Author: admin

  • তুরাগ তীরে আমবয়ানে শুরু বিশ্ব ইজতেমা

    তুরাগ তীরে আমবয়ানে শুরু বিশ্ব ইজতেমা

    তাবলীগ জামায়াতের বড় ধর্মীয় সমাবেশ- বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের নামাজের পর ধর্মীয় বয়ানের মধ্যদিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ফজরের নামাজের পর উর্দু ভাষায় বয়ান করেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর ছোট ছেলে মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ কান্ধলভী। বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশি মাওলানা মনির বিন ইউসুফ।

    বিশ্ব ইজতেমায় অনুষ্ঠিত হয় দেশের বৃহত্তম জুমার জামাত। নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী।

    তিনদিনের এই জমায়েতে অংশ নিতে টঙ্গীর তুরাগ নদীরতীরে জড়ো হয়েছে দেশি-বিদেশি লাখো মুসল্লি। ইজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা পূর্ণ হয়ে গেছে। অনেকেই মূল ময়দানে জায়গা না পেয়ে ইজতেমা মাঠে প্রবেশপথের দুইপাশে অবস্থান নিয়েছেন। দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিচ্ছেন মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা।

    পরবর্তি তিন দিন দেশ বিদেশের মাওলানারা বয়ান করবেন। রোববার আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সিসি ক্যামেরায় নজরদারি করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

    বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নিচ্ছে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা। ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন মাওলানা সা’দের তিন ছেলে। তারা হলেন-মাওলানা ইউসুফ বিন সা’দ কান্ধলভী, মাওলানা সাঈদ বিন সা’দ কান্ধলভী ও মাওলানা ইলিয়াস বিন সা’দ কান্ধলভী।

    শুক্রবার ভোরে ফজরের নামাযের পর মাওলানা সা’দের ছোট ছেলে মাওলানা ইলিয়াস বিন সা’দ কান্ধলভীর আ’মবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয় দ্বিতীয় পর্বের মূল আনুষ্ঠানিকাতা। আজ জুমার জামাতে অংশ নেবেন লাখো মুসল্লি। মাওলানা সা’দের বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সা’দ কান্ধলভী এতে ইমামতি করবেন।

    আগামী রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতে মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার ৫৭তম আসর।

  • বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে সাত মুসল্লির মৃত্যু

    বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে সাত মুসল্লির মৃত্যু

    বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে সাত জন মুসল্লি মারা গেছেন। এদের মধ্যে একজন সড়ক দুর্ঘটনায় বাকি ছয়জন বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য জানিয়েছেন।

    জানা গেছে, গতকাল ভোরে হেঁটে ইজতেমা ময়দানে যাওয়ার পথে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর মাছ বাজারের এলাকায় বাসের ধাক্কায় আবুল কাশেম (৬৫) নামে এক মুসল্লি নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তারা হেঁটে তুরাগ তীরে ইজতেমার ময়দানে যাচ্ছিলেন।

    নিহতরা হলেন- শেরপুর সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মোহাম্মদ আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর গ্রামের মো. হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার মো. জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার গোয়ালের চর গ্রামের নবীর উদ্দিন (৬৫)। এছড়া শুক্রবার সকালে ইজতেমায় আসার পথে আব্দুল্লাহপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আবুল কা‌শেম (৬৫) নিহত হন। মারা যাওয়া অন্য দুইজনের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

    বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনই বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। অন্য একজন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। মোহাম্মদ সায়েম আরও জানান, যাদের তথ্য ও ঠিকানা পাওয়া গেছে, তাদের স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এর আগে মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করেন। চার দিন বিরতির পর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু করেছেন। ১১ ফেব্রুয়ারি রোববার আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

  • সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

    সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

    সপ্তাহের ব্যবধানে এখন কিছুটা কমেছে সবজির দাম। তবে দেশি পেঁয়াজ সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। করোলা, ঢেঁড়সসহ দুই একটি সবজির দাম চড়া থাকলেও বেশিরভাগ সবজি কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন প্রতিটি সবজি আগের দামে বিক্রি হলেও নতুন আলুর দাম কমেছে।

    শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীর কাঁচা বাজার, তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

    বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। দেশি পুরোনো পেঁয়াজ ১৪০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে বলে জানান শেওড়াপাড়া বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, হঠাৎ করেই দাম বাড়ার কারণে বিক্রি কিছুটা কমেছে।

    কারওয়ান বাজারে পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী গফুর মন্ডল বলেন, গত বুধবার রাতে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭৮ থেকে ৮২ টাকা। বৃহস্পতিবার সকালেই কেজিতে ১৫ টাকার মতো দর বেড়ে বিক্রি হয়েছে ৯৩ থেকে ৯৭ টাকা পর্যন্ত

    পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, মুড়ি কাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ। বেশির ভাগ এলাকার কৃষকরা ওই পেঁয়াজ তুলে ফেলেছেন। আর হালি পেঁয়াজের ভরপুর মৌসুম শুরু হতে কিছুদিন বাকি রয়েছে। মাঝখানের এ সময়ে চলছে সরবরাহ ঘাটতি। যে কারণে বাজারে দাম বাড়ছে।

    আমদানির সবচেয়ে বড় বাজার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ। আমদানি না থাকায় কয়েক মাস ধরে আগাম জাতের এ পেঁয়াজ দিয়ে চাহিদা মেটানো হচ্ছে। ফলে দেশীয় এ পেঁয়াজের সরবরাহ প্রায় শেষ পর্যায়ে। অন্যান্য বছরের এ সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এখন পেঁয়াজের দর থাকার কথা ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে। কিন্তু সে চিত্র এখন আর নেই। এত চড়া দামে পেঁয়াজ কিনতে বিরক্ত ক্রেতারা। তাদের বেশির ভাগ পেঁয়াজের এ বাড়তি দামে উষ্মা জানিয়েছেন।

    বাজারে দেখা গেছে, শীতকালীন সব ধরনের সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে নতুন আলুর দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

    আজ বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ টাকা যা কিছু দিন আগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা ছিল, সিম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ টাকা, তবে বিঁচিযুক্ত সিম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা আগে ছিল সর্বনিম্ন ৮০ টাকা। ফুলকপি, বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও গত সপ্তাহে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

    অন্যদিকে টমেটোর দাম কিছুটা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, মিস্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা,কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা, করোলা প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ব্রুকলি প্রতি পিস ৪০ টাকা, শালগম প্রতি কেজি ৪০ টাকা এবং শসা প্রতি কেজি ৭০ টাকা, মুলা প্রতি কেজি ৫০ টাকা এবং পেঁয়াজের ফুল প্রতি আঁটি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    লাল শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়। লাউ শাক ৪০ টাকা, মূলা শাক ১৫ থেকে ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা।

    রাজধানীর মহাখালীর কাঁচা বাজারে ঘুরে ঘুরে সবজি কিনছিলেন আরেক ক্রেতা হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, এবার শীতের মৌসুমে অর্থাৎ যে সময় সবজির ভরা মৌসুম ছিল তখন আমরা অতিরিক্ত বাড়তি দামে সব ধরনের সবজি কিনেছি। আগে কোন বছরেও সবজির দাম এতটা বেশি ছিল না। তবে কি কারণে এই সময় সবজির দাম এত বাড়তি গেল তা আমার মতো সাধারণ ক্রেতাদের জানা নেই। এর পাশাপাশি বাজার মনিটরিংয়ের কোনো উদ্যোগ দেখিনি।

    তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহেও সবজির দাম অনেক বেশি ছিল, সে তুলনায় আজকের বাজারে সবজিগুলোর দাম অল্প কিছু করে কমেছে।‌ তবে সেই কমা একেবারে খুব বেশি নয়, ৫ থেকে ১০ টাকা করে প্রতিটি সবজির দাম কমেছে। কিন্তু এই সময় সবজিগুলোর দাম আরো কম হওয়া উচিত ছিল।

    চলতি সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। গত সপ্তাহে একই দামে বিক্রি হয়েছিল। তবে সোনালি, সোনালি হাইব্রিড মুরগির দাম কমেছে। বাজারগুলোতে সোনালি ২৮০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৬০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৫২০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬২০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি প্রতি ৮০০ টাকা। চাষের শিং (আকারভেদে) মাছের কেজি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি মাগুর ৭০০ থেকে এক হাজার টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, বোয়াল ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা, কাতল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পোয়া ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১ হাজার ৬০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৬০০ টাকা, পাঁচমিশালি ২২০ টাকা, রূপচাঁদা ১ হাজার ২০০ টাকা, বাইম এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা, দেশি কই এক হাজার টাকা, মেনি ৭০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে এক হাজার টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং কাইক্ক্যা ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

    গুলশান লেকপার কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, কিছুদিন আগের চেয়ে সবজির বাজার কমতে শুরু করেছে। দুই‌ একটি ছাড়া আজকে প্রায় সবগুলো সবজির দাম গত কিছুদিনের চেয়ে কমেছে। কিছুদিন আগে সবজির সরবরাহ কমে গিয়েছিল, যে কারণে বাড়তি ছিল সবজির দাম। আসলে সে সময় ক্ষেতের ফসলগুলো শেষ দিকে ছিল, সরবরাহ কমে গিয়েছিল বাজারে; সবমিলিয়ে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি দাম ছিল। কিন্তু এখন আগের চেয়ে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে , সে কারণে কিছুটা কমে আসতে শুরু করেছে সবজির দাম।

    তিনি আরও বলেন, এখন পাইকারি বাজারে তুলনামূলক কম দামে সবজি পাচ্ছি, সে কারণে খুচরা বাজারেও আগের চেয়ে কম দামে বিক্রি করছি।

  • হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় নুসরাত ফারিয়া

    হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় নুসরাত ফারিয়া

    হাসপাতাল ছেড়েছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীর ইয়র্ক হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। এরপর দ্রুত তাকে রাজধানীর বনানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন এই নায়িকা। নুসরাত ফারিয়ার মা ফেরদৌসি পারভীন গণমাধ্যমকে খবরটি নিশ্চিত করেছিলেন।

    মেয়ের শারীরিক অবস্থার খবর জানিয়ে ফেরদৌসি পারভীন বলেছিলেন, ‘কয়েক দিন হলো কাজের চাপের কারণে খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম চলছিল ফারিয়ার। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাও ছিল। সন্ধ্যার পর শরীর খারাপ করে তার। শরীর বেশি খারাপ করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করাই।’

    ফারিয়ার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে নুসরাত ফারিয়ার মা বলেন, ‌‘ফারিয়া এখন সুস্থ। রাতেই জ্ঞান, ফিরেছে, কথাও বলছে। চিকিৎসক শুক্রবার ফারিয়ার রক্ত পরীক্ষা করবেন বলে জানিয়েছেন। এরপরই বিস্তারিত জানা যাবে।’

    ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় এ নায়িকা ওপার বাংলাতেও নন্দিত। সিনেমায় অভিনয়ের মাঝেই নিয়মিত তিনি গান নিয়ে হাজির হয়েছেন। তাঁর ব্যস্ততা রয়েছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও।

    প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘আশিকি’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন নুসরাত ফারিয়া।

  • স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরছেন খালেদা জিয়া

    স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরছেন খালেদা জিয়া

    এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে গুলশানের বাসায় ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

    বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার জানান, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে শারীরিক কিছু জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ১১টা ৪০ মিনিটে বাসভবন ফিরোজার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বাসা থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং ৬টা ৪৮ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন বিএনপির চেয়ারপারসন।

    প্রসঙ্গত, গত ১১ জানুয়ারি ৫ মাস ২ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছিলেন খালেদা জিয়া। সেই অনুযায়ী ২৯ দিন পর আবারও তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

  • দেশে প্রতিবছর পর্যটন বাণিজ্য দুই হাজার কোটি টাকা

    দেশে প্রতিবছর পর্যটন বাণিজ্য দুই হাজার কোটি টাকা

    পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড। সমুদ্র পর্যটননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলেছে। জিডিপিতে দেশটির পর্যটন খাতের অবদান ২৩ দশমিক ২ শতাংশ, টাকার অঙ্কে যা প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। সমুদ্র ঘিরেই যার বেশিরভাগ আয়। প্রতি বছর গড়ে সাড়ে ৩ কোটি পর্যটক ভ্রমণে আসেন থাইল্যান্ডে।

    দুনিয়াজুড়ে বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে সমৃদ্ধ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্রসৈকতের দেশ বাংলাদেশ। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ঘিরে প্রতিবছর গড়ে পর্যটন বাণিজ্য হচ্ছে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি। আর সারাদেশ মিলিয়ে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ৩ দশমিক ২ শতাংশ। তবে সরকারি-বেসরকারি খাত মিলিয়ে আগামী ১৫ বছরে এই খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে কয়েকগুণ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়ে বা ক্ষুদ্র বিনিয়োগের পরিমাণও বেড়ে চলেছে।

    এবারের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাতেও এমন বিনিয়োগের সুযোগ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন হোটেল ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মেলায় ক্রেতাদের জন্য সুযোগ রাখছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগের, যেখানে মাত্র ৭ থেকে ১০ লাখ টাকায় যে কেউ তারকা মানের হোটেল কক্ষের মালিক হচ্ছেন। আগ্রহীরাও যাচাই-বাছাই করে দেখছেন এসব।

    ক্রেতারা বলছেন, ‘এখানে এসে যাচাই-বাছাই করার সুযোগ আছে। সাধ্যের মধ্যে অনেকে পর্যটন হোটেলের কক্ষ পছন্দ করে কিনছেন।’

    কর্মকর্তারা বলেন, ‘আমরা ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। অনেকেই আগ্রহী হয়ে বিনিয়োগ করছেন। কেউ কেউ পছন্দমতো এক বা একাধিক কক্ষ কিনছেন।’

    এমন ক্ষুদ্র বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশে গড়ে উঠেছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠান যারা বিনিয়োগ করা সম্পদের পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে থাকেন। এমনই প্রতিষ্ঠানের দুই তরুণ উদ্যোক্তা জানান, সাধারণ চাকুরিজীবীরাও এখন পর্যটন খাতে বিনিয়োগ করছেন।

    ভয়েজ বাংলাদেশ-এর পরিচালক নাইমুল হাসান বলেন, ‘যারা হোটেল বা রিসোর্ট কিনেন তাদের এই প্রতিষ্ঠানগুলো আমরা বিক্রয় কমিশনের মাধ্যমে চুক্তিভিত্তিক পরিচালনা করি।’

    আগামী কয়েক দশকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী খাত হবে পর্যটন। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সন্তোষ কুমার দেব বলেন, ‘বিনিয়োগই পর্যটন খাতের অর্থনীতিকে বড় করে তুলবে। তবে বিনিয়োগের ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে।’

    পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে যেমন বহুমুখী আয়ের সুযোগ তৈরি হবে, তেমন বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

  • বাংলাদেশ ও ভারত সাফের যৌথ চ্যাম্পিয়ন

    বাংলাদেশ ও ভারত সাফের যৌথ চ্যাম্পিয়ন

    অবশেষে বাংলাদেশ ও ভারতকে যৌথভাবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে নির্ধারিত সময় ও ২২ শটের টাইব্রেকারে ম্যাচে সমতা থাকায় টসে নির্ধারণ করা হয় বিজয়ী দল। যেখানে টস ভাগ্যে বাংলাদেশকে হারিয়ে শিরোপা জিতে ভারত। কিন্তু বাংলাদেশের আপত্তির মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন ম্যাচ কমিশনার শ্রীলঙ্কান ডি সিলভা ডিলান। ম্যাচ রেফারি পুনরায় টাইব্রেকারের নেয়ার সিদ্ধান্ত জানান। কিন্তু এবার বেঁকে বসে ভারত। রাত সাড়ে দশটার পর পুরস্কার প্রদান মঞ্চে সাফ সেই জটিলতার নিরসন করে। বাংলাদেশ ও ভারত উভয় পক্ষকে সন্তুষ্ট করে যুগ্ম শিরোপা ঘোষণা করে সাফ।

    এর আগে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আজ ফাইনালে তারা খেলতে নেমেছিল।

    ম্যাচের বয়স তখন ৮ মিনিট। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে এগিয়ে যায় অতিথিরা। ভারতীয় মিডফিল্ডার নিতু লিন্ডার বাড়ানো বল বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে বল পেয়ে যান শিবানী দেবী৷ বাংলাদেশের গোলরক্ষক স্বর্ণা রানী বক্সের সামনে এগিয়ে এসেও নাগাল পাননি। ঠিক এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে বুদ্ধিদীপ্তভাবে প্লেসিংয়ে ভারতকে লিড এনে দেন শিবানী।

    এর দুই মিনিট পর সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ভারতীয় গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি মুনকি আক্তার। উল্টো এগিয়ে যাওয়ার পর রক্ষণে জোর দেয় ভারত। বারবার চেষ্টায় সেই রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ লাল-সবুজের দল।

    ম্যাচের ২৮তম মিনিটে ডানপ্রান্ত দিয়ে আরও একটি জোরাল আক্রমণ করে ভারত। এবার অবশ্য শিবানীর বুলেট গতির শট দক্ষতার সঙ্গে ফিরিয়ে দেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক। ম্যাচের ৩৪তম মিনিটে ডি বক্সের বেশ খানিকটা দূর থেকে স্বপ্নার দূরপাল্লার শট গোলপোস্টের ওপর দিয়ে চলে গেলে হতাশ হতে হয় বাংলাদেশকে। এর এক মিনিট পরই ফের স্বপ্নার শট ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন ভারতীয় গোলরক্ষক আনিকা দেবী। ফলে প্রথমার্ধ পিছিয়ে থেকেই শেষ করে বাংলাদেশ।

    বিরতির পরও গোলের ছন্দে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের চেয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ বাড়ায় বাংলাদেশ। তাতে মেলেনি সমাধান। ম্যাচের ৮২তম মিনিটে দারুণ সুযোগ আসে বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু দুর্বল শটে সেটাও ভেস্তে যায়। তিন মিনিট বাদে আরেকটি শটও ভারতের বারে লেগে ফিরে আসে। একের পর এক আক্রমণে ব্যর্থ হয়ে ম্যাচ হারের দুয়ারে ছিল বাংলাদেশ। ওমন মুহূর্তেই চমক দেখা সাগরিকা। আফিদা খন্দকারের থ্রো ইন থেকে বাংলাদেশের সাগরিকা বক্সের আগে জটলায় বলের নিয়ন্ত্রণ নেন৷ নিজ প্রচেষ্টায় বক্সে বল নিয়ে কোনাকুনি শটে গোল করেন সাগরিকা। যাতে আনন্দে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।

    টস অনুযায়ী ভারত চ্যাম্পিয়ন। বাইলজ অনুযায়ী টস হয় না, সাডেন ডেথে খেলা চলবে। ম্যাচ কমিশনার ভুল স্বীকার করে ভারতকে খেলায় ডাকে। তারা খেলায় আর আসেনি। এই নিয়মানুযায়ী বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা৷ কিন্তু টসে ভারত জেতায় এবং সিদ্ধান্ত হওয়ায় ম্যাচ কমিশনার ও সাফ মিলে মাঝামাঝি সিদ্ধান্ত নেয়।

    বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) কমলাপুর স্টেডিয়ামে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে ভারত ১-০ গোলে এগিয়ে। ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। ভারতের শিরোপা উদযাপনের অপেক্ষা। সেই মুহূর্তে সাগরিকা গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচ ফেরান।

    রেফারি চার মিনিট ইনজুরি সময় দেন। ৩ মিনিটে আফিদা খন্দকারের থ্রো ইন থেকে বাংলাদেশের সাগরিকা বক্সের আগে জটলায় বলের নিয়ন্ত্রণ নেন৷ নিজ প্রচেষ্টায় বক্সে বল নিয়ে কোনাকুনি শটে গোল করেন সাগরিকা। যার গোলে বাংলাদেশ প্রথম পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছিল।

    টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী নির্ধারিত সময় সমতা থাকলে খেলা সরাসরি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানেও ১১-১১ গোলে সমতা হয়। এর ফলে টসের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। টস ভাগ্যে জয় হয় ভারতের। তবে এই টস করা নিয়ে আপত্তি জানাতে থাকেন বাংলাদেশি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা। পরে সিদ্ধান্ত বদলান ম্যাচ কমিশনারও।

  • কীভাবে এমন সহিংস হয়ে ওঠলো মিয়ানমার?

    কীভাবে এমন সহিংস হয়ে ওঠলো মিয়ানমার?

    বিদ্রোহীদের ঐক্যের কাছে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের অবস্থা এখন একেবারেই নাজুক। আরাকান আর্মি ও ইয়াও ডিফেন্স ফোর্স-ওয়াইডিএফসহ বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রতিরোধমূলক হামলা থেকে প্রাণ রক্ষায় দেশ ছেড়ে পাল্লাচ্ছে জান্তা সেনারা। কিন্তু হঠাৎ করেই কীভাবে এ পরিস্থিতি হলো। কেনই বা এতোটা সহিংস হয়ে ওঠলো মিয়ানমার?

    জাতিগত উদ্দেশ্য ছাড়াও, হঠাৎ করে বিদ্রোহীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার পেছনে অন্যতম একটি কারণ সামনে আনলো মিয়ানমারের গণমাধ্যম ইরাবতী। যেখানে বলা হয় তিন মাস আগে দেশটির সামরিক বাহিনী দ্বারা নৃশংস হত্যার শিকার হয় ২০ বছর বয়সী ২ তরুণ। জান্তাবিরোধী বিদ্রোহী হয়ে ওঠাই অপরাধ ছিল তাদের।

    ঘটনার বর্ণনায় বলা হয় হত্যার আগে নির্যাতন চালিয়ে ওয়াইডিএফ’র ওই দুই সদস্যকে স্বীকার করতে বাধ্য করা হয় যে তারা ‘কুকুর’। এরপর তাদের একটি গাছে ঝুলিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। মাগওয়ে অঞ্চলের একটি গ্রামে ঘটে এমন বিভৎস ঘটনা। ওই সময়কার ভিডিওটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।

    জান্তা বিরোধী প্রতিরোধ গ্রুপ ইয়াও ডিফেন্স ফোর্স- ওয়াইডিএফ বলেছে, এই হত্যা দেখতে গ্রামের প্রতিটি বাড়ি থেকে একজন করে ব্যক্তিকে ডেকে আনা হয়েছিলো। ২০২৩ সালের ৭ই নভেম্বরের সেই ঘটনার সঙ্গে জান্তা বাহিনী ছাড়াও তাদের মিত্র পিউ শয়ে হতি’র সদস্যরা যুক্ত ছিল।

    ওয়াইডিএফ বলছে, বহুদিন আগে থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অমানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। আর এমন ঘটনা যাতে আগামীতে না ঘটে তা নিশ্চিত করতে একটি উপায় আছে। তা হলো ক্ষমতা থেকে সেনাবাহিনীর শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। সব মানুষকে বর্তমান প্রতিরোধ সফল না হওয়া পর্যন্ত নীরব না থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানিয়েছে ওয়াইডিএফ।

    গত ১৩ নভেম্বর থেকে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে আসছে জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। ইতোমধ্যে রাখাইনে থাকা জান্তা বাহিনীর অন্তত ১৭০টি অবস্থান দখল করেছে তারা।

  • প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে অপপ্রচার বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত জানিয়েছেন, বিদেশে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে, তার বিরুদ্ধে আনাইনুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সরাসরি কোন এখতিয়ার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের না থাকলেও, মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে অপপ্রচারের জবাব তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমেই রোধ করা সম্ভব। প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে শিগগিরই অপপ্রচার বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সংসদে সরকারি দলের সদস্য চয়ন ইসলামের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

    তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সরাসরি কোন এখতিয়ার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের না থাকলেও, মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অভ্যন্তরে বসে দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা অন্তর্ঘাতমূলক কোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলে, তা দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

    মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, গুজব প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অন্যান্য অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত যে কোনো গুজব, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুততার সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার মাধ্যমে গুজব বলে নিশ্চিত হলে, প্রকৃত তথ্যসহ তাৎক্ষণিক তথ্যবিবরণী জারি করে, তা সকল মিডিয়ায় প্রচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সাথে দেশে ও বিদেশে বসে দেশবিরোধী অসত্য তথ্য দিয়ে এবং বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার ও গুজবরোধে বাংলাদেশ টেলিভিশনে নিয়মিতভাবে টিভিসি, স্পট/ফিলার প্রচার করে থাকে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার ও গুজবরোধে সেসব উল্লেখযোগ্য টিভিসি, স্পট/ফিলার নিয়মিতভাবে প্রচার করে আসছে।

  • ‘জাহাজে ফেরত যাবে মিয়ানমারের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা’

    ‘জাহাজে ফেরত যাবে মিয়ানমারের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা’

    বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের জলপথেই ফেরত পাঠানো হবে। এজন্য মিয়ানমার থেকে জাহাজ আসার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে একথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন।

    তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার থেকে যে রুট প্ল্যান তা জানাবে। উনারা গভীর সমুদ্র হয়ে যাবে। যে ইস্যুটা ছিল যে তারা বর্ডারের কাছে দিয়ে যাবে। সে বিষয়ে কোনো সমস্যা হবে না।’

    তিনি বলেন, আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের কালক্ষেপণ না করে দ্রুত ফেরত পাঠানো হবে। এছাড়া, সুবিধাজনক সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য দ্বিপাক্ষিক, ত্রিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের সনাক্ত করে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।

    এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের শনাক্তকরণের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এবং এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারবে।

    সে‌হেলী সাবরীন বলেন, গতকাল বিডাতে মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্র সচিবও সেখানে অংশ নেন। সভায় শুধু চীনা নয় অন্যান্য দেশেরও অবৈধ নাগরিকদের ভিসা এক্সপায়ার, এক ভিসায় এসে অন্য ক্যাটাগরিতে অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    এক প্রশ্নের জবাবে সে‌হেলী সাবরীন বলেন, বলেন, ‌বর্তমানে ৬০টি দেশে বাংলাদেশের মোট ৮১টি দূতাবাস, হাইকমিশন, স্থায়ী মিশন, কনস্যুলেট জেনারেল, উপহাইকমিশন বা সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশগুলোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার বা স্থায়ী প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করছেন। ভিয়েনা কনভেনশন অনুসারে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে দুটি বাহরাইন ও মরিশাস নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।