Logo
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসনবিধি ১৯০০ বাতিল সহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি ১৮০ দিনের কর্মসূচির দৃশ্যমান অগ্রগতির তাগিদ দিলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বাজার মনিটরিং ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর বাংলার রাজনীতিতে এসেছে নান্দনিক পরিবর্তন পার্বত্যাঞ্চলে বৈষম্যহীন সুষম উন্নয়নের অঙ্গীকার মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের চারণ সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমেদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা ও দোয়া ইফতার মাহফিল রোজার মাসে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিসি এসপিদের তৎপর থাকার বিশেষ নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর সিআরএ’র পক্ষ থেকে মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি ও ভাষা শহীদদের ‍প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিশ্বমানের ইকোট্যুরিজম স্পটে পরিণত করা হবে: মীর হেলাল রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের চেষ্টা,নিরাপত্তা চাইলেন ভুক্তভোগী পরিবার

পাবনা জেলাপরিষদের চেয়ারম্যান পাকন এর অপকর্মের ফিরিস্তি

বিশেষ প্রতিনিধি(গিরি সংবাদ) পাবনা / ৩১৮ বার দেখা হয়েছে
শেষ আপডেট : সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪

২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকল্পের নামে পাবনা জেলা পরিষদের সরকারি তহবিল থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গং।
২০২২-‘২৩ অর্থ বছরে জেলা পরিষদ অফিস ভবনের সম্মুখে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এর সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ব্যয় করা হয়েছে ১৬ লাখ টাকা। চলতি অর্থ বছরে (২০২৩-‘২৪) শহরের চারতলা মোড়ে ও জুবলি ট্যাঙ্ক চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক নির্মাণ বাবদ খরচ করা হয়েছে ২৫ লাখ টাকা।
জেলার বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ছাউনি ও গণশৌচাগার নির্মাণ বাবদ ২০২২-‘২৩ খরচ করা হয়েছে ৪০ লাখ টাকা। উল্লেখ্য গণশৌচাগারগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মাত্র এক বছরেই। একই অর্থ বছরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭ টি পুকুর সংস্কার বাবাদ ব্যয় করা হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন বাবদ একই অর্থ বছরে খরচ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। কোথায়ও কোন ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড এখন আর অবশিষ্ট নেই। কাগজপত্রে ভুয়া টেন্ডার দেখিয়ে সাঁথিয়া উপজেলা সদরের অডিটোরিয়ামে কাম কমিউনিটি সেন্টার মেরামত বাবদ খরচ দেখানো হয়েছে ৩০ লাখ টাকা।
সঠিক ঠিকানা নেই এমন প্রকল্প দেখিয়ে একই অর্থ বছরে খরচ করা হয়েছে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০ টাকা। নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেলো সাঁথিয়া উপজেলার কিতাই এর বাড়ি থেকে বারেক মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত ২৪০ ফুট রাস্তা পাকাকরণে এই পরিমাণ টাকা খরচ করা হয়েছে। এটা কোন গ্রামে তার উল্লেখ নেই।
সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া রাস্তার প্যালাসাইডিং নির্মাণ বাবদ ব্যয় করা হয়েছে ১২ লাখ ১৫ হাজার টাকা। চাটমোহর উপজেলার পবাখালি দক্ষিণ পাড়া মসজিদের ছাদ মেরামতে খরচ করা হয়েছে ৮ লাখ টাকা। দেবোত্তর ডিগ্রি কলেজের গেট নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা। পাবনা পৌরসভা এলাকার রাধানগর ও সদর উপজেলার কিসমতপ্রতাপপুর ড্রেন ও রাস্তা নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৩০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ফরিদপুর উপজেলার বালুঘাটা ঈদগাঁ মাঠের গেট নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা।
২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকল্প দেখিয়ে ব্যয় করা হয়েছে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে জেলার বিভিন্ন স্থানে সোলার ল্যাম্প স্থাপন বাবদ ৩ লাখ টাকা এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ বাবদ ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য ব্যাটারিচালিত যানবাহন (বোরাক) বিতরণ ও নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ বাবদ ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ টাকা। বিভিন্ন স্থানে সাব-মারসিবল পাম্প স্থাপন বাবদ খরচ করা হয়েছে ৩৪ লাখ টাকা।
কাশিনাথপুর মোড়ে ফুলবাগান করার জন্য ব্যয় করা হয়েছে ৩ লাখ টাকা। উল্লেখ্য, সেখানে ফুল বাগানের কোন চিহ্ন নেই।
বৃক্ষ রোপন বাবদ ২০২২-‘২৩ এবং ২০২৩-‘২৪ অর্থ বছরে প্রায় আড়াই কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।
বিগত বছরগুলোতে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট করেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ