Category: রাজনীতি

  • পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনবিধি ১৯০০ বাতিল সহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি

    পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনবিধি ১৯০০ বাতিল সহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি

    পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল, আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদে নির্বাচন আয়োজনসহ সাত দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
    রবিবার দুপুর ১২.০০ টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কাছে এ স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনের নেতারা। স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মহাসচিব শাব্বির আহম্মেদ, রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম, পিসিসিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূর হোসেন, পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক মনির হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    স্মারকলিপিতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ বাড়ছে। তিনি দাবি করেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি চেয়ারম্যান পদে বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ এবং চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও দেন তারা।
    নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের নেতারা বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র বিভিন্ন গ্রুপের তৎপরতায় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন, দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ১০৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
    স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এসব আইন ও চুক্তি বাতিল করে সমতলের জেলার মতো সংবিধানের আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনের দাবি জানায় সংগঠনটি।
    এছাড়া ভূমি কমিশন আইন সংশোধন, সকল সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা, বাজারফান্ড এলাকায় হাউজ লোন চালু রাখা এবং শিক্ষা, চাকরি ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবিও স্মারকলিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
    জেলা প্রশাসক স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।#

  • বাংলার রাজনীতিতে এসেছে নান্দনিক পরিবর্তন

    বাংলার রাজনীতিতে এসেছে নান্দনিক পরিবর্তন

    বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে যেন একটা নতুন সূর্য উঠেছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত, বিভেদ এবং অস্থিরতার ইতিহাসের পর সময়ে এমন কিছু পরিবর্তন এসেছে যা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। বর্তমানে রাজনীতি মানে সহিংসতা বা প্রতিহিংসা নয় বরং সংলাপ, সমঝোতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

    প্রথমেই বলা যাক সর্বোচ্চ শান্তিপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য সহিংসতা ছাড়া নির্বাচনের কথা। অতীতে বাংলাদেশের নির্বাচন বলতে সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ এবং রক্তপাতের ছবি মনে আসত। কিন্তু ২০২৪ এর পরের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে, বিশেষ করে ড. ইউনুসের মতো নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বের তত্ত্বাবধানে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটা বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৬ এর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখযোগ্য সহিংসতা ছাড়াই। নির্বাচন কমিশনের সংস্কার, ডিজিটাল সিস্টেমের সংযোজন (বডি ক্যামেরা), আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা এবং পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি এতে বড় ভূমিকা পালন করেছে। ফলে, ভোটাররা ভয় ছাড়াই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা এখন আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নয়, বরং নীতিভিত্তিক বিতর্ক। এই পরিবর্তন দেশের গণতন্ত্রকে আরও পরিপক্ব করেছে।

    আরেকটা চমকপ্রদ পরিবর্তন হলো নির্বাচনের পর জয়ী নেতার পরাজিত নেতার বাসায় যাওয়া। এটা যেন একটা নতুন ঐতিহ্যের সূচনা। অতীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিজয়ী দল পরাজিতদের প্রতি প্রতিহিংসামূলক আচরণ করত। কিন্তু এই নির্বাচনে জয়ী নেতা সরাসরি পরাজিত প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, চায়ের আড্ডায় বসে ভবিষ্যতের সহযোগিতার কথা বলেছেন। এটা শুধু একটা প্রতীকী অঙ্গভঙ্গি নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটা বড় পরিবর্তন। এর ফলে দলগুলোর মধ্যে বিভেদ কমবে এবং জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি মজবুত হবে। এমন ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতি এখন প্রতিহিংসা থেকে সম্মানের দিকে যাচ্ছে।

    এই সব পরিবর্তন দেখে মনে হয়, বাংলাদেশের রাজনীতি একটা নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। যদি এই গতিধারা অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার একটা উজ্জ্বল উদাহরণ। যে পরিবর্তন এসেছে এখন তা রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

    লেখকঃ সাংবাদিক ও কলামিস্ট

  • রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা,নিরাপত্তা চাইলেন ভুক্তভোগী পরিবার

    রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা,নিরাপত্তা চাইলেন ভুক্তভোগী পরিবার

    রাঙামাটির রিজার্ভ বাজারের পুরান পাড়া এলাকায় পৈেত্রিক জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাজী মোঃ শামসুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্রের ভিত্তিতে ভোগদখলে থাকা তাদের পারিবারিক জমি প্রভাবশালী একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।
    লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “সম্প্রতি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমির উদ্দিন, এমদাদ হোসেন মানিক, মোঃ রুবেল, মোঃ নিজাম উদ্দিন, রাজু আহম্মদ খোকন ও মোঃ সোহাগসহ আরও কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেছেন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।”
    তিনি জানান, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটি কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও অভিযুক্তদের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। তার দাবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।
    সংবাদ সম্মেলনে হাজী শামসুল ইসলাম অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নির্মাণকাজ বন্ধ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, “প্রশাসন যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।”
    এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদকর্মীদেরও সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছে । বিষয়টিকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল।
    ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।#

  • বাঘাইছড়ির দুর্গম ৬ ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে পৌঁছাবে ভোটের সরঞ্জাম: জেলার হেলিসটি ভোট কেন্দ্র ২০টি।

    বাঘাইছড়ির দুর্গম ৬ ভোট কেন্দ্রে হেলিকপ্টারে পৌঁছাবে ভোটের সরঞ্জাম: জেলার হেলিসটি ভোট কেন্দ্র ২০টি।

    আসন্ন ১২ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৯৯ রাঙামাটি আসনের বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ৬টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ভোটের সরঞ্জাম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পৌঁছে দেওয়া হবে।
    কেন্দ্রগুলো হলো—দোসর, নিউলংকর, ভাইবোনছড়া, শিয়ালদাহ, তুইছুই ও বেটলিং।
    ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.জাহিদুল ইসলাম জাহিদ(পিএসসি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    এ সময় মারিশ্যা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শাহীনুর রহমান এবং মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন অমিত কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।
    জোন কমান্ডার জানান,২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের হেলিপ্যাড ব্যবহার করে বিজিবির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মারিশ্যা জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ২টি কেন্দ্র এবং সাজেক এলাকার ৪টি কেন্দ্রে হেলিকপ্টারযোগে ভোটের সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের পৌঁছে দেওয়া হবে।
    তিনি আরও বলেন,বাঘাইছড়িতে সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিজিবি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। পাহাড়ি এলাকায় ভোটারদের জানমালের নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন,উন্নত যোগাযোগ সরঞ্জাম ও নাইট ভিশন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
    ইতোমধ্যে ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোন এলাকায় ৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে ৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।#

    জেলার তথ্য
    জেলার নাম : রাঙ্গামাটি
    মোট সংসদীয় আসন সংখ্যা : ১
    পৌরসভা -২ টি
    উপজেলা -১০ টি
    মোট কেন্দ্র সংখ্যা : ২১৩
    মোট হেলিসটি কেন্দ্র : ২০ টি
    মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা: ৯৯৮
    জেলায় মোট পুরুষ ভোটার: ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪১০ জন
    জেলায় মোট মহিলা ভোটার : ২ লাখ৪৫ হাজার ৮৫৫ জন
    জেলায় মোট হিজরা ভোটার : ২ জন
    জেলায় মোট নতুন ভোটার : ২৭ হাজার ৫শত ৯৮জন
    জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা : ৫ লাখ ৯হাজার ২৬৭ জন। ##

  • চট্টগ্রাম ১৪ আসনে ধানের শীষ পেলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম : চন্দনাইশে ক্ষোভের বিস্ফোরণ

    চট্টগ্রাম ১৪ আসনে ধানের শীষ পেলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম : চন্দনাইশে ক্ষোভের বিস্ফোরণ

    চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ–সাতকানিয়া আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আহমেদের মনোনয়ন পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে অস্বস্তি ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মনোনয়নের খবর প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেখানে তার রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।
    জানা গেছে, গত ২১ ডিসেম্বর দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জসিম উদ্দিন আহমেদের পক্ষে তার আইনজীবী রাশেদ হামিদ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সেটি জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
    গত বছরের ৪ ডিসেম্বর জসিম উদ্দিনকে ঢাকার হোটেল লা-মেরিডিয়ানের পাশের রাস্তা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাড্ডার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় এজাহারভুক্ত ২১ নম্বর আসামি তিনি। পরে অবশ্য তিনি জামিনে বেরিয়ে বিদেশে চলে যান।
    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যায়, জসিম উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত। এসব ছবি শেয়ার করে অনেক নেতা-কর্মী জানতে চান, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এমন ঘনিষ্ঠতার পরও তিনি কীভাবে বিএনপির প্রার্থী হন।
    যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাঠানো তথ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে জসিম উদ্দিন আহমেদের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে।
    স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যমতে, জসিম উদ্দিন আহমেদ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সহযোগী। তার মালিকানায় কক্সবাজারে ‘রামাদা কক্সবাজার’ ও দুবাইয়ে ‘রামাদা দুবাই’ নামে হোটেল রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি এলাকায় ‘মহল মার্কেট’, খুলশীতে ‘জসিম হিল পার্ক’সহ একাধিক বাণিজ্যিক ও আবাসিক স্থাপনার মালিকানাও তার নামে। এসব সম্পদের উৎস ও স্বল্প সময়ে বড় পরিসরে উত্থান ঘিরে নানা অভিযোগও আলোচিত।
    আরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি সাবেক দুই আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও শহিদুল হকের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এবং আওয়ামী লীগের একাধিক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠতা পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি চন্দনাইশ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
    স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যিনি সুবিধাভোগী ছিলেন, তার হাতে ধানের শীষ তুলে দেওয়া দলীয়ভাবে বিব্রতকর এবং এতে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
    জনশ্রুতি আছে ১০ জুলাই পদ্মা ব্যাংকের ঋণখেলাপির এক মামলায় জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী তানজিনা সুলতানাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় চট্টগ্রামের অর্থঋণ আদালত।
    তারও আগে গত ৩০ এপ্রিল ঋণখেলাপির মামলায় জসিম ও তার স্ত্রীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। এই আদেশের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ আনতে জসিম হাই কোর্টে যান। ঋণের ১৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন জানিয়ে সেখানে তিনি জাল পে-অর্ডারের ফটোকপি দেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জামিন স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর তার জামিন বাতিল করে হাই কোর্ট।
    ওই মামলার অভিযোগে বলা হয়, জেসিকা ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার জসিম উদ্দিন ২০১৬ সালে পদ্মা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে ৬০ কোটি টাকা ঋণ নেন। এক বছরের মধ্যে তা পরিশোধ করার চুক্তি থাকলেও আট বছরেও তিনি তা শোধ করেননি।
    ২০২২ সালে সম্পূর্ণ সুদ মওকুফ-সুবিধা নিয়ে তিনি ওই ঋণ পুনঃ তফসিল করেন। কিন্তু তারপরও পরিশোধ না করায় ওই ঋণ সুদাসলে প্রায় ১১৫ কোটি টাকায় দাঁড়ায়।
    ঋণের বিপরীতে চট্টগ্রামের লালদীঘি এলাকার ১৬ দশমিক ৫৯ শতক জমির ওপর নির্মিত সাততলা মহল মার্কেট তিনি ব্যাংকের কাছে জামানত রেখেছেন। ঋণ শোধ না করায় ২০২০ সালের ১৮ জুলাই জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থঋণ আদালতে মামলা করে পদ্মা ব্যাংক। ওই মামলায় ২৯ জানুয়ারি জসিমকে সুদসহ ঋণ পরিশোধের নির্দেশ দেয় আদালত। তারপরও ঋণ শোধ না করায় তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয় #

  • হাদীর মৃত্যুতে  উত্তাল  বান্দরবান : বীর বাহাদুরের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

    হাদীর মৃত্যুতে উত্তাল বান্দরবান : বীর বাহাদুরের বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র বিপ্লবী ওসমান হাদীর মৃত্যুতে বান্দরবানে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা বান্দরবান জেলা শহরের সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এর বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় বীর বাহাদুরের পাঁচ তলা বিশিষ্ট ভবনের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায় এবং বাসার নিচে পার্কিং এ রাখা ২টি প্রাইভেট কার, একটি মোটর সাইকেল পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস এর সদস্যরা এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    এদিকে এ ঘটনার পর থেকে জেলা শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় রাজার মাঠ এলাকাসহ জেলা শহরে জুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমান হাদীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাতেই উত্তেজিত ছাত্র জনতা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রীর বাসার সামনে জড়ো হয়ে ভাঙচুর চালায় এবং বাসার একটি অংশে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ও সেনা টহলের মাধ্যমে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাধারণ মানুষের মাঝে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

    এ বিষয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক (ভার:) ফারুক আহমেদ বলেন, সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের বাসায় অগ্নি সংযোগের ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায় এবং প্রায় এক ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এ ঘটনায় ২ প্রাইভেট গাড়ী, ১টি মোটর সাইকেলসহ ভবনের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

    বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার আবদুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে, পুলিশ প্রশাসনের পাশে সেনাবাহিনীন সদস্যরা মাঠে কাজ করছে। #

  • পার্বত্যাঞ্চলের চলমান সমস্যা কেবল আঞ্চলিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই: এখন এটি জাতীয় সমস্যা। – ড. দেবপ্রিয ভট্টাচার্য।

    পার্বত্যাঞ্চলের চলমান সমস্যা কেবল আঞ্চলিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই: এখন এটি জাতীয় সমস্যা। – ড. দেবপ্রিয ভট্টাচার্য।

    পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা এখনজাতীয় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে বর্তমানে, ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বহুমাত্রিক সংকটের কারণে এ অঞ্চলের চলমান সমস্যা আর কেবল আঞ্চলিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই। ফলে সব রাজনৈতিক দলকে এর পথরেখা দিতে হবে, এটিকে অবহেলা করে কোন রাজনৈতিক দল বের হতে পারবে না,এটি এখন জাতীয় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সিপিডি’ফেলো ড. দেবপ্রিয ভট্টাচার্য।
    তিনি আরো বলেন, একাধিক প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট্যতায় এই পার্বত্য অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, ফলে পার্বত্যাঞ্চলের নিরাপত্তা ও অখন্ডতার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গুরুত্বপূর্ন হয়ে আসছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রামের এমন একটি পরিস্থিতি বিরাজ করছে যার জন্য জাতীয় সমাধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন এবং প্রয়োজনীয় হয়ে দাড়িয়েছে। এই সমাধানের মূলে হলো এই অঞ্চলের বসবাসরত জাতি-ধর্ম সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সকলের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়ে এবং ইতিহাসের প্রতি সন্মান রেখে ও স্থানীয় বৈশিষ্ট্যের প্রতি মনোযোগের মাধ্যমে একটি সমাধানের পথরেখা বের করতে হবে।
    এই জাতীয় সমাধানের পথরেখা নির্বাচনী ইশতেহারের ভেতরে রাজনীতিবিদদের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে এবং আগামীদিনের বাংলাদেশের জন্য এটা কিভাবে কার্যকর করবেন এটা পরিস্কারভাবে জানতে চেয়েছেন স্থানীয় স্টেকহোল্ডাররা।
    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ একটি দোলাচলের মধ্যে আছে। ভীতিমুক্ত ভোটার ও প্রভাবমুক্ত প্রশাসন এবং সক্ষম আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এসব এখনো দৃশ্যমান নয়। একইসাথে তফসিল পরবর্তি সময়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সেনাবাহিনী তারা তাদের ভুমিকা পালন করবে তেমনটা প্রত্যাশা করে।
    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাঙ্গামাটিতে স্থানীয় একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের প্রাক্‌-নির্বাচনী উদ্যোগ ‘আঞ্চলিক পরামর্শ সভা’ শেষে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় শিক্ষক, আইনজীবি, প্রথাগত নেতা হেডম্যান কার্বারী, নারী অধিকারকর্মী, পরিবেশকর্মী,শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। সুষ্ঠু নির্বাচন, প্রয়োজনীয় সংস্কার, দুর্নীতির দমন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিসহ নানা প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন অংশগ্রহণকারীরা।
    #

  • জণগণনই তাঁর ভোটের পাহারা দিবে আর কাউকে লাগবে না : চকরিয়ার পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ

    জণগণনই তাঁর ভোটের পাহারা দিবে আর কাউকে লাগবে না : চকরিয়ার পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ

    আগামী ফেব্রুয়ারীর প্রথমার্ধে ইনশাআলাহ বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক, বাংলাদেশের পরিবর্তনের সুচনাকারী, জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। এই নির্বাচন শুধু মাত্র নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠনের নির্বাচন হবেনা, এই নির্বাচন হবে সারা বিশ্বের মধ্যে স্বীকৃত এবং প্রশংসিত একটি নির্বাচন । এই নির্বাচনে জণগণনেই তার নিজের ভোটের পাহারা দিবে আর কাউকে লাগবে না। বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি আজ ৬ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে এগোরটার সময় চকরিয়া উপজেলার ইসলাম নগর শহীদ হোছাইন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পথসভায় এ কথা বলেন।
    এসময় সালাহউদ্দিন আহমদ আরো বলেন, দীর্ঘ ষোল সতেরো বছর আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে এই দেশের মানুষ ভোটাধিকার হারিয়েছে, গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকদের সকল রকম অধিকার তারা হারিয়েছে, অধিকার ভোগ করতে পারে নাই। নামে মাত্র বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, সাংবিধানিক শাসন ব্যবস্থা চালু থাকলেও প্রকৃতপক্ষে সবাই জানে গণতন্ত্রের মুখোশে শেখ হাসিনা এই দেশে বাকশাল কায়েম করেছিলেন। এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিলেন।এসময় তার সাথে আরো উপস্হিত ছিলেন তার সহধর্মিণী সাবেক এমপি এডভোকেট হাসিনা আহমেদ ও চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। #

  • রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদের অভিষেক ও প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদের অভিষেক ও প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ‘আমার পাহাড়, আমার জীবন’ ও ‘যুগে যুগে তারুণ্যের শক্তি, ঘরে তুলবে পার্বত্য ভূমির মুক্তি’ এই স্লোগানে রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে রাঙ্গামাটি প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মাওলানা মোঃ নুর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবীব আজম।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফছার রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি মোরশিদা আক্তার, নাগরিক পরিষদ স্থানী কমিটির সদস্য মোঃ সাব্বির আহমদ, নাগরিক পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, যুব পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল গফুর বাদশা, ছাত্র পরিষদের সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

    বক্তারা, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত সব জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক সংরক্ষণে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

    এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, মহিলা পরিষদ, ছাত্র পরিষদসহ নাগরিক পরিষদের স্থায়ী কমিটি ও কেন্দ্রীয় কমিটির নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#

  • সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সাথে জোট করবো না- হাসনাত আব্দূল্লাহ

    সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সাথে জোট করবো না- হাসনাত আব্দূল্লাহ

    জাতীয় নাগরিক পাটি এনসিপির কেন্দ্রীয় মূখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিনাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বিএনপির উদ্দেশ্য বলেছেন গুলি খেতে না চাইলে এবং অনিয়ম ঘুষ-দূর্নীতি থেকে বাচতে চাইলে এনসিপিতে চলে আসুন, আমরা আপনাদেরকে যথাযোগ্য সম্মান দবো । যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায় নির্যাতন জুলুমের স্বীকার হয়েছে তাদের পাশে আমাদের দাড়াতে হবে। বিএনপি জামায়াতে যদি নিরাপদ মনে না করেন তাহলে এনসিপিতে ফিরে আসুন,আপনাদের আমরা যথাযোগ্য মর্যদায় গ্রহণ করবো, আপনাদের সাথে নিয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ব। এনসিপি যেই অবস্থান নেয় বিএনপি জামাত সেখানে আসতে বাধ্য হয়। এনসিপির জন্ম রাজপথে। তাই আগামীতে যাই কিছুই আসুক তা রাজপথে মোকাবেলা হবে। বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব এনসিপি দেবে। আগামী দশ বছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে। যারা ব্যালটের প্রস্তুতি না নিয়ে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন আপনাদেরকে বাংলাদেশের জনগন সঠিক সময়ে ব্যালটের মাধ্যমে এর জবাব দেবে। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতিতে মানুষ অতিষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে। ইতিমধ্যে জনগন আপনাদের বুলেটের জবাব ব্যালটে দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে।
    হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেছেন,সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ও জুলাই সনদের বিপক্ষে যারা গিয়েছেন তাদের সাথে আমরা জোট করবো না। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়, আমরা নির্বাচনে সিট পুনর্বণ্টনে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। কোন প্রকার টাকা,গুন্ডা ও পেশি শক্তি ছাড়া আমরা যদি পাচশ ভোটও পাই সেটাই আমাদের জন্য অনেক বড় পাওনা। আমরা খেলতে আসিনি আমরা পুরো খেলার নিয়ম পরিবর্তন করতে আসছি।
    তিনি বলেন গনভোট দিতে হবে, চুপ্পুর হাত থেকে কোন জুলাইয়ের সনদ আমরা নেবোনা, ড.ইউনুছকে দিতে হবে। চুপ্পুর হাত থেকে জুলাই সনদ নেয়া তার চেয়ে বিষ খাওয়া ভালো।
    বাংলাদেশে এখন সময় এসেছে আওয়ামীলীগকে না বলার। আওয়ামীলীগ এদেশে আর থাকতে পারবে না আমরা থাকতে দেব না। আমরা এদেশ থেকে আওয়ামীলীগ মুক্ত করবো। ভারতের আদিপত্যবাদ মূক্ত
    আমরা চাইনা পরবর্তী বাংলাদেশে কোন ডিবি হারুন বেনজির জন্ম হোক চাইনা। আমরা এসব মাফিয়াতন্ত্র আর এদেশের মাটিতে তৈরী হতে দেবোনা।
    তিনি বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। রাঙ্গামাটি শহরের প্রফেসর কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে এ সমন্বয় সভা অনুস্টিত হয়।
    এনসিপি রাঙ্গামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমার সভাপতিত্বে অনুস্টিত উক্ত সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ন সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন,পার্বত্য অঞ্চল তত্তাবধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ন আহবায়ক কলিন চাকমা,বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল,খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমূখ, রাঙ্গামাটির জেলা ১ম যুগ্ম সমন্বয়ক এনসিপি নেতা জাহিদুল, শহিদ খান, যুগ্ম সমন্বয়কারী রাঙ্গামাটি জেলা প্রমূখ। #