সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৬:০৩ অপরাহ্ন

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক (গিরি সংবাদ)-১৭জুন-২০২১্ইং
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর মাসিক সভা ১৭ জুন,বৃহস্পতিবার সকালে পরিষদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী।

পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর, সদস্য প্রর্বতক চাকমা, সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, সদস্য বাদল চন্দ্র দে, সদস্য প্রিয়নন্দ চাকমা, সদস্য ঝর্ণা খীসা, সদস্য দিপ্তীময় তালুকদার, সদস্য অংসুইছাইন চৌধুরী, সদস্য আসমা বেগম, সদস্য সবির কুমার চাকমা, সদস্য নিউচিং মারমা, সদস্য আব্দুর রহিম, সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ নীতিশ চাকমা, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়––য়া, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদুল আলম চৌধুরী, জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনতোষ চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ নীতিশ চাকমা রাঙ্গামাটি জেলার করোনা পরিস্থিতির উপর সংক্ষিপ্ত বিবরণ সভায় উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, রাঙ্গামাটিতে সর্বশেষ (১৬ জুন পর্যন্ত) করোনা পজিটিভ আছেন ১৫৯৫জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫১৬জন। মোট মৃত্যু ১৯জন (সর্বশেষ মৃত্যু-১৬/০৬/২০২১ কাউখালী উপজেলার একজন ৬৮ বছরের নারী)। তিনি বলেন, ১ম ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ৩২৬০২ জন এবং ২য় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন ১৮৮৮১জন। তিনি সভাকে বলেন, রাঙ্গামাটিতে সংক্রমণের হার কিছুটা উর্ধমুখী। ৬ শতাংশের ওপরে বা ৬.৮১%। এ বছরের মার্চে সংক্রমণের হার ছিল ১০.৬১%, এপ্রিল মাসে ৭.৪৪%, মে মাসে ৫.২২% এবং জুন মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত ৬.৮১%। তিনি এ সভার মাধ্যমে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বলেন, রাঙ্গামাটি একটি পুরনো জেলা হিসাবে হাসপাতালে চিকিৎসার সকল সুযোগ সুবিধা থাকা দরকার। সকল বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হাসপাতালে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান নিশ্চিত এবং শূন ্যপদসমূহ পূরণের জন্য সিভিল সার্জনকে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া তিনি জুন মাসের মধ্যে কৃষি এবং আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে সদস্যদেরকে প্রকল্প গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, জেলার সকল এলাকায় যাতে পরিষদের উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছে সেদিকে লক্ষ্য রেখে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন বর্তমান পরিষদ সকল মানুষের উন্নয়নে সার্বিকভাবে সচেষ্ট থাকবে। #

এই বিভাগের আরো সংবাদ