Author: kamal kamal

  • মহিলা সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয়ী জাতীয় ফুটবল দলের পাহাড়ি কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    মহিলা সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয়ী জাতীয় ফুটবল দলের পাহাড়ি কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা আজ রাতে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশীপ বিজয়ী জাতীয় ফুটবল দলের পাহাড়ি কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দর পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের মুল স্রোত ধারার সাথে সম্পৃক্ত রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজ করতে বদ্ধপরিকর। তিনি সরকারের উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, নতুন গঠিত জেলা পরিষদ ও অন্যান্য অফিস এ লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, আন্তর্জাতিক ফিফা রেফারী হিসেবে জয়া চাকমা, নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও রূপনা চাকমা প্রমাণ করে দেখালেন পার্বত্য চট্টগ্রামের মেয়েরা চেষ্টা করলে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা সম্ভব। তিনি পরবর্তিতেও এরকম কৃতি খেলোয়াড় গড়ে তোলার জন্য শিক্ষক ও স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড খেলাধুলা খাতের বরাদ্দ হতে নারীদের খেলাধুলার বিশেষ ট্রেনিং এর জন্য অর্থ বরাদ্দ আছে। তিনি আরও বলেন, রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামের পাশে নারী খেলোয়াড়দের জন্য হোস্টেল নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। রাঙ্গামাটিতে ৪০ একর জায়গা নিয়ে বিকেএসপি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে বলে জানান তিনি।

    অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের প্রথম ফিফা নারী রেফারি জয়া চাকমা, সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪-এর বিজয়ী পাহাড়ি কৃতি নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও রূপনা চাকমা প্রত্যেককে ক্রেস্ট ও ২৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। পরে সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন উপদেষ্টা।

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) তুষার কান্তি চাকমার সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজ রাশিদা ফেরদৌস এনডিসি, মং রাজা সাচিং প্রু চৌধুরী, প্রকৌশলী কুবলেশ্বর চাকমা, প্রকৌশলী ক্যাসাচিং মারমা, প্রধান শিক্ষক বীরসেন চাকমা, নলিনী মোহন চাকমা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া বাংলাদেশের প্রথম ফিফা নারী রেফারি ও তিন পাহাড়ি নারী খেলোয়াড় তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ইলিরা দেওয়ান ও ভবেশ চাকমা। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার সুধীজন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, যুগ্মসচিব কঙ্কন চাকমাসহ তিন জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পার্বতাঞ্চলকে দেশের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব আপনাদের হাতে: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    পার্বতাঞ্চলকে দেশের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব আপনাদের হাতে: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    গিরি সংবাদ-১৭ নভেম্বর, ২০২৪ খ্রি.ঢাকা,

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, বাংলাদেশের এক দশমাংশ মানুষ এখনও দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে পুরোপুরি সম্পৃক্ত হতে পারেনি। তাই এসমস্ত মানুষকে দেশের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব এখন আপনাদের হাতে।আজ রবিবার ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে পার্বত্য জেলা পরিষদের নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের জন্য আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা নবগঠিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আমরা পার্বত্যবাসীরা যে পিছিয়ে নেই তার প্রমাণ আপনারা দেশবাসীকে দেখাবেন। মানুষের উপকারে আসে, সমাজের উপকারে আসে মানবহিতৈসী এমন সব কাজে আপনাদের নিবেদিত হতে হবে। বাংলাদেশের এক দশমাংশ মানুষকে মেইনস্ট্রীমে অন্তর্ভুক্ত করার সকল কিছুই আপনাদের করতে হবে। সামাজিক কাজের পাশাপাশি আপনাদের সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার উপর কাজ করতে হবে। কফি, কাজু বাদাম চাষ, বাঁশ চাষ, ঝিড়ি, বন সংরক্ষণ করার পাশাপাশি নিজের এলাকায় কোয়ালিটি এডুকেশন গড়ে তুলতে হবে। আপনাদের একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা থাকতে হবে। আপনাদের কাজের মাধ্যমে তার রিফ্লেকশান আমাদের কাছে ভেসে ওঠবে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা অদ্বৈত বেদান্ত চিত্তে বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ২০২৪ সালের ৩৬ আগস্ট ছাত্র-জনতার সংগ্রামে যারা জড়িত থেকে নিহত হয়েছেন তাদের সকলের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে গঠিত হয়েছে। আমরা চাই পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্য। আমরা জাতীয় মূল স্রোতধারার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সমৃদ্ধি আনয়ন করবো। আমার বিশ্বাস আপনাদের সহযোগিতায় তা সম্ভব হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা।

    প্রথমেই নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয়া হয়।

    উপদেষ্টা নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ডকুমেন্টেশন, নিয়মানুবর্তিতা ও সুষ্ঠুভাবে কাজ পরিচালনা করার নিমিত্তে আপনাদের জন্য খুব শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

    নবযোগদানকৃত বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রাশিদা ফেরদৌস এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব কঙ্কন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, উপজাতি শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা বক্তব্য রাখেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যাবলি পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক।

  • আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের বিক্ষোভ-সমাবেশ

    আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের বিক্ষোভ-সমাবেশ

    ‘ফ্যাসিস্ট শাসনমুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম চাই’ শ্লোগানে নির্দলীয়, সৎ, যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কুদুকছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ।
    আজ ২০ নভেম্বর ২০২৪, বুধবার বেলা ২টার সময় কুদুকছড়ি নির্বাণপুর বনবিহার গেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বড় মহাপূরম উচ্চ বিদ্যালয় ফটকে সমাবেশে মিলিত হয়।
    এতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির নতুন জয় কার্বারীর সভাপতিত্বে ও পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল কার্বারীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনিল চন্দ্র চাকমা ও অর্থ সম্পাদক হরি কুমার কার্বারী।
    সমাবেশে অনিল চন্দ্র চাকমা বলেন, হাসিনার পতনের আন্দোলনে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ অত্যন্ত আশা নিয়ে অংশগ্রণ করলেও আপামর জনগণের আশা আকাঙ্কার প্রতিফলন ঘটেনি। অতীতের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো শাসন-শোষণ জারি রয়েছে।
    তিনি আরো বলেন, আমরা বর্তমান অন্তর্বীকালীন সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে পাহাড়-সমতলের সংখ্যালঘু জাতি থেকে একজন প্রতিনিধি রাখার আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার তাও আমলে নেয়নি।অনিল চন্দ্র চাকমা বলেন, সরকার বিচার ব্যবস্থা, সংবিধান সংস্কার থেকে শুরু করে নানা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কার্য পরিচালনা করছে। তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য জেলা পরিষদের পুনর্গঠন করা হয়। কিন্তু আঞ্চলিক পরিষদ গঠনের পর থেকে ২৫-২৬ বছর ধরে কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন হলেও আঞ্চলিক পরিষদে তা হয়নি। সন্তু লারমা অবৈধভাবে, অসাংবিধানিক ভাবে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারে রয়েছেন। আজ পর্যন্ত আঞ্চলিক পরিষদের যে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ তার কোন হিসাব বা জবাবদিহিতা নেই। এ পরিষদের মাধ্যমে কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে কিনা তাও আমরা জানি না। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক আঞ্চলিক পরিষদ চাই।#

  • আগামীর বাংলাদেশ কেমন চায় রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    আগামীর বাংলাদেশ কেমন চায় রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

     

    দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে প্রযুক্তি নির্ভর। মানুষের মুক্ত চিন্তায় থাকবেনা কোনো বাধা এমন একটা সুন্দর দেশ চায় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকালের ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে নিজেদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো: কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, রাজু আহমেদ, রাঙামাটি ছাত্র দলের সভাপতি সাব্বির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আলি আকবর সুমনসহ অন্যান্যরা। কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, দেশ নায়ক তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা কেমন দেশ চায় বিষয়ক আমাদের এ কর্মসূচির। আমরা শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়ার কথা দেশ নায়ক তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করবো। কর্মসূচির আগে রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপন করা হয়।

  • মাটিরাঙ্গার অপরাধ আখড়া

    মাটিরাঙ্গার অপরাধ আখড়া

    স্টাফ রিপোর্টার মাটিরাঙ্গা (খাগড়াছড়ি) থেকে ফিরে

    খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড এলাকা এখন চিহ্নিত অপরাধ আখড়ায় পরিনত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে সেখানে খুন, ধর্ষণ, মাদক, ক্যাসিনো জুয়া, জাল ডলার ও তক্ষক বাণিজ্যের নিরাপদ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। আছে পদে পদে প্রতারণা আর কিশোর গ্যাংয়ের বেপরোয়া তাণ্ডব। এসব ক্ষেত্রে বরাবরই পুলিশের ঢিলেঢালা অবস্থান থাকার কারণে চিহ্নিত অপরাধীরা দিন দিনই বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

    পুলিশ বলছে, সেখানে অপরাধ অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গেলেই ক্ষমতাসীন দলের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা বাধা হয়ে দাড়ায়। কিন্তু এ ব্যাপারে পাল্টা অভিযোগ রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বলা হচ্ছে, তক্ষক ও জাল ডলার প্রতারণা চক্রের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মাসোহারা পাওয়ার কারণে পুলিশ ৯ নং ওয়ার্ড এলাকাকে অপরাধের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। সেখানে টহল পুলিশ পর্যন্ত ঢুকে না। কোনো অপরাধ সংঘটনের খবর দেয়া হলেও পুলিশ রসুলপুর এলাকায় ঢুকতে গড়িমসি করে থাকে। যে কারণে সাধারণ মারামারির ঘটনাতেও ভুক্তভোগিরা ট্রিপল নাইনে ফোন করে তবেই পুলিশের নাগাল পান বলে জানিয়েছেন।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, অতিসম্প্রতি রসুলপুর এলাকায় সৈনিক লীগের সভাপতিকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। কিন্তু দুর্বল পুলিশ প্রতিবেদনের সুযোগে ওই নেতা কয়েকদিনের মধ্যে জামিনে এসেই ইয়াবার বড় চালানদার হয়ে উঠেছেন। তার সঙ্গে পুলিশের এখন গলায় গলায় পীড়িত। ওই নেতাই এখন রসুলপুরের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হয়ে উঠেছেন।

    রসুলপুর, মুসলিম পাড়াসহ আশপাশের এলাকায় দুই ডজনেরও বেশি তক্ষক প্রতারকের সরব অবস্থান রয়েছে। প্রতিদিনই সেখানে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগত তক্ষক ক্রেতাদের আনাগোণা দেখতে পাওয়া যায়। সংঘবদ্ধ তক্ষক চক্র প্রায়ই ক্রেতাদের মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে তাদের মারধোর করে বিভিন্ন বাড়িঘরে আটক করে রাখে। পরে তাদের স্বজনদের থেকে বিকাশের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে তবেই ছেড়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগিরা নতুন করে ঝক্কি ঝামেলায় পড়ার আশঙ্কায় থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ নিয়ে যায় না বলে জানা গেছে। ইদানিং তক্ষক প্রতারকদের চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে রসুলপুরের জাল ডলার চক্র। উভয়চক্রের মূল হোতারা থানার তালিকাভুক্ত অপরাধী হওয়া সত্তেও অজ্ঞাত ক্ষমতাবলে বুক ফুলিয়ে বিচরণ করে থাকে।

    সব মিলিয়ে মাত্র ৩০/৩৫ জন চিহ্নিত অপরাধীর কাছে গোটা ৯ নং ওয়ার্ডের কয়েক হাজার বাসিন্দা জিম্মী হয়ে আছে। এ অপরাধীরাই এলাকার বিচার আচার থেকে শুরু করে সমাজ কমিটি পর্যন্ত পরিচালনা করে থাকে। তারা অস্ত্রশস্ত্রে বলিয়ান ও সংঘবদ্ধ থাকায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে টু শব্দটি করতেও সাহস পায় না।

    রসুলপুরের পাড়ায় পাড়ায় কিশোর গ্যাং ও ক্যাসিনো জুয়ারও ব্যাপক দৌরাত্ম্য রয়েছে। রিকসা-ভ্যান চালক, খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝেও ক্যাসিনো খেলার ধুম লক্ষ্য করা যায়। পাড়ার মোড়ে মোড়ে, দোকানপাটের সামনে ক্যাসিনো জুয়াড়িদের ভিড় লেগেই থাকে। এসব ব্যাপারে পুলিশের বিন্দুমাত্র ভূমিকা নেই। ফলে কিশোর গ্যাংয়ের নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আর ক্ষুদে জুয়াড়িদের অহরহ চুরি চামারির ধকল পোহান বাসিন্দারা।

    অপরাধ আখড়া ৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় মাত্র দুই বছরে অন্তত চারটি নৃশংস হত্যাকান্ড, তিনটি ধর্ষণ, প্রায় বিশটি জবর দখল, ছয়টি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বেশিরভাগ ঘটনা পুলিশি মধ্যস্থতায় মিটমিমাংসা করারও অভিযোগ রয়েছে।

  • আহারে সাংবাদিক! আহারে সাংবাদিকতা!!

    আহারে সাংবাদিক! আহারে সাংবাদিকতা!!

    আহারে সাংবাদিক, আহারে সাংবাদিকতা! সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মনগড়া সংবাদ ছাপাতে এতটাই উৎসাহী থাকেন সাংবাদিকরা যা অন্য কোনো পেশায় বিন্দুমাত্র নজির দেখতে পাওয়া যায় না। মূলত সাংবাদিক হিসেবে অপর সাংবাদিকের প্রতিহিংসা, বিরোধ, আক্রোশের কারণেই বেশিরভাগ সংবাদ প্রকাশের নজির বিদ্যমান। কিন্তু খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় যা ঘটলো তা কোন ক্রাইটেরিয়ায় ফেলবো সেটি খুঁজে পাচ্ছি না।
    সেখানে দৈনিক কালের প্রতিচ্ছবি পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক হাসান আল মামুন ও তার পরিবারের উপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে তার গাড়ি আটকায় এবং গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করে হাসান আল মামুন, তার স্ত্রী রত্না হাসান ও মেয়ে জান্নাত কে টেনে হিঁচড়ে নামায়। তারা রড, পাইপ, লাঠিসোটা দিয়ে সবাইকে বেধড়ক মারধোর করে এবং হাসান আল মামুনকে রীতিমত হত্যার অপচেষ্টা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে মাটিরাঙ্গা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
    এই ঘটনায় মামলা হয়েছে, আসামি গ্রেফতারে পুলিশ অভিযানের পর অভিযান চালাচ্ছে। সে খবরটি প্রকাশের ব্যাপারে ওই উপজেলার সংবাদদাতাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই, ছিলও না। কিন্তু তাদের আগ্রহ ছিল ভিন্ন জায়গায়।
    একজন সম্পাদকসহ তার পরিবারের উপর ন্যাক্কারজনক হামলাকারীদের সরাসরি পক্ষ নিলেন স্থানীয় সংবাদদাতারা। তারা অভিযুক্তদের কথিত এক সংবাদ সম্মেলন দেখিয়ে একপেশে সংবাদ প্রস্তুত করে নিজেদের নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ করলেন। যদিও প্রথম শ্রেনীর কোনো পত্রিকায় সে সংবাদকে পাত্তাও দেয়া হয়নি। তারা প্রকাশিত সংবাদে কি বোঝাতে চাইলেন তা আমার মত অল্প শিক্ষিত পাঠক বুঝতেই পারলাম না। সে সংবাদে একবার বলতে চাইলেন যে, এলাকার একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করিয়ে দেয়ার জের হিসেবে ওই সম্পাদকের উপর হামলা হয়েছে। আবার বললেন, এলাকার লোকজনের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী আহত সম্পাদক হাসান আল মামুনের মাথায় এক ইঞ্চি পরিমান গভীর এবং আড়াই ইঞ্চি দীর্ঘ ক্ষত থেকে অতিরিক্ত পরিমাণ রক্তক্ষরণ হওয়ার বর্ণনা রয়েছে। বলা হয়েছে এ আঘাত ভারি লৌহ দন্ডের। হাতাহাতির ঘটনায় বুঝি এমন ক্ষত হয়?
    তাছাড়া ঘটনাস্থলে পুরুষ হিসেবে হাসান আল মামুন, মহিলা হিসেবে তার স্ত্রী রত্না হাসান এবং তার চার শিশু সন্তান ছিল গাড়িতে। অপরপক্ষে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, রড, লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে অপেক্ষারত ছিল ১২/১৩ জন হামলাকারী। একজনের সঙ্গে ১২/১৩ জনের মারামারি হয় কখনও? নাকি ১২/১৩ জন মিলে একজনের উপর হামলা চালায়?
    সংবাদ সম্মেলনে এটুকু যৌক্তিকতা বুঝতে না পারলে, তা নিয়ে প্রশ্ন করতে না পারলে সেই সংবাদ সম্মেলন কাভারেজ দেয়ার এতো দায়বদ্ধতা পেলেন কোত্থেকে? সংবাদ সম্মেলন আর প্রেস রিলিজ এক কথা নয়। সেখানে অযৌক্তিক বা মিথ্যা তথ্য কেউ গেলানোর চেষ্টা করলে সাংবাদিককে অবশ্যই তা প্রশ্ন তুলতে হবে এবং ক্রসচেক করতে হবে। ক্রসচেকের নামে কেউ কেউ আহত সম্পাদক হাসান আল মামুনের যে মনগড়া বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, রক্তাক্ত জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিতসাধীন থাকাকালে কাউকে কোনো রকম বক্তব্য দেয়ার প্রশ্নই উঠে না। তাহলে কি দাঁড়ালো?
    আপনি বস্তুনিষ্ঠ হবেন, সত্যবাদী হবেন, আপসহীন হবেন- তাই বলে নিজ পেশার আরেক ভাইয়ের প্রতি আপনার বিন্দুমাত্র দায়বোধ, মমত্ববোধ থাকবে না? আপনি তার উপর হামলার ঘটনাকে মারামারি হিসেবে প্রচার করবেন, রক্তাক্ত একজন সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনবোধ করবেন না, একজন সম্পাদককে কথিত সম্পাদক হিসেবে পরিচিত করার পাঁয়তারা চালাবেন,,, এটাই বুঝি সাংবাদিকতার বিবেক? এটাই বস্তুনিষ্ঠতা?
    সাংবাদিকদের ব্যক্তি বিরোধ, আক্রোশ, প্রতিহিংসার কারণেই বারবার হামলা, নির্যাতন, হয়রানির ধকলে পড়ে আর প্রতিবারই কিছু দালাল সাংবাদিকের চেহারা উন্মোচিত হয়। আপনি, আমি সেই কাতারভুক্ত হয়ে পড়ছি কি না সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।

  • জলকেলিতে শেষ হল পাহাড়ে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব।

    জলকেলিতে শেষ হল পাহাড়ে মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব।

    মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ)
    রাঙ্গামাটিতে বর্ষবরণের  মারমাদের সাংগ্রাই উৎসবের সমাপ্তি ঘটল জল উৎসব বা জলকেলি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ।
    মারমা তরুন-তরুনি নিজেদের  ঐতিজ্যবাহী আর্কষীন পোশাকে সাজস্জ্জায় সজ্জিত হয়ে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে  এসে জড়ো হয় রাঙ্গামাটি শহরের চিং হ্লা মারি স্টেডিয়ামে।  এ অনুষ্টানটি মারমা সম্প্রদায়ের হলেও  এউৎসবে রাঙ্গামাটির বসবাসরত সকল জাতিগোষ্টির মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করার মত ছিল। এ এক বাধঁভাঙ্গা নতুন প্রাণের উচ্ছাস। মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) এর আয়োজনে
    মারমা সাংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) এর সভাপতি ও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চোধুরীর সভাপতিত্বে শহরের চিং হ্লা মারি স্টডিয়ামে এ জল উৎসবের উদ্ভোধন করেন জনাব দীপংকর তালুকদার এমপি,মাননীয় সভাপতি পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি
    মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গেষ্ট অব অনার ছিলেন ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি। সদস্য সংসদীয় স্থায়ী কমিটি অর্থ মন্ত্রণালয়।
    জনাব জ্বরতী তঞ্চঙ্গ্যা
    মাননীয় সংসদ সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা আসন।
    জনাব সুপ্রদীপ চাকমা
    মাননীয় চেয়ারম্যান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি কমান্ডার, ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার, রাঙ্গামাটি রিজিয়ন।
    কর্নেল মোঃ আনোয়ার লতিফ খান।
    বিপিএম (বার) পিএসসি
    জনাব মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জেলা প্রশাসক,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
    মারমারা পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সাংগ্রাই-এর এই জল উৎসব করে থাকে। মারমা তরুণ-তরুণীরা এই জলকেলি উৎসবের মাধ্যমে একে অপরকে পানি ছিটিয়ে পুরাতন বছরের গ্লানি, দুঃখ, অপশক্তিকে দূর করে ধুয়ে মুছে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়। #

  • রাঙামাটিতে উপজেলা নির্বাচনে  ৪   উপজেলায় ৩৭জন মনোনয়নপত্র জমা

    রাঙামাটিতে উপজেলা নির্বাচনে  ৪   উপজেলায় ৩৭জন মনোনয়নপত্র জমা

    ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটে তিনটি পদে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সদর উপজেলাসহ মোট চার উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে সর্বমোট ৩৭ জন প্রার্থী প্রথমবারের মতো অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানাগেছে, এবার কেবল অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়েছে। এতে রাঙামাটি জেলার
    সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন,

    জুড়াছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান-৩ ভাইস চেয়ারম্যান-২, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-২,
    কাউখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান-২, ভাইস চেয়ারম্যান-৪, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান-৩
    বরকল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে-২ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। পরদিন প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে।

    প্রথম ধাপের রাঙামাটির চার উপজেলাসহ সর্বমোট ১৫০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে চলতি বছরের আগামী ৮ মে।

    এ ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন জেলা প্রশাসক। #


  • রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা

    রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের আয়োজনে ২দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা

    মোকাদ্দেম সাঈফ
    পহেলা বৈশাখ বাঙালির একটি সার্বজনীন লোক-উৎসব। আনন্দঘন পরিবেশে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে রাঙামাটি রিজিয়ন ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ সকল ইউনিটের অংশগ্রহণে ১১ ইস্ট বেঙ্গলের প্রশিক্ষণ মাঠে দুই দিনব্যাপী “বৈশাখী মেলা-১৪৩১” অয়োজন করা হয়েছে।
    রোববার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে, বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, এসপিপি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
    এসময় সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যসহ তাদের পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
    রোববার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে মেলাটি সকল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় পহেলা বৈশাখের বাহারী খাবার, পান্তা/ইলিশ, বিভিন্ন প্রকারের পিঠা, বানর খেলা, সাপ খেলা সহ বিভিন্ন খেলা, পুতুল নাঁচ, বায়োস্কোপ, হস্ত শিল্পের প্রদর্শনী ও নাগর দোলার স্টল স্থাপন করা হয়েছে।
    এছাড়াও নির্বাচিত শিল্পী এবং লেকার্স পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাহাড়ি ও বাঙালিদের মাঝে সু-সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে এ ধরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে রিজিয়ন কর্তৃপক্ষ।
    পাহাড় জুড়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর উৎসব থাকাতে এ বৈশাখী মেলা হয়েছে মনোমুগ্ধকর সম্প্রীতির মিলন মেলায় #

  • রাঙ্গামাটিতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    রাঙ্গামাটিতে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    মোকাদ্দেম সাঈফ(গিরি সংবাদ)

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪ তম  জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে  বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার উদ্যোগে রাঙ্গামাটিতে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রবিবার বিকেল ৩টায় আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা রাঙ্গামাটি সভাপতি মনসুর আহম্মেদের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক মো: শাহ এমরান রোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বন ,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে  দীপংকর তালুকদার এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো মহান মানবের জন্ম না হলে আজ আমরা স্বাধীন এই বাংলাদেশ পেতাম না।
    জাতির পিতা শিশু কিশোরদের খুবই ভালো বাসতেন। তিনি জীবিত অবস্থায় যেখানেই যেতেন শিশুদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করতেন। তাই ১৯৯৮ সালে তার জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করেন তারই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই থেকে আজ পর্যন্ত সারাদেশের ন্যায় রাঙ্গামাটিতেও এই দিনটি উৎযাপন করা হচ্ছে।
    দীপংকর তালুকদার আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করতে পারলে একটি শিশু তার আগামী দিনের পথকে আরো সন্দুর করতে পারবে।
    এ সময়  উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য জ্বরতি তঞ্চঙ্গ্যা, জেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি বৃষ কেতু চাকমা, সাধারন সম্পাদক হাজী মো: মুছা মাতব্বর, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাওয়াল উদ্দিন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ঝিনুক ত্রিপুরা, জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, প্রেস ক্লাব সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মো: সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, সদস্য আশীশ কুমার চাকমা নব, মো: আবু তৈয়ব, জেলা কৃষকলীগ সাধারন সম্পাদক উদয় শংকর চাকমা, জেলা শ্রমিকলীগ সাধারন সম্পাদক মো; শামসুল আলম, জেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক নুর মোহাম্মদ কাজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সাধারন সম্পাদক মো: শাহজাহান, জেলা ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক প্রকাশ চাকমা, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার যুগ্ম সম্পাদক  ম্যারিলিন মারমা এ্যানি প্রমুখ।

    আলোচনা সভা শেষে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শতাধিক শিশু কিশোরদের মাঝে পুরস্কার  এবং জেলার গুণী ৭ জন সংগীত শিক্ষক ও নৃত্য প্রশিক্ষকদের মাঝে সম্মননা স্মারক প্রদান করা হয়।
    সভার আগে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। #