Category: Uncategorized

  • বঞ্চিত’ ৪ উপজলোর প্রতিনিধি অর্ন্তভুক্তির দাবিতে প্রধান উপদষ্টোকে স্মারকলপিি

    বঞ্চিত’ ৪ উপজলোর প্রতিনিধি অর্ন্তভুক্তির দাবিতে প্রধান উপদষ্টোকে স্মারকলপিি

    রাঙ্গামাটি র্পাবত্য জেলা পরিষদ পুর্নগঠনে রাঙামাটির ৪ উপজলো থকেে কোনো প্রতিনিধি না রাখায় কাউখালী, জুরাছড়ি বরকল ও রাজস্থলী থকেে অর্ন্তভুক্তরি দাবি জানানো হয়ছে।ে বুধবার (২০ নভম্বের) বলো ১১টায় রাঙামাটি জেলাপ্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসনে খানের মাধ্যমে অর্ন্তর্বতীসরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

    এসময় জেলাপ্রশাসকরে কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন রাঙামাটি জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকটে রাজীব চাকমা, উন্নয়ন ও সমাজকর্মী জসিম উদ্দীন, বরকলের বাসিন্দা পুলিন বিহারী চাকমা, কাউখালীর বাসিন্দা মো. তারা মিয়া,রাজস্থলীর রণজিৎ তঞ্চঙ্গ্যা প্রমুখ। স্মারকলিপিতে প্রচলতি ‘রেওয়াজ লঙ্ঘন’ করে এবার ১৫ সদস্য বিশিষ্ট পুর্নগঠিত পার্বত্য জেলা পরিষদ রাঙামাটির দূর্গম, অনগ্রসর, পশ্চাৎপদ ও সুবিধাবঞ্চিত চার উপজলো থকেে সদস্য রাখা দাবি জানানো হয়ছে।

    • স্মারকলিপি পেশকারী নেতৃবৃন্দ বলনে, রাঙামাটি জলোর ছয়টি উপজলো থকেে ১৫ জন প্রতিনিধি মনোনীত করা হয়ছে,অথচ ৪ উপজলো থকেে একজনও প্রতিনিধি নাই। এতে করে ৪ উপজলোর বাসিন্দাদের বঞ্চিত, অবহেলিত ও বিমমাতাসূলভ আচরণ করা হয়েছে। জেলা পরষিদ পুর্নগঠনে র্পাবত্য উপদেষ্টার স্বেচ্ছচারিতা, পক্ষপাতিত্ব, স্বজনপ্রীতি সূচক মানসকিতা প্রকাশ পয়েছে। সদস্য নির্বাচনে রহস্যর্পূণ পদ্ধতিকে আমরা র্দুনীতির ছলাকলার্পূণ, দুরভসন্ধিমূলক এবং এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতি প্রচ্ছন্ন হুমকি বলে মনে করছি।
    1. স্মারকলিপিতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার ও সদস্যবৃন্দ ,ও সদস্য দেবপ্রসাদ দেওয়ান ছাড়া বাকি ১৩ সদস্যের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তোলা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী, দলীয় পদবী, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী,  র্পাবত্য উপদেষ্টার সঙ্গে সখ্যতা, সাবেক সহর্কমী ও সর্ম্পকে দেবর-ভাবিকে,কই পরিষদে সদস্য মনোনীত করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। পরিষদ গঠন করে র্পাবত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পুর্নগাঠতি পরিষদ সদস্যদরে নাম প্রকাশরে পর থকেইে আপত্তি উঠছে। চেয়ারম্যান-সদস্যদরে দায়ত্বি গ্রহণের দিনই পরিষদের প্রধান ফটকের সামনইে বিক্ষোভ করেছে ছাত্র-জনতা।#

     

  • জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন কর্তৃক বেতবুনিয়াতে “Keep Your Environment Clean & Livable” ক্যাম্পেইন পরিচালিত।

    জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন কর্তৃক বেতবুনিয়াতে “Keep Your Environment Clean & Livable” ক্যাম্পেইন পরিচালিত।

    জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবেলার দৃঢ় প্রয়াসে, জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন, ইয়াং বাংলার সহযোগিতায়, রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় “Keep Your Environment Clean & Livable” শীর্ষক একটি সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান ও ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করেছে। স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ।
    রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলাধীন বেতবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দেশব্যাপী ইয়াং বাংলার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি। ক্যাম্পেইনটিতে কাউখালী এবং বেতবুনিয়া থেকে ২৫ জন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিলো, যা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী বিনির্মাণে সাহস জোগাবে।
    জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাজিদ-বিন-জাহিদ (মিকি), সাধারণ সম্পাদক সাইদা জান্নাত, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ ইমন এবং জীবন কাউখালী চ্যাপ্টারের সমন্বয়ক নুরুল হুদা নাহিদ সহ সম্মানিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে, আয়োজনটি জলবায়ু ঝুঁকি ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    বেতবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মোট ১৫টি নতুন চারা রোপণ করার পাশাপাশি চারাগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও তীব্র দাবদাহে এর সুচারু পরিচর্যা নিশ্চিত করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে আয়োজক সংগঠনটি।
    জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন একটি সবুজ, টেকসই ভবিষ্যত বিনির্মাণে সকল জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততাকে কাজে লাগাতে চায়।

     

  • মহিলা সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয়ী জাতীয় ফুটবল দলের পাহাড়ি কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    মহিলা সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয়ী জাতীয় ফুটবল দলের পাহাড়ি কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা আজ রাতে ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশীপ বিজয়ী জাতীয় ফুটবল দলের পাহাড়ি কৃতি ফুটবলারদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দর পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের মুল স্রোত ধারার সাথে সম্পৃক্ত রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজ করতে বদ্ধপরিকর। তিনি সরকারের উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, নতুন গঠিত জেলা পরিষদ ও অন্যান্য অফিস এ লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, আন্তর্জাতিক ফিফা রেফারী হিসেবে জয়া চাকমা, নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও রূপনা চাকমা প্রমাণ করে দেখালেন পার্বত্য চট্টগ্রামের মেয়েরা চেষ্টা করলে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা সম্ভব। তিনি পরবর্তিতেও এরকম কৃতি খেলোয়াড় গড়ে তোলার জন্য শিক্ষক ও স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড খেলাধুলা খাতের বরাদ্দ হতে নারীদের খেলাধুলার বিশেষ ট্রেনিং এর জন্য অর্থ বরাদ্দ আছে। তিনি আরও বলেন, রাঙ্গামাটি স্টেডিয়ামের পাশে নারী খেলোয়াড়দের জন্য হোস্টেল নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। রাঙ্গামাটিতে ৪০ একর জায়গা নিয়ে বিকেএসপি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে বলে জানান তিনি।

    অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের প্রথম ফিফা নারী রেফারি জয়া চাকমা, সাফ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪-এর বিজয়ী পাহাড়ি কৃতি নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও রূপনা চাকমা প্রত্যেককে ক্রেস্ট ও ২৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। পরে সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন উপদেষ্টা।

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) তুষার কান্তি চাকমার সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজ রাশিদা ফেরদৌস এনডিসি, মং রাজা সাচিং প্রু চৌধুরী, প্রকৌশলী কুবলেশ্বর চাকমা, প্রকৌশলী ক্যাসাচিং মারমা, প্রধান শিক্ষক বীরসেন চাকমা, নলিনী মোহন চাকমা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া বাংলাদেশের প্রথম ফিফা নারী রেফারি ও তিন পাহাড়ি নারী খেলোয়াড় তাদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ইলিরা দেওয়ান ও ভবেশ চাকমা। অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার সুধীজন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, যুগ্মসচিব কঙ্কন চাকমাসহ তিন জেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পার্বতাঞ্চলকে দেশের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব আপনাদের হাতে: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    পার্বতাঞ্চলকে দেশের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব আপনাদের হাতে: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

    গিরি সংবাদ-১৭ নভেম্বর, ২০২৪ খ্রি.ঢাকা,

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, বাংলাদেশের এক দশমাংশ মানুষ এখনও দেশের উন্নয়নের মূল স্রোতধারার সাথে পুরোপুরি সম্পৃক্ত হতে পারেনি। তাই এসমস্ত মানুষকে দেশের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার দায়িত্ব এখন আপনাদের হাতে।আজ রবিবার ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে পার্বত্য জেলা পরিষদের নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের জন্য আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) জনাব সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।

    উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা নবগঠিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আমরা পার্বত্যবাসীরা যে পিছিয়ে নেই তার প্রমাণ আপনারা দেশবাসীকে দেখাবেন। মানুষের উপকারে আসে, সমাজের উপকারে আসে মানবহিতৈসী এমন সব কাজে আপনাদের নিবেদিত হতে হবে। বাংলাদেশের এক দশমাংশ মানুষকে মেইনস্ট্রীমে অন্তর্ভুক্ত করার সকল কিছুই আপনাদের করতে হবে। সামাজিক কাজের পাশাপাশি আপনাদের সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার উপর কাজ করতে হবে। কফি, কাজু বাদাম চাষ, বাঁশ চাষ, ঝিড়ি, বন সংরক্ষণ করার পাশাপাশি নিজের এলাকায় কোয়ালিটি এডুকেশন গড়ে তুলতে হবে। আপনাদের একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা থাকতে হবে। আপনাদের কাজের মাধ্যমে তার রিফ্লেকশান আমাদের কাছে ভেসে ওঠবে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা অদ্বৈত বেদান্ত চিত্তে বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ২০২৪ সালের ৩৬ আগস্ট ছাত্র-জনতার সংগ্রামে যারা জড়িত থেকে নিহত হয়েছেন তাদের সকলের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে গঠিত হয়েছে। আমরা চাই পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্য। আমরা জাতীয় মূল স্রোতধারার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সমৃদ্ধি আনয়ন করবো। আমার বিশ্বাস আপনাদের সহযোগিতায় তা সম্ভব হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা।

    প্রথমেই নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেয়া হয়।

    উপদেষ্টা নবযোগদানকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ডকুমেন্টেশন, নিয়মানুবর্তিতা ও সুষ্ঠুভাবে কাজ পরিচালনা করার নিমিত্তে আপনাদের জন্য খুব শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

    নবযোগদানকৃত বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা তাদের অভিমত ব্যক্ত করেন।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রাশিদা ফেরদৌস এনডিসি, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব কঙ্কন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা, উপজাতি শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা বক্তব্য রাখেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যাবলি পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক।

  • আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের বিক্ষোভ-সমাবেশ

    আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের বিক্ষোভ-সমাবেশ

    ‘ফ্যাসিস্ট শাসনমুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম চাই’ শ্লোগানে নির্দলীয়, সৎ, যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কুদুকছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ।
    আজ ২০ নভেম্বর ২০২৪, বুধবার বেলা ২টার সময় কুদুকছড়ি নির্বাণপুর বনবিহার গেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বড় মহাপূরম উচ্চ বিদ্যালয় ফটকে সমাবেশে মিলিত হয়।
    এতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির নতুন জয় কার্বারীর সভাপতিত্বে ও পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল কার্বারীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনিল চন্দ্র চাকমা ও অর্থ সম্পাদক হরি কুমার কার্বারী।
    সমাবেশে অনিল চন্দ্র চাকমা বলেন, হাসিনার পতনের আন্দোলনে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ অত্যন্ত আশা নিয়ে অংশগ্রণ করলেও আপামর জনগণের আশা আকাঙ্কার প্রতিফলন ঘটেনি। অতীতের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো শাসন-শোষণ জারি রয়েছে।
    তিনি আরো বলেন, আমরা বর্তমান অন্তর্বীকালীন সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে পাহাড়-সমতলের সংখ্যালঘু জাতি থেকে একজন প্রতিনিধি রাখার আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার তাও আমলে নেয়নি।অনিল চন্দ্র চাকমা বলেন, সরকার বিচার ব্যবস্থা, সংবিধান সংস্কার থেকে শুরু করে নানা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কার্য পরিচালনা করছে। তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য জেলা পরিষদের পুনর্গঠন করা হয়। কিন্তু আঞ্চলিক পরিষদ গঠনের পর থেকে ২৫-২৬ বছর ধরে কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন হলেও আঞ্চলিক পরিষদে তা হয়নি। সন্তু লারমা অবৈধভাবে, অসাংবিধানিক ভাবে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারে রয়েছেন। আজ পর্যন্ত আঞ্চলিক পরিষদের যে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ তার কোন হিসাব বা জবাবদিহিতা নেই। এ পরিষদের মাধ্যমে কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে কিনা তাও আমরা জানি না। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক আঞ্চলিক পরিষদ চাই।#

  • আগামীর বাংলাদেশ কেমন চায় রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    আগামীর বাংলাদেশ কেমন চায় রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

     

    দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা হবে প্রযুক্তি নির্ভর। মানুষের মুক্ত চিন্তায় থাকবেনা কোনো বাধা এমন একটা সুন্দর দেশ চায় রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকালের ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে নিজেদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো: কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, রাজু আহমেদ, রাঙামাটি ছাত্র দলের সভাপতি সাব্বির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আলি আকবর সুমনসহ অন্যান্যরা। কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, দেশ নায়ক তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় শিক্ষার্থীরা কেমন দেশ চায় বিষয়ক আমাদের এ কর্মসূচির। আমরা শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়ার কথা দেশ নায়ক তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করবো। কর্মসূচির আগে রাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপন করা হয়।