Author: kamal kamal

  • সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

    সাংবাদিকদের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব

    ভোলায় সাংবাদিক রাজিব ও বিজয়ের উপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্তরা এসপি‘র আশ্রয়ে থেকেও রেহাই পেলো না। র‌্যাব সদস্যরা আজ রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলাকারী তিন আসামিকে গ্রেফতারে সক্ষম হয়েছে। র‌্যাবের আন্তরিকতাপূর্ণ টানা অভিযানের ঘটনায় ভোলার সাংবাদিকরা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    গত ৪ মার্চ ভোলা জেলা শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা দৈনিক ভোলা টাইমস এর প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ওরফে রাজিব ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ভোলা প্রকাশ-এর সম্পাদক বিজয় বাইনের উপর নির্মম হামলা চালায়। এ ব্যাপারে সদর থানায় মামলা দায়ের করার পরও পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেফতারের ব্যাপারে কোনরকম ভূমিকা নেননি। উপরন্তু ভোলা জেলার পুলিশ সুপার শরীফুল ইসলাম ওই আসামিদের নিয়ে দফায় দফায় চা চক্রে মিলিত হন বলেও অভিযোগ উঠে। বিষয়টি ছড়িয়ে পড়তেই উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে মাঠে নামে র‌্যাব বাহিনী। তারা শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন স্থানে টানা অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছে র‌্যাব। #

  • কাউখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সেশন 

    কাউখালীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতামূলক সেশন 

    পার্বত্য রাঙামাটির কাউখালী উপজেলাধীন টি. এন. টি সংলগ্ন হাসপাতাল রোডে অবস্থিত “কাউখালী আল হেরা মহিলা মাদ্রাসা হেফজ ও এতিমখানা”-এর শিক্ষার্থীদের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ ও মাসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা করেছে জীবন কাউখালী চ্যাপটারের সদস্যরা।

    সেশনে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে মাসিককালীন স্বাস্থ্য পরিচর্যার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং নিরাপদ মাসিকবান্ধব স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করা হয়।

    জীবন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন-এর “Pad For Purpose” প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাসিকবান্ধব টয়লেট নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ডিগনিটি বক্স বিতরণ করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে কেন্দ্র করে এবারের কর্মসূচি পরিচালনা করেন কাউখালী উপজেলার জীবনের সদস্যরা।

    সেশনে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার মুহতামীম মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, শিক্ষা পরিচালক হাফেজ মোহাম্মদ ফয়সাল ইসলাম সাকিব এবং শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আব্দুল আজিজ মহোদয়।

    জীবন কাউখালী চ্যাপটারের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নুরুল হুদা নাহিদ-এর নেতৃত্বে পরিচালিত কর্মসূচিতে সংগঠনের নারী সদস্য কুলছুমা আক্তার, দিসা মারমা এবং আবিদা সুলতানা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

    এই উদ্যোগ মাসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকদের বিশ্বাস। #

  • রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের আস্তানার সন্ধান; সেনাবাহিনীর প্রেস ব্রিফিং

    রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের আস্তানার সন্ধান; সেনাবাহিনীর প্রেস ব্রিফিং

    রাঙামাটির কাউখালি উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) (মূল) এর গোপন আস্তানা থেকে অভিযান চালিয়ে গোলাবারুদসহ বিভিন্ন সরঞ্জামাদি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার সকালে এই অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার বিকেলে রাঙামাটি সেনা জোনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন রাঙামাটি সদর সেনা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্ণেল মুহাম্মদ জুনাঈদ উদ্দীন শাহ চৌধুরী।

    তিনি বলেন, শুক্রবার ভোরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাঙামাটি জেলার কাউখালি এলাকায় ইউপিডিএফ (মূল) এর বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাঙামাটি সদর সেনা জোন।

    অভিযানের সময় সেনাবাহিনী ইউপিডিএফ (মূল) সদস্যদের একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায়। সেনা সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রæত পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে আস্তানা থেকে তাদের ব্যবহৃত একটি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি বাইনোকুলার, কয়েকটি ওয়াকি-টকি সেট, একটি হার্ডডিস্ক, ইউনিফর্ম ও চাঁদা আদায়ের রশিদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, সেনাবাহিনী অভিযান শেষ করে ফেরার পথে ইউপিডিএফ একদল নারী ও শিশু দিয়ে পথরোধ করার চেষ্টা করে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করলে তারা পথ ছেড়ে চলে যায়। 

    এদিকে ওই এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছে সেনা ও আইনশৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করার আহবান জানানো হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো তথ্য বা গতিবিধি নজরে এলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এই ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ মাহমুদ খান বলেন, কাউখালী থানাধীন এলাকা থেকে এইসব মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এই বিষয়ে কাউখালী থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।

    উল্লেখ্য যে, কিছু দিন আগে কয়েকটি পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠনের অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিবিধ চালান পাশ^বর্তী দেশে সেই দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আটক করে। যা পরবর্তীতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। পাহাড়ের শান্তি বিনষ্টকারী এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি প্রদানকারী সকল কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান চলমান থাকবে বলে জানানো হয়। #

  • রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের সাথে যবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের সাক্ষাৎ ও ক্যাম্পাস পরিদর্শন

    রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের সাথে যবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরের সাক্ষাৎ ও ক্যাম্পাস পরিদর্শন

    আজ ৬ই মার্চ ২০২৫ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের সভা কক্ষে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমানের সাথে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মজিদ সাক্ষাৎ করেন।

    এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডীন, প্রকল্প পরিচালক(ভা.), বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, হলের প্রভোস্টবৃন্দ ও বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর-প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

    রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যবিপ্রবি’র ভিসির আগমন ও পরিদর্শন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ঘটনা। এই পরিদর্শন উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নতি ও প্রযুক্তিগত গবেষণা প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে। এই পরিদর্শনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি করা, যা উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। ইতোমধ্যে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে যা শীঘ্রই ফলপ্রসূ রূপ গ্রহণ করবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর আওতায় সাংস্কৃতিক-শিক্ষা ও ল্যাব-প্রযুক্তিগত বিষয়াদি গুরুত্ব পাবে।

    যবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলরকে রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থাপনা  ঘুরে দেখান। রাবিপ্রবি’র মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে তিনি মুগ্ধ হন এবং রাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক সম্প্রতি গৃহীত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেন ও প্রশংসা করেন  এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সুবিধা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে  ভিসি মহোদয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষকদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সমস্যাবলী সম্পর্কে অবগত হন। একই সাথে তিনি উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    যবিপ্রবি’র ভিসি মহোদয়ের এই পরিদর্শন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও গবেষণায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতার এক অনন্য ধারা সূচনা করল বলে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আতিয়ার রহমান মন্তব্য করেন। এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নতুন বাংলাদেশের উন্নতির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।#

  • ভারতীয় ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের সিগারেট উদ্ধার : বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ আটক ৪

    ভারতীয় ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের সিগারেট উদ্ধার : বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ আটক ৪

    অবৈধ ভারতীয় ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ১০ হাজার শলাকা “অরিস ও মন্ড” সিগারেট জব্দ করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। এ ঘটনায় বাড়ির মালিকসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় কাউখালী উপজেলার বেতছড়ি গুচ্ছগ্রাম এলাকার একটি বাড়ী থেকে এসব সিগারেটর আটক করে নিরাপত্তাবাহিনীর একটি দল। এসময় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৩ জন ও বাড়ীর মালিককে আটক করা হয়।

    নিরাপত্তাবাহিনীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়,অদ্য ০৬ মার্চ ২০২৫ তারিখ আনুমানিক ০৭০০ ঘটিকায় সুর্নিদিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিএ-৮৯০৫ মেজর মোঃ মিনহাজুল আবেদীন এর নেতৃত্বে ১০সি টাইপ পেট্রোল কাউখালী আর্মি ক্যাম্প হতে বেতবুনিয়া এলাকায় গমন করে। উক্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে (১৩ কার্টুন/ ৩,১০,০০০ পিস) অবৈধ “ওরিস ও মন্ড “সিগারেট উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য মোট ৬২,০০,০০০.০০ টাকা।  এসময় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয় ৪ জনকে। এছাড়া ঘটনার সাথে জড়িত মো. নজরুল সহ আরও ২ জন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    আটককৃতরা হলেন- উপজেলা যুবদলের বহিস্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন (৩৮), উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. ইসমাইল ৩৫), তাঁতীদল নেতা রিপন মিয়া (৩৪) ও বাড়ীর মালিক সামশুদ্দিন (৭০)।

    আটককৃত বাড়ীর মালিক সামশুদ্দিন এর ছেলে হান্নান জানান- আব্বা বাজারে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হলে রাস্তার পাশে কয়েকটি বস্তা সহ আটককৃতদের দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করে এগুলো কি। পরক্ষনে তারা উত্তর দেয় শীতের কম্বল। আব্বা কম্বল গুলো রাস্তার পাশে ফেলে না রেখে ঘরে রাখতে বলে বড়ই বিক্রি করতে বাজারে চলে যায়। পরবর্তীতে আর্মি বাড়ীতে আসলে জানতে পারে, এগুলো ভারতীয় সিগারেট। বাড়ীতে সিগারেট পাওয়ায় আব্বাকে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

    কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সোহাগ জানান- ৬২ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ১০ হাজার শলাকা অরিস ও মন্ড সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাড়ীর মালিক সহ ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকৃতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলমান। এর সাথে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানানা তিনি।

    কাউখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব মেম্বার জানান- আটককৃত সেলিম, ইসমাইল ও রিপনকে বিভিন্ন অপকর্মের জড়িত থাকার অপরাধে দল থেকে অনেক আগেই বহিস্কার করা হয়েছে। এরা দলের কেউ না।

    সেনাবাহিনীর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় যে, উদ্ধারকৃত অবৈধ সিগারেট পরবর্তীতে কাউখালী থানার প্রতিনিধির নিকট হস্তান্তর করা হয়। রাঙ্গামাটি জোন কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনীর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।  অব্যাহত এ সকল অভিযান পরিচালনার ফলে নিরীহ জনমনে স্বস্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে। #

  • ২০০ শতাধিক ইমাম -মুয়াজ্জিনের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ইফা রাঙ্গামাটির

    ২০০ শতাধিক ইমাম -মুয়াজ্জিনের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ইফা রাঙ্গামাটির

    রাঙ্গামাটিতে দুই শতাধিক ইমাম ও মুয়াজ্জিনগনের মাঝে  ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

    আজ ৬ই মার্চ ২০২৫ ইং রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় নিউ কোট  বিল্ডিং মসজিদে (কালেক্টর জামে মসজিদ) দোতলায় দুই শতাধিক ইমাম ও মুয়াজ্জিনগন কে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ইফা।

    উক্ত ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হাবিব উল্লাহ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাঙ্গামাটি ।

    এছাড়া এ অনুষ্টানে বিশেষ অথিতি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক রুহুল আমিন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি উপ-পরিচালক ইকবাল বাহার চৌধুরী,ফিল্ড অফিসার আলী আহসান ভুঁইয়া,  পেয়ার আহমদ , কেয়ারটেকার মো:  আলমগীর হোসেন প্রমুখ। ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের তত্বাবধানে ও জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।#

  • ভোলায় প্রশ্ন “সাংবাদিক নির্যাতনকারীদের সঙ্গে  বেয়াদব এসপির কীসের পীড়িতি?”

    ভোলায় প্রশ্ন “সাংবাদিক নির্যাতনকারীদের সঙ্গে বেয়াদব এসপির কীসের পীড়িতি?”

    ভোলার পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ শরীফুল হককে সাধারণ ও স্বাভাবিক মানুষ ভেবে কেউ ভুল করবেন না। ফ্যাসিস্ট সরকারের গুড লিস্টেড পুলিশ অফিসার হিসেবে তার ক্রমিক নাম্বার ৩১। জুলাই-আগস্টের বিপ্লব পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের কোথাও তাকে পদায়ন করা সম্ভব হচ্ছিল না-আবার ওই সময়ের কর্মস্থল সিরাজগঞ্জ ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) হিসেবে বহাল রাখাও ছিল চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এ অবস্থায় ৩ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ তড়িঘড়ি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শরীফুল হককে দ্বীপ জেলা ভোলার পুলিশ সুপার পদে নিয়োগ দিয়ে দুই কুলই রক্ষা করতে সক্ষম হয়।

    ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার গ্রামীণ মহল্লার বাসিন্দা বহুল বিতর্কিত এই পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরীফুল হক বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচের সদস্য। পুলিশে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই দুর্ব্যবহার, অনৈতিক কর্মকাণ্ড, শৃঙ্খলা ভঙ্গের অসংখ্য ঘটনার নায়ক শরীফুল হককে বারবার সতর্ক করেও ভালো বানানো যায়নি। যেখানেই তাকে পদায়ন করা হতো সেখানেই গ্রুপিং, লবিং, সংগঠন, সমিতি বানিয়ে হযবরল পরিস্থিতির সৃষ্টি করতেন তিনি। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে থাকাবস্থায় শরীফুল হক বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতি গঠন করে নানারকম অনুষ্ঠানের নামে বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ উঠে। ওই সমিতির তিনি স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক হয়েই জেলা জুড়ে তদবিরবাজী, কথিত অনুদান সংগ্রহের নামে লাখ লাখ টাকা পকেটস্থ করাসহ নিজস্ব দাপুটে বলয় গড়ে তোলেন।

    বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেয়নি পুলিশ সদর দপ্তর। ২০২০ সালের ১৮ জুন তাকে হটিয়ে দেওয়া হয় সিরাজগঞ্জে। সেখানে জনসম্পৃক্ততাহীন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট পদে পদায়ন করে অনেকটা নির্বাসনেই পাঠানো হয়। অনেক চেষ্টা-তদবির, কাঠখড় পুড়িয়েও শরীফুল হক ওই ট্রেনিং সেন্টারের খাঁচামুক্ত হতে পারছিলেন না। তবে গেল জুলাই-আগস্ট বিপ্লব পরবর্তী পরিস্থিতিতে সিরাজগঞ্জ রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠে। উত্তাল ছাত্র-জনতা তখন ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দালাল পুলিশ অফিসার ঘোষণা দিয়ে শরীফুল হককে শায়েস্তা করতে উদ্যত হয়। অবস্থা বেগতিক হয়ে পড়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ৩ সেপ্টেম্বর তড়িঘড়ি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ থেকে সরিয়ে নেয় তাকে, ১০ সেপ্টেম্বর পদায়ন করা হয় ভোলার পুলিশ সুপার হিসেবে।

    বিচ্ছিন্ন দ্বীপজেলা ভোলার মানুষজন শরীফুল হককে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নিলেও নিজের স্বভাব চরিত্র একটুও বদলাননি তিনি। সেখানে যোগদানের পর থেকেই পুলিশের মধ্যে অতিগোপনে  ıভক্ত গ্রুপ, আঞ্চলিক গ্রুপ, লীগ গ্রুপIJ ইত্যাদি নানা গ্রুপে বিভক্তি সৃষ্টির ভয়ংকর পাঁয়তারায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ রয়েছে। 

     

    সাংবাদিক নির্যাতনে ঘুমান এসপি, পুলিশের কিছুতে তুলকালাম

    তার ভক্ত ও লীগ গ্রুপের পুলিশ সদস্যদের সুরক্ষা দিতে এসপি সদা ব্যস্ত থাকেন। গত ৪ মার্চ রাতে এসআই জাফর, এএসআই কামরুল ইসলামসহ তিন পুলিশ সদস্য সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় ভোলার বোরহানউদ্দিনের পল্লীতে অভিযান চালিয়ে আকবার নামে এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে আটক করে। এসময় আকবারের সমর্থকরা পুলিশের উপর চড়াও হয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনায় রাতেই তুলকালাম বাধিয়ে দেন এসপি।  একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, দুই জন সহকারী পুলিশ সুপার, ছয় জন ইন্সপেক্টরসহ অর্ধশতাধিক পুলিশ ও ডিবি সদস্যকে পাঠিয়ে অভিযানের নামে অমানবিক বর্বরতা চালান। পুলিশের তাণ্ডবলীলায় কয়েক গ্রামের আতঙ্কিত পুরুষরা এলাকা ছেড়ে নৌকাযোগে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। তখন বাড়িঘরে হানা দিয়ে ঘুমন্ত শিশু, যুবক, বৃদ্ধ ১২ জনকে আটক করে অমানবিক নিষ্ঠুরতা চালানো হয়। তাদেরকে থানায় নিয়েও টানা ৫/৬ ঘণ্টা নির্যাতন চালিয়ে তবেই আদালতে পাঠানোর ঘটনা ঘটে।

    অথচ একইদিন (৪ মার্চ) প্রকাশ্য দিবালোকে জেলা শহরে দৈনিক ভোলা টাইমস পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজিব ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল ভোলা প্রকাশের সম্পাদক বিজয় বাইন দুর্বৃত্তদের নির্মম হামলায় গুরুতর আহত হলেও পুলিশ সুপার সেদিকে ফিরেও তাকাননি। এ ব্যাপারে ভোলা সদর থানায় চার অভিযুক্তের নাম উল্লেখ করে মামলা রুজু করা হলেও তাদের গ্রেফতারে বাধা দিচ্ছেন খোদ এসপি। শুধু তাই নয়, মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিরা গত রাতেও এসপির সঙ্গে চা চক্রে মিলিত হওয়ার গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব নিয়ে ক্ষোভ-প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভোলা, সেখানকার সাংবাদিকরা আজ মানববন্ধনও করেছেন। এ ব্যাপারে ঢাকার সাংবাদিক নেতারা যোগাযোগ করলে এসপি শরীফুল হক চরম দুর্ব্যবহার করেন এবং মামলা হলেই আসামি গ্রেফতারের বিধান নেই বলে মন্তব্য করেন। ভোলায় এখন প্রশ্ন উঠেছে, “সাংবাদিক-সম্পাদকদের উপর হামলাকারীদের সঙ্গে বেয়াদব এসপি শরীফুলরে কীসের পীড়িতি?”#

     

     

  • রাঙামাটি শহরে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের উদ্যেগ জেলা প্রসাশনের

    রাঙামাটি শহরে সুলভ মূল্যে পণ্য বিক্রয়ের উদ্যেগ জেলা প্রসাশনের

    পবিত্র রমজান  উপলক্ষে কোনো প্রকার কার্ড ছাড়াই সুলভ মূল্যে পণ্য ক্রয়ের বিশেষ সুবিধা চালু করেছে রাঙামাটি জেলাপ্রশাসন।

    আজ ৫মার্চ বুধবার থেকে রাঙামাটি শহরের ৫টি পয়েন্টে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ট্রাকে করে বিক্রি করা এই পণ্য সামগ্রী প্রতিটি পয়েন্ট থেকে প্রথম ৪শ’ জন ভোক্তা এনআইডি বা টিসিবি কার্ড ছাড়াই ক্রয় করতে পারবেন।

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে চালু হওয়া ‘টিসিবির ট্রাকসেল’ শিরোনামের এই বিশেষ কর্মসূচি ৫মার্চ বুধবার থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত শুক্র-শনিবার ব্যতিত প্রতিদিন চালু থাকবে। প্রায় অর্ধেক দামে পাওয়া যাবে  এসব পন্য।
    প্রাথমিকভাবে ক) গীতাশ্রম কলোনি এলাকা, খ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা, গ) শহিদ আব্দুল আলী মাঠ, ঘ) আনন্দ বিহার এলাকা ও ঙ) তবলছড়ি এডিসি হিল এলাকায়  সকাল থেকে পণ্যসহ ট্রাক ক্রেতা অপেক্ষায় থাকবে। পরে ভোক্তাদের চাহিদা বিবেচনা করে বিক্রয় পয়েন্ট আরো ১৫টি স্থানে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জেলাপ্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে।

    ট্রাকে এসব পণ্য প্যাকেজ আকারে বিক্রি করা হবে। প্রতি প্যাকেজে থাকবে ২ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি চিনি এবং ১ কেজি ছোলা। তবে প্যাকেজ ব্যতীত আলাদাভাবে কোনো পণ্য বিক্রি করা হবে না। প্রতিটি প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ৪০০ টাকা। #

  • চকবাজার থানার ওসির গ্রামের বাড়িতে  গুলি বর্ষণ করে  গরু লুট

    চকবাজার থানার ওসির গ্রামের বাড়িতে গুলি বর্ষণ করে গরু লুট

    রাত সোয়া একটা। সড়কে দাঁড়ানো কাটা পিকআপ। ১০০ ফুট দূরত্বে গরুর খামার ও পাকা বসতবাড়ি। মালিক আধো ঘুমে আঁচ করতে পারেন গরুর খামারের দরজা খোলা। বের হয়ে যখনই খামারের পাশে গেলেন গরু ডাকাতেরা বাতি জ্বালিয়ে পরপর দুটি গুলি ছুঁড়েন। তখনই গরু মালিক বাড়িতে ঢুকে নিরাপদে আশ্রয় নেন। ডাকাতেরা খামার থেকে চারটি গরু বের করে ১০০ ফুট দূরত্বে দাঁড় করিয়ে রাখা পিকআপে তুলে নেন। তবে তিনটি গরু তুলতে পারলেও ছোট একটি গরু পিকআপে তুলতে না পেরে ফেলে চলে যান ডাকাতেরা। গুলি ছোঁড়ার কারণে নিঃসংকোচে এবং বিনা বাধায় ডাকাতি শেষ করেন ডাকাতেরা।

    রোববার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে পেকুয়া-বরইতলী সড়কের হাজীরঘোনা ব্রিজ (সালাহউদ্দিন ব্রিজ নামে পরিচিত) এলাকায় মাস্টার আহমদ কবিরের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মাস্টার আহমদ কবিরের ছেলে মনিরুল কবির রাশেদ গরুগুলো লালনপালন করতেন। তাঁর বড়ভাই জাহেদুল কবির চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার থানার ওসি। ঘটনার পর পেকুয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    গরুর মালিক মনিরুল কবির রাশেদ বলেন, ডাকাতির পর গরুভর্তি পিকআপটি চকরিয়ার বরইতলী রাস্তার মাথার দিকে চলে গেছে।

    অনেকে ধারণা করছেন, সম্প্রতি ওসি জাহেদুল কবির চকবাজার থানাধীন এলাকা থেকে চকরিয়ার সাহারবিলের ইউপি চেয়ারম্যান নবী হোছাইনকে গ্রেপ্তার করেছেন। এই ক্ষোভ থেকে গরু ডাকাতেরা ওসির গ্রামের বাড়ির গরু লুট করেছে কিনা খতিয়ে দেখতে দাবি করেছেন স্থানীয় লোকজন। #

  • রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার তদারকিতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।

    রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার তদারকিতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আজ ৩ মার্চ ২০২৫ খ্রি. জেলার রিজার্ভ বাজার, বনরূপা বাজার ও তবলছড়ি বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

    বাজার মনিটরিং কার্যক্রম চলাকালে সংশ্লিষ্ট বাজার কমিটির সদস্য, জেলা পুলিশের সদস্য, কৃষি বিপণন বিভাগের কর্মকর্তা এবং পৌরসভার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং কোন অসাধু ব্যবসায়ী যেন বাজার অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

    রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। যদি কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা মজুতদারির মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #