরদিকে জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভার আটটি ইউনিয়নের পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও লংগদু উপজেলার যোগাযোগ অচল হয়ে পড়েছে।
রাঙামাটি সদরের আসামবস্তি, ব্রাহ্মণটিলা, শান্তি নগর, রিজার্ভ বাজার পুরাতনবস্তী, জালিয়া পাড়া, কেরানিপাহাড় সহ বেশ কিছু এলাকার নিম্মাঞ্চল মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে । গত ৫দিন ধরে রয়েছ পানিবন্ধি।
দুর্গতরা জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে রান্না করা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিতে শুরু করেছে। দ্রুত কাপ্তাই হ্রদের পানি কমিয়ে দেয়ার দাবি জানান স্থানীয়রা।
রাঙামাটি জেলা প্রসাশন সূত্র জানা, জেলায় ২৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত খোলা হয়েছে। এছাড়া দুর্গতদের জন্য এক হাজার শুকনো প্যাকেট এবং দুই হাজার কেজি চাল বিতরণ করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার রাত ১০টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৮.৫৪ ফিট এমএসএল। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বাঁধের ১৬টি গেট সাড়ে তিন ফুট থেকে কমিয়ে বর্তমানে ২.৫ ফুট উচ্চতায় খুলে রেখেছেন, এতে প্রতি সেকেন্ডে ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে আরও ৩২ হাজারসহ মোট ৯০ লাখ কিউসেক পানি কর্ণফুলিতে গিয়ে পড়ছে। এতে পানি খুবই ধীরলয়ে কিছুটা কমতে শুরু করেছে।
অপরদিকে কাপ্তাই বাধেঁ নিস্কাশিত পানি কর্ণফুলি নদীতে ফেলায় সৃষ্ট প্রবল স্রোতের কারণে ফেরী চলাচল করতে পারছে না। ফলে রাঙ্গামাটি-বান্দরবন সড়কের চন্দ্রঘোনা ফেরী চলাচল বন্ধ রয়েছে ৩দিন দিন হতে চলল। এছাড়া হ্রদের নিস্কাশিত পানি কর্ণফুলিতে ফেলায় নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকা, রাঙ্গুনীয়া, রাউজান,বেয়ালখালীর অনেক এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়েছ ইতিমধ্যে। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ