সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন

কর্ণফুলী পেপার মিলে অবৈধ বিদ্যুৎ, গ্যাস ব্যবহারে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান

কাপ্তাই প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

বিসিআইসির নিয়ন্ত্রিত চন্দ্রঘোনাস্থ কর্ণফুলী পেপার মিলের শ্রমিক-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য নির্মিত কোয়াটার গুলোতে অবৈধ ভাবে বসবাস করে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি ব্যবহার করায় প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান হচ্ছে। অবৈধ বসতিদের বিরুদ্ধে কেপিএমের বাসাবাড়ি ছেড়ে দিতে ইতিমধ্যে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে মিল সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, কর্ণফুলী পেপার মিলস লি: (কেপিএম) প্রতিষ্ঠার পর শ্রমিক-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য মিলের অভ্যন্তরে শতশত কোয়াটার ভবন ও কলোনী নির্মাণ করা হয়। এসব বাসাবাড়িতে কর্মরত স্টাফদের স্বল্পমূল্যে চুক্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়। কেপিএমে নানামুখী সংকট ও কাগজ উৎপাদন কমে গেলে কয়েক দফায় কেপিএম কর্তৃপক্ষ শতশত শ্রমিক-কর্মচারীকে শিল্পমন্ত্রানালয়ের আওতায় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানে অন্যত্র বদলী করা হয়েছে। কিন্তু বদলী হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করলেও কেপিএমে বরাদ্দকৃত বাসাবাড়ি ছেড়ে দেয়নি শতশত শ্রমিক-কর্মচারী। কেপিএমের নিয়ম না মেনে সেখানে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবার-পরিজন বসবাস করছেন বলে জানা গেছে। কেপিএমের ব্যবস্থাপনা সূত্রে জানা যায়, কর্ণফুলী পেপার মিলস লি: (কেপিএম) কর্মস্থল থেকে বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গেছে তাদের তালিকা করা হয়েছে। চলতি বছরের আগষ্টে অবৈধ ভাবে বসতি শ্রমিক-কর্মচারীদের বাসা ছেড়ে দিতে নোটিস প্রেরন করা হয়েছে। এসব অবৈধ বসতিরা গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহার করায় মিল কর্তৃপক্ষ প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা লোকসান গুনছে। এসব অবৈধ বসতিদের উচ্ছেদ করা গেলে মিলে লোকসান কমে আসবে বলে মিলের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।
কর্ণফুলী পেপার মিলের ওয়ার্কাস ইউনিয়নের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, কেপিএম থেকে অন্যত্র বদলী হওয়ার তিন মাস পর বাসা ছেড়ে দেওয়ার নিয়ম থাকলেও অনেকে তা মানছে না। অবৈধ ভাবে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবাহারের কারনে মিলে লোকসান হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ