Category: অপরাধ

  • অভিনব কৌশলে প্রতারণার ফাঁদ ; ‘ম্যাগনেটিক কয়েন’ প্রতারক চক্রের ৪জন গ্রেফতার করেছে আদাবর থানা পুলিশ।

    অভিনব কৌশলে প্রতারণার ফাঁদ ; ‘ম্যাগনেটিক কয়েন’ প্রতারক চক্রের ৪জন গ্রেফতার করেছে আদাবর থানা পুলিশ।

    বিপুল পরিমান অর্থ উদ্ধারসহ অভিনব কৌশলে প্রতারণাকারী ‘ম্যাগনেটিক কয়েন’ প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির আদাবর থানা পুলিশ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। ইফতেখার আহম্মেদ (৪৪), ২। আবু নাঈম মো. ফাইজানুল হক ওরফে ডক্টর নাঈম (৪৮), ৩। মোঃ আব্দুল হালিম তালুকদার কুরাইশি (৪২) ও ৪। আবুল কালাম আজাদ (৪৬) ।

    শুক্রবার (২১ মার্চ ২০২৫ খ্রি.) রাত ১২:১০ ঘটিকা থেকে সকাল ০৭:০০ ঘটিকা পর্যন্ত আদাবর থানা এলাকার প্রিন্স বাজার, শেখেরটেক, সূচনা কমিউনিটি সেন্টার ও কৃষি মার্কেট সহ অন্যান্য এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত হতে চারটি  ‘এন্টিক মেটাল কয়েন” (ধাতব মুদ্রা), একটি ৫০ লক্ষ টাকার ব্যাংক চেক, নগদ ১৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং আসামিদের প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

    আদাবর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আট মাস পূর্বে জনৈক মিজানুর রহমানের ভাড়াটিয়ার মেয়ে মিজানুর রহমানের বনানীস্থ অফিসে আসামি ইফতেখার আহম্মেদের সাথে তার পরিচয় করিয়ে দেন। সেখানে ইফতেখার মিজানুর রহমানকে “এন্টিক মেটাল কয়েন” (ধাতব মুদ্রা) নামক ব্যবসা সম্পর্ক বিস্তারিত বর্ণনা করে প্রলোভন দেখিয়ে কয়েন ক্রয় করতে বলেন। ইফতেখার আহম্মেদ তাকে বলে এই ব্যবসা সম্পর্কে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আছে। সে আরো বলে, জাপান এবং ইউএসএ এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এই কয়েনের প্রচুর চাহিদা আছে।  তারা অতি উচ্চ মূল্যে কয়েনগুলো উক্ত প্রতিষ্ঠান সমূহে বিক্রয় করে দিতে পারবে বলে জানায়। এ সকল প্রলোভন দেখিয়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. তারিখে গুলশানের একটি হোটেলে  ইফতেখার আহম্মেদ এবং বিদেশি কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে আবু নাঈম মো. ফাইজানুল হক ওরফে ডক্টর নাঈম এবং মো. আব্দুল হালিম তালুকদার কুরাইশি মিজানুর রহমানকে ডেকে নেয়। তারা ধাতব কয়েনগুলোর প্রতিটির বাজার মূল্য আনুমানিক ২০ বিলিয়ন ইউএস ডলার হবে বলে তাকে ধারণা দেয়। তারা তাদের নিজস্ব ভুয়া কেমিস্ট মো. আব্দুল হালিম তালুকদার কুরাইশি এর মাধ্যমে “এন্টিক মেটাল কয়েন” গুলোর সঠিকতা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বাদীকে একটি রিপোর্ট প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ অক্টোবর ২০২৪ খ্রি. তারিখে আদাবর থানাধীন জাপান গার্ডেন সিটির নিকটস্থ একটি ভবনে মিজানুর রহমান তাদের নিকট  “এন্টিক মেটাল কয়েন” ক্রয়ের জন্য অগ্রিম ৪৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি বিভিন্ন সময়ে উক্ত এন্টিক মেটাল কয়েন ক্রয়ের জন্য তাদের চাহিদা মোতাবেক আরো ৭৫ লক্ষ টাকা নগদ এবং ৫০ লক্ষ টাকার ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ এর একটি চেক প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি যাচাই বাছাই করে জানতে পারেন যে, উক্ত ধাতব মুদ্রা ভুয়া এবং তিনি অভিনব প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ডিএমপির আদাবর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। 

    থানা সূত্রে আরো জানা যায়, মামলার প্রেক্ষিতে আদাবর থানার একটি অভিযানিক দল আদাবর থানার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে মামলার এজাহার নামীয় আসামিদের গ্রেফতার করে এবং উক্ত বিভিন্ন সরঞ্জাম ও নগদ অর্থ  উদ্ধার করে। 

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা আন্তঃজেলা ম্যাগনেটিক কয়েন প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ম্যাগনেটিক কয়েনের প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে এভাবে প্রতারণা করে আসছে। তারা তাদের এ অভিনব প্রতারণার ফাঁদে ফেলার জন্য আরো কয়েকজনকে টার্গেট করেছিলো মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। গ্রেফতারকৃতদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও এই চক্রের অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। #

  • নালিতাবাড়ীতে চেক ছিনতাই ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    নালিতাবাড়ীতে চেক ছিনতাই ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সড়কে চলতি সিএনজি থামিয়ে ১০ লাখ টাকার চেক ছিনতাই এবং গণধোলাইয়ের পর উল্টো চেকের মালিকসহ তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী রূপালী ইয়াসমিন রুপা নামে এক বিধবা।

    বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে  বলা হয়, প্রায় ১ বছর আগে কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমুন নাহার ও তার স্বামী নাট্যশ্রমীর চেয়ারম্যান রুকুনুজ্জামান জুয়েল বাড়ি করার জন্য তিনশ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত করে এবং নাজমুন নাহারের চেক জমা দিয়ে দশ লাখ টাকা ঋণ নেয়। পরে দেই-দিচ্ছি বলে টাকা না দিলে ভুক্তভোগী আদালতের স্মরণাপন্ন হন। গত ৬ মার্চ আদালতে ওই মামলার তারিখ থাকায় চেক ও মামলার কাগজপত্রসহ শেরপুর যাওয়ার পথে বালুঘাটা চুয়া ব্রিজ এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলে চারজন গিয়ে সিএনজি থামায়। পরে ভুক্তভোগী রুপালীর কাছে থাকা চেক ও মামলার কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে ফিল্মী স্টাইলে পালিয়ে যায় রুকুনুজ্জামান জুয়েলসহ অন্যরা। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক নালিতাবাড়ী থানায় এবং বিকেলে আদালতকে অবহিত করেন। এর কিছু সময় পর নালিতাবাড়ী শহরের শুঁটকি মহলে রুকুনুজ্জামান জুয়েল ভুক্তভোগী ও তার দুলাভাইকে দেখে সটকে পড়ার চেষ্টা করে। কিন্তুু ততক্ষণে তাকে আটকে চেক ফেরত চাইলে উৎসুক জনতা ছিনতাইকারী ভেবে কিছু উত্তম-মধ্যম দেয়। এসময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা ছুটে এলে জুয়েল কাগজে লিখিত আকারে চেক ফেরতের কথা লিখে চলে যায়। 

    সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার কথা থাকলেও টাকা ও চেক দিতে তালবাহানা করায় ১০ মার্চ আবারো আদালতের স্মরণাপন্ন হন তিনি। এরপর ১১ মার্চ টাকা আত্মসাতকারী ও চেক ছিনতাইকারী নাজমুন নাহার বাদী হয়ে ভুক্তভোগী রুপালী এবং তার ভগ্নিপতি তোফাজ্জল ও কর্মস্থলের মালিক মুঞ্জুরুল আহসানকে আসামী করে আদালতে উল্টো মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পাওনা টাকা আদায়, চেক ফেরত এবং মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুকুনুজ্জামান জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, এখন তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেলে আছেন। মেডিকেল থেকে ফিরে এ বিষয়ে তিনি কথা বলবেন বলে জানান।#

  • ভারতীয় ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের সিগারেট উদ্ধার : বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ আটক ৪

    ভারতীয় ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের সিগারেট উদ্ধার : বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ আটক ৪

    অবৈধ ভারতীয় ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ১০ হাজার শলাকা “অরিস ও মন্ড” সিগারেট জব্দ করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এ ঘটনায় বাড়ির মালিকসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় কাউখালী উপজেলার বেতছড়ি গুচ্ছগ্রাম এলাকার একটি বাড়ী থেকে এসব সিগারেটর আটক করে নিরাপত্তাবাহিনীর একটি দল। এসময় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৩ জন ও বাড়ীর মালিককে আটক করা হয়।

    নিরাপত্তাবাহিনীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়,অদ্য ০৬ মার্চ ২০২৫ তারিখ আনুমানিক ০৭০০ ঘটিকায় সুর্নিদিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিএ-৮৯০৫ মেজর মোঃ মিনহাজুল আবেদীন এর নেতৃত্বে ১০সি টাইপ পেট্রোল কাউখালী আর্মি ক্যাম্প হতে বেতবুনিয়া এলাকায় গমন করে। উক্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে (১৩ কার্টুন/ ৩,১০,০০০ পিস) অবৈধ “ওরিস ও মন্ড “সিগারেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য মোট ৬২,০০,০০০.০০ টাকা।  এসময় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয় ৪ জনকে। এছাড়া ঘটনার সাথে জড়িত মো. নজরুল সহ আরও ২ জন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    আটককৃতরা হলেন- উপজেলা যুবদলের বহিস্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন (৩৮), উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. ইসমাইল ৩৫), তাঁতীদল নেতা রিপন মিয়া (৩৪) ও বাড়ীর মালিক সামশুদ্দিন (৭০)।

    আটককৃত বাড়ীর মালিক সামশুদ্দিন এর ছেলে হান্নান জানান- আব্বা বাজারে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হলে রাস্তার পাশে কয়েকটি বস্তা সহ আটককৃতদের দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করে এগুলো কি। পরক্ষনে তারা উত্তর দেয় শীতের কম্বল। আব্বা কম্বল গুলো রাস্তার পাশে ফেলে না রেখে ঘরে রাখতে বলে বড়ই বিক্রি করতে বাজারে চলে যায়। পরবর্তীতে আর্মি বাড়ীতে আসলে জানতে পারে, এগুলো ভারতীয় সিগারেট। বাড়ীতে সিগারেট পাওয়ায় আব্বাকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

    কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সোহাগ জানান- ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ১০ হাজার শলাকা অরিস ও মন্ড সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়ীর মালিক সহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলমান। এর সাথে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানানা তিনি।

    কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব মেম্বার জানান- আটককৃত সেলিম, ইসমাইল ও রিপনকে বিভিন্ন অপকর্মের জড়িত থাকার অপরাধে দল থেকে অনেক আগেই বহিস্কার করা হয়েছে। এরা দলের কেউ না।

    সেনাবাহিনীর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় যে, উদ্ধারকৃত অবৈধ সিগারেট পরবর্তীতে কাউখালী থানার প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়। রাঙ্গামাটি জোন কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।  অব্যাহত এ সকল অভিযান পরিচালনার ফলে নিরীহ জনমনে স্বস্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। #

  • ১৩ জনকে গণহত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

    ১৩ জনকে গণহত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দেখাল ট্রাইব্যুনাল

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সাবেক ৯ মন্ত্রীসহ ১৩ আসামিকে। এসব আসামিদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ৯ মন্ত্রী, দুই উপদেষ্টা, অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতি ও সাবেক এক সচিব রয়েছেন।

    ১৩ আসামি হলেন– সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, শাজাহান খান, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, সালমান এফ রহমান, ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে।

    আজ সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় তাদের। সাবেক মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাককে ট্রাইব্যুনালে আনার কথা থাকলেও অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় তাকে হাজির করা হয়নি।

    এর আগে গত ২৭ অক্টোবর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ আসামিদের হাজির করার আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদেশ দেওয়া হয়।

  • বান্দরবানে কেএনএফ-এর সদস্যসহ ৪৯ জন গ্রেফতার

    বান্দরবানে কেএনএফ-এর সদস্যসহ ৪৯ জন গ্রেফতার

    বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি ও গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত পাহাড়ি সন্ত্রাসী সংগঠন কেএনএফ এর সদস্যসহ ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র, গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি।

    রুমা ও থানচিসহ পাহাড়ি অঞ্চলে সন্ত্রাসীদের ধরে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে অভিযান চলছে। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে বান্দরবান পরিবেশ। পাহাড়ের সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট- কেএনএফ এর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    সোমবার (০৮ই এপ্রিল) সকালে রুমায় অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় আরও দুই কেএনএফ সদস্যকে। বিকেলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয় আরও তিনজন। তাদের থেকে উদ্ধার হয় ৭টি দেশীয় অস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়িসহ নানা সরঞ্জাম। আটক ৭ জনের মধ্যে ৬জনই কেএনএফ সদস্য।

    এর আগে, সকালে থানচিতে একটি জিপগাড়িসহ কেএনএফের ৩ সদস্যকে আটক করা হয়। আটকরা হলেন- ভানুনুন নুয়ান বম (২৫), জেমিনিউ বম (২৪), আমে লনচেও বম (২৫)। এসময় গাড়িটির চালক মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন সরকারকেও (২৮) আটক করা হয়।

    এদের মধ্যে ডাকাতির কাজে ব্যবহার করা গাড়ির চালক কফিল উদ্দিনকে ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

    বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। নামানো হয়েছে চারটি সাঁজোয়া যান। নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আতঙ্ক অনেকটাই কমেছে। খুলেছে দোকানপাট, কাজে বেরিয়েছে মানুষ।

    এর আগে, গত রোববার (৭ এপ্রিল) ভোর ৫টায় বান্দরবানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কেএনএফের স্থানীয় প্রধান সমন্বয়ক চেওসিম বমকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, রুমা-থানচিতে পাহাড়ের সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফের তাণ্ডবের ঘটনায় রুমা-থানচিতে ৮টি মামলা হয়েছে। জড়িতদের ধরতে সেনাবাহিনী-র‌্যাব-পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান চলছে রুমা, থানচি, রোয়াংছড়ি ও আলীকদম উপজেলায়।

    এদিকে কেএনএফ তাণ্ডবের ঘটনায় বান্দরবান জেলাজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের সাজোয়াযানসহ বিভিন্ন ধরনের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

  • ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত কেএনএফের সদস্যসহ আটক ৪

    ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত কেএনএফের সদস্যসহ আটক ৪

    বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে কেএনএফ-এর তিন সদস্যসহ চার জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক জন ব্যাংক ডাকাতির সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো। এসময় ব্যাংক ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়। আটক করা হয় গাড়িটির ড্রাইভারকে।

    বান্দরবানের পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন জানান, গতকাল রোববার গভীর রাতে রুমা ও থানচিতে যৌথবাহিনী অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়।

    পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন বলেন, ব্যাংক ডাকাতির সময় ব্যবহৃত একটি জীপগাড়ি, গাড়ির ড্রাইভার ও ৩ জন কেএনএফ এর সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    পুলিশ সুপার আরো জানান, বান্দরবানের অশান্ত উপজেলাগুলোর সহিংস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে চারটি সাঁজোয়া যান (আর্মার্ড পার্সোনাল কেরিয়ার – এপিসি) এসেছে বান্দরবানে। এই সাঁজোয়া যানগুলো বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় ব্যবহার করা হবে।

    এপিসি হলো যুদ্ধে ব্যবহৃত একপ্রকার অস্ত্র সজ্জিত বাহন, যা পদাতিক বাহিনীকে যুদ্ধের ময়দানে বহনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

    এর আগে, রোববার ভোরে কুকি–চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার কেএনএফ’র অন্যতম ওই নেতার নাম চেওসিম বম (৫৫)।

    গ্রেপ্তার চেওসিম বম ‘কেএনএফ’ এর আদি সংগঠন ‘কুকিচিন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিও)’ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ‘কেএনএফ’ প্রধান নাথান বমের ঘনিষ্ঠজন বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

  • রাঙামাটি চক্ষু হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা

    রাঙামাটি চক্ষু হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা

    এম.নাজিম উদ্দিন,রাঙামাটিঃ

    রাঙামাটি চক্ষু হাসপাতালে ভুয়া চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা প্রদানের অভিযোগে ভ্রম্যমান আদালত ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করেছে।
    সোমবার বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের ডেপুটি নেজারত কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.শামীম হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো.ইমরুল হাসান।
    রাঙামাটি সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো.ইমরুল হাসান জানান,সকালে এক অভিভাবকের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এখানে আসি এবং জানতে পারি একজন আপটিমিস্ট চোখের চিকিৎসা প্রদান করছেন এবং ব্যবস্থা পত্র লিখছেন। যা তিনি পারেন না। অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় রাঙামাটি চক্ষু হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য সর্তকও করা হয়……

  • মাদ্রাসা উচ্ছেদ নিয়ে রণক্ষেত্র উত্তরাখণ্ড, হতাহত ২৫৪

    মাদ্রাসা উচ্ছেদ নিয়ে রণক্ষেত্র উত্তরাখণ্ড, হতাহত ২৫৪

    ভারতের উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের হলদোয়ানিতে সরকারি জমিতে থাকা মাদ্রাসা ও মসজিদ উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চার জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৫০ জন। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, সংঘর্ষের জেরে হলদোয়ানিতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে সেখানকার ইন্টারনেট পরিষেবা ও স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উত্তরাখণ্ড পুলিশের মুখপাত্র নীলেশ আনন্দ ভারনে জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ঘটনাস্থলে আধা-সামরিক বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

    কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই মাদরাসা ও মসজিদ উচ্ছেদের আগে নোটিশ জারি করা হয়েছিল।

    স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা রিচা সিং জানিয়েছেন , হলদোয়ানিতে সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে তৈরি করা হয়েছিল মাদ্রাসা। সেইসঙ্গে মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছিল। আদালতের নির্দেশনা মেনে গত শনিবার রাতেই সেগুলো সিল করে দেওয়া হয়েছিল। স্থাপনাগুলো ভাঙতে বৃহস্পতিবার আসে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আর এসময় স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনা মেনে স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করার জন্য পাঠানো হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অতিরিক্ত পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

  • গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখান ইসরাইলের

    গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখান ইসরাইলের

    সব বন্দিকে মুক্তি ও ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের বিনিময়ে গাজায় সাড়ে ৪ মাসের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল। আইডিএফ-এর সেনারা যুদ্ধ জয়ের দ্বারপ্রান্তে বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। অবরুদ্ধ ভূখণ্ডটিতে নিরঙ্কুশ বিজয় না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন ।

    বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, হামাসকে ধ্বংস করা ছাড়া ইসরাইলের সামনে কোন পথ খোলা নেই। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তিন ধাপে ১৩৫ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে সকল বন্দিকে ফেরত দেয়ার প্রস্তাব দেয় হামাস।

    এদিকে ইসরাইলকে ১ হাজার ৭৬০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে বাতিল হয়েছে। বিল উত্থাপনের পর এর পক্ষে ১৮০টি ভোট পড়লেও বিপক্ষে ভোট দেন ২৫০ জন। ৪ মাসব্যাপী যুদ্ধে গাজায় ২৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

    নেতানিয়াহুর এমন বক্তব্য নিয়ে হামাসের কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি রয়টার্সকে বলেন, তাঁর (নেতানিয়াহু) মন্তব্য রাজনৈতিক স্পর্ধার একটি রূপ। তিনি এই অঞ্চলে সংঘাত চালিয়ে যেতে চান।

    এদিকে মিসরের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, মিসর ও কাতারের মধ্যস্ততায় নতুন একটি আলোচনা আজ বৃহস্পতিবার কায়রোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। সেই হামলায় অন্তত ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হন। এরপর গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়লে বাহিনী, যা এখনো অব্যাহত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ২৭ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।