Logo
শিরোনাম :
চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক: উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান  বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন পরিষদ,মাঝিরবস্তি,তবলছড়ির উদ্যোগে বণার্ঢ্য শোভা যাত্রা অনুষ্ঠিত। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্মীয় মূল্যবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সব জাতিসত্তার ঐক্যে গড়ে উঠবে নতুন বাংলাদেশ : দীপেন দেওয়ান মৃত্যুকে হার মানাল ডা. গৌরবরা : নতুন জীবন পেল সাপে কাঁটা রুবেল! বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ৪৫০ পদে নিয়োগ : অষ্টম শ্রেণি পাসেও আবেদনের সুযোগ  বিশ্বের সংঘাতময় বাস্তবতায় ভ্রাতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: রাঙামাটি শাহ্ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ ব্যাচের পুনর্মিলনী’ ২০২৬ রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা ফেরিঘাটে দেশে প্রথম ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মিত হবে: ব্যয় হবে ১৬৫৮৭১.৮৬ লক্ষ টাকা  রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য জনগোষ্ঠীর চার দিনব্যাপী উৎসব শুরু পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান

অপরাধ দমনে কোনো ছাড় নয়, দলমত নির্বিশেষে জিরো টলারেন্স: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

ডেক্স নিউজ( গিরিসংবাদ) / ৪৮ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, অপরাধের সাথে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, এমনকি তিনি নিজ দলের নেতা-কর্মী হলেও আইনের আওতায় আনা হবে।

আজ রবিবার (৮ মার্চ) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে অপরাধীকে আইনের আওতায় আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা যেকোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি বলে জানান সরকারের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল।

চট্টগ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যসহ অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা প্রশাসন ও সরকারের একটি বড় সফলতা। পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং ঈদ-পরবর্তী সময়েও জনজীবন ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সবশেষে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিময় জাতি গঠনে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে অপরাধের বিরুদ্ধে এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, আইনশৃঙ্খলা সভায় চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।#


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ