Category: রাজনীতি

  • মহান বিজয় দিবস পালন করেছে রাঙামাটিবাসী যেমনটি।

    মহান বিজয় দিবস পালন করেছে রাঙামাটিবাসী যেমনটি।

    বাংলাদেশের জাতীয় গৌরবের দিন যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে পার্বত্য রাঙামাটিবাসী। সুর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা। রাঙামাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বেদীতে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যদিয়ে এই মহান দিবসের কার্যক্রম শুরু করেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিব উল্লাহ।
    এর পরপরই রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার,রাঙামাটির পুলিশ সুপার ড.ফরহাদ হোসেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যান রিপন চাকমা,পৌর প্রশাসক নাসরিন সুলতানা,বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধি, রাঙামাটি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ এবং পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ, জামায়াতে ইসলামী,এলডিপিসহ,বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করার পাশাপাশি দলীয় শপথবাক্য পাঠ করা হয়।  
    সর্বস্তরের জনগণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ট বীর সুর্য্য সন্তানদের ।
    অন্যদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। সকালে কুমার সমিত রায় জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।
    জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সংবর্ধনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ,তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশের প্রতাশ্যা এখনো পূরণ হয়নি। সকলকে দেশের জন্য একসাথে কাজ করার আহবান জানান বক্তারা।
    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা পুলশি সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকবাল হোসেন চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা সুধীর চন্দ্র দাশ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক সৈকত রঞ্জন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।
    এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জিমনেশিয়াম প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ।
    তার পরপরই শহীদ মিনারের বিপরীত দিকে অবস্থিত স্মৃতিসৌধ,শহীদ এম আব্দুল আলীর স্মৃতিস্তম্ভে এবং শহীদ আব্দুস শুক্কুরের স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করা হয়। উল্লেখ্য,বিজয় দিবসের প্রথম প্রহর ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২ টা ১মিনিটে মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন ও মুক্তিযোদ্ধা হাজী কামাল উদ্দীন শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা শুক্কুরের স্মৃতিস্তম্ভে ফুলের তোড়ায় শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন করতে দেখা গেলেও ভোর হতেই এই তোরণ আর স্মৃতির বেদীতে পাওয়া যায়নি। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
    এদিকে এদিন সকাল ৮ টায় রাঙামাটি সার্কিট হাউজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ,পুলিশ সুপার ড.ফরহাদ হোসেনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন লোকজন জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
    সেখানে আলোচনা সভা,পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিকাল ৩টায় মারি স্টেডিয়ামে আয়োজন থাকছে ক্রীড়া অনুষ্ঠানের। একই স্থানে মহিলা ক্রীড়া অনুষ্ঠান।
    সন্ধ্যা ৬টায় রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন জন সমাগম স্থলে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী হয়। জেলার সকল মসজিদ মন্দির ও গির্জায় বিশেষ মুনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।এছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা,এতিমখানা,শিশু পরিবার ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান সমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বিনোদনমুলক স্থান ও পর্যটন কেন্দ্র শিশুদের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকেটে উন্মুক্ত রাখা হয়। #

  • নির্বাচনের ঘোষণা দিলেই অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনের ঘোষণা দিলেই অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে: মির্জা ফখরুল

    জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে নির্বাচনের রূপরেখা না থাকায় আশাহত হয়েছে বিএনপি। আজ সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এমন কথা জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন আমলের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতির অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়, যৌক্তিক সময়ের চেয়ে সরকার বেশি সময় থাকলে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে তাই নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।

    মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা আয়োজন করে বিএনপি। সভায় যোগ দেন মওলানা ভাসানীর অনুসারী এবং বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতারা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মওলানা ভাসানীর অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করেন তারা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ছাত্ররা ছিলেন আন্দোলনের মূল স্ট্রাইকার। তাদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা যাবে না।

    গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের ঘোষণা দিলেই অর্ধেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

    এসময় সংস্কার কার্যক্রমে প্রশাসনে থাকা স্বৈরাচারের দোসররা বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালাবে উল্লেখ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

  • নির্বাচনের আগেই জাতীয় কাউন্সিল করতে চায় বিএনপি

    নির্বাচনের আগেই জাতীয় কাউন্সিল করতে চায় বিএনপি

    বিএনপির সবশেষ কাউন্সিল হয় ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ। গঠনতন্ত্র-গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ৩ বছর পরপর বাধ্যবাধকতা রয়েছে কাউন্সিলের। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের হামলা-মামলা, দমন-পীড়নসহ নানা বাধায় সেটি করতে পারেনি দলটি।

    এবার দলটি নির্বাচনের আগেই জাতীয় কাউন্সিল করতে চায়। শীর্ষ পদে পরিবর্তন না এলেও স্থায়ী কমিটিসহ নানা পর্যায়ে নতুন মুখের দেখা মিলবে বলে জানাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আর এক্ষেত্রে যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিতে পর্যালোচনা করা হবে গত ১৬ বছরের আমলনামা। সেই আলোকেই নতুন আঙ্গিকে ভোটে যাবে দলটি।

    ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটিতে ৩ ও ৩৭ ভাইস-চেয়ারম্যানের মধ্যে ৯টিসহ সব মিলে কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ শূন্য প্রায় ১৩০টি। এছাড়া পুরো কার্যকর হয়নি এক নেতার এক পদ নীতি। তৃণমূলের নেতাদের প্রত্যাশা—কাউন্সিলের মাধ্যমে যোগ্যদের দিয়েই পূরণ করা হোক শূন্য পদ।

    ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক বলেন, ‘দলের খারাপ সময়ে যারা পাশে ছিল, দেশের জন্য কাজ করেছে তাঁরা ওপরের দিকে উঠে আসবে এটা আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যেমন ঘোষণা দিয়েছেন, এটা আমাদেরও দাবি।’

    ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অবশ্যই আমাদের মূল্যায়ন করছেন, করবেন। এই বিষয়ে আমরা আশাবাদী।’

    মাঠ পর্যায়ের এই প্রত্যাশায় সায় আছে কেন্দ্রেও। সেজন্য পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দল শক্তিশালী করতে কাউন্সিল নিয়ে ভাবছে বিএনপি।

    দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র ছিল না বলে অনেকদিন কাউন্সিল করা হয়নি। আমরা একটা সমাবেশ করতে পারিনি। আমাদের কোনো অধিকার ছিল না। অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলেই কাউন্সিলের কথা আমরা ভাবছি।’

    আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি মনে করি, নির্বাচনের আগেই বিএনপির কাউন্সিল হওয়া জরুরি। এ ব্যাপারে দলের শীর্ষ নেতারা আলাপ-আলোচনা করে দেখছেন।’

    এছাড়া, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিতেই সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল করতে চায় দলটির নেতা-কর্মীরা।

  • ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য থেকে জাতীয় সংসদে তৃণমুলনেত্রী জ্বরতী তংচঙ্গ্যা

    ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য থেকে জাতীয় সংসদে তৃণমুলনেত্রী জ্বরতী তংচঙ্গ্যা

    ইউপি সদস্য থেকে জাতীয় সংসদে তৃণমুলনেত্রী জ্বরতী তংচঙ্গ্যা,
    তিন পার্বত্য জেলা থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে সংসদ সদস্য হতে চলছেন রাঙ্গামাটি জেলার সদর উপজেলার জীবতলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য জ্বরতী তংচঙ্গ্যা।

    অভিন্দন- শুভেচ্ছা।
    জয়বাংলা -জয় বঙ্গবন্ধু

    বিস্তারিত আসছে…………………

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরছেন খালেদা জিয়া

    স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরছেন খালেদা জিয়া

    এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে গুলশানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে শারীরিক কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ১১টা ৪০ মিনিটে বাসভবন ফিরোজার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বাসা থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং ৬টা ৪৮ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন বিএনপির চেয়ারপারসন।

    প্রসঙ্গত, গত ১১ জানুয়ারি ৫ মাস ২ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছিলেন খালেদা জিয়া। সেই অনুযায়ী ২৯ দিন পর আবারও তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

  • সীমান্তে শঙ্কা জিইয়ে রাখতে পারি না: কাদের

    সীমান্তে শঙ্কা জিইয়ে রাখতে পারি না: কাদের

    মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের সংঘাতে বাংলাদেশের উদ্বেগ জাতিসংঘকে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের সীমান্তে শঙ্কা জিইয়ে রাখতে পারিনা। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। চিঠি দিবে জাতিসংঘকে।’

    ক্ষমতাশীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের সৃষ্ট সমস্যায় সীমান্তে অবস্থান আরো শক্তিশালী করা হয়েছে। আমরা সীমান্ত উদারভাবে খুলে দেওয়ার পক্ষপাতী নয় এবং এ সুযোগ আমরা কাউকে দিবো না। মিয়ানমার সংঘাতে সৃষ্ট উদ্বেগ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাতিসংঘকে লিখিতভাবে জানাবে বাংলাদেশ।’

    গত ১৩ নভেম্বর থেকে উত্তর রাখাইন ও প্রতিবেশী দক্ষিণ চিন রাজ্যে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে আসছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। গোষ্ঠীটি বলছে, রাখাইনের রাজধানী সিত্তের কাছের পাউকতাও শহর এবং পুরো পালেতওয়াসহ অন্যান্য এলাকায় মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর অন্তত ১৭০টি অবস্থান দখল করেছে তারা।

    সামরিক জান্তা ও বিদ্রোহীদের এ সংঘর্ষে বাংলাদেশ সীমান্তেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আসা গোলার আঘাতে একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। দিনভর সংঘর্ষ আর ওপার থেকে ভেসে আসা তীব্র গোলা–বারুদের শব্দে আতঙ্ক কাটছে না মিয়ানমার সীমান্তে থাকা বাংলাদেশি জনপদগুলোতে।

    আরাকান আর্মির সঙ্গে চলমান সংঘাতে টিকতে না পেরে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিচ্ছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সদস্যরা। এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনা সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

    পালিয়ে আসা মিয়ানমারের বিজিপি ও সেনা সদস্যদের ফেরত পাঠানো হবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তারা তাদের (মিয়ানমার) সীমান্ত রক্ষী ও সেনাবাহিনীর সদস্য। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল, তারা তাদের ফিরিয়ে নিবে এবং ফিরিয়ে নিতেই হবে। ফিরিয়ে না নেওয়ার বিকল্প নেই।’

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের ভারত সফরেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার সীমান্তের রেশ ভারতেও গেছে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার সীমান্ত ইস্যুটাও আছে।’

  • আ. লীগের টিকিটে সংরক্ষিত এমপি হতে চান ১৫৪৯ জন নারী

    আ. লীগের টিকিটে সংরক্ষিত এমপি হতে চান ১৫৪৯ জন নারী

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৪৮টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি ক্রয় করেছে ১৫৪৯ জন নারী। সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন উপলক্ষ্যে মোট ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে দলটি। ৫০টি আসনের মধ্যে ৪৮টি আসনে মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ।

    বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, গত তিন দিনে মোট মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে ১৫৪৯টি। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সেই সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    এর আগে, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। যা আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে। শেষদিন দলটি ২১৭টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে। বিপরীতে আয় করে ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

    দ্বিতীয় দিন ৫২২টি ফরম বিক্রি করা হয়। এ থেকে মোট আয় হয় ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগ থেকে ১৬৭টি, ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ৪৭টি, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ৭৮টি, সিলেট বিভাগ থেকে ২২টি, বরিশাল বিভাগ থেকে ৩৬ টি, খুলনা বিভাগ থেকে ৬৮টি, রংপুর বিভাগ থেকে ৬০টি এবং রাজশাহী বিভাগ থেকে ৪৪টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়।

    প্রথম দিন বিক্রি করেছিল ৮১০টি ফরম। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগ থেকে ২৭৫টি, ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ৬২টি, চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ১৪৯টি, সিলেট বিভাগ থেকে ২৬টি, বরিশাল বিভাগ থেকে ৫৬টি, খুলনা বিভাগ থেকে ৭৭টি, রংপুর বিভাগ থেকে ৭৫টি এবং রাজশাহী বিভাগ থেকে ৯০টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছিল।

    এসময় প্রার্থী সংখ্যা অনেক বেশি হয়ে গেল কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, গত নির্বাচনের সময় কত সংখ্যক প্রার্থী ছিল সেটা কি মনে আছে? চৌদ্দশ’র বেশি ছিল। তখন সিট ছিল ৪৩টা, এখন ৪৮টা। ৫টা বেশি আছে।

    তিনি বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক যে চর্চা, আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, বাংলাদেশে যতটুকু অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা হয়, সেটা আওয়ামী লীগের ভেতরেই হয়। আমরা নিয়ম কানুন মেনে সবকিছু করে থাকি। ভুল ত্রুটি হয় না তা নয়, কারণ পারফেক্ট পৃথিবীতে কেউ নয়। এছাড়া আমরাই এদেশে একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা গণতন্ত্রের কথা মুখে বলি না, নিজেদের ঘরে চর্চা করি। আর বিএনপি সেটা করে না। তাদের কনফারেন্সও হয় না কত বছর।

    উল্ল্যখ্য, তিন দিনে ফরম সংগ্রহ করাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীসহ অন্যান্য সংগঠনের পদধারীরা রয়েছেন। এই তালিকায় মন্ত্রী-এমপিদের স্ত্রী, আইনজীবী, অভিনেত্রী, এনজিও কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নারীরা আছেন, আছেন হিজড়াও।

  • বিএনপি পাগলের প্রলাপ বকছে: নানক

    বিএনপি পাগলের প্রলাপ বকছে: নানক

    বিএনপি দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চেয়েছিল, এ জন্য তাদের জনগণ বর্জন করেছে। তার প্রমাণ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিয়েছে। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে সবকিছু হারিয়ে বিএনপি এখন পাগলের প্রলাপ বকছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

    বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর রায়েরবাজারে কমিউনিটি সেন্টারে শীতার্তদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন তিনি। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ৩৪ নম্বরের ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ হোসেন খোকনসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, বিএনপি ভুলের রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। জনগণ দেশের উন্নয়ন দেখতে পেলেও বিএনপি পায় না। জনগণ যা দেখে বিএনপি তার উল্টোটা দেখে। জনগণ যা উপলব্ধি করে তারা তা উপলব্ধি করতে পারছে না।

    কাজেই এই গণবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল যা বলছে সেগুলো পাগলের প্রলাপ। সবকিছু হারিয়েই এখন তারা এমন আচরণ করছে বলে মন্তব্য করেন নানক।

    সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি যে অপপ্রচার চালাচ্ছে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। তাই দলের এমপিদের পাশাপাশি স্বতন্ত্রদের নিয়েও রয়েছে কাজ করার পরিকল্পনা।

    পাটমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়মী লীগ ও দলটির নেতাকর্মীরা সর্বদা বাংলাদেশের জনগণের পাশে আছে, পাশে থাকবে। তেমনি বাংলাদেশের জনগণও বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সঙ্গে রয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

  • ‘সরকারের দুর্বলতার কারণে সীমান্তে বাংলাদেশীদের রক্ত ঝরছে’

    ‘সরকারের দুর্বলতার কারণে সীমান্তে বাংলাদেশীদের রক্ত ঝরছে’

    সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতার ঘাটতি থাকায় মিয়ানমারের বিষয়ে জোরালো প্রতিবাদ করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি মন্তব্য করেন তিনি।

    এসময় রিজভী বলেন, মিয়ানমার সীমান্তে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে দেশের মানুষ। আমাদের সীমান্ত অরক্ষিত। সেখানে মানুষ নিরাপদ নয়। সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে সীমান্তে বাংলাদেশীদের রক্ত ঝরছে। সরকারের নীরবতায় বাংলাদেশের নিরাপত্তা এখন ঝুঁকিতে রয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে দেশে বিজিপি অর্থাৎ মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের প্রবেশকে রহস্যজনক বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর শান্তির বাণী এখন দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছে। অথচ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা ছিল সুরক্ষিত এবং জনগণ ছিল নিরাপদ।

    রাজনীতি নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য যাত্রাপালার সংলাপ-ঢংয়ে সস্তা বিনোদনে ভরপুর মন্তব্য করে রিজভী বলেন, এই ভদ্রলোককে দেখলাম… বর্তমান বিনা ভোটের সরকার প্রধানের কাছে লেখা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের একটি চিঠি নিয়ে প্রায় হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছেন। কাদের বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে বলেছেন, এখন আপনাদের সাহসের উৎস কোথায়? কে সাহায্য করবে?

    বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস দেশের জনগণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত অক্টোবরে ওবায়দুল কাদেরের একটি বক্তব্য নিশ্চয়ই সবার মনে আছে, ‘আপস হয়ে গেছে। আমরা আছি, দিল্লীও আছে। দিল্লী আছে, আমরাও আছি’। এই কথার অর্থ দেশের জনগণ নয়, আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব টিকে আছে দিল্লীর করুণার ওপর। আওয়ামী লীগের চিরায়ত ঐতিহ্য হচ্ছে নিজ দেশের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করা। বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য মারা গেলেও আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ করার সাহস নেই।

    রিজভী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া জনগণের সমাদৃত নেত্রী, এটাই তার অপরাধ। তার সুচিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু সরকার সেটা দিচ্ছে না।’

    শতাব্দির শ্রেষ্ঠ প্রহসন হচ্ছে ৭ জানুয়ারির ‘ডামি’ নির্বাচন এমন মন্তব্য করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সীমান্তে মানুষ হত্যা হলেও সরকার এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো প্রতিবাদ জানাতে পারেনি। তাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা নিয়ে এই সরকারের কোনো অঙ্গীকার নেই বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ২৮ অক্টোবর থেকে বিএনপির বিপুল নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও তাদের মুক্তি মেলেনি। নানা ধরনের সরকারি চক্রান্তে তাদের আটকে রাখা হয়েছে। আজও মুক্তি মেলেনি খালেদা জিয়ার। বিএনপির সকল রাজবন্দিদের মিথ্যা মামলা তুলে নিয়ে অবিলম্বে তাদের মুক্তির দাবি জানান দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।

  • ভোটের দিন হরতালের পর এবার গণকারফিউর ঘোষণা

    ভোটের দিন হরতালের পর এবার গণকারফিউর ঘোষণা

    আগামী ৭ তারিখ ভোটের দিন হরতাল ডেকেছে বিএনপি ও জামায়াত। এবার ওই দিনেই গণকারফিউর ঘোষণা দিয়েছে ১২-দলীয় জোট। অবৈধ নির্বাচনে ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীরা ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারের ভূমিকা পালন করতে পারে— এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ১২-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেছেন, বাংলাদেশে নির্বাচন এলেই ভারতীয়রা খুব তৎপর হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক মহলে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক দেখাতে গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীরা আবারও সক্রিয় হচ্ছে। দেশবাসী সতর্ক থাকুন।

    শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে প্রেস ক্লাব ও পল্টন এলাকায় নির্বাচন বাতিল, শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও অসহযোগ আন্দোলন সফল করার লক্ষ্যে ১২-দলীয় জোটের গণসংযোগ ও পদযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতারা এসব কথা বলেন। এ সময় তারা ৭ জানুয়ার গণকারফিউ পালনের ঘোষণা দেন।

    এ সময় ১২-দলীয় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা গণকারফিউ ঘোষণা করেছিলেন। ইনশাআল্লাহ ২০২৪ সালে জনগণের গণকারফিউ শেখ হাসিনাকে পদত্যাগে বাধ্য করবে। ৭ তারিখ (রবিবার) ১২-দলীয় জোট সকাল-সন্ধ্যা গণকারফিউ পালন করবে। আমরা জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা ঘর থেকে বের হবেন না। ভোট দিতে যাবেন না।

    ১২-দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, আগামী ৭ তারিখ ফেলানী হত্যা দিবসে অবৈধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আমাদের আফসোস হয়! আমার বোন ফেলানীকে দিল্লি যেভাবে কাটা তারে ঝুলিয়ে রেখেছে, ঠিক একইভাবে ৭ তারিখের নির্বাচনের পর বাংলাদেশকে দিল্লির দাদা-বাবুরা ঝুলিয়ে রাখার ষড়যন্ত্র করছে।

    তিনি বলেন, কথাবার্তা পরিষ্কার! দিল্লির প্রেসক্রিপশনে আগামী ৭ তারিখ পুতুল খেলা নির্বাচন বাংলার মাটিতে হতে দেওয়া হবে না ইনশাআল্লাহ।

    গণসংযোগ ও পদযাত্রা শেষে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামী বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও ১২-দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক রাশেদ প্রধান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) ভাইস চেয়ারম্যান হান্নান আহমেদ বাবলু, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম।