Logo
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে ইউএনডিপি ও বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ৩১ দফার মাধ্যমে দেশে শান্তি ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা হবে — পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান অপরাধ দমনে কোনো ছাড় নয়, দলমত নির্বিশেষে জিরো টলারেন্স: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল রাঙামাটির সীমান্তে জ্বালানি তেল পাচার রোধে ৫৪ বিজিবির টহল ও তল্লাশি জোরদার। অমর একুশে বইমেলায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান: বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন রাঙামাটিতে সাংবাদিক জামাল উদ্দীনের ১৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত রাঙামাটি জার্নালিস্ট নেটওর্য়াকে সম্মেলন। সভাপতি ফাতেমা জান্নাত মুমু ও সাধারণ সম্পাদক বিনয় চাকমা —– কক্সবাজারে এক মেয়ে পিতৃপরিচয় চাইতে কারাগারে পাঠাল ইউএনও। বাঘাইছড়িতে তেলের তেলেসমাতী শুরু: প্রতি লিটারে দাম বৃদ্ধি ৩টাকা। শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের অর্থ লোপাটের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দূনীর্তিতে কারো ছাড় নেই।…. পার্বত্যমন্ত্রী

আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের বিক্ষোভ-সমাবেশ

বিশেষ প্রতিনিধি(গিরি সংবাদ) / ১৪৩ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৪

‘ফ্যাসিস্ট শাসনমুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম চাই’ শ্লোগানে নির্দলীয়, সৎ, যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ পুনর্গঠনের দাবিতে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার কুদুকছড়িতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ।
আজ ২০ নভেম্বর ২০২৪, বুধবার বেলা ২টার সময় কুদুকছড়ি নির্বাণপুর বনবিহার গেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে বড় মহাপূরম উচ্চ বিদ্যালয় ফটকে সমাবেশে মিলিত হয়।
এতে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির নতুন জয় কার্বারীর সভাপতিত্বে ও পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল কার্বারীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অনিল চন্দ্র চাকমা ও অর্থ সম্পাদক হরি কুমার কার্বারী।
সমাবেশে অনিল চন্দ্র চাকমা বলেন, হাসিনার পতনের আন্দোলনে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ অত্যন্ত আশা নিয়ে অংশগ্রণ করলেও আপামর জনগণের আশা আকাঙ্কার প্রতিফলন ঘটেনি। অতীতের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো শাসন-শোষণ জারি রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা বর্তমান অন্তর্বীকালীন সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিটিতে পাহাড়-সমতলের সংখ্যালঘু জাতি থেকে একজন প্রতিনিধি রাখার আহ্বান জানিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার তাও আমলে নেয়নি।অনিল চন্দ্র চাকমা বলেন, সরকার বিচার ব্যবস্থা, সংবিধান সংস্কার থেকে শুরু করে নানা প্রতিষ্ঠানের সংস্কার কার্য পরিচালনা করছে। তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য জেলা পরিষদের পুনর্গঠন করা হয়। কিন্তু আঞ্চলিক পরিষদ গঠনের পর থেকে ২৫-২৬ বছর ধরে কোন পরিবর্তন হয়নি। সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন হলেও আঞ্চলিক পরিষদে তা হয়নি। সন্তু লারমা অবৈধভাবে, অসাংবিধানিক ভাবে আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারে রয়েছেন। আজ পর্যন্ত আঞ্চলিক পরিষদের যে কোটি কোটি টাকার বরাদ্দ তার কোন হিসাব বা জবাবদিহিতা নেই। এ পরিষদের মাধ্যমে কোন উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে কিনা তাও আমরা জানি না। আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক আঞ্চলিক পরিষদ চাই।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ