Category: রাজনীতি

  • ৭২এর সংবিধান বাতিল করে বাংলাদেশের নতুন সংবিধান করতে হবে- এনসিপি আহবায়ক নাহিদ

    ৭২এর সংবিধান বাতিল করে বাংলাদেশের নতুন সংবিধান করতে হবে- এনসিপি আহবায়ক নাহিদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৭২এর মুজিববাদী সংবিধানের কবর রচনা করে নতুন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপরিচালনায় নতুন সংবিধান রচনা করতে হবে। তিনি বলেন,৭২ এর সংবিধানে দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়নি। বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের নামে এখানে অবাঙ্গালীদের সঙ্গে বিভেদ তৈরী করে রাখা হয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ইসলামের সাথে অন্যধর্মের বিভেদ তৈরী করে রাখা হয়েছে। আমরা সকল বিভেদের উর্ধে রেখে সকল জনগোষ্ঠীর মর্যদা দিয়ে নতুন সংবিধান তৈরী করতে চাই। আমরা চাই মুজিববাদী সংবিধানকে বাতিল করে নতুন একটি গনতান্ত্রিক সংবিধান তৈরীর জন্য সকলে মিলে নতুন একটি চুক্তিতে উপনীত হই যাতে পাহাড় ও সমতলের অধিকার নিশ্চিত হবে।
    নাহিদ ইসলাম আরো বলেন,এনসিপি এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় বহু জাতিগোষ্ঠী, ভাষা ও সংস্কৃতির সম্মিলন থাকবে। সেখানে সব নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদার কোনো বৈষম্য থাকবে না। সে জন্য একটি নতুন সংবিধান তৈরি করতে হবে।
    রবিবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাঙ্গামাটির বনরুপায় আয়োজিত এক পথসভায় নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন। এর আগে তিনি কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া,ঘাগড়া ও রাঙ্গুনীয়ার রানীরহাট বাজার এলাকায় পথ সভায় বক্তব্য রাখেন।
    এনসিপির নেতারা রবিবার দুপুরে রাঙ্গামাটি শহরে এসে পৌঁছান। এরপর জেলা শিল্পকলা একাডেমী চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। শহরের প্রধান সড়ক হয়ে বনরুপা সিএনজি চত্বরে এসে পদযাত্রা শেষ হয়। পরে সেখানে শুরু হয় পথসভা। এই পদযাত্রা ও পথসভাকে ঘিরে রাঙ্গামাটি জেলার প্রবেশপথ কাউখালীর বেতবুনিয়া থেকে শুরু করে পুরো রাঙ্গামাটি শহরে নজীরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থানের মধ্য দিয়ে ঘন্টাব্যাপী পথ সভা অনুষ্টিত হয়।
    নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা বিভাজন নানা অশান্তি জিইয়ে রেখে একটি পক্ষ বার বার সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা এই পক্ষকে আর সুবিধা নিতে দেবোনা। আমরা নিজেরা বা কোন সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন সমস্যা থাকলে তা আমরা নিজেরাই বসে সমাধান করবো। তিনি আরও বলেন, এনসিপি জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখন্ডতায় প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এ জন্য সব বিভাজন দূর করে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সবার অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
    পথ সভায় স্বাগত বক্তব্য এনসিপির রাঙ্গামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা। এতে আরো বক্তব্য রাখেন,এনসিপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক সামান্তা শারমিন, ডা. তাসনীম জারা,উত্তারাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজীস আলম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। এতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি নেতা নাছির উদ্দীন পাটোয়ারী,এস এম সুজা উদ্দিন,রুবাইয়া শ্রেষ্ট্রা তংচংগ্যা প্রমুখ।
    এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ অতীতে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিসত্তাকে স্বীকৃতি না দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মুজিববাদী সংবিধানে জাতিসত্তার স্বীকৃতি না দিয়ে সবাইকে জোর করে বাঙালি করা হয়েছিল। এনসিপি সেই ব্যবস্থা দূর করতে চায়। বর্তমানে দেশে বিচার ও সংষ্কার শেষ করে পরবর্তী বাংলাদেশ গঠন করতে হবে। তিনি বলেছেন পাহাড় থেকে সমতলে সবজায়গায় ভুলভ্রান্তির উর্ধে থেকে এ এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন জাতী গোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
    এনসিপির উত্তারাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, দেশের কোন অপরাধী,দূর্নীতিবাজদের পানিসমেন্ট পোষ্টিং পার্বত্যঞ্চল বা উত্তরাঞ্চল,দক্ষিনাঞ্চল এটা অপরাধীর শাস্তি হতে পারেনা। যে দূর্নীতিবাজ তার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পার্বত্য এলাকায় কোন চাদাবাজ ধান্ধাবাজদের জায়গা হবেনা। আমাদের কথায় কোন প্রকার ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে তা আমরা সংশোধন করে নিবো। এখানের মানুষের অধিকার প্রতিষ্টা এবং জীববৈচিত্র রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ######

  • নববর্ষের শোভাযাত্রায় ইয়েন ইয়েনের দেশবিরোধী প্ল্যাকার্ড বহনে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ।

    নববর্ষের শোভাযাত্রায় ইয়েন ইয়েনের দেশবিরোধী প্ল্যাকার্ড বহনে পিসিসিপি’র বিক্ষোভ।

    নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রায় পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের পক্ষে চাকমা সার্কেল চীফ দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের নেতৃত্বে  প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করায় এর প্রতিবাদ জানিয়ে (২১ এপ্রিল) রবিবার সকাল ১১.০০ টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

    শহরের কাঠালতলী থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনরূপা সিএনজি স্টেশন চত্বরে সমাবেশে মিলিত হয়।
    পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো: আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও পৌর সভাপতি পারভেজ মোশাররফ হোসেন এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান, রাঙামাটি জেলা প্রচার সম্পাদক হুমায়ুন কবির, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো: খলিলুর রহমান, সহ- সাধারণ সম্পাদক ও লংগদু উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ হাসান, প্রচার সম্পাদক ইসমাঈল গাজী, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল ফেরদৌস বিথী, পিসিসিপি জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক ও কলেজ শাখার যুগ্ন আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, পিসিসিপি পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

    বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এবারের পহেলা বৈশাখেও ছাড় পেল না পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ। বাঙালির প্রাণের উৎসবকে হাতিয়ার বানিয়ে আবারও চোখে পড়লো পরিচিত সেই পুরনো প্রোপাগান্ডা। রাঙামাটির চাকমা সার্কেল চীফ দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েনের নেতৃত্বে কয়েকজন বামপন্থী ও উগ্রবাদী উপজাতি পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিজেদের স্বার্থে বানানো প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হাজির হলো ঢাকার রাজপথে। বাংলা নববর্ষ ১৪৩২- উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার একটি অংশে ইয়েন ইয়েন নিজেই একটি প্ল্যাকার্ড নিলেন যেখানে আঁকা রয়েছে বম জনগোষ্ঠীর নারী শিশুরা বন্দী, আসলে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে ইয়েন ইয়েন মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে, সেখানে কোনো নারী শিশুরা বন্দী নয়, বন্দী হলো বান্দরবানে যারা ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত ছিলো ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যায় জড়িত বম-খিয়াংদের নিয়ে গঠিত কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট- কেএনএফ এর মতো সন্ত্রাসী সংগঠন এর সদস্যরা। এখন দেবাশীষ রায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী ইয়েন ইয়েন কি কেএনএফ সন্ত্রাসীদের সরাসরি পক্ষ নিয়ে মুক্তি দাবি করছে? যদি তিনি কেএনএফ সন্ত্রাসীদের নিরীহ বানিয়ে মুক্তির দাবি করে থাকে তাহলে সন্ত্রাসীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ইয়েন ইয়েনকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
    তবে এটি ইয়েন ইয়েন এর একটি নাটক ও ষড়যন্ত্র, যখনি চাকমা আধিপত্য বাদ নিয়ে চারদিকে কথা হচ্ছে তখনি কিছু ষড়যন্ত্রকারীদের প্রেসক্রিপশনে ইয়েন ইয়েন  বম প্রীতি দেখানোর নামে কেএনএফ সন্ত্রাসীদের মুক্তি দাবি করছেন।

    বক্তারা আরো বলেন, ইয়েন ইয়েন নেতৃত্বে চিহ্নিত কয়েকজন উপজাতি ও বাম সংগঠনের বাঙালি নারী পুরুষ প্ল্যাকার্ড হাতে নেয় সেখানে কোথাও লেখা “আদিবাসীর স্বীকৃতি চাই”, কোথাও “পাহাড়ে সেনাশাসন বন্ধ করো”, আবার কোথাও দেখা গেলো পাহাড়কে ফিলিস্তিনের সঙ্গে তুলনা করার মতো হাস্যকর ও উদ্দেশ্যমূলক দাবি।

    প্রশ্ন হলো—এই ছেলেমানুষি আর কতদিন? আর এসব দেখে যারা বাহবা দেয়, তাদেরও জিজ্ঞেস করা উচিত—আপনারা আদতে পাহাড়ের কোন বাস্তবতা বোঝেন?
    পাহাড়ে কি সেনা শাসন চলছে? কখনোই না, কারন পার্বত্য উপদেষ্টা চাকমা সম্প্রদায়ের, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চাকমা সম্প্রদায়ের, পার্বত্য উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান চাকমা সম্প্রদায়ের, চাকমা সার্কেল চীফ চাকমা সম্প্রদায়ের, আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান চাকমা সম্প্রদায়ের,
    উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স এর চেয়ারম্যান
    চাকমা সম্প্রদায়ের। পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল কিছুর চেয়ার যদি চাকমা সম্প্রদায়ের হাতে থাকে তাহলে সেনা শাসন টা চলছে কোথায়? পাহাড়ে তো চলছে চাকমা শাসন, এখন চাকমা শাসন বন্ধ করার দাবিতে সকলের রাজপথে নামা উচিত।

    বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা হলো সাধারণ একজন চাষী, ব্যবসায়ী বা গৃহিণীকেও বাঁচতে হয় চাঁদাবাজির ভয় নিয়ে। তিন পার্বত্য জেলায় বছরে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি চলে। এই চাঁদাবাজি কারা করে জানেন?
    যারা বলছে পাহাড় থেকে সেনা হঠাও, যারা বলছে সেনা শাসন বন্ধ করো, সেই তারাই পাহাড়ে চাঁদাবাজি করছে, সশস্ত্র অবস্থায় ভারী অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে।
    আপনি যদি পাহাড়ে একটা পোষা মুরগিও বিক্রি করতে চান, আপনাকে পাহাড়ি উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে হবে। কলা, হলুদ, সবজি—সবজান্তা সন্ত্রাসীদের নজর এড়ায় না কিছুই। সন্তানদের বিয়েও করতে হলে দিতে হয় চাঁদা, নয়তো আসে হুমকি, কখনো বা অপহরণ।

    বক্তারা আরো বলেন, তাদের কাছে “আদিবাসী অধিকার” মানে সাধারণ পাহাড়ির অধিকারের নাম নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থের ঢাল।
    পার্বত্য চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়িদের সব দাবি সরকার মেনে নিয়েছে, সেখানে সরকারের সাথে চুক্তি করেছে উপজাতি পরিচয়ে।
    তাদের সব দাবি যখন মেনে নিয়েছে সরকার তখন তাদের হাতে আন্দোলনের নামে পাহাড় অশান্ত করার আর অস্ত্র রইলো না। এখন তাহলে কিভাবে পাহাড়কে অশান্ত করা যায়,? সেই চিন্তা থেকে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা মিলে ২০০৭ সাল থেকে জাতিসংঘ আইএলও কনভেনশন ঘোষণা করার পর থেকে নতুন করে আদিবাসী পরিচয় দাবি করে পাহাড়কে অশান্ত করতে উঠে পড়ে লেগে যায়।
    এখন পাহাড়ে নতুন করে অশান্ত করার তাদের একটি হাতিয়ার সেটি হচ্ছে অযৌক্তিক ‘আদিবাসী দাবি’।#

  • রাবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উদযাপিত

    রাবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৫ উদযাপিত

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ ২৬ মার্চ ২০২৫ খ্রিঃ সকাল ৯:০০ ঘটিকায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। রাবিপ্রবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে অবস্থিত অস্থায়ী স্মৃতিসৌধে বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর ২৫শে মার্চ  কাল রাত্রিতে শাহাদাৎ বরণকারী, ১৯৭১ ও এর পথ ধরে ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর রাবিপ্রবি’র শিক্ষক সমিতি ও  অফিসার্স এসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ১৯৭১ ও জুলাই’২৪ এর চেতনাকে ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে আহবান জানান। তিনি ২৫শে মার্চ কালরাত্রি ও স্বাধীনতার ইতিহাস জানার জন্য এ সংক্রান্ত বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেন।

      এছাড়াও গতকাল ২৫শে মার্চ গণ হত্যা দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ছাত্র হল ও ছাত্রী হলে রাত ১০:৩০ ঘটিকায় ১ মিনিটের জন্য প্রতীকী ব্ল্যাক আউট পালন করা হয়। ২৬শে মার্চ ২০২৫ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ছাত্র হল ও ছাত্রী হলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। ২৬শে মার্চ সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও প্রশাসনিক ভবন-১ এ আলোকসজ্জা করা হবে।

    উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেন। এদিনটি জাতির আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম ও সাহসের প্রতীক। দেশের ছাত্রজনতা-কৃষক-শ্রমিক-বুদ্ধিজীবী সকল স্তরের মানুষের আত্মত্যাগ এবং হানাদার বাহিনীর নিপীড়ন-নির্যাতন ও শোষণ এর বিরুদ্ধে এক গৌরব গাঁথা ইতিহাস নিহিত আছে এদিনটিতে। ১৯৭১ এর ধারায় ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশকে ভিন্ন এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে।

    জুলাই’২৪ এর শহীদদের আত্মত্যাগ ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সকলকে দুর্নীতিমুক্ত থেকে নৈতিকতার সাথে কাজ করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর। এছাড়া এ অঞ্চলের উচ্চশিক্ষাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে রাবিপ্রবি’র সকল শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অন্যান্য অংশীজনদের সহায়তা কামনা করেন।

  • দলবাজ সাংবাদিক যখন  পল্টিবাজির ওস্তাদ !

    দলবাজ সাংবাদিক যখন পল্টিবাজির ওস্তাদ !

    সাঈদুর রহমান রিমন, প্রধান উপদেষ্টা,দৈনিক গিরি সংবাদ ঃ-

    খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগের কোল ছেড়ে ভোল পাল্টে রাতারাতি বিএনপি’র অগ্রসৈনিক হয়ে ওঠেছেন দলবাজ সাংবাদিক এইচ এম প্রফুল্ল। কিন্তু বহুরুপী এক প্রফুল্লর অপকর্মেই যে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপি ডুবতে বসেছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন ত্যাগী নেতা কর্মীরা। বিশেষ করে ওয়াদুদ ভুঁইয়ার মতো ত্যাগী, বর্ষীয়ান নেতার নাম অহরহ বেচাকেনা করে তাকেও তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছেন।

    নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রফুল্ল-আলমগীরের ইটভাটা গ্রুপ সাত জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা দিয়ে যে বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন- এর দায়ও চাপানো হয়েছে ওয়াদুদ ভুঁইয়ার ওপর। ফলে জেলা থেকে রাজধানী সর্বত্রই সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের কাছে ওয়াদুদ ভূইয়া এখন সাংবাদিক বিদ্বেষী নেতা হিসেবেই পরিচিতি পাচ্ছে।অতি সম্প্রতি আওয়ামী দোসর আখ্যা দিয়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ ও জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরার কাছ থেকেমোটা অংকের সুবিধা হাতিয়ে নিতেও ওয়াদুদ ভুঁইয়ার নাম ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে জেলার শীর্ষ ঠিকাদার ও ইটভাটা মালিক সমিতির বহুল আলোচিত নেতা সেলিম থেকে বিশেষ স্বার্থ হাসিলের। প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকদের মাথা গুনে গুনে বেচাকেনার অভিনব বাণিজ্য ফেঁদে বসেছেন তিনি।

    বাংলাভিশনের খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি হলেও স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এইচ এম প্রফুল্লর পরিচিতি অন্যরকম। তাদের ভাষায়, বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ থেকে ঠিকাদার, ঠিকাদার থেকে আবারও বিএনপির মালা গলায় তুলেছেন প্রফুল্ল। সর্বশেষ তিনি ওয়াদুদ ভুঁইয়ার নাম ও প্রভাব খাটিয়ে খাগড়াছড়ির সাংবাদিক নিয়ন্ত্রক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। দলীয় তৎপরতা কাম সাংবাদিকতায় বেজায় ছোটাছুটি চলে তার। দলবাজ সাংবাদিক আর পল্টিবাজির ওস্তাদ হিসেবেই সমধিক পরিচিত প্রফুল্ল।  #

    ‎-

  • বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অগ্রগতিশীল জায়গায় পরিণত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম : হাবিব উন নবী খান সোহেল

    বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অগ্রগতিশীল জায়গায় পরিণত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম : হাবিব উন নবী খান সোহেল

    বিএনপি ক্ষমতায় আসলে অগ্রগতিশীল জায়গায় পরিণত হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম এমন মন্তব্য করেছেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হাবিব উন নবী খান সোহেল।
    সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) রাঙামাটি শহীদ আব্দুর শুক্কুর স্টেডিয়ামে জেলা বিএনপির আয়োজনে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিরোধ, আইন শৃঙ্খলার উন্নতি, পতিত স্বৈরচারের দোসরদের বিচার ও গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে উত্তরণের জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
    বিএনপির এ নেতা বলেন,২০০৯ সালে ফ্যাসিস্ট সরকার এক আইন করেছে। বঙ্গবন্ধু পরিবার সুরক্ষা আইন। এই আইনের কারণে ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক এসএসএফ সদস্যরা তার পরিবারের সদস্যদের পাহাড়া দিবে।
    তিনি আরও বলেন,বিগত ১৫-১৬ বছরে দেশের ব্যাংকগুলে ফতুর করে দেওয়া হয়েছে। শেখের ছোট কন্যা রেহানাকে টাকা না দিয়ে কোন ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে পারিনি। পুতুল ও তার স্বামী গলা পর্যন্ত টাকা খেয়েছে।
    আরেকটি আছে শেখ পরিবারের জয়। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য মতে পৃথিবীর দামি ৮ টি গাড়ি জয়ের কাছে আছে। এই ৮ টি গাড়ির টাকায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব বলে জানান তিনি।
    বিএনপির কেন্দ্রীয় এ নেতা বলেন,বঙ্গবন্ধুর নাম স্যাটেলাইট তৈরি করা হয়েছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে এ স্যাটেলাইট তৈরিতে খরচ হয়েছে দেড় হাজার কোটি টাকা। কিন্তু খরচ দেখানো হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা। সেখানেও লোপাট করা হয়েছে।
    বিএনপি নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল আরও বলেন,রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণে খরচ হয়েছে ৮ বিলিয়ন ডলার। খরচ দেখানো হয়েছে ১২ বিলিয়ন ডলার। লোপাট এখানেও করা হয়েছে। শেখের নাতনী টিউলিপ এ দুর্নীতি করেছে। এসময় তিনি শেখের পরিবারকে পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ পরিবার বলে মন্তব্য করেন।
    এ নেতা বলেন, চারদিক শুনি আপা আসবে। আমিও চাই আপা আসুক। ওনি আসলে হাতে হাতকড়া পড়িয়ে সব গণহত্যার বিচার করা হবে।
    তিনি আক্ষেপের সাথে বলেন,যে নেত্রী বারবার জনগণের ভোটে বিজয়ী সেই নেত্রীকে দুর্নীতির মামলায় বছরের পর বছর কারাগারে আটক রাখা হয়েছিলো। এত অনুরোধ করার পরও শুনা হয়নি আমাদের কথা। যেইদিন ধানমন্ডি ৩২ দাও দাও করে জ্বলছিলো সেইদিন আমাদেরও খারাপ লেগেছিলো। কারণ আমরা সন্ত্রাস বা মব জাস্টিস বিশ্বাস করি না।
    শেখ হাসিনার উদ্দশ্যে তিনি বলেন,আপনি আমাদের নেত্রীকে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের দিয়েছিলেন। সেই দিনের কথা আমরা ভুলেনি।
    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটে। কারন আপনি ইতিহাস রচনা করেছেন।
    বৈষম্য বিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দদের উদ্দশ্যে বলেন, ছোট ভাইয়েরা নাকি সব কিছু জানে। ১৫ দিনের আন্দোলন করে তারা সবকিছুর দাবিদার করছে। অথচ আমরা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে দিন পর দিন,বছেরের পর বছর পার করেছি। আপনাদের আন্দোলনে আমাদের নেতা তারেক জিয়া সকল প্রকার সহযোগিতা করেছে। এই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান মাস্টারমাইন্ড আমাদের তারেক রহমান। কথা কম বলুন। কথা বলার সময় হিসেব করে কথা বলবেন। আপনাদের উপর জঙ্গীভূত ভর করেছে। তারা মানুষের রগ কাটে। শত্রু অনেক শক্তিশালী। আমরা এক সাথে থাকলে ভাল।
    তিনি অন্তবর্তী সরকারের উদ্দ্যেশে আরও বলেন,বিএনপি সভা ডাকলে সমাবেশে পরিণত হয়,সমাবেশ ডাকলে মহা সমাবেশে পরিণত হয়। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দিবেন।
    আমরা নির্বাচন এবং আন্দোলন উভয়ের জন্য প্রস্তুত আছি। জাতীয় নির্বাচনের আগে কোন স্থানীয় নির্বাচন হবে না। একটি গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রের দায়ভার গ্রহণ করার পর স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা করবেন।
    সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম। জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকের মামুনুর রশীদ মামুনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশীদ,ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন,ধর্ম বিষয়ক সহ-সম্পাদক এ্যাড.দীপেন দেওয়ান, উপজাতীয় বিষয়ক সহ-সম্পাদক লে.কর্ণেল অব:মনীষ দেওয়ান এবং বিএনপির সাবেক পার্বত্য উপমন্ত্রী মনিস্বপন দেওয়ান।
    সমাবেশে বিএনপি ও অংগসংগঠনের জেলা,উপজেলার নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। সমাবেশস্থল হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহনে কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিলো স্টেডিয়াম। #

  • শয়তান বধ ; শয়তান শিকার  সবকিছুই রুটিন ওয়ার্ক!!

    শয়তান বধ ; শয়তান শিকার সবকিছুই রুটিন ওয়ার্ক!!

    যৌথ বাহিনীর চলমান অভিযানের ‘নাম না দেয়ায়’ তারা চুপচাপ ছিলেন। এবার পেয়েছেন অভিযানিক নাম- অপারেশন ডেভিল হান্ট। তবে তাদের সামর্থ্যের সুবিধা মিলবে কি? মনে হয় না।

    কারণ, দেশবাসীর নির্ভরশীলতা, বিশ্বাসে আস্থা পায় না কোনো বাহিনী। নিজেদের স্বার্থ বিরোধী কিছু ঘটলেই বিভিন্ন মহল উল্টে যায়। বদলে ফেলে সহনশীলতা, পাল্টে যায় রূপ। মুহূর্তেই বাহিনীর শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে দল প্রীতির অভিযোগ তুলে বিতর্কিত করতে দ্বিধা করে না কেউ।

    আমরা হয়তো ভয়ংকর অভিযোগ তুলে দায় চাপিয়েই খালাস হয়ে যাই। কিন্তু বাহিনী প্রধানদের তো আন্তর্জাতিক বিধি-বিধান, সভ্যতা প্রতিপালন সহ শান্তিরক্ষা মিশনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হয়, থাকে সরকারি নীতি ও চাকুরি বিধির বাধ্য বাধকতা।

    সবদিক বিবেচনায় শক্তি প্রয়োগের বাড়তি দায়িত্ব পালনকে ঝুঁকি বলেই মনে করেন তারা। ফলে নিজের মতো করে স্বতন্ত্র ভালবাসায় দেশপ্রেমেরও উপায় নেই। বিধিবদ্ধ সীমিত কর্তব্য কাজেই আবদ্ধ থাকেন সবাই।

    নিকট অতীতেও এখনকার মতো বিতর্ক সৃষ্টি, গুজব গজবের ঘৃণ্য কাজ কারবার ছিল না। যাকে তাকে মনগড়া ট্যাগ লাগানোর প্রচলনও ছিল না। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে ততই ঠুনকো হচ্ছে আস্থা, বিশ্বাস, নির্ভরশীলতা। যেখানে কেউ কারো দায়িত্ব নিচ্ছে না, সেখানে জাতির দায়িত্ব কেন বাহিনী নিবে?

    এ কারণে অপারেশন ডেভিল হান্ট হোক, আর শয়তান বধ হোক – কোন কিছুই আলাদা বিশেষত্ব বহন করে না। সবকিছুই বিধিবদ্ধ রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হতে বাধ্য। আফসোস! জাতির ললাটে দুর্ভাগ্যের কালিমা, শেষ যেন হতেই চায় না।

  • ঝিনাইগাতীর কদমতলী বাজারে যুবদলের মিছিল ও সভা অনুুষ্ঠিত

    ঝিনাইগাতীর কদমতলী বাজারে যুবদলের মিছিল ও সভা অনুুষ্ঠিত

    শেরপুের ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের উদ‍্যোগে বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের লিফলেট বিতরণ শেষে বিএনপি ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এক মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার কদমতলী বাজারের প্রধান সড়কে মিছিল প্রদক্ষিন শেষে যুবদলের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    গৌরীপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমের উপস্থাপনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আঃ মান্নান হীরা, গৌরীপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম রব্বানী, যুবদল নেতা সাদ্দাম সানি, নালিতাবাড়ীর নন্নী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
    দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জন‍্য দোয়া কামনা করে সভায় বক্তারা বলেন, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার হাসিনার আমলে আমরা নানা হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। পালিয়ে থাকা আওয়ামী ফ‍্যাসিষ্ট ও দোসররা এখনো নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগকে কোন ছাড় দেয়া হবেনা। তাই আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে হবে।
    এসময় গৌরীপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় কয়েকশ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। #

  • ⁨সুইডেন আওয়ামীলীগের ১৬ই ডিসেম্বর ৫৩তম  মহান বিজয় দিবস উদযাপন।

    ⁨সুইডেন আওয়ামীলীগের ১৬ই ডিসেম্বর ৫৩তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন।

    ⁨ ১৬ই ডিসেম্বর ৫৩তম বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সুইডেন আওয়ামী লীগ ২২ ডিসেম্বর রবিবার স্টকহোমের ফিতিয়া স্কুলের হলে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সুইডেন আওয়ামী লীগ এর সহ সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন ও যৌথ ভাবে সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান। সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন পাঠ ও জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন সুইডেন আওয়ামী লীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফছার আহমেদ।

    বাংলাদেশ এর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও সমবেত কন্ঠে জাতিয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং উপস্থিত সকলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    বিজয় দিবস এর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সুইডেন আওয়ামী লীগ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কাজী কুদ্দুস সহ সভাপতি মহিউদ্দীন আহমদ লিটন, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ বজলুল বারী মাছুম, সিনিয়র সদস্য জাকারিয়া খন্দকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, আফছার আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছিম আহমদ, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস ছালাম, সহ-প্রচার সম্পাদক নাসিরুল হক বাবুল।

    এসময় আলোচনা সভায় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি সব্যসাচী বড়ুয়া টিলু,সিনিয়র সদস্য শাহ আলী রিয়াজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাবেয়া ইসলাম, আবিদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মীঠু, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইসরাত জাহান, সমবায় সম্পাদক তারেক কামাল মুস্তাফা,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবীর রিপন, মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তপন ঘোষ, অভিবাসন বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা আমিন, সদস্য আখতার হোসেন, মুবীন ইসলাম, চুন্নু মিয়া,সুইডেন যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মীন্ঠু শেখ ও প্রমুখ।⁩

  • পাবনা জেলাপরিষদের চেয়ারম্যান পাকন এর অপকর্মের ফিরিস্তি

    পাবনা জেলাপরিষদের চেয়ারম্যান পাকন এর অপকর্মের ফিরিস্তি

    ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে পাবনা জেলা পরিষদের সরকারি তহবিল থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গং।
    ২০২২-‘২৩ অর্থ বছরে জেলা পরিষদ অফিস ভবনের সম্মুখে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ব্যয় করা হয়েছে ১৬ লাখ টাকা। চলতি অর্থ বছরে (২০২৩-‘২৪) শহরের চারতলা মোড়ে ও জুবলি ট্যাঙ্ক চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক নির্মাণ বাবদ খরচ করা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা।
    জেলার বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ছাউনি ও গণশৌচাগার নির্মাণ বাবদ ২০২২-‘২৩ খরচ করা হয়েছে ৪০ লাখ টাকা। উল্লেখ্য গণশৌচাগারগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মাত্র এক বছরেই। একই অর্থ বছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭ টি পুকুর সংস্কার বাবাদ ব্যয় করা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন বাবদ একই অর্থ বছরে খরচ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। কোথায়ও কোন ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড এখন আর অবশিষ্ট নেই। কাগজপত্রে ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে সাঁথিয়া উপজেলা সদরের অডিটোরিয়ামে কাম কমিউনিটি সেন্টার মেরামত বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।
    সঠিক ঠিকানা নেই এমন প্রকল্প দেখিয়ে একই অর্থ বছরে খরচ করা হয়েছে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০ টাকা। নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেলো সাঁথিয়া উপজেলার কিতাই এর বাড়ি থেকে বারেক মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত ২৪০ ফুট রাস্তা পাকাকরণে এই পরিমাণ টাকা খরচ করা হয়েছে। এটা কোন গ্রামে তার উল্লেখ নেই।
    সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া রাস্তার প্যালাসাইডিং নির্মাণ বাবদ ব্যয় করা হয়েছে ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। চাটমোহর উপজেলার পবাখালি দক্ষিণ পাড়া মসজিদের ছাদ মেরামতে খরচ করা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। দেবোত্তর ডিগ্রি কলেজের গেট নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। পাবনা পৌরসভা এলাকার রাধানগর ও সদর উপজেলার কিসমতপ্রতাপপুর ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৩০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ফরিদপুর উপজেলার বালুঘাটা ঈদগাঁ মাঠের গেট নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা।
    ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে ব্যয় করা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে জেলার বিভিন্ন স্থানে সোলার ল্যাম্প স্থাপন বাবদ ৩ লাখ টাকা এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বাবদ ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য ব্যাটারিচালিত যানবাহন (বোরাক) বিতরণ ও নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ টাকা। বিভিন্ন স্থানে সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপন বাবদ খরচ করা হয়েছে ৩৪ লাখ টাকা।
    কাশিনাথপুর মোড়ে ফুলবাগান করার জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৩ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, সেখানে ফুল বাগানের কোন চিহ্ন নেই।
    বৃক্ষ রোপন বাবদ ২০২২-‘২৩ এবং ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।
    বিগত বছরগুলোতে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ।

  • ছাত্র ইউনিয়নের রাঙামাটি হানাদারমুক্ত দিবস পালন

    ছাত্র ইউনিয়নের রাঙামাটি হানাদারমুক্ত দিবস পালন

    প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১৭ ডিসেম্বর রাঙামাটি জেলা হানাদারমুক্ত দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন রাঙামাটি জেলা সংসদ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাঙামাটি বীরশ্রেষ্ঠ স্মৃতিস্তম্ভে প্রদীপ প্রজ্বলন করা হয়।

    কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন রাঙামাটি জেলা সংসদের সভাপতি নিউটন চাকমার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি সমীর কান্তি দে, সাধারণ সম্পাদক অনুপম বড়ুয়া, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আশীষ দাশগুপ্ত, জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি প্রান্ত রনি, শহর ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি নন্দন দেবনাথ। এসময় জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তুর্য দত্ত, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রিকোর্স চাকমা, প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক অমিত দে প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিজয় দিবসের একদিন পর মিজোবাহিনী পিছুহঠার পর রাঙামাটি জেলা হানাদারমুক্ত হয়। জেলা ছাত্র ইউনিয়ন দীর্ঘবছর ধরে রাঙামাটি জেলা হানাদারমুক্ত দিবস পালন করে আসলেও রাষ্টীয়ভাবে দিবসটির স্বীকৃতি ও ধারাবাহিকভাবে পালন করা হচ্ছে না। এই দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিবস হলেও প্রশাসনিকভাবে পালন করা হচ্ছে না। সংগঠনটির নেতাকর্মীরা দিবসটি পালনের দাবি জানান।#