Author: kamal kamal

  • রাঙামাটি সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ২ মাদকসেবী আটক

    রাঙামাটি সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ২ মাদকসেবী আটক

    দুই বহিরাগতকে রাঙামাটি সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে মাদক সেবনের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ।
    সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কলেজের প্রশাসনিক ভবনের পিছন থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- মো. সাগর (১৯) ও রমজান হোসেন (২১) বছর।
    পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা যায়, সাগর ও রমজান কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করছিলেন। বিষয়টি নজরে আসলে কলেজ নিরাপত্তাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে কলেজ প্রশাসনকে জানান। এরপর কলেজ নিরাপত্তাকর্মীরা অভিযান চালিয়ে মাদকসেবকদের গাঁজা খাওয়ার উপকরণসহ তাদেরকে হাতেনাতে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ২ প্যাকেট গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
    কলেজ প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের মাদক সেবনের প্রবণতা নতুন নয়। গত রবিবারও মাদক সেবনের সময় নৈশপ্রহরী তাদের বাঁধা দিলে তারা নৈশ প্রহরীর ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
    আটককৃতদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা সময় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু সৈয়দ সহ ইংরেজী বিভাগের প্রধান প্রফেসর আবুল হাসেম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এএসআই জসিম উদ্দিন জাফরের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের থানায় নিয়ে যায়।
    এ বিষয়ে রাঙামাটি সদর থানার ওসি সাহেদ উদ্দিন বলেন, মাদক সেবনের অভিযোগে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কলেজ ক্যাম্পাসে এমন কার্যকলাপ প্রতিরোধে আমরা তৎপর রয়েছি এবং এ বিষয়ে কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    সুদীর্ঘ ১০ বছরকালীন উক্ত কলেজে অধ্যাপনায় রয়েছেন এমন একজন সম্মানীত প্রফেসর কলেজ ক্যাম্পাসের এ নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, কলেজ ক্যাম্পাস জুড়ে মাদকের আখড়া দীর্ঘ দিন হতে চলছে, কলেজের নিরাপত্তা বেস্টনী বা প্রাচীর না থাকাতে, এসব অবৈধ মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকরা তাদের ব্যবসার নিরাপদ ঘাটিতে পরিণত করেছে কলেজের আশপাশ, পাশ্ববর্তী এলাকা ও কাটাঁছড়ির বসবাসকারীদের অধিকাংশের কলেজ ক্যাম্পাসের উপর দিয়ে চলাচলের কারণে, কলেজ এলাকা অত্যন্ত নিরাপ্তাহীনতায় ও ঝুকিঁপুর্ণ। এসব মাধক সিন্ডিকেটের পিছনে স্থানীয় রাজনৈতিক লেবাসের কিছু লোকের সরাসরি মদদ ও সহযোগিতা রয়েছে। এগুলো নির্মূল করতে হলে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী সহ জেলা প্রসাশনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, সাথে সহযোগীতা প্রয়োজন জেলার রাজনৈতিক দ্বায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দের আন্তরিক সৎ-ইচ্ছা ও সহযোগিতা।
    তিনি আরো জানা, বিস্ময়ের বিষয় দুজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার পরে আরো ২০/২৫ জনের একটি দল পরক্ষণে কলেজ ক্যাম্পাসের আশে পাশে অবস্থান নিয়ে অনুরুপ কাছে লিপ্ত হতে দেখা যায়। #

  • ভিসি নিয়োগের দাবীতে রাঙ্গামাটিতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র- ছাত্রীদের অবস্থান ধর্মঘট।

    ভিসি নিয়োগের দাবীতে রাঙ্গামাটিতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র- ছাত্রীদের অবস্থান ধর্মঘট।

    ভিসি নিয়োগের দাবীতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেডাম দিয়ে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা অবস্থান ধর্মঘট সহ নানান কমর্সূচী পালন করছে রাঙ্গামাটি শহরে।
    আজ সকাল ১১টা থেকে রাঙ্গামাটি শহরের প্রানকেন্দ্র ব্যস্ততম বনরুপায় চট্রগ্রাম- রাঙ্গামাটি মহাসড়কের উপর অবস্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন গাড়ী দিয়ে রাস্তা ব্লক করে শতশত ছাত্র-ছাত্রী প্লে-কার্ড,ফ্যাস্টুন,ব্যানার নিয়ে মিছিল ও স্লোগানে স্লোগানে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে অবস্থান ধর্মঘট করছে।
    আন্দোলনকারীরা বক্তব্যে বলেন, গত ১৮ ই আগষ্ট হতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েভিসি,প্রো-ভিসি, রেজিষ্টার সহ গুত্বপূর্ণ অনেক পদে কোন জনবল নেই, দীর্ঘসময় ভিসি না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগসহ নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ৫মাস ধরে আমরা সরকারের কাছে সকল গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্মারলিপি সহ বিভিন্নভাবে সরকারের কাছে ভিসি নিয়োগের দাবী করে আসছি,কিন্তু সরকার ও সংলিষ্টা বিভাগ কোন প্রকার উদ্যেগও নেননি এখনও, আমাদের শিক্ষাজীবন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে,বিশ্বাবিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ
    খুব নাজুক ও ভংগুর অবস্থা, অনতি বিলম্বে আমাদের দাবী পূরণ করে,আমাদের শিক্ষা জীবন ফিরেয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি,না হলে আমরা আরো অধিকতর কঠোর কর্মসুচীতে যাব।
    এদিকে শিক্ষার্থীদের আকস্মিক এই আন্দোলনে পুরো রাঙামাটি শহরে তীব্র যানজটের পাশাপাশি চরম দূর্ভোগ ও বিড়ম্বনায় পড়ে শহরবাসী। সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রুহুল আমিন ও রাঙামাটি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারূফ আহামেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্ঠা চালান। এতেও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে আসলে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ঠার দপ্তরের সাথে কথা বলেন তারা।  
    এমনি পরিস্থিতির এক পর্যায়ে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপুর নেতৃত্বে বিএনপির একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এসময় তারা সকল আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে আগামী বুধবারের মধ্যে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগের আশ্বাস প্রদান করা হয়।
    এসময় রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপু শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে আমি তোমাদেরকে আশ্বস্থ করছি বুধবারের মধ্যেই ভিসি নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে,অন্যথায় আগামী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো রাঙামাটি জেলায় অবরোধ কর্মসূচী পালন করবো আমরা। জেলা বিএনপির সভাপতির এমন আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা তাদের অবরোধ কর্মসূচী তুলে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে আগামী বুধবার পর্যন্ত তাদের আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেয়। 
    এরআগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়, গত ১৮ই আগষ্টের পর সেসময়ের ভিসি পদত্যাগ করার পর দীর্ঘসময় ধরে ভিসি না থাকায় রাবিপ্রবি অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। ভিসি নিয়োগের ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
    এ অভিবাবকহীনতায় স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও শিক্ষক নিয়োগসহ নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
    শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ হলেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নেই। সরকার আমাদের নিয়ে কোনো চিন্তাই করছে না। তাই আমরা সবাই বনরূপায় একত্র হতে বাধ্য হয়েছি। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ থেকে ডিসির মাধ্যমে উপদেষ্টাদের জানাতে চাই। ৭২ ঘন্টার মধ্যে আমাদের ভিসি দিতে হবে। তা না হলে আমরা কঠোর অবস্থানে যাব।
    তাদের এই অবস্থান ধর্মঘট প্রায় তিন ঘন্টা পর্যন্ত সবকিছু বন্ধ করে চলছিল ।

  • চকরিয়ায় তুলে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গনধর্ষন।

    চকরিয়ায় তুলে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গনধর্ষন।

    কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় একদল বখাটে যুবক এক কিশোরীকে (১৫) তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের উপকূলীয় বেড়িবাঁধের প্যারাবনে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
    ওই কিশোরীর বরাত দিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাঁশখালী থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে গাড়ি নষ্ট হয়েছে বলে বদরখালী সেতুর ওপর অটোরিকশা চালক তাকে নামিয়ে দেন। এরপর কিশোরী পায়ে হেঁটে সেতু পার হচ্ছিল। এ সময় সেতুর পূর্ব অংশে দু’জন যুবক তার গতি রোধ করে। পরে আরেকজন যুবক এসে ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে তার মুখ চেপে ধরে বেড়িবাঁধের প্যারাবনের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে চার থেকে আটজন যুবক মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর কিশোরী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে জ্ঞান ফিরলে সে হামাগুড়ি দিয়ে পাশের সড়কে উঠে চিৎকার দিয়ে লোক জড়ো করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ভিকটিমকে পুলিশ উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
    এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) রকীব-উর রাজাসহ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিশোরীকে বদরখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। কিছু আলামত পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও ঘটনাটি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এদিকে ধর্ষণের ঘটনার জের ধরে আজ সকাল ১০ টা থেকে সাধারণ মানুষ মহেশখালী বদর খালি রোডে যানচলাচল বন্ধ করে দে।পরবর্তীতে চকরিয়ার প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধর্ষকদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ধর্ষিতাকে প্রয়োজনীয় সকল সহায়তার আশ্বাস দিলে।পূণরায় যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

  • আন এন্ড লিভ এর উদ্যোগে রাঙামাটিতে শীতবস্ত্র বিতরণ

    আন এন্ড লিভ এর উদ্যোগে রাঙামাটিতে শীতবস্ত্র বিতরণ

    রাঙামাটিতে আর্ন এন্ড লিভ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
    শুক্রবার সকালে আর্ন এন্ড লিভ এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন জেসি’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রাঙামাটি শহরের শিশু নিকেতন স্কুল মাঠে শতাধিক অসহায়, গরিব, দুস্থ মানুষের মাঝে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
    এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি প্রেস ক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল , দৈনিক রাঙামাটি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, সিএইচটি টাইম টুয়েন্টি ফোর. কম এর সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য আলমগীর মানিক, আর্ন এন্ড লিভ এর রাঙামাটি কমিটির সদস্য ও রাঙামাটি রিপোটার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মো. সোহরাওয়ার্দী সাব্বির, আর্ন এন্ড লিভ রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য সাংবাদিক কামরুল ইসলাম ফয়সাল, সাংবাদিক মো. কাউসার সহ আর্ন এন্ড লিভ এর অন্যান্যে সদস্যরা।
    আগত অতিথিরা বলেন, আর্ন এন্ড লিভ যে এই তীব্র শীতে অসহায় গরিব দুস্থ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে কম্বল দিয়েছে তার জন্য প্রশংসা দাবীদার । এসময় সকলেই আর্ন এন্ড লাইভের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন জেসি’র জন্য দোয়া কামনা করেন।

  • জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর এর  ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ চৌমুহনী রাজপ্রসাদ কনভেশন হলে শনিবার, ৪ জানুয়ারী সকাল ১০ টায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগর এর ৪৪তম প্রতিষ্ঠাত বার্ষিকী উপলক্ষে অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন,
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডি আই জি আপেল মোহাম্মদ, আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতা সাংবাদিক এরফানুল হক নাহিদ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম কচি,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সহ সভাপতি খাইরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের শৃঙ্খলা কমিটির আহবায়ক আতিকুর রহমান আজাদ,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বিভাগীয় সভাপতি মাইনুদ্দিন কাদেরী শওকত, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল আলম ।
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম জেলা কমিটি সভাপতি লায়ন ইউসুফ এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন নাফিজা সুফিয়ান ও দিদারুল আলম।
    অনুষ্ঠানে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা এর পক্ষ থেকে গুনীজনদের সম্মানীয় ক্রেস্ট প্রদান, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টিত হয়। #

  • রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের শীতবস্ত্র বিতরণ

    রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের শীতবস্ত্র বিতরণ

    চলমান শৈত্য প্রবাহে রাঙামাটির শীতার্ত ও দুস্থ মানুষের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।
    শীত মোকাবিলায় দুঃস্থ শীতার্তদের মাঝে বিতরণের জন্য প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত কম্বলসমূহ আজ ০৩ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ বিকেল ০৪ ঘটিকা হতে রাত অবধি রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন স্থানে একযোগে বিতরণ করা হয়।
    ০৩ জানুয়ারি কম্বল বিতরণের আওতায় আসে রাঙামাটি শহরের শহীদ আব্দুল আলী মঞ্চ প্রাঙ্গন, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও মিতিংগাছড়ি এলাকা, সুখী নীল গঞ্জ এলাকা, কলেজ গেট এলাকা এবং বনরূপা বাজার এলাকায় প্রায় এক হাজার দুস্থ ও দরীদ্র মানুষ।
    শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলাপ্রশাসক জনাব মোহাম্মদ হাবীব উল্লাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও সহকারী কমিশনারবৃন্দ।
    শীতার্ত গরীব ও অসহায় পরিবারগুলো প্রশাসনের এই উষ্ণ সহায়তা পেয়ে আনন্দিত। তারা এ উদ্যোগের জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জেলা প্রশাসনের এই শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে। #

  • রাঙামাটিতে আর্ন এন্ড লিভ এর উদ্যোগে  শীতবস্ত্র বিতরণ।

    রাঙামাটিতে আর্ন এন্ড লিভ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ।

    রাঙামাটিতে আর্ন এন্ড লিভ এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
    শুক্রবার সকালে আর্ন এন্ড লিভ এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন জেসি’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রাঙামাটি শহরের শিশু নিকেতন স্কুল মাঠে শতাধিক অসহায়, গরিব, দুস্থ মানুষের মাঝে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
    এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি প্রেস ক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল , দৈনিক রাঙামাটি পত্রিকার সম্পাদক ও প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আল হক, সিএইচটি টাইম টুয়েন্টি ফোর. কম এর সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য আলমগীর মানিক, আর্ন এন্ড লিভ এর রাঙামাটি কমিটির সদস্য ও রাঙামাটি রিপোটার্স ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মো. সোহরাওয়ার্দী সাব্বির, আর্ন এন্ড লিভ রাঙামাটি জেলা কমিটির সদস্য সাংবাদিক কামরুল ইসলাম ফয়সাল, সাংবাদিক মো. কাউসার সহ আর্ন এন্ড লিভ এর অন্যান্যে সদস্যরা।

    আগত অতিথিরা বলেন, আর্ন এন্ড লিভ যে এই তীব্র শীতে অসহায় গরিব দুস্থ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে কম্বল দিয়েছে তার জন্য প্রশংসা দাবীদার । এসময় সকলেই আর্ন এন্ড লাইভের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন জেসি’র জন্য দোয়া কামনা করেন।

  • ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী -আলোচনা সভা।

    ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী -আলোচনা সভা।

    ছাত্র রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি-এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে পার্বত্য শহর রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী করেছে কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী।
    বুধবার বিকেলে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে রাঙামাটি পৌর প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালিটি রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক হয়ে কোর্ট বিল্ডিং ঘুরে কাঠাঁলতলীস্থ দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। 
    উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দীপু, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী বাবর, এডভোকেট মনিরুল ইসলাম পনির, সাইফুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ। 
    রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক আহামেদ সাব্বিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমনের সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন। 
    এদিকে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মো: আবুল হোসেনের উদ্যোগে অসহায় হতদরিদ্রদের মাঝে প্যাকেট খাবার বিতরণ করা হয়েছে।  
    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ছাত্র রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে শিক্ষা, ঐক্য ও প্রগতি-এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠা করা হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
    উৎপাদনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা ও ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ের লক্ষ্য সামনে রেখে ১৯৭৯ সালের ০১ জানুয়ারি এই সংগঠন গঠন করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
    পরবর্তী সময়ে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের ভ্যানগার্ড হিসাবে পরিচিতি পায় ছাত্রদল।
    সূচনালগ্ন থেকে সংগঠনটি স্বৈরাচার পতন আন্দোলন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে সুনাম অর্জন ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রমাণ রেখেছেন। #

  • লংগদুতে সেনাবাহিনী-ইউপিডিএফ বন্ধুকযুদ্ধে একজন সন্ত্রাসী নিহত।

    লংগদুতে সেনাবাহিনী-ইউপিডিএফ বন্ধুকযুদ্ধে একজন সন্ত্রাসী নিহত।

    পার্বত্যজেলা রাঙ্গামাটির লংগদু-নানিয়ারচর উপজেলার দূর্গম সীমান্ত পেরাছড়া এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর টহলরত সদস্যদের  উপর পার্বত্য চুক্তি বিরোধী সংগঠন ইউপিডিএফ এর সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলা পরবর্তী বন্দুকযুদ্ধে এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। 
    নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হতে না পারলেও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ৭নং লংগদু ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার জগদিশ চাকমা।
    তিনি জানান,লংগদু-নানিয়ারচর উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী পেরা ও কিচিং ছড়া এলাকায় মধ্যবর্তী স্থানে বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। 
    নিরাপত্তা বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আজ ২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ ০৫৫০ ঘটিকায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার পেরাছড়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এসময় ইউপিডিএফ (মূল) এর গোপন আস্তানার সন্ধান পেয়ে সেনাবাহিনী তল্লাশি অভিযান শুরু করলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। এতে সেনাবাহিনীর সাথে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটলে ইউপিডিএফ (মূল) এর একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় এবং বেশ কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসী আহত অবস্থায় গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে, উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত ০১ টি এ্যাসল্ট রাইফেল (এম-১৬),০২ রাউন্ড এমজি/স্নাইপার এ্যমোনিশন, ৯০ রাউন্ড রাইফেল এ্যমোনিশন,০১ টি ওয়াকি-টকি সেট ও ১২ টি মোবাইল ফোনসহ বেশ কিছু সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে। পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসীদের সন্ধানে সেনা অভিযান চলমান রয়েছে।
    লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ একজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
    এদিকে রাঙামাটি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসপি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মারূফ আহামেদ জানান,আমাদের লংগদু থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত জানানো যাবে। #

  • রাঙামাটিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সোমবার ৩০ ডিসেম্বর রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুঃ সাইফুল ইসলামের বদলিজনিত এবং সংরক্ষিত পুলিশ পরিদর্শক মো.শাহ আলমের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপারসহ উপস্থিত জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিদায়ী পুলিশ কর্মকর্তাগণের সাথে কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে স্মৃতিচারণ করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন। এসময় পুলিশ সুপার রাঙামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী পুলিশ কর্মকর্তাগণকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে রাঙামাটি জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।